• ই-পেপার

দায়িত্ব নেওয়ার ১৬ দিনের মাথায় পদত্যাগ মালদিনির

৫ ওভার-৫ মেডেন-৫ উইকেট! জাস্টিন গ্রিভসের অভূতপূর্ব বোলিং স্পেল

ক্রীড়া ডেস্ক
৫ ওভার-৫ মেডেন-৫ উইকেট! জাস্টিন গ্রিভসের অভূতপূর্ব বোলিং স্পেল
ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ের পর বল প্রদর্শন করছেন জাস্টিন গ্রিভস। ছবি: এএফপি

আইসিসি তাদের প্রতিবেদনে এই কীর্তিকে বলেছে, ‘অভূতপূর্ব বিশ্বরেকর্ড’। কোন কীর্তি, তা তো শিরোনামেই দেখতে পারছেন!

টানা ৫ ওভারে একটি করে উইকেট নিয়েছেন। এই ৫ ওভারে কোনো রান দেননি। অর্থাৎ, সবই উইকেটসহ মেডেন ওভার—যা টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৯ বছরের ইতিহাসে প্রথম। 

বাংলাদেশ সময় কাল রাতে পাকিস্তানের বিপক্ষে এমন এক বোলিং স্পেলের জন্ম দিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে সাড়া ফেলে দিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অলরাউন্ডার জাস্টিন গ্রিভস।

ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩১১ রানের অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে শান মাসুদের সেঞ্চুরিতে ভর করে পাকিস্তান এক পর্যায়ে ৩ উইকেটে ২৪৪ রান তুলে ফেলেছিল। 

তখন অনেকেই হয়তো ভেবেছিলেন, পাকিস্তান প্রথম ইনিংস বড় লিড নিতে চলেছে। কিন্তু এরপর জাস্টিন গ্রিভসের ওই বোলিং স্পেলে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন আপ। 

বাবর আজমের দল ৩৮ রানের মধ্যে শেষ ৭ উইকেট হারায়, যার ৫টিই নেন গ্রিভস। অবিশ্বাস্যের ঘোরে বন্দী করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে ২৯ রানের লিড নেয়। 

ক্যারিয়ারের ১৭তম টেস্ট খেলতে নামা গ্রিভসের এই বোলিং স্পেল আরো বিস্ময়কর, কারণ কাল তৃতীয় দিনের শুরুতে তিনি ৬ ওভার বল করে ২৭ রান দিলেও কোনো উইকেট পাননি। এরপর ফিরে এসে টানা পাঁচটি মেডেন ওভারে ৫ উইকেট তুলে নেন।

১০৯ রান করা শান মাসুদ ছিলেন গ্রিভসের প্রথম শিকার। মাসুদকে বোল্ড করে পাকিস্তানের ইনিংসে মড়ক লাগানোর কাজ শুরু করেন তিনি। 

Bowled
শান মাসুদকে বোল্ড করেন জাস্টিন গ্রিভস। ছবি: এএফপি

এর আগে কয়েকটি বল অফ স্টাম্পের বাইরে করে মাসুদকে খেলতে বাধ্য করেন গ্রিভস। এরপর হঠাৎ ভেতরে ঢোকা একটি বলে ভুল লাইনে খেলতে গিয়ে ব্যাটের কিনারায় লেগে স্টাম্পে আঘাত করে।

পরের ওভারেই আমের জামালের মিডল স্টাম্প উড়িয়ে দেন গ্রিভস। এরপর আলী উসমানকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন। পরে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও মোহাম্মদ আব্বাসকে উইকেটকিপার শাই হোপের ক্যাচ বানিয়ে বিদায় করেন।

তৃতীয় দিনের খেলা শেষে গ্রিভস বলেন, ‘আমি যখন আবার বোলিংয়ে আসি, তখন অধিনায়ক রোস্টন চেজ শুধু বলেছিলেন, তুমি যেভাবে লাইন-লেংথ ঠিক রেখে বোলিং করছ, সেটাই চালিয়ে যাও। দেখো, দলের জন্য কিছু উইকেট এনে দিতে পারো কি না।’

বার্বাডোসের ৩২ বছর বয়সী অলরাউন্ডার আরো বলেন, ‘বল কিছুটা মুভ করছিল। আমি সেটারই পুরস্কার পেয়েছি। যখনই আমার হাতে বল তুলে দেওয়া হয়, দল চায় আমি যেন তাদের ভরসা হয়ে উঠি এবং কঠিন পরিস্থিতি থেকে দলকে বের করে আনতে পারি।’

