• ই-পেপার

সালমানের প্রস্তাব নাকচ, দেনা নিয়েই থেকে যান রাজেশ খান্না

বিয়ের ২ বছর পর রাঁধলেন শোভিতা, ইনস্টাগ্রামে নাগার রসিকতা

বিয়ের ২ বছর পর রাঁধলেন শোভিতা, ইনস্টাগ্রামে নাগার রসিকতা

অনলাইন ডেস্ক
বিয়ের ২ বছর পর রাঁধলেন শোভিতা, ইনস্টাগ্রামে নাগার রসিকতা

দক্ষিণ ভারতীয় তারকা দম্পতি নাগা চৈতন্য ও শোভিতা ধুলিপালা নেটপাড়ায় নিজেদের দাম্পত্য জীবনের এক মিষ্টি মুহূর্ত শেয়ার করেছেন। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে স্ত্রী শোভিতার তৈরি রাতের খাবার পরিবেশনের একটি ছবি পোস্ট করে ভক্তদের চমকে দিয়েছেন নাগা চৈতন্য।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) শেয়ার করা সেই ছবিতে দেখা যায়, শোভিতার এক হাতে নুডলস এবং অন্য হাতে সবজি-ভাতের দুইটি বাটি। ছবিটি পোস্ট করে ক্যাপশনে মজার ছলে নাগা চৈতন্য লিখেন, ‘বিয়ের প্রায় ২ বছর পর বউ আমার জন্য রাতের খাবার রান্না করল, আজ বোধহয় আমি ঠিক কিছুই একটা করেছি।’ স্বামীর এমন পোস্টে কমেন্ট বক্সে শোভিতাও রসিকতা করে লেখেন, ‘আপনি কি আমাকে ট্রোল করছেন নাকি প্রশংসা করছেন?’

অবশ্য একে অপরের রান্নার দক্ষতা নিয়ে এই দম্পতির টানাপোড়েন নতুন নয়। এর আগে ২০২৫ সালের এক সাক্ষাৎকারে চৈতন্য রসিকতা করে জানিয়েছিলেন, তাদের কেউ-ই ভালো রাঁধুনি নন। এমনকি তিনি যে প্রতিদিন রাতে স্ত্রীকে হট চকোলেট বানিয়ে দেন, সেটিকেও রান্না বলতে রাজি ছিলেন না অভিনেতা।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ২০২২ সাল থেকে শোভিতার সঙ্গে চৈতন্যের প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয়। ২০২৪ সালে বাগদান ও পরবর্তীতে হায়দরাবাদের অন্নপূর্ণা স্টুডিওতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা।

আইসিসিবি হেরিটেজে অনুষ্ঠিত হলো ‘গ্র্যান্ড কাওয়ালি নাইট’

অনলাইন ডেস্ক
আইসিসিবি হেরিটেজে অনুষ্ঠিত হলো ‘গ্র্যান্ড কাওয়ালি নাইট’

সুর, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য মিলনমেলায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা-এর আইসিসিবি হেরিটেজ রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হলো ‘গ্র্যান্ড কাওয়ালি নাইট – সিজন ২’-এর প্রথম পর্ব। প্রাণবন্ত পরিবেশ, মনোমুগ্ধকর লাইভ কাওয়ালি পরিবেশনা এবং রাজকীয় মুঘল খাবারের সমন্বয়ে সন্ধ্যাটি পরিণত হয় এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতায়।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অতিথিরা লাইভ সুফি ও কাওয়ালি সংগীতের মুগ্ধতায় যেমন আপ্লুত হন, তেমনি উপভোগ করেন হেরিটেজ রেস্টুরেন্টের বিভিন্ন মুঘল থালি। পরিবার, বন্ধু-বান্ধব ও সংগীতপ্রেমীদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি ছিল প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর। প্রথম পর্বের সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় আগামী ৩১ জুলাই ২০২৬ (শুক্রবার) অনুষ্ঠিত হবে ‘গ্র্যান্ড কাওয়ালি নাইট – সিজন ২’-এর দ্বিতীয় পর্ব।

