• ই-পেপার

ফুসফুস প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায় নরওয়ের রাজকুমারী

গাজার আশ্রয় শিবিরে শৌচাগার সংকটে ভুগছেন লাখো ফিলিস্তিনি

অনলাইন ডেস্ক
গাজার আশ্রয় শিবিরে শৌচাগার সংকটে ভুগছেন লাখো ফিলিস্তিনি
ছবি: রয়টার্স

গাজায় বাস্তুচ্যুত লাখো ফিলিস্তিনির জন্য নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন শৌচাগারের সংকট এখন বড় মানবিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ওঠা বিশাল অস্থায়ী আশ্রয় শিবিরে বসবাসকারী মানুষ প্রতিদিনই এই দুর্ভোগের মুখোমুখি হচ্ছেন।

বর্তমানে গাজায় প্রায় ১৭ লাখ বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি আশ্রয় শিবিরে বসবাস করছেন। যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে ঘরবাড়ি হারিয়ে তারা তাবুতে দিন কাটাচ্ছেন। তবে খাদ্য ও পানির সংকটের পাশাপাশি শৌচাগারের অভাবও তাদের দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দক্ষিণ গাজার একটি তাবুশিবিরে বসবাসকারী ৩৮ বছর বয়সী মোস্তফা শাবান পরিবারের জন্য নিজেই একটি অস্থায়ী শৌচাগার তৈরি করেছেন। পরিবারের সদস্যদের গণশৌচাগার ব্যবহার থেকে রক্ষা করতেই তিনি এই উদ্যোগ নেন।

শাবান প্রথমে বালুমাটিতে একটি অগভীর গর্ত খনন করেন। পরে গর্তের চারপাশে কংক্রিটের আস্তরণ দেন, যাতে সেটি কিছুটা টেকসই হয়। এরপর গর্তের ওপর তলাবিহীন একটি প্লাস্টিকের বালতি বসান। সবশেষে পুরোনো একটি প্লাস্টিকের টয়লেট সিট লাগিয়ে শৌচাগারটি ব্যবহারের উপযোগী করেন।

তবে এই শৌচাগার ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও সুখকর নয়। গর্ত থেকে সব সময় তীব্র দুর্গন্ধ বের হয়। সেখানে মাছি ও মশার উপদ্রবও রয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, শৌচাগারটি পরিবারের ঘুমানোর জায়গা এবং খাবার রান্নার স্থানের খুব কাছেই অবস্থিত। ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরো বেড়ে যায়।

শাবান জানান, প্রতি সপ্তাহে তাকে গর্তে জমে থাকা মলমিশ্রিত কাদা নিজ হাতে পরিষ্কার করতে হয়। অস্বাস্থ্যকর এই কাজ তার জন্য কষ্টকর হলেও পরিবারের সদস্যদের কিছুটা গোপনীয়তা ও স্বস্তি দিতে তিনি এটি করে যাচ্ছেন।

তার মতে, এই অস্থায়ী শৌচাগার আশ্রয় শিবিরের গণশৌচাগারগুলোর তুলনায় ভালো। কারণ সেই সাধারণ শৌচাগারগুলো শত শত মানুষ ভাগাভাগি করে ব্যবহার করেন। অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে সেগুলো খুবই নোংরা হয়ে থাকে এবং সেখান থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ায়।

মোস্তফা শাবান বলেন, 'আমি চাইনি আমার স্ত্রী ও সন্তানরা গণশৌচাগার ব্যবহার করুক। সেখানে গোপনীয়তা নেই, আর পরিস্থিতিও খুব খারাপ। এটি তাদের জন্য অপমানজনক।'

দুই বছর আগে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের কারণে তাকে নিজের বাড়ি ছেড়ে যেতে হয়। দক্ষিণ গাজার রাফাহ থেকে সরে গিয়ে তিনি বর্তমানে খান ইউনিস এলাকায় আশ্রয় নিয়েছেন। সেখানে একটি তাবু শিবিরে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করছেন।

নিজের তৈরি শৌচাগার সম্পর্কে শাবান বলেন, পরিস্থিতি খুবই খারাপ এবং অস্বাস্থ্যকর। কিন্তু অন্তত সেখানে তার পরিবারের মর্যাদা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা কিছুটা হলেও বজায় থাকে। 

 

যুদ্ধের ১০০ দিন : কতবার সমঝোতার পথে ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান?

