• ই-পেপার

অনিরাপদ সড়কে অসহায় পথচারী

উক্তি

উক্তি

রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে এগিয়ে দেওয়া আর কাউকে ফেলে রাখা মানবতার ওপর আঘাত।

রুহুল কবীর রিজভী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা

চরাঞ্চলের শিশুরা তাই দল বেঁধে খেলায় মেতে ওঠে

চরাঞ্চলের শিশুরা তাই দল বেঁধে খেলায় মেতে ওঠে
তিস্তাপারের চারদিকে থইথই পানি। গতকাল স্কুল ছিল বন্ধ। চরাঞ্চলের শিশুরা তাই দল বেঁধে খেলায় মেতে ওঠে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধে। রংপুরের গঙ্গাচড়ার কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিনবিনা এলাকা থেকে তোলা। ছবি : আসাদুজ্জামান

জর্দানে ইরানের হামলায় ২ মার্কিন সেনা নিহত আহত ৪, নিখোঁজ ১

ইরান বলছে, সমঝোতা স্মারকটি শেষ হয়ে গেছে ট্রাম্পের মাথার দাম ১২৩ কোটি টাকা ঘোষণা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
জর্দানে ইরানের হামলায় ২ মার্কিন সেনা নিহত আহত ৪, নিখোঁজ ১

জর্দানে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে আরো ২১টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। এর মধ্যে জর্দানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের দুই সেনা নিহত হয়েছেন। অন্য চার মার্কিন সেনা আহত এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন।

গতকাল শনিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার মধ্যে গত মার্চের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন সেনার মৃত্যু হলো।

সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানায়, জর্দানে ইরান ও তার মিত্র বাহিনীর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার সময় গত ১৭ জুলাই দুজন মার্কিন সেনা নিহত হন, আরো একজন সেনা সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। আহত অন্য চার মার্কিন সেনাকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সামান্য আঘাত পাওয়া আরো কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। নিহত সেনাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ইরানের সেনাবাহিনী জানায়, তারা জর্দানের আজরাক বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা এবং জ্বালানি সংরক্ষণাগারে হামলা করেছে। তবে এ হামলার বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন কিংবা সেন্টকম কোনো মন্তব্য করেনি।

এদিকে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে তারা আরো বড় ধরনের জবাব দেবে। একই সময়ে ভারত মহাসাগরে একটি মার্কিন জাহাজে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের সেনাবাহিনী।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র দুটি সুস্পষ্ট টার্গেট নিয়ে ইরানে ভয়াবহ হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশটি দখলের কোনো পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের রয়েছে, এমনটা ভাবছেন না বিশেষজ্ঞরাও। ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট এবং হাডসন ইনস্টিটিউটের সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র এখন আর শুধু কোনো হামলার প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছে না, বরং তারা সুপরিকল্পিতভাবে ইরানের সামরিক অবকাঠামো এবং হরমুজ প্রণালিতে দেশটির নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দিতে কাজ করছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি এই যুদ্ধের কারণে মার্কিন জনগণের মধ্যে বাইডেন বা ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি অসন্তোষ বাড়ছে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির জন্য তাঁরা এই যুদ্ধকে দায়ী করছেন।

ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশন, সিএসআইএস এবং অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের মতো শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা এবং সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘাতের পরিণতি অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। সামরিক ও ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ইরানকে সম্পূর্ণ দখল বা নিয়ন্ত্রণ করা কার্যত অসম্ভব।

পেন্টাগনের সাবেক কর্মকর্তা, সিআইএ বিশ্লেষক এবং আন্তর্জাতিক থিংকট্যাংকগুলোর মতে, ইরানের মতো ৯ কোটি জনসংখ্যার একটি বিশাল দেশ সম্পূর্ণ দখল ও শান্ত রাখতে কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ লাখ সেনার প্রয়োজন। মার্কিন সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন সেনারা যদি ইরানের মাটিতে পা রাখে, তবে তারা ইরাক বা ভিয়েতনামের চেয়েও কয়েক গুণ শক্তিশালী ও আধুনিক গেরিলা প্রতিরোধের মুখে পড়বে।

ইরান বলছে যে সমঝোতা স্মারকটি শেষ হয়ে গেছে : ইরানি কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের অভিযোগ করছেন। ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইরানি কারিগরি আলোচক দলের প্রধান কাজেম গরিবাবাদি বলছেন, কার্যত যুক্তরাষ্ট্র সব প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করেছে এবং সমঝোতা স্মারকটি পুরোপুরি স্থগিত করে দিয়েছে। এর ফলস্বরূপ আমরাও আমাদের সব প্রতিশ্রুতি স্থগিত করেছি; আমরা আর সেই প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করছি না। অন্যদিকে আইআরজিসি প্রধান কমান্ডারের মুখপাত্র হামিদ রেজা মোগাদ্দামফার বলেছেন, সামুদ্রিক ও অর্থনৈতিক উপায়ে তেহরানের ওপর মার্কিন সামরিক বাহিনীর চাপ প্রয়োগের পরিণতি শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, ইউরোপীয় দেশগুলোতেও জ্বালানি ও অর্থনীতি খাতে ছড়িয়ে পড়বে।

