• ই-পেপার

ইরান হামলা: কূটনৈতিকভাবে সোচ্চার রাশিয়া ও চীন

৪২০০ কোটি রুপির এক্সপ্রেসওয়ে, ১২ দিনেই ফাটল

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
৪২০০ কোটি রুপির এক্সপ্রেসওয়ে, ১২ দিনেই ফাটল
সংগৃহীত ছবি

অনেক ধুমধাম করে উদ্বোধন করা হয়েছিল ভারতের উত্তর প্রদেশের লখনউ-কানপুর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। কিন্তু মাত্র ১২ দিনের মাথায় দামি এই এক্সপ্রেসওয়েতে ফাটল দেখা দিয়েছে। কর্তৃপক্ষ প্রবল বর্ষণকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য দায়ী করলেও বিরোধীরা এর জন্য নিম্নমানের কাজ, নির্মাণকাজে তদারকিতে গাফিলতি ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে সোচ্চার হয়েছেন। 

গত ১৩ জুলাই লখনউ-কানপুর গ্রিনফিল্ড ন্যাশনাল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটি উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং কেন্দ্রীয় মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি উপস্থিত ছিলেন।

এক্সপ্রেসওয়েটি বানাতে মোট ৪ হাজার ২০০ কোটি রুপি ব্যয় হয়েছিল। উদ্বোধনের ১২ দিনের মাথায় আসা কিছু ছবি সবাইকে চমকে দিয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, রাস্তার বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে, কোথাও কোথাও ধসে পড়েছে।

উত্তর প্রদেশের সমাজবাদী পার্টির নেতা মধুসূদন যাদব এক্সপ্রেসওয়ে থেকে একটি ভিডিও শেয়ার করে জানিয়েছেন, কোরারি গ্রামের কাছে রাস্তার প্রায় পাঁচ থেকে সাত মিটারের একটি অংশ ধসে গেছে। ফাটলগুলোর দিকে ইঙ্গিত করে যাদব বলেন, ‘আমি লখনউ-কানপুর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যাচ্ছিলাম এবং কোরারিতে পৌঁছানো মাত্রই দেখলাম বৃষ্টির পর রাস্তাটিতে কিভাবে ফাটল ধরেছে।’

এই ধরনের ফাটল বড় কোনো দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করে যাদব সরকারকে এই প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন। তবে খবর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মেরামত শেষে এক্সপ্রেসওয়েটি চালু করা হয়েছে।

উদ্বোধনের মাত্র ১২ দিনের মাথায় লখনউ-কানপুর এক্সপ্রেসওয়ের এই দশার জন্য ভারি বর্ষণ এবং পিচের উপরিভাগের প্রযুক্তিগত ত্রুটিকেই দায়ী করা হচ্ছে।

ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অব ইন্ডিয়া-এর প্রকল্প পরিচালক নকুল প্রকাশ ভার্মা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মূল সড়কটি ধসে যায়নি। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে পিচের একেবারে ওপরের আস্তরণ আলগা হয়ে প্রায় ৪০ মিটার রাস্তাজুড়ে পিছলে গেছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভেতরের মূল কাঠামো বা নিচের মাটি ধসে না পড়ায় একে স্ট্রাকচারাল ফেইলিউর বা স্থায়ী ধস বলা যাবে না।

কর্মকর্তারা দাবি করেন, পিচের তৈরি দীর্ঘ মহাসড়কগুলোতে কাজ শেষ হওয়ার পরপরই হুট করে ভারি বৃষ্টি হলে দু-এক জায়গায় এমন কারিগরি বা টেকনিক্যাল সমস্যা দেখা দিতে পারে। তারা বলেন, উন্নাওয়ের কোরারি এলাকার ওই অংশের পাশের মাটির বাঁধটি ভারি বর্ষণের তোড়ে ধুয়ে যাওয়ায় রাস্তার উপরিভাগের পিচ ধরে রাখার শক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছিল।

চিলিতে ৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্প

অনলাইন ডেস্ক
চিলিতে ৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্প
ছবি : রয়টার্স

চিলির আন্তোফাগাস্তা শহরে সোমবার (২৭ জুন) ৫.৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। এ তথ্য জানিয়েছে ইউরোপীয় ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি)। 

ইএমএসসি জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৯৩ কিলোমিটার গভীরে।

তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে বিভিন্ন এলাকায় তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।  পরিস্থিতি মূল্যায়ন শেষ হলে এ বিষয়ে আরও তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