টেস্টের এক ইনিংসে প্রথমবার ৫ উইকেট পাওয়ার অনুভূতি জানাতে গ্রিভস বলেন, ‘আমি খুবই খুশি। তবে ম্যাচ জিততে হলে এখনো অনেক কাজ করতে হবে।’

আক্ষরিক অর্থেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের এখনো অনেক কাজ বাকি। কারণ, প্রথম ইনিংসে লিড নিয়েও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং ধসের কারণে খুব একটা সুবিধাজনক অবস্থানে নেই স্বাগতিকরা। 

পাকিস্তানের চার পেসার মোহাম্মদ আব্বাস, খুররম শেহজাদ, মোহাম্মদ আলী ও আমের জামালের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দ্বিতীয় ইনিংসের এক পর্যায়ে মাত্র ৯৩ রান তুলতেই ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। 

অষ্টম উইকেটে শামার জোসেফ ও কেমার রোচের ৩৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি পাকিস্তানকে কক্ষপথে ফেরানোর চেষ্টা করছে। সব মিলিয়ে সফরকারীরা ১৫৫ রানে এগিয়ে। 

‘গল্পটা এখানেই শেষ নয়’—ফ্রান্স সমর্থকদের উদ্দেশে এমবাপ্পের খোলা চিঠি

ক্রীড়া ডেস্ক
‘গল্পটা এখানেই শেষ নয়’—ফ্রান্স সমর্থকদের উদ্দেশে এমবাপ্পের খোলা চিঠি

২০১৮ সালে নিজের প্রথম বিশ্বকাপেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। কিন্তু ২০২২ ও ২০২৬ সালে সর্বশেষ দুটি বিশ্বকাপে তা অপূর্ণই থেকে গেছে। এই দুই আসরে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন বুট জিতলেও সোনালি ট্রফিটা হাতে ওঠেনি।

সেই আক্ষেপ লুকাতে পারেননি কিলিয়ান এমবাপ্পে। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার সপ্তাহ খানেক পর সমর্থকদের উদ্দেশে এক আবেগঘন খোলা চিঠি লিখেছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক। সেখানে কৃতজ্ঞতা, হতাশা, গর্ব এবং ভবিষ্যতের প্রত্যয়ের কথাই তুলে ধরেছেন তিনি।

গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা খোলা চিঠিতে এমবাপ্পে লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ। এক মাসের আবেগ, সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা আর ফ্রান্সের জার্সি গায়ে চাপানোর গর্ব—সব মিলিয়ে ছিল এক অসাধারণ যাত্রা। সবচেয়ে বড় কথা, আমাদের মধ্যে সেই আবেগ ছিল, যা আমাদের খেলতে অনুপ্রাণিত করে আর আপনাদের টিভির সামনে কিংবা গ্যালারিতে বসে আমাদের পাশে থাকতে উদ্বুদ্ধ করে। এই গল্প আমরা একসঙ্গেই লিখেছি।’ 

বিশ্বকাপ ট্রফি জিততে না পারার কষ্টের কথাও অকপটে স্বীকার করেছেন এমবাপ্পে, ‘আমরা দলগতভাবে ট্রফি নিয়ে ফিরতে পারিনি। এটা কষ্ট দিচ্ছে। আরো কিছুদিন এই কষ্ট থাকবে। আমি সেটা লুকাব না। সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পেয়ে আমি গর্বিত। কিন্তু (বিশ্বকাপ) ট্রফিটা থাকলে সেটার মূল্য আরো অনেক বেশি হতো।’

সমর্থকদের আরো সুন্দর একটি সমাপ্তি পাওনা ছিল বলেও মনে করেন এমবাপ্পে, ‘হয়তো আপনাদের আরো সুন্দর একটি সমাপ্তি উপহার দেওয়া আমাদের দায়িত্ব ছিল। কিন্তু গল্পটা কীভাবে এগোবে, তা সব সময় আমাদের হাতে থাকে না। আমি শুধু এটুকু বলতে পারি, আমরা সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছি। আর সেটাই আমাদের গর্ব।’

নিজের ব্যক্তিগত সাফল্যের কৃতিত্ব একা নিতে চাননি এমবাপ্পে। বরং সতীর্থদের অবদানের কথাই সবার আগে তুলে ধরেছেন, ‘আমার সতীর্থদের ধন্যবাদ। তাদের দৌড়, পাস, পরিশ্রম আর দলীয় চেতনা ছাড়া আমি এত গোল করতে পারতাম না। সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতি যতটা আমার, ততটাই পুরো দলের।’

