• ই-পেপার

পাকিস্তানে এক হাসপাতালে ৩ বছর বয়সীসহ ৮০ শিশু এইডসে আক্রান্ত

দনবাস দখলে মরিয়া পুতিন, আরো তীব্র হচ্ছে যুদ্ধ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
দনবাস দখলে মরিয়া পুতিন, আরো তীব্র হচ্ছে যুদ্ধ
সংগৃহীত ছবি

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে যুদ্ধ বন্ধে বাধ্য করতে ইউক্রেন গত মাসে রাশিয়ার ভেতরে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ড্রোন হামলা শুরু করে। তবে তাতে হিতে বিপরীত হয়েছে। পুতিনকে যুদ্ধ বন্ধে বাধ্য তো করা যায়ইনি, বরং রাশিয়ার পাল্টা তীব্র হামলায় কেঁপে কেঁপে উঠছে কিয়েভ। ইউক্রেনও রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা অব্যাহত রেখেছে। ফলে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। 

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সময় দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির টেলিফোনে কথা হয়।

ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধে সহায়তার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, পুতিন যুদ্ধ শেষ করতে চান এবং শান্তিচুক্তি মানুষের ধারণার চেয়েও অনেক কাছাকাছি। গুরুত্বপূর্ণ ন্যাটো সম্মেলনের ঠিক আগে ট্রাম্পের এই ফোন কূটনীতিতে বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা শুরুর ব্যাপারে আশাবাদের সৃষ্টি করেছিল।

কিন্তু ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন হামলায় ক্ষুব্ধ ও বিরক্ত পুতিন যুদ্ধ আরো তীব্র করার কৌশল ঠিক করছেন। গত বুধবার তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্প ও জেলেনস্কি সরাসরি বৈঠক করেন। বৈঠকে ট্রাম্প ইউক্রেনকে আমেরিকার তৈরি শক্তিশালী প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম নিজেদের দেশে তৈরি করার লাইসেন্স দেওয়ার বড় ঘোষণা দিয়েছেন। তাতেও মনে হচ্ছে, শান্তি সুদূর পরাহত।

ক্রেমলিনে পুতিনের ঘনিষ্ঠ সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, শান্তি আলোচনায় আপাতত কোনো আগ্রহ নেই পুতিনের। বরং সামনের মাসগুলোতে আক্রমণ আরো তীব্র করার পরিকল্পনা করছেন তিনি। তার সামনে এখন লক্ষ্য দনবাস পুরোপুরি দখল করা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানায়, ইউক্রেন যুদ্ধ এখন পঞ্চম বছরে গড়ালেও পুতিন আপাতত সংঘাত আরও বাড়ানোর দিকেই ঝুঁকছেন। এর মধ্যে একজন নিয়মিত পুতিনের সাথে সাক্ষাৎ করেন। তিনি বলেছেন, আগামী কয়েক মাসে যুদ্ধ আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা খুবই বেশি।

একটি সূত্র রয়টার্সকে বলেছে, সম্প্রতি যুদ্ধবিরতি এবং সমঝোতার প্রস্তাব দেয়া কয়েকজন উপদেষ্টাকে ভর্ৎসনাও করেছেন পুতিন। এ বিষয়ে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, রাশিয়া শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য প্রস্তুত। তবে একই সাথে স্বাধীনভাবে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার যথেষ্ট সক্ষমতাও আমাদের রয়েছে। 

সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পুরো দনবাস দখল করতে হলে রাশিয়াকে বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগ চালু করতে হতে পারে। তবে রাজনৈতিকভাবে অজনপ্রিয় হওয়ায় ঝুঁকি থাকায় এতদিন এ ব্যাপারে অনীহা দেখিয়ে আসছিলেন পুতিন। 

অন্যদিকে জেলেনস্কির কার্যালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, ইউক্রেনের গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী পুতিন শান্তির জন্য নয়, বরং নতুন সামরিক অভিযান ও যুদ্ধ সম্প্রসারণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এমনকি ইউক্রেনের বাইরে ইউরোপের অন্য কোনো দেশেও হামলার পরিকল্পনা থাকতে পারে।

রাশিয়ার কয়েকজন সামরিক বিশ্লেষকও প্রকাশ্যেই ন্যাটোর লক্ষ্যবস্তুতে হামলার আশঙ্কার কথা বলছেন। তাদের মতে, বাল্টিক অঞ্চলের ন্যাটো ঘাঁটি কিংবা ইউরোপে ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র উৎপাদনকারী স্থাপনাগুলো ভবিষ্যতে হামলার লক্ষ্য হতে পারে। তাতে ন্যাটোর সাথে রাশিয়ার সরাসরি সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হবে।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, সরাসরি ন্যাটোর সাথে যুদ্ধ শুরু করা রাশিয়ার উদ্দেশ্য নয়। সীমিত হামলার মাধ্যমে ন্যাটো সদস্যদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হতে পারে।

