• ই-পেপার

হরমুজে দুই জাহাজে হামলা, সমুদ্রপথে ঝুঁকি ‘গুরুতর’

পশ্চিমবঙ্গে গণধর্ষণের পর  কিশোরী হত্যায় প্রধান অভিযুক্ত পুলিশের গুলিতে নিহত

অনলাইন ডেস্ক
পশ্চিমবঙ্গে গণধর্ষণের পর  কিশোরী হত্যায় প্রধান অভিযুক্ত পুলিশের গুলিতে নিহত
সংগৃহীত ছবি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার মামলার প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনার পুনর্গঠন করার সময় তিনি পালানোর চেষ্টা করলে এ ঘটনা ঘটে। একই মামলায় আরো এক অভিযুক্ত কবীর মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে চারজনে দাঁড়িয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে প্রভাস মণ্ডলকে বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় নেওয়া হয়। তদন্তকারীরা সেখানে ঘটনার বিভিন্ন দিক যাচাই ও পুনর্গঠন করছিলেন। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের দাবি, এ সময় প্রভাস হঠাৎ পুলিশের কাছ থেকে একটি বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। এরপর তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে দ্রুত বারুইপুর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে মামলার তদন্তে একটি সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে প্রভাস মণ্ডলকে শনাক্ত করে পুলিশ। ওই ফুটেজে তাকে নিহত কিশোরীর সঙ্গে হেঁটে যেতে দেখা যায় বলে জানিয়েছে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র। পরে প্রভাসকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কিশোরীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে দাবি পুলিশের। এদিকে একই মামলায় কবীর মোল্লা নামে আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের খুঁজে বের করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
 

খামেনির মরদেহ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন পেজেশকিয়ান ও ইরাকি প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
খামেনির মরদেহ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন পেজেশকিয়ান ও ইরাকি প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

ইরানের ইসলামী বিপ্লবের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইরাকে অবস্থান করছেন ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান। এর আগে, খামেনির মরদেহ ইরাকের নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে সেখানে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময় বিমানবন্দরে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার (৮ জুলাই) নাজাফ ও পবিত্র নগরী কারবালায় খামেনির জানাজার মিছিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে লাখ লাখ ইরাকি শিয়া মুসলমান অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে ইরাকে বুধবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি পেজেশকিয়ান কেবল জানাজায় অংশ নিতেই ইরাকে যাননি, বরং ইরাকি সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক আলোচনাও করেছেন। বাগদাদে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদির সঙ্গে এক বিশেষ বৈঠকে পেজেশকিয়ান এই জানাজা ও অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের চমৎকার আয়োজনের জন্য ইরাকি সরকার ও জনগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। বৈঠকে ইরানের রাষ্ট্রপতি ইরাকের এই আতিথেয়তাকে দুই দেশের মধ্যকার গভীর ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সম্পর্কের প্রতিফলন এবং ইসলামী সংহতির প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। দুই দেশের কৌশলগত ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো গভীর করতে পেজেশকিয়ান ইরাকের প্রধানমন্ত্রীকে তেহরান সফরের আমন্ত্রণ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সফর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক সহযোগিতায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে পেজেশকিয়ান মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও স্থায়ী শান্তি বজায় রাখার ওপর জোর দেন। আন্তর্জাতিক চুক্তি প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতে দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্র তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি। তবে ইরান কোনো চুক্তি লঙ্ঘন বা প্রতিষ্ঠিত সমঝোতা থেকে বিচ্যুত হবে না।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি বলেন, ইরাকি সরকার ও জনগণের খামেনির জানাজায় অংশগ্রহণ করা একটি নৈতিক ও ধর্মীয় কর্তব্য। তিনি প্রয়াত ইরানি নেতাকে ‘ইসলামী বিশ্বের একজন রূপান্তরকারী ব্যক্তিত্ব’ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের ভিত্তিতে ইরানের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

মার্কিন আইসিই এজেন্টের গুলিতে মেক্সিকান অভিবাসী নিহত

অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন আইসিই এজেন্টের গুলিতে মেক্সিকান অভিবাসী নিহত
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চলমান দেশব্যাপী কঠোর অভিযানের মধ্যে মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থার (আইসিই) এক এজেন্টের গুলিতে লরেঞ্জো সালগাদো আরাউজো নামের এক মেক্সিকান নাগরিক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে হিউস্টনের পূর্ব প্রান্তে আইসিই-এর একটি অভিযান চলাকালীন এই গুলির ঘটনা ঘটে। তবে নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

আইসিই এক বিবৃতিতে জানায়, লরেঞ্জো সালগাদোকে থামানোর চেষ্টা করা হলে তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশ অমান্য করেন এবং নিজের গাড়ি দিয়ে আইসিই-র একটি গাড়িতে ধাক্কা দেন। এরপর একজন কর্মকর্তাকে চাপা দেওয়ার চেষ্টায় গাড়িটিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করলে আত্মরক্ষার্থে ওই কর্মকর্তা গুলি চালান। তবে নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। 

এই ঘটনার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি সাদা ভ্যানের পাশে রাস্তায় শুয়ে থাকা সালগাদোর ওপর দুজন এজেন্ট ঝুঁকে আছেন এবং ভ্যানের অপর পাশে আরো দুজনকে হাতকড়া পরা অবস্থায় মাটিতে ফেলে রাখা হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিহত লরেঞ্জো সালগাদো দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে হিউস্টনের বাসিন্দা ছিলেন এবং ১৯৯৩ সাল থেকে তার টেক্সাসের ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল। তার ছেলে রোনাল্ডো সালগাদো জানান, ঘটনার সময় তার বাবা ওই এলাকায় কর্মী (দিনমজুর) খুঁজছিলেন।