জুনের পর জুলাইও ভয়ংকর ইউক্রেনে

অনলাইন ডেস্ক
জুনের পর জুলাইও ভয়ংকর ইউক্রেনে
ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত কিয়েভের ওখমাতদিত শিশু হাসপাতালে উদ্ধারকর্মীরা কাজ করছেন। ছবি : রয়টার্স

যেমনটা আশঙ্কা করা হয়েছিল, ঘটেছেও তাই। যুদ্ধ শুরুর পর ইউক্রেনের সবচেয়ে ভয়ংকর মাস এখন চলতি জুলাই। ২৯৩ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু নিয়ে গত মাস মানে জুন মাস ছিল সবচেয়ে ভয়ংকর।

যুদ্ধ যেভাবে তীব্রতা পাচ্ছিল, তাতে জুলাই জুন মাসকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে, এমন আশঙ্কা ছিল। শেষ হওয়ার আগেই জুলাই সবচেয়ে প্রাণঘাতী মাস হয়ে গেছে ইউক্রেনের বেসামরিক নাগরিকদের জন্য।

ইউক্রেনের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে রাশিয়ার হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৭৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ২ হাজার ১২৯ জন আহত হয়েছেন।

চলতি মাসের হামলাগুলোতে উচ্চ সংখ্যার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রতিহত করা বেশ কঠিন। এগুলো ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভকে একাধিকবার লক্ষ্যবস্তু করেছে। এ কারণেই হতাহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, ‘রাশিয়া গত সপ্তাহে প্রায় ১ হাজার ৭০০টি ড্রোন, ১ হাজার ৬৩০টিরও বেশি গাইডেড এরিয়াল বোমা এবং ৫০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।’

রবিবার এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি বলেন, ‘ব্যালিস্টিক সন্ত্রাসের ওপর রাশিয়ার এই বাজি আমাদের রুখে দিতেই হবে।’

তিনি আরো যোগ করেন, ‘এই মুহূর্তে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী প্রতিটি ইন্টারসেপ্টর আক্ষরিক অর্থেই জীবন বাঁচাতে সাহায্য করছে। তবে সেগুলো আমাদের সহযোগীদের গুদামে থাকলে হবে না, ইউক্রেনীয় ব্যবস্থায় থাকতে হবে।’

জেলেনস্কি প্রায়শই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম প্যাট্রিয়ট এবং অন্যান্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বারবার আবেদন জানিয়ে আসছেন।

ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রবিববার চের্নিহিভে একটি সুপারমার্কেটে রুশ ড্রোন হামলায় ১০ বছর বয়সী এক শিশু এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং আরো তিনজন আহত হয়েছেন।

তবে ইউক্রেনও গত সপ্তাহে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র অভিযান অব্যাহত রেখেছে। যার ফলে রাশিয়ার বেশ কয়েকটি শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই অভিযানের কারণে রাশিয়া বছরের শেষ নাগাদ ডিজেল রপ্তানির ওপর তাদের নিষেধাজ্ঞা বাড়াতে বাধ্য হয়েছে।

রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক শনিবার বলেছেন, বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সরকার ডিজেল রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবে।

ওয়াশিংটনের ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার শনিবার জানিয়েছে, ‘রাশিয়ার অনেক এলাকা এবং দখলকৃত ইউক্রেনীয় অঞ্চলগুলো এখনো জ্বালানি সংকটের সঙ্গে লড়াই করছে। যদিও রুশ কর্মকর্তারা ক্রমশ এমন ভাব দেখাচ্ছেন যে, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং জ্বালানি সংকট স্থিতিশীল হচ্ছে।’

জবাবে রাশিয়াও উত্তর ইউক্রেনের জ্বালানি স্টেশনগুলোতে হামলা চালিয়েছে এবং কৃষ্ণসাগর ও দানিয়ুব নদীর তীরে ইউক্রেনীয় বন্দরগুলোতেও তাদের হামলা জোরদার করেছে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে যুদ্ধ বন্ধে বাধ্য করতে জুন মাসে একটি বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। পরিকল্পনা অনুযায়ী রাশিয়ার ভেতরে জ্বালানী অবকাঠামো, স্যাটেলাইট কেন্দ্রসহ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নানা অবকাঠামোয় অব্যাহত ড্রোন হামলা চালায় ইউক্রেন।