অনলাইন ডেস্ক
যুদ্ধের ১০০ দিন : কতবার সমঝোতার পথে ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান?

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে প্রথম হামলা চালানোর ১০০ দিন পার হলেও এখনো কোনো শান্তিচুক্তি হয়নি। তবে এই সময়ের মধ্যে কয়েক দফায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যখন দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে হয়েছিল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে। এই অভিযানের মাধ্যমে সংঘাতের সূচনা হয়। হামলার পরপরই ইরান পাল্টা জবাব দেয়। দেশটি ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়। এতে পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

যুদ্ধ শুরুর পর কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলতে থাকে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরো অস্থির হয়ে ওঠে। আন্তর্জাতিক মহলও সংঘাত বন্ধে উদ্যোগ নিতে শুরু করে।

এর মধ্যে গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর বড় ধরনের সামরিক সংঘর্ষ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। এতে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার আশা দেখা দেয়।

তবে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা খুব বেশিদূর এগোয়নি। ১২ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সেই আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই ভেঙে যায়।

আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরও কূটনৈতিক যোগাযোগ বন্ধ হয়নি। এর পর থেকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষ একের পর এক শান্তি প্রস্তাব আদান-প্রদান করে আসছে। বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চললেও এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি।

এদিকে শান্তি প্রচেষ্টার পাশাপাশি নতুন করে কয়েকটি উত্তেজনাকর ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনার কারণে আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও অঞ্চলটির পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়। শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে ১৪টি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ব্লকের নির্দেশ সিঙ্গাপুরের

অনলাইন ডেস্ক
বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে ১৪টি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ব্লকের নির্দেশ সিঙ্গাপুরের
ছবি : রয়টার্স

সিঙ্গাপুরে জাতিগত বিভেদ সৃষ্টির অভিযোগে ১৪টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট নিষ্ক্রিয় (ব্লক) করার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সরকার। শনিবার (৬ জুন) সিঙ্গাপুরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এমএইচএ) ‘অনলাইন ক্রিমিনাল হার্মস অ্যাক্ট ২০২৩’ প্রয়োগ করে ইউটিউব, ফেসবুক ও এক্স কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশনা জারি করে।

তদন্তে জানা গেছে, এই উস্কানিমূলক বিষয়বস্তুগুলো মূলত চীন-ভিত্তিক একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে তৈরি হয়েছিল। পুলিশের ধারণা, সিঙ্গাপুরের ভেতরে অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানোর উদ্দেশ্যে বিদেশ থেকে এই পরিকল্পিত চেষ্টা করা হচ্ছিল।

পোস্টগুলোতে মূলত ভারতীয়দের টার্গেট করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সিঙ্গাপুরে ভারতীয়দের সংখ্যা অনেক বেড়ে যাচ্ছে এবং দেশটির সবার সাথে মিলেমিশে থাকার নীতিটি কেবল পশ্চিমাদের দেখানোর জন্য একটি নাটক। এ ছাড়া ভারতীয় প্রবাসী শ্রমিকদের নিয়ে অত্যন্ত অপমানজনক ও বর্ণবাদী মন্তব্যও করা হয়। এসব দাবি বিশ্বাসযোগ্য করতে সপ্তাহান্তের ছুটির দিনে ‘লিটল ইন্ডিয়া’র ব্যস্ত রাস্তার ছবি এবং একটি ধর্মীয় উৎসবের ভিডিও ফুটেজ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল।

সিঙ্গাপুরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই কর্মকাণ্ডগুলো দেশটির দণ্ডবিধির ২৯৮এ ধারার অধীনে সুস্পষ্ট অপরাধ, যা বিভিন্ন জাতিগত বা ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা ও ঘৃণা ছড়ানোকে নিষিদ্ধ করে। ২০২৩ সালে প্রণীত শক্তিশালী আইনের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ দীর্ঘ পর্যালোচনার অপেক্ষা না করেই ক্ষতিকর অনলাইন বিষয়বস্তুর বিরুদ্ধে এই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে।

বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় উগ্র জাতীয়তাবাদ ও বিদেশভীতির তীব্র বিরোধিতা করে এই ধরনের প্রচারণা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। একই সাথে সাধারণ নাগরিকদের অনলাইন তথ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে বিচক্ষণতা প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সূত্র : এনডিটিভি

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওতে গ্রীষ্মকালীন উৎসবে বন্দুক হামলা, গুলিবিদ্ধ অন্তত ১২

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওতে গ্রীষ্মকালীন উৎসবে বন্দুক হামলা, গুলিবিদ্ধ অন্তত ১২
ওহাইওর একটি উৎসবে অন্তত ১২ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সন্দেহভাজনদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। ছবি : ডব্লিউডব্লিউএসবি

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের টলেডো শহরের গ্রীষ্মকালীন একটি উৎসবের কাছে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত ‘সন্দেহভাজন বা সন্দেহভাজনদের’ খুঁজছে স্থানীয় পুলিশ। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

টলেডো পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৭ মিনিটে ‘ওল্ড ওয়েস্ট অ্যান্ড ফেস্টিভিাল’-এর কাছে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখানে বেশ কয়েকজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদের মধ্যে ১০ জন স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন এবং দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

টলেডোর মেয়র ওয়েড ক্যাপসুকেভিচ স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘ডব্লিউটিওইএল ১১’-কে জানিয়েছেন, গুলিবিদ্ধ সবাই বেঁচে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

টলেডোর ডেপুটি পুলিশ প্রধান জো বলেছেন, ‘দেখে মনে হচ্ছে দুজন ব্যক্তি অস্ত্র দিয়ে গুলি চালিয়েছে এবং তারা ‘সম্ভবত একে অপরকে লক্ষ্য করে গুলি চালাচ্ছিল।’

অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, আচমকা একঝাঁক গুলির শব্দে মানুষজন চিৎকার করতে করতে দিগ্বিদিক ছুটে পালাচ্ছেন। অন্য কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, দুইজনকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং বেশ কয়েকজন রক্তাক্ত মানুষ একটি শামিয়ানার পাশে ঘাসের ওপর পড়ে আছেন। বিবিসি এই ভিডিওগুলোর সত্যতা এখনো পুরোপুরি যাচাই করতে পারেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।

আরো পড়ুন
মধ্যপ্রাচ্যে হামলার ক্ষতিপূরণে ইরানের সম্পদ ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

মধ্যপ্রাচ্যে হামলার ক্ষতিপূরণে ইরানের সম্পদ ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

 

উৎসবের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ‘ওল্ড ওয়েস্ট অ্যান্ড ফেস্টিভাল’ হলো দুই দিনব্যাপী একটি আয়োজন। লাইভ মিউজিক, ফুড মার্কেট, বিয়ার গার্ডেন এবং শপিংয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহত্তম এই ঐতিহাসিক এলাকাটি উদযাপন করতে প্রতিবছর বহু মানুষ এখানে সমবেত হন।

পুলিশ জানিয়েছে, উৎসবের যেখানে গান ও খাবারের আয়োজন ছিল, অর্থাৎ ‘ডেলাওয়্যার এভিনিউ’ ও ‘রবিনউড এভিনিউ’য়ের সংযোগস্থলকে কেন্দ্র করে বর্তমানে তদন্ত চালানো হচ্ছে।

আরো পড়ুন
আজ বায়ুদূষণের শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার অবস্থান কত

আজ বায়ুদূষণের শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার অবস্থান কত

 

এই ঘটনার পর ওহাইওর গভর্নর মাইক ডিওয়াইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘গ্রীষ্মকালীন এই উৎসবগুলো হওয়া উচিত ছিল পরিবারের সবার একসঙ্গে নির্ভয়ে সময় কাটানোর একটি নিরাপদ জায়গা। ওল্ড ওয়েস্ট অ্যান্ড ফেস্টিভালের এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সবার জন্য আমি ও ফ্রান (গভর্নরের স্ত্রী) প্রার্থনা করছি। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুতই এই কাণ্ডজ্ঞানহীন অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে সক্ষম হবে।’