গত এক বছরে বেশ কয়েকটি ঘটনায় আইসিই-র ‘আক্রমণের শিকার হওয়ার’ প্রাথমিক দাবি পরবর্তী সময়ে ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা রন্ডা স্মিথ রয়টার্সকে বলেন, ‘লোকটি কঠোর পরিশ্রমী ছিল। খুনি-ধর্ষকদের পেছনে না লেগে একজন পরিশ্রমী মানুষের পেছনে কেন লাগা হলো?’ অন্য এক বাসিন্দা জিনা ড্যানিয়েলসেন সরাসরি ট্রাম্প প্রশাসনকে দায়ী করে বলেন, ‘শুধু কাগজপত্র না থাকার কারণে একজন মানুষকে মেরে ফেলা হলো, এটা অবশ্যই বন্ধ হতে হবে।’ ঘটনাস্থলে ফুল ও মোমবাতি জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেছেন স্থানীয়রা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বুধবার (৮ জুলাই) রাতে আরো বড় ধরনের বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এবং এফবিআই মাঠে নেমেছে। টেক্সাসের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি সিলভিয়া গার্সিয়া এবং ‘লীগ অব ইউনাইটেড ল্যাটিন আমেরিকান সিজেনস’-এর সভাপতি রোমান পালোমারেস একটি স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। হিউস্টন পুলিশ জানিয়েছে, এটি সম্পূর্ণ একটি ফেডারেল অপারেশন ছিল এবং এর সাথে স্থানীয় পুলিশের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশজুড়ে বড় আকারের নির্বাসন অভিযান শুরু হয়। বর্তমানে মার্কিন অভিবাসন কর্মকর্তারা প্রতিদিন প্রায় ২,০০০ অভিবাসীকে আটক করছেন। এই নতুন অভিযান শুরুর পর থেকে ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তাদের গুলিতে এখন পর্যন্ত অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান নতুন উত্তেজনায় ঝুঁকিতে হরমুজ প্রণালি

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান নতুন উত্তেজনায় ঝুঁকিতে হরমুজ প্রণালি
ছবি : রয়টার্স

হরমুজ প্রণালীর কাছে কাতার ও সৌদি আরবের বাণিজ্যিক জাহাজে নতুন করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭৬ ডলারে পৌঁছেছে। এই হামলার পর মার্কিন নৌবাহিনীর নেতৃত্বাধীন জয়েন্ট মেরিটাইম ইনফরমেশন সেন্টার (জেএমআইসি) হরমুজে যাতায়াতের হুমকির মাত্রা ‘মারাত্মক’ পর্যায়ে উন্নীত করেছে

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বোঝাই কাতারি ট্যাংকার ‘আল রেকায়াত’-এর বাম পাশে আঘাত করা হয়েছে। হামলার পর এর ইঞ্জিন রুমে আগুন ধরে যায় এবং জাহাজটি বড় ধরনের বিস্ফোরণের ঝুঁকিতে পড়ে। তবে নাবিকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতারের কোনো জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটল। পাশাপাশি ওমান উপকূলের কাছে সৌদি আরবের পতাকাবাহী ‘ওয়েদিয়ান’ নামের একটি সুপারট্যাঙ্কারও হামলার শিকার হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া ড্রোনের আঘাতে আরেকটি ট্যাংকার সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ধারণা, ইরানই এই বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে গুলি চালিয়েছে। কাতার ও সৌদি আরব এই হামলার জন্য সরাসরি তেহরানকে দায়ী করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

এই সংঘাতের ফলে গত জুন মাস থেকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলা ভঙ্গুর সমঝোতাও ভেস্তে যাওয়ার মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে ইরানকে তেল বিক্রির জন্য দেওয়া বিশেষ লাইসেন্সটি প্রত্যাহার করে নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার (৬ জুলাই) বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হয় ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে আসবে, নতুবা সামরিক উপায়ে ‘কাজটা শেষ করে দিবে’। জুন মাসে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার শর্ত হিসেবে ইরানকে কয়েক দশক পুরোনো নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে তেল বিক্রির লাইসেন্স দিয়েছিল হোয়াইট হাউস। কিন্তু মঙ্গলবারের (৭ জুলাই) হামলার পর সেই সুবিধা বাতিল করেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে ইরানের এই কার্যক্রম ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ এবং এর পরিণতি তাদের ভোগ করতে হবে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হুমকি অব্যাহত থাকলে কোনো ধরনের চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনা শুরু করা সম্ভব নয়। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, যেসব বাণিজ্যিক জাহাজ ইরানের সাথে সমন্বয় না করে চলাচল করে অথবা জাহাজের ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বন্ধ রাখে, মূলত তারাই ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি যৌথ মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস এই প্রণালী দিয়ে সরবরাহ করা হতো। মঙ্গলবারের হামলার পর হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে মাত্র ১৬টিতে নেমে এসেছে, যা গত তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন। যুদ্ধ শুরুর আগে যেখানে দৈনিক ১২৫টি জাহাজ চলাচল করত, তা এখন নেমে এসেছে মাত্র ২৫ থেকে ৪০টিতে। জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের ট্যাঙ্কার বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে উপসাগরের অভ্যন্তরে একটি জাহাজে মালামাল বোঝাই করার দৈনিক গড় খরচ গত সপ্তাহের ২ লক্ষ ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে প্রায় ৩ লক্ষ ডলারে পৌঁছেছে। বিশ্ব তেল বাজার যেখানে ধারণা করেছিল যুদ্ধবিরতি দীর্ঘস্থায়ী হবে, সর্বশেষ এই হামলা সেই আশাকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছে।