• ই-পেপার

যৌন অসদাচরণের অভিযোগে আইসিসির প্রসিকিউটর বরখাস্ত

নরেন্দ্র মোদীর ভিউর বিশ্বরেকর্ড

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
নরেন্দ্র মোদীর ভিউর বিশ্বরেকর্ড
ছবি : রয়টার্স

আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভিডিও ভিউর বিশ্বরেকর্ড গড়েছে। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নরেন্দ্র মোদীর ভিডিওটি ৩০ কোটি ৩০ লাখ মানুষ দেখেছে।

২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ভিউর আগের বিশ্বরেকর্ডটি ছিল ৩০ কোটির। যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় ইউটিউবার আইশোস্পিড দক্ষিণ কোরিয়ান বয় ব্যান্ড বিটিএস-এর সদস্যদের সাথে দেখা করার ভিডিওটি রিল হিসেবে পোস্ট করেছিলেন। সেই রিলটি ২৪ ঘণ্টায় ৩০ কোটি মানুষ দেখেছিল। নরেন্দ্র মোদীর রিলের ভিউ এখন প্রায় ৩৩ কোটি। রেকর্ড গড়া এই ভিডিও পোস্ট করার পর মোদীর একাউন্টে এক মিলিয়ন নতুন ফলোয়ার যুক্ত হয়েছেন।

ভারতে চলমান ছাত্র বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার ৪০ সেকেন্ডের সেলফি ভিডিও রিল ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন। সংক্ষিপ্ত বার্তার রিলটিতে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে গত আড়াই মাসে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে দায়ীদের কঠোর শাস্তির অঙ্গীকার করেন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাবর্ষ যাতে নষ্ট না হয়, সেজন্য এরইমধ্যে আবার পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। তিনি জানান, তার সরকার একটি আইন প্রণয়ন করছে, যেখানে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও সিন্ডিকেটের জন্য দ্রুত বিচার আদালত এবং কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হবে।

আন্দোলনে থাকা জেন-জি প্রজন্মের সাথে নিজেকে কানেক্ট করতে নরেন্দ্র মোদী কিছু কৌশল অবলম্বন করেন। তিনি খুব ইনফরমাল ভঙ্গিতে সেলফি ভিডিও পোস্ট করেছেন। তার বক্তব্য ছিল খুবই সংক্ষিপ্ত ও পয়েন্টনির্ভর।

নরেন্দ্র মোদী মধ্যরাতে রিলটি পোস্ট করেন, যখন জেন-জি প্রজন্ম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশি সক্রিয় থাকে। তার কৌশল কাজে লেগেছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তা বিশ্বরেকর্ড গড়েছে। ডিজিটাল মাধ্যমে রেকর্ডভাঙ্গা সাড়ায় অভিভূত নরেন্দ্র মোদী ২৪ ঘণ্টা পর আবার ইনস্টাগ্রামে হাজির হন। এবার অবশ্য ধন্যবাদ দিতে।

শুক্রবার মধ্যরাতে মাত্র ২৪ সেকেন্ডের ভিডিওটি তিনি শুরুই করেছেন, ‘ধন্যবাদ বন্ধুরা’ বলে। ভারতের যুবসমাজকে তাদের ইতিবাচক মতামত, সমর্থন ও সুন্দর পরামর্শ দেওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে মোদী বলেন, জনগণের মতামত নেতৃত্ব ও নাগরিকদের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে সাহায্য করে।

গঠনমূলকভাবে পাশে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আশা করি আপনাদের এই ভালোবাসা বজায় থাকবে এবং আমাদের এই বন্ধন আরও প্রাণবন্তভাবে যুক্ত হতে থাকবে।’
 

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভিশংসন তদন্তে স্থগিতাদেশ

অনলাইন ডেস্ক
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভিশংসন তদন্তে স্থগিতাদেশ
ছবি : রয়টার্স।

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা আদালতের একটি আদেশে সাময়িক স্বস্তি পেয়েছেন। শুক্রবার আদালত তার বিরুদ্ধে ‘ফার্মগেট’ কেলেঙ্কারি নিয়ে পার্লামেন্টের অভিশংসন (ইমপিচমেন্ট) তদন্ত আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