শৈশবের স্বপ্ন পূরণ থেকে শুরু করে ফ্রান্সের অধিনায়ক হওয়ার অনুভূতির কথাও তুলে ধরেছেন রিয়াল মাদ্রিদের ২৭ বছর বয়সী স্ট্রাইকার, ‘ছোটবেলায় অন্তত একবার বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখতাম। পরে সেই স্বপ্ন ছিল ফ্রান্সের জার্সি পরার। এরপর দেশের অধিনায়ক হওয়ার। এসবই আমার কল্পনার বাইরে ছিল। তাই আমি জানি, এই জার্সি পরার সৌভাগ্য কতটা মূল্যবান।’

চিঠিতে এমবাপ্পে ফ্রান্স সমর্থকদের নিঃশর্ত সমর্থনের জন্যও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন, ‘আপনারা কখনো আমাদের ছেড়ে যাননি। কঠিন সময়েও পাশে থেকেছেন। যারা গভীর রাত পর্যন্ত জেগে আমাদের খেলা দেখেছেন, গ্যালারিতে এসে সমর্থন দিয়েছেন—সবাইকে ধন্যবাদ।’

ফ্রান্সের বিদায়ী কোচ দিদিয়ের দেশম, কোচিং স্টাফ এবং দলের সঙ্গে কাজ করা সব সদস্যকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন এমবাপ্পে।

চিঠির শেষ ভাগে ভবিষ্যতের জন্য আশার বার্তা দিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে। কিন্তু গল্পটা এখনো শেষ হয়নি। সামনে আবার খেলা আসবে, আবার আমরা একত্র হব। ফুটবল শেষ পর্যন্ত একটি খেলা। কিন্তু সেই খেলার মাধ্যমে আমরা একসঙ্গে যে আবেগ ভাগ করে নিই, সেটাই সবচেয়ে বড়। আমরা এখনো একসঙ্গে খেলছি, আমাদের যাত্রা এখানেই শেষ নয়।’ 

গম্ভীরকে সরিয়ে কি ভারতের নতুন কোচ হচ্ছেন লক্ষ্মণ

ক্রীড়া ডেস্ক
গম্ভীরকে সরিয়ে কি ভারতের নতুন কোচ হচ্ছেন লক্ষ্মণ
গৌতম গম্ভীর (বাঁয়ে) ও ভিভিএস লক্ষ্মণ। ছবি: এআই দিয়ে বানানো

সম্প্রতি আয়ারল্যান্ডের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ধবলধোলাই হয়েছে ভারত। এরপর ইংল্যান্ডের কাছেও টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে সিরিজ হেরেছে। এই দুই সফরে ভারতের প্রধান কোচ ছিলেন গৌতম গম্ভীর।

এরপর অবশ্য জিম্বাবুয়ে সফরে ভালোভাবেই ঘুরিয়ে দাঁড়িয়েছে ভারত। টি-টোয়েন্টি সিরিজে সিকান্দার রাজার দলকে ধবলধোলাই করেছে শ্রেয়াস আইয়ারের দল। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে গম্ভীর নন; ভারতের ভারপ্রাপ্ত প্রধান কোচের দায়িত্বে ছিলেন ভিভিএস লক্ষ্মণ।

গম্ভীরের অধীন সাম্প্রতিক ব্যর্থতা এবং লক্ষ্মণের অধীন সাফল্যের কারণে নেট দুনিয়ার অনেকেই ভারতের প্রধান কোচের পদে বদল চাচ্ছেন। সহজ কথায়, গম্ভীরকে সরিয়ে লক্ষ্মণকে নতুন কোচ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হোক—এমন দাবি উঠেছে। 

সমর্থকদের দাবি মেনে কি লক্ষ্মণকেই প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দিবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)? উত্তরটা লক্ষ্মণই দিয়েছেন।

৫১ বছর বয়সী লক্ষ্মণ বর্তমানে বিসিসিআইয়ের সেন্টার অব এক্সেলেন্সের প্রধান। নিজের কাজ সম্পর্কে তিনি ভালোভাবেই জানেন। আপাতত সেটুকুতেই সন্তুষ্ট ‘ভেরি ভেরি স্পেশাল’। 

