• ই-পেপার

বাবার ‘রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার মোজতবা খামেনির

ভিয়েতনামে স্পিডবোট উল্টে ১৫ ভারতীয় নিহত

অনলাইন ডেস্ক
ভিয়েতনামে স্পিডবোট উল্টে ১৫ ভারতীয় নিহত
সংগৃহীত ছবি

ভিয়েতনামের দক্ষিণাঞ্চলে একটি দ্বীপ ভ্রমণ শেষে ফেরার পথে পর্যটকবাহী একটি স্পিডবোট ডুবে অন্তত ১৫ জন ভারতীয় পর্যটক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ২১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে গালফ নিউজ

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্পিডবোটটিতে ৩২ জন ভারতীয় পর্যটক এবং ৪ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। দক্ষিণাঞ্চলীয় ফু কুওক দ্বীপের কাছে অবস্থিত হন মাই রুট নগোয়াই দ্বীপ থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে স্পিডবোটটি উল্টে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুর্ঘটনার পর আশপাশে থাকা নৌকা ও স্পিডবোটগুলো দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পানিতে পড়ে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধার শুরু করে। পরে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থাও উদ্ধার অভিযানে যোগ দেয়। তবে অনেক যাত্রী স্পিডবোটের ভেতরে আটকে পড়ায় উদ্ধারকাজ জটিল হয়ে পড়ে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় ২১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিহত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

থাইল্যান্ড উপসাগরে অবস্থিত ফু কুওক ভিয়েতনামের অন্যতম জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকতভিত্তিক পর্যটনকেন্দ্র। এর দক্ষিণে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হন মাই রুট দ্বীপ সাদা বালুর সৈকত ও স্বচ্ছ পানির জন্য পরিচিত। প্রতি বছর দেশি-বিদেশি লাখো পর্যটক সেখানে ভ্রমণে যান।

বিয়েতে খাসির বদলে মুরগি, দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১২

অনলাইন ডেস্ক
বিয়েতে খাসির বদলে মুরগি, দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১২
সংগৃহীত ছবি

শান্তিপূর্ণভাবে চলছিল বিয়ের অনুষ্ঠান। তবে হঠাৎ করে খাবার পরিবেশনের সময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। কারণ খাসির মাংস খাওয়ানো কথা থাকলেও পাতে দেওয়া হয়েছে মুরগির মাংস! এ নিয়ে বর ও কনেপক্ষের মধ্যে বেধে গেল তুমুল মারামারি। এক পর্যায়ে লাঠি ও তলোয়ার নিয়ে চালানো এই সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ১২ জন গুরুতর আহত হয়েছে।

সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি বলছে, অদ্ভুত ও চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বিহার রাজ্যের সাহরসা জেলার সিমরি বখতিয়ারপুর শহরে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকাল আনুমানিক ৩টার দিকে মোহাম্মদ আনোয়ারের ছেলে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ওরফে চাঁদের সঙ্গে মোহাম্মদ জাভেদ ওরফে মোটোর মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন হয়। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও কর্মকর্তারা জানান, বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা বেশ শান্তিপূর্ণ এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশেই শেষ হয়েছিল। কিন্তু গণ্ডগোলের সূত্রপাত হয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর, যখন বরযাত্রীরা খাবারের টেবিলে বসেন। 

এ সময় বরের এক আত্মীয় অভিযোগ করেন, বিয়ের মেন্যুতে তাদের খাসির মাংস খাওয়ানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু টেবিলে খাবার পরিবেশন করা হলে দেখা যায়, খাসির বদলে মুরগির মাংস দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে বরপক্ষের লোকজন প্রতিবাদ জানালে কনেপক্ষের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়।

মুহূর্তের মধ্যেই চরম আকার ধারণ করে উভয় পক্ষের এই মারামারি । পরে কনেপক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে বরযাত্রীদের ওপর চড়াও হয় এবং বেধড়ক মারধর শুরু করে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংঘর্ষে দুই পক্ষের প্রায় ডজনখানেক মানুষ আহত হয়েছে। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে সিমরি বখতিয়ারপুরের মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই মারামারির বেশ কয়েকটি ভিডিও ইতোমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। একটিতে দেখা গেছে, উন্মত্ত লোকজন লাঠি দিয়ে অতিথিদের পেটাচ্ছে এবং এমনকি খোলা তলোয়ার উঁচিয়ে ভয় দেখাচ্ছে।

