• ই-পেপার

লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আইনি সহায়তা পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার কারাবন্দি

আইনি কাঠামোর মধ্যেই শেখ হাসিনার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে : আইনমন্ত্রী

মাগুরা প্রতিনিধি
আইনি কাঠামোর মধ্যেই শেখ হাসিনার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে : আইনমন্ত্রী
মাগুরা জেলা আইনজীবী সমিতি আয়োজিত মতবিনিময় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান এমপি বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা বলেছেন বাংলাদেশে যেকোনো সময় তিনি ঢুকতে পারেন। দিন-তারিখ দিচ্ছেন ডিসেম্বর। ভালো কথা, আমরা অপেক্ষায় আছি উনি আসবেন। কিন্তু আপনার আপিলের ডিলে কন্ডিশনের বিষয় খণ্ডাবেন কী করে একটু চিন্তা করেন।’

তিনি বলেন, ‘তার অন্যান্য মামলা আমরা বিচারের মুখোমুখি করেছি এবং তাকে আনার চেষ্টা করছি। এই বিচারকে ডিফেন্ট করার নির্দোষ প্রমাণ করার একটা অভলিগেশন তার রয়েছে আদালতের সামনে এসে। তাকে নিশ্চয়ই আইনি কাঠামোর মধ্যে যেভাবে আইনসংগতভাবে তার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায় আমরা সেটাই করব। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না।’

আজ রবিবার বিকেলে মাগুরা জেলা আইনজীবী সমিতি আয়োজিত মতবিনিময় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘ন্যায়বিচারের জায়গা, আমরা ন্যায়বিচার শুধু দেখানোর জন্য করছি না। আমরা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে আমরা কোনো শর্টকাট পথে যাইনি। আমরা তার কণ্ঠের ফরেনসিক করিয়েছি। আমরা চাই শেখ হাসিনা ফিরুক। আইনসংগতভাবে তাকে দণ্ড কার্যকর করার জন্য যে বিধান আছে আমরা সে বিধানের পথ ধরে হেঁটে যেতে চাই। এর বাইরে কোনো পথ আমাদের জানা নেই।’

তিনি বিচার বিভাগের উদ্দেশে বলেন, ‘আমার দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার, আইনের শাসন, মানুষের মুখে হাসি ধরে রাখা উন্নয়ন—সব কিছুর কেন্দ্র বিন্দুতে যাদের সব থেকে বেশি ভূমিকা রাখা দরকার, তাদের মধ্যে অন্যতম হলো বিচার বিভাগ। আপনারা যারা বিচার বিভাগে আছেন তারা ডিভাইন পাওয়ার এক্সাসাইজ করেন। আপনাদের ডিভাইন পাওয়ার দিয়ে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’

মাগুরার শিশু আছিয়া ধর্ষণ মামলা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘মাগুরা আমাদের সারা বাংলাদেশের শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদী মাইলফলক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলা। তার পথ ধরে রামিসার বিচার হয়েছে। আরো কিছু শিশু নির্যাতনের বিচার হয়েছে সংক্ষিপ্ত সময়ে।’ আছিয়ার মামলা খুব দ্রুত হাইকোর্টে বিচার নিষ্পত্তি হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। 

তিনি বলেন, ‘অন্যান্য মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য শিশুর প্রতি সহিংসতা ট্রাইব্যুনাল দমনের জন্য যে ট্রাইব্যুনাল করা হয়েছে, সেই ট্রাইব্যুনালে বিচারপ্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার জন্য বিশেষ জজ ও পিপি নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি।’

জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান, জেলা ও দায়রা জজ মিজানুর রহমান, জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বির আহমেদ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম, পুলশ সুপার মোল্যা মহাম্মদ আজাদ হোসেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক আলী আহমেদ, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহম্মদ হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহেদ হাসান টগর।

এর আগে জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে আইনমন্ত্রীকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

রাজধানীতে ছিনতাইয়ের পর কুপিয়ে হত্যা : ২১ বছর পর দুজনের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে ছিনতাইয়ের পর কুপিয়ে হত্যা : ২১ বছর পর দুজনের মৃত্যুদণ্ড

২১ বছর আগে রাজধানীর কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে শফিকুল আলম ওরফে শফিক নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই ছিনতাইকারীর মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (১৯ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. সোহেল রানা ওরফে কালু ও মো. নাজিম উদ্দিন ওরফে নজু। পাশাপাশি প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. খলিলুর রহমান (খলিল) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন, আসামিরা পেশাদার অপরাধী। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। ছিনতাই করতে গিয়ে একজন সম্ভাবনাময় শিক্ষিত যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাতের মাধ্যমে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে। তাই আসামিরা সর্বোচ্চ শাস্তি পাওয়ার হকদার।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০০৫ সালের ২২ জুন ভোর সোয়া ৪টার দিকে ভুক্তভোগী শফিক বগুড়া থেকে এসআর পরিবহনে ঢাকার কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডে নেমে তার বন্ধুর বাসায় যাওয়ার জন্য রওনা হন। এশিয়া সিনেমা হলের সম্মুখে পৌঁছলে ৩ জন আসামি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তার পথরোধ করে দাঁড়ায়। এরপর তারা তাদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ, মোবাইল জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার সময় ভিকটিমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরবর্তীতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভিকটিমের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. আকবর আলী বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় মামলাটি করেন।