তবে রাশিয়ার ভেতরে জ্বালানি অবকাঠামোয় ইউক্রেনের অব্যাহত হামলায় ক্ষুব্ধ পুতিন গত সপ্তাহে সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেয়া এক ভাষণে বলেন, ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার জবাবে রাশিয়া সীমান্তবর্তী আরও ইউক্রেনীয় এলাকা দখল করে একটি নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলবে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক কর্মকর্তা আন্দ্রেই ইলনিতস্কি সম্প্রতি এক নিবন্ধে দাবি করেন, যুদ্ধের পরবর্তী ধাপে ইউক্রেনের অন্তত ৩০টি বড় শিল্পকারখানা, ইস্পাত কারখানা এবং ওডেসা বন্দরে হামলা চালানো হতে পারে।

এরপর বাল্টিক দেশ ও রোমানিয়ায় ন্যাটো ঘাঁটি এবং ইউক্রেনের জন্য দূরপাল্লার অস্ত্র উৎপাদনকারী ইউরোপীয় স্থাপনাও হামলার লক্ষ্য হতে পারে। এ বিষয়ে দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ইউরোপের ক্রমবর্ধমান সামরিকীকরণের বাস্তবতায় রাশিয়া নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধ্য।

ক্রেমলিনের ঘনিষ্ঠ এক সূত্রের ভাষায়, পুতিনের কাছে দনবাস দখল নীতিগত প্রশ্নে পরিণত হয়েছে। তার মতে, পুতিনের এখন অন্তত একটি বড় বিজয় প্রয়োজন। যার জন্য সামনের দিনগুলোতে আরো তীব্রতা নিয়ে যুদ্ধকৌশল ঠিক করছেন তিনি।

যুদ্ধে ইরানের ড্রোন উৎপাদন বেড়েছে ৩ গুণ

অনলাইন ডেস্ক
যুদ্ধে ইরানের ড্রোন উৎপাদন বেড়েছে ৩ গুণ
ছবি : রয়টার্স

যুদ্ধ চলাকালে ইরান ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতা তিন গুণ বৃদ্ধি করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাজিদ ইবন আল-রেজা। ইরানের তাসনিম নিউজের বরাতে এ তথ্য জানায় আলজাজিরা

ইরানি প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সাম্প্রতিক যুদ্ধ দেখিয়ে দিয়েছে যে ইরানি মেধাবী জনশক্তি এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে বিনিয়োগই দেশের প্রতিরক্ষা শক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।’

তিনি আরো বলেন, ‘যুদ্ধের চরম মুহূর্তেও প্রতিরক্ষা উৎপাদন বন্ধ হয়নি; বরং ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতা তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।’

ইরানের দাবি অনুযায়ী, যুদ্ধকালীন সময়ে প্রযুক্তিগত অবকাঠামো ও গবেষণায় বিনিয়োগের ফলেই এই উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে।

এয়ার ফোর্স ওয়ান নিয়ে প্রতিবেদন, সাংবাদিকদের তলব করল ট্রাম্প প্রশাসন

অনলাইন ডেস্ক
এয়ার ফোর্স ওয়ান নিয়ে প্রতিবেদন, সাংবাদিকদের তলব করল ট্রাম্প প্রশাসন
ছবি : রয়টার্স

সাম্প্রতিক উপহার হিসেবে কাতারের দেওয়া নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে চড়ে তুরস্ক সফরে গিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ফেরার পথে সেই বিমানের পরিবর্তে পুরনো এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানটি ব্যবহার করেন তিনি। নিরাপত্তাসংক্রান্ত এমন একটি প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের কয়েকজন সাংবাদিককে সমন পাঠিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

শুক্রবার জারি করা সমনে সাংবাদিকদের আগামী বুধবার নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে একটি ফেডারেল গ্র্যান্ড জুরির সামনে সাক্ষ্য দিতে বলা হয়েছে। ফেডারেল এজেন্টরা কয়েকজন সাংবাদিকের বাড়িতে গিয়ে সমন পৌঁছে দেন। সমন পাওয়া সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন জুলিয়ান ই. বার্নস, এরিক লিপটন, টাইলার পেজার এবং এরিক স্মিত।

তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস বা মার্কিন বিচার বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের আইনজীবী ডেভিড ম্যাকক্র বলেন, ‘সংবাদকর্মীদের বাড়ির দরজায় ফেডারেল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী যেকোনো নাগরিকের বিবেককে নাড়া দেওয়ার মতো ঘটনা।’

সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপ বৃদ্ধি

প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে ফেডারেল সরকারের ক্ষমতা ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি ট্রাম্প প্রশাসনের বড় ধরনের পদক্ষেপ। সমালোচনামূলক সংবাদ প্রকাশ ঠেকাতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে চলতি বছর দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ও দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে সমন জারি করা হয়েছিল। পরে দুটি ক্ষেত্রেই বিচার বিভাগ সেসব সমন প্রত্যাহার করে।

ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে সংবাদমাধ্যমকে ‘আমেরিকার জনগণের শত্রু’ বলে অভিহিত করেছিলেন। গত বছর হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকে তিনি সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে মামলা, টেলিভিশন সম্প্রচার লাইসেন্স বাতিলের হুমকি এবং সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন।

এয়ার ফোর্স ওয়ান নিয়ে বিতর্ক

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প চলতি সপ্তাহে তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ান ব্যবহার করলেও, ফেরার পথে প্রথমে তিনি পুরোনো মডেলের এয়ার ফোর্স ওয়ানে করে যুক্তরাজ্যের সাফোকে অবস্থিত রয়্যাল এয়ার ফোর্সের মিলডেনহল ঘাঁটিতে যান। পরে সেখানে নতুন বিমানে উঠে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরেন।

এ সময় ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ে এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানে বিমান হামলা চালানোর পাশাপাশি তেহরান তিনটি উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রে হামলা চালায়।

ইরান ও তুরস্কের সীমান্তবর্তী অবস্থানের কারণে ধারণা করা হয়, প্রায় ৪০ কোটি ডলার ব্যয়ে সংস্কার করা নতুন বিমানটিতে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানের মতো কিছু উন্নত নিরাপত্তা ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাতে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, সিক্রেট সার্ভিসের পরামর্শেই বিমান পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এবং নতুন বিমানটিতে পুরোনো বিমানের কিছু উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সক্ষমতা, অনুপস্থিত ছিল।

তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এসব নিরাপত্তা উদ্বেগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, মিলডেনহলে যাত্রাবিরতির উদ্দেশ্য ছিল সেখানে অবস্থানরত মার্কিন সেনাসদস্যদের নতুন বিমানটি দেখার সুযোগ করে দেওয়া।

এ ছাড়া ইরানের সম্ভাব্য হুমকির কারণে দুটি বিমান ব্যবহার করা হয়েছে—এমন দাবিও তিনি নাকচ করেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি সব সময়ই হুমকির মুখে থাকি। তাদের তালিকায় আমি এক নম্বরে আছি।’

এদিকে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র স্টিভেন চিয়াংও নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ানে কোনো নিরাপত্তা ঘাটতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিমানটি অত্যাধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তিতে সজ্জিত এবং প্রেসিডেন্ট ও তার সফরসঙ্গীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ মানের ব্যবস্থা রয়েছে।’

জোড়া ভূমিকম্প

ভেনেজুয়েলায় নিহত ছাড়াল ৪ হাজার

অনলাইন ডেস্ক
ভেনেজুয়েলায় নিহত ছাড়াল ৪ হাজার
ছবি : রয়টার্স

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়েছে। দেশটির সরকার জানিয়েছে, ২৪ জুনের ওই ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত ৪ হাজার ১১৮ জন নিহত এবং ১৬ হাজার ৭৪০ জন আহত হয়েছে। এখনো কয়েক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছে।

টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান ভেনেজুয়েলার পার্লামেন্ট প্রধান হোর্হে রদ্রিগেজ।

প্রসঙ্গত, ২৪ জুন মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। শত বছরের মধ্যে এটিই ছিল দেশটির সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। 

এতে উপকূলীয় লা গুয়াইরা অঙ্গরাজ্যের বহু বহুতল ভবন ধসে পড়ে এবং বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি খবরে বলা হয়, সরকারি উদ্ধারকারী দল জীবিতদের খোঁজে অভিযান শেষ করলেও নিখোঁজ স্বজনদের মরদেহ উদ্ধারের আশায় অনেক পরিবার এখনো ধ্বংসস্তূপে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে শুক্রবার রাজধানী কারাকাসে রিখটার স্কেলে ৩ মাত্রার আরেকটি ভূকম্পন অনুভূত হলে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কয়েকটি ভবন খালি করে দেওয়া হয়।