শুরুর দিকে বেশ সাফল্যও পেয়েছিল তারা। রাশিয়ার মত তেল উৎপাদনকারী দেশেও তীব্র জ্বালানী সঙ্কট দেখা দেয়। কিন্তু ইউক্রেনের জন্য ব্যাপারটা হয়ে যায় ভিমরুলের চাকে ঢিল দেয়ার মতো। পুতিন ইউক্রেনের চাপে কাবু হওয়ার বান্দা নন। তীব্রভাবে পাল্টা হামলা চালায় রাশিয়া। ইউক্রেন যুদ্ধ এখন একদম তার শুরুর দিকের তীব্রতায় ফিরে গেছে। ফলে দুই পক্ষেই ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে।

অস্ত্রসংকটের খবর উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প, বললেন ইরানের মজুদ ফুরাচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক
অস্ত্রসংকটের খবর উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প, বললেন ইরানের মজুদ ফুরাচ্ছে
ছবি : রয়টার্স

ইরানের বিরুদ্ধে টানা সামরিক অভিযানের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুদ কমে যাচ্ছে—এমন খবর নাকচ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রয়োজনের চেয়েও বেশি অস্ত্র ও গোলাবারুদ রয়েছে।

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বেশি গোলাবারুদ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে অনেক বেশি গোলাবারুদ আছে। আমাদের যতটা প্রয়োজন, তার চেয়েও অনেক বেশি মজুদ রয়েছে।’ পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সামরিক অভিযানের কারণে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ চাপের মুখে পড়েছে—এমন প্রতিবেদনও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও সিএনএনের কয়েকটি প্রতিবেদনের পর। ওই প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং প্রতিরক্ষামূলক অভিযানের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা বিশেষভাবে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র, টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং এসএম-৩ প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ পর্যবেক্ষণ করছেন। ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে এসব প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তবে সামরিক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডসহ সামরিক নেতৃত্ব মনে করছে, বর্তমানে এসব প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত এখনো নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। কর্মকর্তারা আরো বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ সক্ষমতার ওপর আগাম হামলা বাড়ানো হলে প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজন কমতে পারে।

ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর জন্য গোলাবারুদের ঘাটতি কোনো সমস্যা নয়। তিনি এসব প্রতিবেদনকে ‘লজ্জাজনক’ বলে মন্তব্য করেন। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আধুনিক অস্ত্রের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং সামরিক সক্ষমতার দিক থেকে দেশটি শক্ত অবস্থানে রয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেন, অস্ত্রের সংকটে বরং ইরানই বেশি সমস্যায় পড়েছে। তিনি বলেন, ‘তাদের অস্ত্র শেষ হয়ে যাচ্ছে। হামলা চালানোর জায়গাও কমে যাচ্ছে। কারণ তারা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক সামরিক অভিযানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো এবং উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। তবে এসব দাবির বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অস্ত্রের মজুদ নিয়ে মন্তব্যের পাশাপাশি ট্রাম্প ইরানের কৌশলগত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি কয়েকটি ছবিও প্রকাশ করেন। একটি ছবিতে যুদ্ধবিমানকে ইরানের প্রধান অপরিশোধিত তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে হামলা চালাতে দেখা যায়। ছবিটির সঙ্গে লেখা ছিল, ‘খার্গে হামলা’। আরেকটি ছবিতে ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখানো হয়। সেখানে কয়েকটি তেলবাহী জাহাজ দেখা যায়, যেগুলোকে ইরানি তেলবাহী জাহাজ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, 'এখন এটি আমাদের তেলবাহী জাহাজ!' আরেকটি ছবিতে একটি ইরানি জাহাজ বিস্ফোরিত অবস্থায় দেখানো হয়। সেখানে লেখা ছিল, 'আর কোনো ইঞ্জিন নেই।'

অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার খবর প্রত্যাখ্যান করার পাশাপাশি ইরানের সামরিক ও কৌশলগত অবকাঠামোর বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্য দিয়ে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, তার প্রশাসন তেহরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ বজায় রাখতে চায়। তবে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা, অস্ত্রের মজুত এবং দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের প্রভাব নিয়ে দেশটির ভেতরে আলোচনা ও উদ্বেগও অব্যাহত রয়েছে।

ইরান হামলা: কূটনৈতিকভাবে সোচ্চার রাশিয়া ও চীন | কালের কণ্ঠ