মামলা দায়েরের পর আসামি সোহেল রানা ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরবর্তীতে সে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেয়। এরপর জামিন নিয়ে পালিয়ে যায়।

২০০৬ সালের ৫ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক মো. রেজাউল করিম আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। পরবর্তীতে আদালত একই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। বিচারকালে ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

মিটফোর্ডের সোহাগ হত্যা : ২১ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
মিটফোর্ডের সোহাগ হত্যা : ২১ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর পুরান ঢাকার মিটফোর্ড (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ) হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ (৩৯) হত্যা মামলায় ২১ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে। আগামী ২৭ জুলাই সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী এ এস এম শাহাদাৎ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, রোববার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে নির্ধারিত সাক্ষীরা আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ সম্ভব হয়নি। এদিন মামলার ৯ হাজতি আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে একই আদালত ২১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলায় বর্তমানে ৯ আসামি কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন মাহমুদ হাসান মাহিন ওরফে মাহমুদুল হাসান (মহিন), মো. তারেক রহমান রবিন, মো. টিটন গাজী, মো. আলমগীর, মো. মনির ওরফে লম্বা মনির, মো. নানু কাজী, মো. রিজওয়ান উদ্দীন ওরফে অভিজিৎ বসু, মো. জহিরুল ইসলাম ও মো. সাগর।

এ ছাড়া মো. রুমান ব্যাপারী, মো. আবির হোসেন ও মো. পারভেজ উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন। সম্প্রতি সজীব ব্যাপারীও জামিন পেয়েছেন।

মামলার আরো কয়েকজন আসামি পলাতক রয়েছেন। তারা হলেন জহিরুল, মো. ইমরান, মো. শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, মো. জিয়াউদ্দিন রাজীব, মো. হোসেন চৌকিদার, মো. সারোয়ার হোসেন টিটু, মো. মঙ্গল মিয়া ওরফে মনির হোসেন এবং অপু দাস।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ৯ জুলাই সন্ধ্যায় মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে একদল ব্যক্তি ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে এলোপাতাড়ি পাথর দিয়ে আঘাত ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

এ ঘটনায় পরদিন নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম কোতোয়ালি থানায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরো ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।

প্রায় ছয় মাস তদন্ত শেষে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর ২১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন কোতোয়ালি থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান। তবে তদন্তে ত্রুটি রয়েছে উল্লেখ করে আদালত পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন।

পরে চলতি বছরের ১০ মে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ পুনঃতদন্ত শেষে ২১ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

নিহত লাল চাঁদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারি ব্যবসা করতেন।

দুদকের মামলায় এস আলম-পি কে হালদারদের বিরুদ্ধে ১১ জনের সাক্ষ্য শেষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
দুদকের মামলায় এস আলম-পি কে হালদারদের বিরুদ্ধে ১১ জনের সাক্ষ্য শেষ

জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৩৪ কোটি ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ওরফে এস আলম, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লি.) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় ১১ জনের সাক্ষ্য হয়েছে।

রবিবার (১৯ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে সাক্ষী ফাস্ট ইসলামী সিকিউরিটি ব্যাংক পিএলসি-এর অ্যাসিস্টটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আসাদুল আজাদ জবানবন্দি দেন।

এরপর কারাগারে থাকা রাশেদুল হকের পক্ষে তার আইনজীবী নিয়াজ মোরশেদ তাকে জেরা শেষ করেন।

অপর আসামি নাহিদা রুনাইয়ের পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বাবুল বেপারী জেরা পেছাতে সময় আবেদন করেন। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে অবশিষ্ট জেরা ও তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যের দিন রেখেছেন ৯ অগাস্ট।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফ হোসেন জানান, এরআগে মামলাটিতে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। আজ একজন সাক্ষ্য দিলেন। সর্বশেষ সাক্ষী হিসেবে তদন্ত কর্মকর্তা সাক্ষ্য দেবেন। তার সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে মামলার সাক্ষ্য শেষ হবে।

গত ১৯ জানুয়ারি এস আলম, পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় একই আদালত।

অপর আসামিরা হলেন- এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লি. এর (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লি.) সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল, সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না এবং মারিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। 

আসামিদের মধ্যে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক কারাগারে আছেন। অপর আসামিরা পলাতক রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারির মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। ওইদিন সাক্ষ্য দেন মামলার বাদী দুদকের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবিল হক। এরপর ২২ জুন ৫ জন ও ৮ জুলাই আরও ৪ জন সাক্ষ্য দেন। এখন পর্যন্ত অভিযোগপত্রের ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালের ৮ আগস্ট নামসর্বস্ব এ এম ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৪ কোটি টাকার একটি মেয়াদি ঋণ অনুমোদন ও ২০১৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বিতরণের অভিযোগ আনা হয়। এই টাকা এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় গত বছরের ২ জুলাই দুদকের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে ১৬ অক্টোবর তাহাসিন মুনাবীন হক অভিযোগপত্র দাখিল করেন।