সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম পরিচালনায় বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা বা থানা পর্যায়ের কমিটিতে সদস্য হিসেবে দুজন ‘গণ্যমান্য ব্যক্তির’ পরিবর্তে দুজন ‘বিদ্যোৎসাহী বা শিক্ষানুরাগীকে’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আর জাতীয় পর্যায়ের কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে। এ দায়িত্ব আগে ছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের। গত বৃহস্পতিবার এসব পরিবর্তন এনে আগের প্রজ্ঞাপনটি সংশোধন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
নাম প্রকাশ না করে একজন কর্মকর্তা বলেন, বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা বা থানা পর্যায়ের কমিটির সদস্য হিসেবে ‘গণ্যমান্য ব্যক্তি’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছিল, তা স্পষ্ট করতেই সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে এ পরিবর্তন আনা হয়েছে।
সংশোধিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষক বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তির জন্য গঠিত কমিটির সভাপতি হবেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয় অধিশাখার যুগ্ম সচিব এ কমিটির সদস্য এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি ও অপারেশন শাখার পরিচালক এ কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
আগের প্রজ্ঞাপনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের নেতৃত্বে গঠিত এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। সদস্যসচিব ছিলেন মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয় অধিশাখার অতিরিক্ত সচিব।
সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে আবেদন যাচাই-বাছাইসহ বদলির চূড়ান্ত তালিকা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।