আইসিসিবি হেরিটেজ রেস্টুরেন্ট সকল ভোজনরসিক, সংগীতপ্রেমী ও শুভানুধ্যায়ীদের আগামী আয়োজনে অংশগ্রহণের আন্তরিক আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। সুরের মূর্ছনা, রাজকীয় খাবার এবং ঐতিহ্যবাহী পরিবেশে একটি ব্যতিক্রমী সন্ধ্যা উপভোগ করতে এখনই আপনার আসনটি সংরক্ষণ করুন। রিজার্ভেশনের জন্য যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে ০১৯৯১১৯৭৭১৯ নাম্বারে। সুরের আবেশে, ঐতিহ্যের ছোঁয়ায় আবার দেখা হবে আগামী ৩১ জুলাই।

সালমান খান কেন বললেন, ‘যে ভয় পায়, সে মরে যায়'

অনলাইন ডেস্ক
সালমান খান কেন বললেন, ‘যে ভয় পায়, সে মরে যায়'
সংগৃহীত ছবি

বলিউড অভিনেতা সালমান খান আবারও আলোচনায় এসেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি রহস্যময় পোস্ট ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের ধারণা, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে তার সাম্প্রতিক মন্তব্যের সমালোচনার জবাব হিসেবেই তিনি এই পোস্ট করেছেন।

তবে সালমান তার পোস্টে কারও নাম উল্লেখ করেননি। তারপরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের অনেকে মনে করছেন, গত কয়েকদিন ধরে যে সমালোচনার মুখে তিনি পড়েছেন, সেই বিষয়েই ইঙ্গিত দিয়েছেন এই পোস্টে। ব্যায়াম করার সময় তোলা কয়েকটি ছবি ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেন সালমান। ছবির সঙ্গে তিনি লেখেন, 'সালমান খান ভয় পেয়েছে....হুমমম। যে ভয় পায়, সে মরে যায়...'। তার এই পোস্টের পর ভক্ত ও সমালোচকদের মধ্যে আবারও আলোচনা শুরু হয়।

এর আগে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে একটি বার্তা দেন সালমান খান। তিনি শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন। তার যুক্তি ছিল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। সালমান লিখেছিলেন, 'শিক্ষার্থীরাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা—দুই বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদের বা তাদের বাবা-মায়ের চিন্তার কোনো কারণ নেই।' তিনি আরো বলেন, 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী টুইট করেছেন। আমি নিশ্চিত, প্রশ্নপত্র ফাঁসের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নেবেন। তাই শিক্ষার্থীরা, তোমরা নিজেদের বাবা-মায়ের কাছে ফিরে যাও।'

সালমান তার ওই পোস্টে আন্দোলনকারী পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুককেও অনশন শেষ করার আহ্বান জানান। তিনি লেখেন, 'সোনম, হয়ে গেছে ভাই। আর এটা বাড়িয়ো না। যদি কখনো দরকার হয়, তখন আবার সেই শক্তি ধরে রেখো। যদিও আমার মনে হয়, তার দরকার হবে না। এখন কিছু খেয়ে নাও। চাইলে আমি আমার বাড়ি থেকে তোমার জন্য খাবার পাঠিয়ে দেব।' এর কয়েক ঘণ্টা পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোনম ওয়াংচুক তার অনশন শেষ করেন। তবে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে সিজেপির আন্দোলন এখনো চলছে। আন্দোলনকারীরা শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছেন।

সালমানের মন্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তার বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ তার বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন। আবার অনেকে তাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, 'আর যদি পড়ার জন্য কিছু বই দরকার হয়, আমাকে জানিও। আমি পাঠিয়ে দেব।' আরেকজন লিখেছেন, 'এমন মোড় আসবে, আমি ভাবিনি।' কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, 'আপনি ভয় পেয়েছেন। আরেকজন লিখেছেন, 'ক্যামেরার সামনে সিংহ, আর সরকারের সামনে...?'