ট্রাম্পের মাথার দাম ১২৩ কোটি টাকা ঘোষণা : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাথার দাম এক কোটি ডলার ঘোষণা করেছে ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক (আইআরআই)। বর্তমান দর অনুযায়ী (১ ডলার সমান ১২৩.১২ টাকা) এ পুরস্কার প্রায় ১২৩ কোটি ১২ লাখ টাকার সমান। ইরানপন্থী সংগঠনটি গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ট্রাম্পকে কেউ হত্যা করতে পারলে তাঁকে পুরস্কার হিসেবে এই অর্থ দেওয়া হবে। সূত্র : মিডল ইস্ট মনিটর, আল জাজিরা, মডার্ন ডিপ্লোমেসি।

বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশনের অনুষ্ঠান

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক এখন নতুন উচ্চতায় : ফখরুল

আমাদের বাণিজ্য অনেকটাই চীননির্ভর : তথ্যমন্ত্রী ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে সম্পর্ক : চীনের রাষ্ট্রদূত

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক এখন নতুন উচ্চতায় : ফখরুল

বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক এখন নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের পর দুই দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সরকারের নীতিনির্ধারক ও ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত। তাঁরা জানান, আগামী দিনে দুই দেশের সহযোগিতা শুধু বাণিজ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; প্রযুক্তি, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, কারিগরি শিক্ষা, কৃষি, জ্বালানি ও আঞ্চলিক সংযোগেও তা বিস্তৃত হবে।

গতকাল রাজধানীর প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএফএ) আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাতসহ অন্যরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বর্তমানে চীন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তি। গত পাঁচ দশকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও শিল্পে দেশটি যে অগ্রগতি অর্জন করেছে, তার সুফল বাংলাদেশ নিতে পারলে উন্নয়নের গতি আরো বাড়বে। বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়েও দুই দেশের যোগাযোগ বাড়ছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য ভারত, চীন, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র সবার সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক প্রয়োজন। তবে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং শিল্পায়নের জন্য চীনের বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশে আরো কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, কৃষিভিত্তিক শিল্প, অ্যাগ্রো-প্রসেসিং, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সোলার প্রযুক্তি ও অবকাঠামো উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা বাড়ানো দরকার। এ ক্ষেত্রে চীন গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে পারে।

তিনি বলেন, বেইজিংয়ের গ্রেট হলে এক অনুষ্ঠানে চীনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে বলেছিলেন, কেরি দ্য ফ্লাগ অব ইউর মাদার অ্যান্ড ফাদার সেই ধারাবাহিকতায় আজ তারেক রহমান দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সংগত কারণেই আমাদের দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্য পরিপূর্ণভাবে চীননির্ভর হয়ে পড়েছে। আমাদের মতো দেশকে যদি এগিয়ে যেতে হয়, আমাদের অর্থনীতির গতিকে আরো অনেক বেশি প্রবাহিত করতে হবে। আমাদের স্ট্র্যাটেজিক টার্গেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু হতে পারে চীন। কেননা চীনের সেই সামর্থ্য আছে।

তিনি বলেন, চীন থেকে আমাদের বাণিজ্যের আকার প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার। এই ২০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে প্রায় সবটাই আমাদের আমদানি করতে হয় চীন থেকে। আমাদের এখান থেকে আমরা এক বিলিয়ন ডলারও রপ্তানি করতে পারি না।

তিনি আরো বলেন, আমাদের এই রপ্তানি সামর্থ্য বাড়ানোর জন্য চীন সরকারের প্রচুর আগ্রহ আছে। এটাই হচ্ছে আমাদের বন্ধুত্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্ট।

একই অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের অন্যতম সেরা পর্যায়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। সফরের তিনটি বড় অর্জন রয়েছে। প্রথমত, দুই দেশ চীন-বাংলাদেশ অভিন্ন ভবিষ্যতের সম্প্রদায় গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দ্বিতীয়ত, দুই দেশ পরস্পরের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। তৃতীয়ত, অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন অগ্রগতি হয়েছে। চীনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) বিদেশি অফিস স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে যৌথ কর্মপরিকল্পনাও সই হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত জানান, তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীন তার সামর্থ্যের মধ্যে পূর্ণ সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। বর্তমানে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনের মধ্যে নতুন অর্থনৈতিক করিডর এবং সমুদ্রভিত্তিক আঞ্চলিক সংযোগ গড়ে তোলার বিষয়েও আলোচনা চলছে। এ উদ্যোগে অন্য দেশও অংশ নিতে পারবে।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে ইয়াও ওয়েন বলেন, মিয়ানমারে নতুন সরকার গঠনের পর প্রত্যাবাসনের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, আসিয়ান, জাতিসংঘসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করতে চীন প্রস্তুত।

 

অনিরাপদ সড়কে অসহায় পথচারী | কালের কণ্ঠ