• ই-পেপার

জোড়া ভূমিকম্প

ভেনেজুয়েলায় নিহত ছাড়াল ৪ হাজার

বাবার ‘রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার মোজতবা খামেনির

অনলাইন ডেস্ক
বাবার ‘রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার মোজতবা খামেনির
ছবি : রয়টার্স

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফনের পর প্রথমবারের মতো বার্তা দিলেন তার ছেলে ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। প্রকাশিত বার্তায় বাবার ‘নির্দোষ রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করে তিনি।

মোজতবা বলেন, ‘শহীদ নেতা এবং এই যুদ্ধে নিহত সব শহীদের রক্তের প্রতিশোধ হত্যাকারীদের কাছ থেকে নেওয়া হবে। এই প্রতিশোধ নিশ্চিত এবং এটি আমাদের জাতির ইচ্ছা।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রতিশোধ নেওয়ার বিষয়টি কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তার ওপর নির্ভরশীল নয়; এটি ইরানি জনগণের দাবি এবং তা বাস্তবায়িত হবেই।’

বাবার জানাজা ও দাফানে অংশ নেওয়া লাখো মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মোজতবা খামেনি বলেন, ‘জনগণের এই উপস্থিতি ছিল শত্রুকে পরাজিত করা এবং ইতিহাস গড়া উপস্থিতি।’

তিনি আরো দাবি করেন, গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধের প্রথম দিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তার বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। সেই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়া হবে বলেও পুনর্ব্যক্ত করেন নতুন সর্বোচ্চ এই নেতা।

ভিয়েতনামে স্পিডবোট উল্টে ১৫ ভারতীয় নিহত

অনলাইন ডেস্ক
ভিয়েতনামে স্পিডবোট উল্টে ১৫ ভারতীয় নিহত
সংগৃহীত ছবি

ভিয়েতনামের দক্ষিণাঞ্চলে একটি দ্বীপ ভ্রমণ শেষে ফেরার পথে পর্যটকবাহী একটি স্পিডবোট ডুবে অন্তত ১৫ জন ভারতীয় পর্যটক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ২১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে গালফ নিউজ

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্পিডবোটটিতে ৩২ জন ভারতীয় পর্যটক এবং ৪ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। দক্ষিণাঞ্চলীয় ফু কুওক দ্বীপের কাছে অবস্থিত হন মাই রুট নগোয়াই দ্বীপ থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে স্পিডবোটটি উল্টে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুর্ঘটনার পর আশপাশে থাকা নৌকা ও স্পিডবোটগুলো দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পানিতে পড়ে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধার শুরু করে। পরে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থাও উদ্ধার অভিযানে যোগ দেয়। তবে অনেক যাত্রী স্পিডবোটের ভেতরে আটকে পড়ায় উদ্ধারকাজ জটিল হয়ে পড়ে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় ২১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিহত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

থাইল্যান্ড উপসাগরে অবস্থিত ফু কুওক ভিয়েতনামের অন্যতম জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকতভিত্তিক পর্যটনকেন্দ্র। এর দক্ষিণে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হন মাই রুট দ্বীপ সাদা বালুর সৈকত ও স্বচ্ছ পানির জন্য পরিচিত। প্রতি বছর দেশি-বিদেশি লাখো পর্যটক সেখানে ভ্রমণে যান।

বিয়েতে খাসির বদলে মুরগি, দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১২

অনলাইন ডেস্ক
বিয়েতে খাসির বদলে মুরগি, দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১২
সংগৃহীত ছবি

শান্তিপূর্ণভাবে চলছিল বিয়ের অনুষ্ঠান। তবে হঠাৎ করে খাবার পরিবেশনের সময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। কারণ খাসির মাংস খাওয়ানো কথা থাকলেও পাতে দেওয়া হয়েছে মুরগির মাংস! এ নিয়ে বর ও কনেপক্ষের মধ্যে বেধে গেল তুমুল মারামারি। এক পর্যায়ে লাঠি ও তলোয়ার নিয়ে চালানো এই সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ১২ জন গুরুতর আহত হয়েছে।

সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি বলছে, অদ্ভুত ও চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বিহার রাজ্যের সাহরসা জেলার সিমরি বখতিয়ারপুর শহরে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকাল আনুমানিক ৩টার দিকে মোহাম্মদ আনোয়ারের ছেলে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ওরফে চাঁদের সঙ্গে মোহাম্মদ জাভেদ ওরফে মোটোর মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন হয়। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও কর্মকর্তারা জানান, বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা বেশ শান্তিপূর্ণ এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশেই শেষ হয়েছিল। কিন্তু গণ্ডগোলের সূত্রপাত হয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর, যখন বরযাত্রীরা খাবারের টেবিলে বসেন। 

এ সময় বরের এক আত্মীয় অভিযোগ করেন, বিয়ের মেন্যুতে তাদের খাসির মাংস খাওয়ানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু টেবিলে খাবার পরিবেশন করা হলে দেখা যায়, খাসির বদলে মুরগির মাংস দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে বরপক্ষের লোকজন প্রতিবাদ জানালে কনেপক্ষের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়।

মুহূর্তের মধ্যেই চরম আকার ধারণ করে উভয় পক্ষের এই মারামারি । পরে কনেপক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে বরযাত্রীদের ওপর চড়াও হয় এবং বেধড়ক মারধর শুরু করে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংঘর্ষে দুই পক্ষের প্রায় ডজনখানেক মানুষ আহত হয়েছে। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে সিমরি বখতিয়ারপুরের মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই মারামারির বেশ কয়েকটি ভিডিও ইতোমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। একটিতে দেখা গেছে, উন্মত্ত লোকজন লাঠি দিয়ে অতিথিদের পেটাচ্ছে এবং এমনকি খোলা তলোয়ার উঁচিয়ে ভয় দেখাচ্ছে।

প্রায় ১৪ হাজার গাড়ি ফেরত নিচ্ছে নিশান অস্ট্রেলিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রায় ১৪ হাজার গাড়ি ফেরত নিচ্ছে নিশান অস্ট্রেলিয়া
সংগৃহীত ছবি

জাপানি বহুজাতিক অটোমোবাইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নিশান। বিশ্বজুড়ে তাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় এসইউভি মডেল নিশান এক্স-ট্রেইল। কিন্তু সেই এক্স-ট্রেইল নিয়েই বিপাকে পড়েছে নিশান অস্ট্রেলিয়া। গাড়ির ব্যাটারির একটি সফটওয়্যার সমস্যার কারণে এক্স-ট্রেইল ই-পাওয়ার মডেলের প্রায় ১৪ হাজার গাড়ি ফেরত (রিকল) নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে নিশান অস্ট্রেলিয়া।

ফেরত নেওয়ার ঘোষণায় বলা হয়েছে, “লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি কন্ট্রোলারের সফটওয়্যার সমস্যার কারণে গাড়িটি চালানোর সময় অথবা চালক যখন রিজেনারেটিভ ব্রেকিং ব্যবহার করবেন, তখন এটি ‘ফেইল-সেফ’ মোডে চলে যেতে পারে। এর ফলে গাড়িটি চলনশক্তি হারাতে পারে এবং ব্যাটারি চার্জ হওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে।”

গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ‘চলন্ত অবস্থায় হুট করে শক্তি হারিয়ে ফেলা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে, যা গাড়ির আরোহী এবং পথচারীদের মারাত্মক আঘাত বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে।’

২০২২ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে তৈরি মোট ১৩ হাজার ৭৯৫টি এক্স-ট্রেইল ই-পাওয়ার গাড়ি এই ত্রুটির আওতায় পড়েছে।
বর্তমান চতুর্থ প্রজন্মের এক্স-ট্রেইলের জন্য এটিই প্রথম রিকল। এ ছাড়া গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এই জনপ্রিয় এসইউভির ক্ষেত্রে এটি প্রথম রিকল ঘটনা।

এর আগের প্রজন্মের মডেলটি পেছনের দরজার লকের ত্রুটির কারণে ফেরত নেওয়া হয়েছিল। এক্স-ট্রেইল হচ্ছে নিশান অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া মডেল, যা চলতি বছরে তাদের প্যাট্রোল অফ-রোডার এবং নাভারা ইউটের চেয়েও বেশি বিক্রি হয়েছে।

নিশান জানিয়েছে, ‘ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িগুলোর মালিকদের সঙ্গে নিশান যোগাযোগ করবে। সফটওয়্যারটি বিনা মূল্যে রিপ্রোগ্রামিং করিয়ে নেওয়ার জন্য তাদের নিকটস্থ অনুমোদিত নিশান ডিলারের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।’