মানি লন্ডারিং মামলায় বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কসের মালিক মো. খায়রুল বাশার বাহারের প্রায় ৩৩ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডির) আবেদনের পর ঢাকার একটি আদালত এ আদেশ দেন বলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে সিআইডি।
সেখানে বলা হয়েছে, বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কসের মালিক মো. খায়রুল বাশার বাহার ও তাঁর সহযোগীরা পারস্পরিক যোগসাজশে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের আমেরিকা, কানাডাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষার জন্য স্বল্প খরচে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রেরণের চটকদার বিজ্ঞাপন দেখিয়ে তাঁদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন।
প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে অনুসন্ধানকালে প্রাথমিক সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়ায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ৪ মে গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়।
২০২৫ সালের ১৪ জুলাই খায়রুল বাশারকে মানি লন্ডারিং মামলায় ধানমণ্ডি এলাকা থেকে সিআইডির ফিন্যানশিয়াল ক্রাইম ইউনিট গ্রেপ্তার করে।
সিআইডি জানায়, মামলাটির প্রাথমিক তদন্তকালে জনা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত অপরাধলব্ধ অর্থ দিয়ে প্রথম স্ত্রীর নামে রাজধানীর ভাটারা এলাকায় একটি ফ্ল্যাট, দ্বিতীয় স্ত্রী কানিজ ফাতেমার নামে শেলটেক বীথিকা প্রকল্পে একটি ফ্ল্যাট ও নিজ নামে রাজাবাজার এলাকায় দুটি ফ্ল্যাট এবং রাজধানীর আজিজ সড়কে জি+সাততলা ও জি+ছয়তলা বিশিষ্ট দুটি বাড়িসহ তাঁর নিজ নামে ও প্রতিষ্ঠানের নামে মোট ৩৪৮২.৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। যার দলিল মূল্য প্রায় ৩৩ কোটি টাকা। সিআইডির ফিন্যানশিয়াল ক্রাইম ইউনিটের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত আসামির নামে থাকা এই স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ প্রদান করেছেন।