প্রায় ১৪ হাজার গাড়ি ফেরত নিচ্ছে নিশান অস্ট্রেলিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রায় ১৪ হাজার গাড়ি ফেরত নিচ্ছে নিশান অস্ট্রেলিয়া
সংগৃহীত ছবি

জাপানি বহুজাতিক অটোমোবাইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নিশান। বিশ্বজুড়ে তাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় এসইউভি মডেল নিশান এক্স-ট্রেইল। কিন্তু সেই এক্স-ট্রেইল নিয়েই বিপাকে পড়েছে নিশান অস্ট্রেলিয়া। গাড়ির ব্যাটারির একটি সফটওয়্যার সমস্যার কারণে এক্স-ট্রেইল ই-পাওয়ার মডেলের প্রায় ১৪ হাজার গাড়ি ফেরত (রিকল) নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে নিশান অস্ট্রেলিয়া।

ফেরত নেওয়ার ঘোষণায় বলা হয়েছে, “লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি কন্ট্রোলারের সফটওয়্যার সমস্যার কারণে গাড়িটি চালানোর সময় অথবা চালক যখন রিজেনারেটিভ ব্রেকিং ব্যবহার করবেন, তখন এটি ‘ফেইল-সেফ’ মোডে চলে যেতে পারে। এর ফলে গাড়িটি চলনশক্তি হারাতে পারে এবং ব্যাটারি চার্জ হওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে।”

গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ‘চলন্ত অবস্থায় হুট করে শক্তি হারিয়ে ফেলা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে, যা গাড়ির আরোহী এবং পথচারীদের মারাত্মক আঘাত বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে।’

২০২২ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে তৈরি মোট ১৩ হাজার ৭৯৫টি এক্স-ট্রেইল ই-পাওয়ার গাড়ি এই ত্রুটির আওতায় পড়েছে।
বর্তমান চতুর্থ প্রজন্মের এক্স-ট্রেইলের জন্য এটিই প্রথম রিকল। এ ছাড়া গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এই জনপ্রিয় এসইউভির ক্ষেত্রে এটি প্রথম রিকল ঘটনা।

এর আগের প্রজন্মের মডেলটি পেছনের দরজার লকের ত্রুটির কারণে ফেরত নেওয়া হয়েছিল। এক্স-ট্রেইল হচ্ছে নিশান অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া মডেল, যা চলতি বছরে তাদের প্যাট্রোল অফ-রোডার এবং নাভারা ইউটের চেয়েও বেশি বিক্রি হয়েছে।

নিশান জানিয়েছে, ‘ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িগুলোর মালিকদের সঙ্গে নিশান যোগাযোগ করবে। সফটওয়্যারটি বিনা মূল্যে রিপ্রোগ্রামিং করিয়ে নেওয়ার জন্য তাদের নিকটস্থ অনুমোদিত নিশান ডিলারের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।’

আরো নিরাপদ, আরো সাদা হচ্ছে হোয়াইট হাউস

অনলাইন ডেস্ক
আরো নিরাপদ, আরো সাদা হচ্ছে হোয়াইট হাউস
ছবি : রয়টার্স

ওয়াশিংটনের ১৬০০ পেনসিলভানিয়া এভিনিউয়ে অবস্থিত হোয়াইট হাউস নিছক একটি ভবন বা স্থাপনা নয়। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনটি এখন বিশ্বক্ষমতার কেন্দ্র।

১৭৯২ সালে শুরু হয়ে ১৮০০ সালের ১ নভেম্বর শেষ হয় হোয়াইট হাউসের ‍নির্মাণকাজ। জন অ্যাডামসের পর থেকে সকল মার্কিন প্রেসিডেন্টই থাকছেন স্থাপত্য আর আভিজাত্যে অনন্য এই ভবনটিতে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাপ্তরিক কার্যালয় ওভাল অফিসও এই ভবনেই।

নির্মাণের পর অন্তত দুইবার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হোয়াইট হাউস। বিভিন্ন সময়ে এ ভবনে নানা সংস্কার হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর হোয়াইট হাউসে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারকাজে হাত দিয়েছেন। ট্রাম্পের পরামর্শে হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইংটি ভেঙে পুরোপুরি আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। নানা সমালোচনা এবং আইনি বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এ কাজ।

সেখানে প্রায় ৯০ হাজার বর্গফুটের নতুন গ্লাস-দেয়ালের বলরুম তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে একসঙ্গে ১ হাজার অতিথি ধারণ করা যাবে। ২০২৫ সালে শুরু হওয়া এই বিশাল সংস্কারকাজ ২০২৮ সালের মাঝামাঝি শেষ হতে পারে। এ ছাড়া ট্রাম্পের পরামর্শে সোনালি সাইনেজ ঝোলানো এবং রোজ গার্ডেন পাকা করার কাজও করা হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংস্কার মূলত সৌন্দর্যকেন্দ্রিক।তবে গত সপ্তাহে শুরু হওয়া চলমান সংস্কারকাজটি নিরাপত্তাকেন্দ্রিক।