এর ফলে আপাতত তাকে অভিশংসন তদন্তের মুখোমুখি হতে হবে না। আগামী সেপ্টেম্বরের শুরুতে তিনি আদালতে আবেদন করবেন, যাতে তার বিরুদ্ধে করা তদন্ত প্রতিবেদনটি বাতিল করা হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ‘ফার্মগেট’ কেলেঙ্কারির ঘটনায় তিনি সংবিধান লঙ্ঘন করে থাকতে পারেন। ‘ফার্মগেট’ কেলেঙ্কারির সূত্রপাত ২০২০ সালে। 

সে সময় রামাফোসার খামারের একটি সোফা থেকে ৫ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার চুরি হয়। তিনি দাবি করেন, এই অর্থ মহিষ বিক্রির টাকা ছিল। তবে এত বড় অঙ্কের অর্থ কেন সোফার ভেতরে রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন ওঠে। এ ঘটনায় দুর্নীতিবিরোধী নেতা হিসেবে তার ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভিশংসন প্রক্রিয়া সংসদে ভোট পর্যন্ত গেলেও রামাফোসার পদ হারানোর সম্ভাবনা কম। 

কারণ, তিনি এখনও তার দল আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (এএনসি)-এর সমর্থন পাচ্ছেন। এএনসি দেশটির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল এবং বর্তমানে জোট সরকার পরিচালনা করছে। জোটের সব শরিক দল অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, কয়েকটি দল রামাফোসার পক্ষেই থাকবে। এ ছাড়া তাকে পদে রাখতে এএনসির এককভাবেই পর্যাপ্ত সংসদ সদস্য রয়েছে।

এএনসির প্রধান জোটসঙ্গী ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (ডিএ) বলেছে, রামাফোসার বিরুদ্ধে করা তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত দ্রুত হওয়া উচিত। দলটি জানায়, দেশের জনগণের সত্য জানার অধিকার রয়েছে এবং সরকারি পদে থাকা সবার জন্য একই ধরনের জবাবদিহি নিশ্চিত করা উচিত।

রামাফোসার কার্যালয় জানিয়েছে, তিনি আদালতের আদেশকে সম্মান জানিয়েছেন এবং পুরো আইনি প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবেন। ৭৩ বছর বয়সী সিরিল রামাফোসা ২০১৮ সালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট হন। তার দ্বিতীয় মেয়াদ ২০২৯ সালে শেষ হওয়ার কথা।

শিশু সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনে টিকটকের বিরুদ্ধে ইইউর অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
শিশু সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনে টিকটকের বিরুদ্ধে ইইউর অভিযোগ
ছবি: রয়টার্স

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অনলাইন কনটেন্ট নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রক সংস্থার কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, টিকটকের কিছু নকশাগত বৈশিষ্ট্য শিশুদের অনলাইনে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। এসব বৈশিষ্ট্যের কারণে শিশুরা যৌন শিকারি বা সাইবার বুলিংয়ের শিকার হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ইইউ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে টিকটককে বড় অঙ্কের জরিমানা দিতে হতে পারে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট (ডিএসএ)-এর আওতায় এই অভিযোগ আনা হয়েছে। এটি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়, বরং প্রাথমিক তদন্তের ফল। ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবৈধ ও ক্ষতিকর কনটেন্ট ঠেকাতে এবং ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হয়। গত দুই বছরে টিকটকের বিরুদ্ধে এটি ইইউর আনা চতুর্থ অভিযোগ।

ইউরোপীয় কমিশনের অভিযোগ, টিকটকের অ্যাকাউন্ট ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নকশা শিশুদের জন্য যথেষ্ট সুরক্ষা নিশ্চিত করছে না। কমিশনের মতে, টিকটকে শিশুদের অ্যাকাউন্ট অনেক ক্ষেত্রে সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা যায়। এতে অপরিচিত ব্যক্তিরা তাদের পোস্ট দেখতে পারে। এর ফলে শিশুরা সাইবার বুলিংয়ের শিকার হতে পারে বা অনলাইনে ক্ষতিকর ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসতে পারে। কমিশন আরো বলেছে, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট করলেও শিশুদের পুরোপুরি নিরাপদ রাখা যাচ্ছে না। কারণ অন্য ব্যবহারকারীরা তাদের অনুসরণ তালিকা ও অনুসারীর তালিকার মাধ্যমে সহজেই তাদের খুঁজে বের করতে পারে। এমনকি যাদের টিকটক অ্যাকাউন্ট নেই, তারাও কিছু ক্ষেত্রে এই তথ্যের মাধ্যমে শিশুদের শনাক্ত করতে পারে বলে কমিশন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ইইউর নিয়ন্ত্রক সংস্থার মতে, অপ্রাপ্তবয়স্কদের অ্যাকাউন্টের ডিফল্ট বা স্বাভাবিক সেটিংসে পরিবর্তন আনা দরকার।