লক্ষ্মণ বলেছেন, ‘দেখুন, সিনিয়র দলের কোচ ও সাপোর্ট স্টাফ সদ্য ইংল্যান্ডে সিরিজ শেষ করেছে। এরপর শ্রীলঙ্কায় টেস্ট সিরিজ খেলতে যাবে। এই সময়টুকুই একটু ছুটি পাবে তারা। সেই জন্যই (জিম্বাবুয়ে সফরে) আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি ৪ বছর হলো সেন্টার অব এক্সেলেন্সের দায়িত্বে। এ রকম কাজ (ভারপ্রাপ্ত প্রধান কোচ) আমি অনেকবার করেছি।’

লক্ষ্মণের এই কথাতেই স্পষ্ট, আপাতত গম্ভীরের জায়গা নেওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই তার। তবে আসন্ন এশিয়ান গেমসে কোচ হিসেবে তিনিই থাকছেন।

২০২১ সাল থেকে ভারতের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমি ও বিসিসিআইয়ের সেন্টার অব এক্সেলেন্সের দায়িত্বে আছেন লক্ষ্মণ। অতীতে ভারতের সাবেক প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। ২০২৩ সালে লক্ষ্মণের কোচিংয়েই এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে সোনা জেতে ভারত।

গম্ভীরের কোচিংয়ে দ্বিপক্ষীয় সিরিজগুলোতে ভারত খুব একটা ভালো করতে না পারলেও মহাদেশীয় ও বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে বেশ সফল। তার অধীন গত বছর এশিয়া কাপ ও আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি এবং এ বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। 

আর্জেন্টিনার জালে জড়ানো কাবরালের অনিন্দ্য গোলটিই বিশ্বকাপের সেরা

ক্রীড়া ডেস্ক
আর্জেন্টিনার জালে জড়ানো কাবরালের অনিন্দ্য গোলটিই বিশ্বকাপের সেরা
গোল করার পর নিজেরই বিশ্বাস হচ্ছিল না কাবরালের। ছবি : রয়টার্স

মায়ামি স্টেডিয়ামে গোলটি করার পর বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না সিডনি লোপেস কাবরাল। আর্জেন্টিনার জালে বল জড়াতেই তাই মাথায় দুই হাত দেন কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার। যেন অবিশ্বাসের সুরে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন—আমি কি সত্যি গোলটি করেছি। পরে অবিশ্বাসের কথা স্বীকারও করেন।

কাবরালের সেই গোলই ২০২৬ বিশ্বকাপের ‘হুন্দাই গোল অব দ্য টুর্নামেন্ট’ নির্বাচিত হয়েছে। অফিশিয়ালি তা নিশ্চিত করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

কাবরাল গোলটি করেছিলেন রাউন্ড অব ৩২-এ। ১০৩ মিনিটে বাঁ প্রান্তের বক্সের মধ্যে কাছ থেকে ডান পায়ের বাঁকানো শটে গোলটি করেন তিনি। ২৩ বছর বয়সী লেফ্ট ব্যাকের গোলে ম্যাচে ২-২ সমতায় ফিরেছিল কেপ ভার্দে। পরে অবশ্য ১১১ মিনিটে সেন্টার ব্যাক ডিনেই বোর্জেসের আত্মঘাতী গোলে ম্যাচ হারে তারা।

 

সেরা গোলের স্বীকৃতি পাওয়ার পথে কাবরাল পেছনে ফেলেছেন উজবেকিস্তানের এলদর শোমুরোদভ (দ্বিতীয়) ও হাইতির উইলসন ইসিডরের (তৃতীয়) গোলকে। গোলটির বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘যেই মুহূর্তে আমি প্রতিপক্ষকে (মাক আলিস্তার) কাটিয়ে ফাঁকা জায়গা দেখতে পেলাম তখনই ভাবলাম—একবার চেষ্টা করে দেখি। জায়গাটি দেখে টপ কর্নারের দিকে আমি চোখ দিই। সেদিকে লক্ষ্য স্থির করি এবং খুব দারুণভাবে বলটিতে শট নিই। যখন ওপরে তাকালাম এবং দেখলাম, বলটি টপ কর্নারের দিকে যাচ্ছে, তখন আমার মনে হলো, আমি এটা কী করলাম! আমার নিজেরই বিশ্বাস হচ্ছিল না। আমি আমার সতীর্থদের দিকে তাকালাম—সবাই আনন্দে চিৎকার করছিল, বিস্ময়ে মাথায় হাত দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছিল।’

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায় কেপ ভার্দে। দলের অভিষেকেই অবিস্মরণীয় গোলটি করে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিলেন কাবরাল।