মূলত মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের পরামর্শেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসভবনকে আরো নিরাপদ ও সুরক্ষিত করে তুলতে গত সপ্তাহে সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি এ কাজ শেষ হতে পারে। পাশাপাশি সাধারণ কিছু সংস্কার ও রঙের কাজও চলছে। এ কাজ অবশ্য দিন দশেকের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস দীর্ঘ দিন ধরে এই পরিবর্তনের পক্ষে সুপারিশ করে আসছিল। এবারের সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো হোয়াইট হাউসের উত্তর পোর্টিকোতে অবস্থিত প্রবেশপথটিকে আরো সুরক্ষিত ও শক্তিশালী করা। মেরামত কাজের সুবিধার জন্য প্রবেশপথটির বাইরের দিকের স্তম্ভগুলো মাচা ও ত্রিপল দিয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে।

প্রবেশপথকে সুরক্ষিত করার পাশাপাশি স্তম্ভগুলোর পাথর সংস্কার এবং রঙের কাজও করা হচ্ছে। মার্কিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডাগ বারগাম বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একজন বিশ্বনেতাকে অভ্যর্থনা জানাতে বেরিয়ে এসে স্তম্ভগুলোতে দরজার দাগ দেখে বলেন, দেখুন, এই সবকিছু মেরামত করা দরকার।’

সম্প্রতি ‘দ্য কেটি মিলার পডকাস্ট’-এ উপস্থিত হয়ে বারগাম বলেন, ‘এটি খুব দ্রুত সম্পন্ন হবে। আমার মনে হয় এগুলো মাত্র ১০ দিনের মতো সেখানে আছে, তবে এই কর্মীরা খুব দ্রুত কাজ করেন।’

মেরামত কাজ সম্পর্কে এ সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, নির্মাণ শ্রমিকরা স্তম্ভগুলো থেকে প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো রং তুলে ফেলে সেগুলোকে নতুন করে রং করেছে। তিনি আরো বলেন, স্তম্ভগুলো খুবই খারাপ অবস্থায় ছিল এবং অনেক রাষ্ট্রপতির দ্বারা সেগুলোর সঙ্গে খুব খারাপ আচরণ করা হয়েছিল।

এ ছাড়া গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের সাউথ লনে আগে থেকে ঘোষণা না করা একটি হেলিপ্যাডের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউস একটি আসন্ন রাষ্ট্রীয় সফরের প্রত্যাশায় ১৩ মিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে শেষ করেছে এবং বিলের সঙ্গে আরো ৮ লাখ ৭৫ হাজার ডলার যোগ করেছে। প্রতিবেদনে সম্ভাব্য বিশ্বনেতার নাম উল্লেখ করা হয়নি। 

তবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং, যার সেপ্টেম্বরে ওয়াশিংটন সফর করার কথা। এ ছাড়া নিরাপত্তা আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে হোয়াইট হাউসের উত্তর দিকের আশপাশের এলাকায় অবস্থিত লাফায়েক পার্ক এলাকা ঘিরে ফেলার জন্য নতুন বেষ্টনী বা প্রাচীর নির্মাণের পরিকল্পনা জমা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

প্রেসিডেন্টের যাতায়াতের সময় জনসাধারণের জন্য এই পার্কটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। তবে শুক্রবার জমা দেওয়া এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো বর্তমানে থাকা জোড়াতালির অস্থায়ী ব্যারিকেডগুলোর একটি স্থায়ী সমাধান করা, যাকে কর্মকর্তারা বিভিন্ন নিরাপত্তা ঝুঁকির জন্য ব্যাপক অথচ নমনীয় বেষ্টনী কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এই স্থায়ী বেষ্টনীর উদ্দেশ্য হলো প্রয়োজনে রাস্তাটি বন্ধ করা আরও সহজ করা।

এই নিরাপত্তা বাড়ানোর কাজগুলো যখন করা হচ্ছে, তখন প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে। একাধিকবার ট্রাম্পের ওপর হামলাও হয়েছে। এ ছাড়া ইরান ট্রাম্পকে হত্যা করতে পারে, এমন গোয়েন্দা তথ্য নিয়েও আলোচনা হচ্ছে।