এর দুই দিন আগে সালমান খান তার ছোটবেলার একটি ছবি প্রকাশ করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন জানান। তিনি নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকে 'খুবই গুরুতর বিষয়' বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রশংসা করেন। সালমান বলেন, শক্তিশালী শিক্ষা ব্যবস্থার দাবিতে তরুণদের এগিয়ে আসা দেখে তিনি গর্বিত। তবে তিনি শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেন, আন্দোলন যেন রাজনৈতিক রূপ না নেয়। তার মতে, বিষয়টি শিক্ষার্থী ও শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের সমাধান করবে এবং ভবিষ্যতে ভারত বিশ্বমানের শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। 

এদিকে দিল্লির জন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ এখনো চলছে। তবে বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকের পর ২৬ দিনের অনশন শেষ করেছেন সোনম ওয়াংচুক। নাড্ডা তাকে শিক্ষা সংস্কারসংক্রান্ত দাবিগুলো নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি ভিডিও বার্তায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রয়োজনে দ্রুত বিচার আদালতের মাধ্যমেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার কোনোভাবেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা মেনে নিবে না বলেও জানান তিনি।


 

মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে বড় পর্দায় ‘রামায়ণ’ দেখতে চান রণবীর কাপুর

অনলাইন ডেস্ক
মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে বড় পর্দায় ‘রামায়ণ’ দেখতে চান রণবীর কাপুর

আসন্ন ‘রামায়ণ’ চলচ্চিত্রে ভগবান রামের ভূমিকায় দেখা যাবে রণবীর কাপুরকে। তবে পৌরাণিক এই কালজয়ী চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব যখন প্রথম তার কাছে আসে, তখন তিনি সংশয়ে ছিলেন। সম্প্রতি এক কমিক-কন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নিজের অনুভূতি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেতা।

রণবীর জানান, প্রস্তাব পাওয়ার পর তার মনে প্রথম প্রশ্ন জেগেছিল—তিনি এই চরিত্রের জন্য উপযুক্ত কি না। তবে সেই ভয় খুব দ্রুতই কৃতজ্ঞতায় রূপ নেয়। তিনি বিষয়টিকে একটি বিশেষ আশীর্বাদ, জীবনের সেরা সুযোগ এবং বড় এক নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে দেখছেন। রণবীরের ভাষায়, ‘রামায়ণ আমাদের অবচেতন মনে গেঁথে আছে। ৪০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভগবান রাম কোটি কোটি মানুষের বিবেক রক্ষক এবং প্রতিকূলতার মুখে মানব আত্মার বিজয়ের প্রতীক। এমন একজন সাহসী, দয়ালু ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিত্বকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার সুযোগ পাওয়াটা সত্যিই অনেক দায়িত্বের।’

ভক্তদের সঙ্গে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে রণবীর আরো উল্লেখ করেন, সিনেমাটি দেখার জন্য তার অধীর আগ্রহের অন্যতম প্রধান কারণ হলো তার মেয়ে রাহা কাপুর। বড় পর্দায় রামায়ণ-এর মাধ্যমে রাহাকে প্রথমবারের মতো ভারতীয় পৌরাণিক কাহিনীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এবং তাকে সঙ্গে নিয়ে হলে বসে ছবিটি দেখতে তিনি অত্যন্ত মুখিয়ে আছেন।

পৌরাণিক কাহিনীর অন্যতম শ্রদ্ধেয় চরিত্রটিতে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে অভিনেতা বলেন, খুব শুরুতেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে এই রূপায়ণের জন্য অটুট বিশ্বাস, সততা ও মহৎ উদ্দেশ্য প্রয়োজন। সিনেমাটির পুরো কলাকুশলী দল গল্পটিকে শতভাগ প্রামাণিকভাবে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বলে তিনি জানান।