ইউরোপীয় কমিশনের তদন্তের বিষয়টি পর্যালোচনা করবে বলে জানিয়েছে টিকটক। একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করার কথা বলেছে প্রতিষ্ঠানটি। টিকটকের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'কিশোরদের অ্যাকাউন্টে শুরু থেকেই ৫০টির বেশি নির্ধারিত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা সুবিধা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতেই এসব ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।' প্রতিষ্ঠানটি আরো বলেছে, ১৮ বছরের কম বয়সীদের অ্যাকাউন্ট শুরু থেকেই ব্যক্তিগত থাকে। টিকটকের দাবি, তারা এমন কয়েকটি প্ল্যাটফর্মের একটি যেখানে কম বয়সী কিশোররা সরাসরি বার্তা পাঠানোর সুবিধা ব্যবহার করতে পারে না। এছাড়া তাদের কনটেন্ট ‘ফর ইউ’ ফিডে দেখানোর জন্য নির্বাচন করা হয় না।

এখন টিকটক ইউরোপীয় কমিশনের তদন্ত-সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা করার সুযোগ পাবে। এরপর প্রতিষ্ঠানটি নিজের বক্তব্য ও ব্যাখ্যা জমা দিতে পারবে। সব তথ্য পর্যালোচনার পর কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী টিকটকের বৈশ্বিক বার্ষিক আয়ের সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান হেনা ভিরক্কুনেন বলেন, ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের সেবার নকশার মধ্যেই শিশুদের সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখতে হবে। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, 'প্ল্যাটফর্মগুলোকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। তারা তা করতে ব্যর্থ হলে তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।'

তিনি আরো বলেন, 'উচ্চমানের নিরাপত্তা আলাদা করে চালু করার মত কোনো বিষয় নয়। এটি শুরু থেকেই সেবার স্বাভাবিক অংশ হওয়া উচিত।' টিকটকের বিরুদ্ধে ইইউর এই পদক্ষেপ ইউরোপে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বাড়তে থাকা নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রেকর্ড ভাঙা ভিডিও নিয়ে মোদির প্রতিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্ক
রেকর্ড ভাঙা ভিডিও নিয়ে মোদির প্রতিক্রিয়া
ছবি : ইনস্টাগ্রাম ভিডিও থেকে নেওয়া।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন। ভিডিওটি ব্যাপক সাড়া পাওয়ার পর তিনি আরেকটি ভিডিওতে তরুণদের ধন্যবাদ জানান। সেখানে তিনি তার বার্তায় ইতিবাচক সাড়া দেওয়া এবং গঠনমূলক পরামর্শ দেওয়ার জন্য তরুণদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বরা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও বার্তার একটি  ইনস্টাগ্রাম রিল ২৪ ঘণ্টায় ৩০৩ মিলিয়নের বেশি ভিউ পেয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। দাবি অনুযায়ী, এটি আগের ৩০০ মিলিয়ন ভিউয়ের রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছে। এই দাবি এমন সময় সামনে এসেছে, যখন নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে পরীক্ষার অনিয়মের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দেশজুড়ে আলোচনায় রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পাওয়ার পর মোদি একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওর শুরুতে তিনি বলেন, ‘ধন্যবাদ বন্ধুরা’। তিনি তরুণদের সমর্থন ও গঠনমূলক পরামর্শের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। এর আগে গভীর রাতে প্রকাশ করা একটি সেলফি ভিডিওতে মোদি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন। 

তিনি বলেন, এ ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে এবং বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সম্প্রতি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও তরুণ বিক্ষোভ করছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের শাস্তি এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবি জানাচ্ছেন।

মোদি জানান, গত আড়াই মাসে সরকার পরীক্ষার অনিয়ম মোকাবিলায় বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকারের প্রধান লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করা এবং দ্রুত পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা। তিনি আরোঘোষণা করেন, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির বিধান রেখে নতুন আইনি ব্যবস্থা আনা হবে।

পরবর্তী ভিডিও বার্তায় মোদি বলেন, তরুণদের সঙ্গে এই সংলাপ তাকে উৎসাহিত করেছে। তিনি বলেন, জনগণের মতামত সরকার ও নাগরিকদের মধ্যে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করে। সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনাদের এই ভালোবাসা ও সমর্থন আমাদের বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করবে।’