• ই-পেপার

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ

ভিএআর ও ক্রসবারে রক্ষা ইংল্যান্ডের, ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ

বেলিংহামের ঝলকে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড, বিদায় নরওয়ের

ক্রীড়া ডেস্ক
বেলিংহামের ঝলকে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড, বিদায় নরওয়ের
ইংল্যান্ডের জয়ের নায়ক জুড বেলিংহাম। ছবি: ফিফা

ইংল্যান্ড ২-১ নরওয়ে

জুড বেলিংহামকে মাত্রই তুলে নিয়েছেন ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল। বেলিংহাম গিয়ে বসলেন সাইড বেঞ্চে। টিভি ক্যামেরা তার দিকে ঘুরাতেই মুষ্টিবদ্ধ হাতে উদযাপন করলেন ও তৃপ্তির হাসি হাসলেন। মুখাবয়ব দেখেই বোঝা যাচ্ছিল কাজের কাজটা তিনি করে ফেলেছেন। 

কিছুক্ষণ পরেই শেষ বাঁশি বাজালেন ফরাসি রেফারি ক্লেমঁ তুরপিন। আনন্দে ভাসলেন বেলিংহাম, আনন্দে ভাসল ইংল্যান্ড। নরওয়েজিয়ানরা হতাশায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। 
মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে পিছিয়ে পড়েও বেলিংহামের ঝলকে ২-১ ব্যবধানে জিতল ইংল্যান্ড; ৮ বছর পর উঠল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে।

সর্বশেষ ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলেছিল গ্যারেথ সাউথগেটের ইংল্যান্ড। তার অধীনই ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে হেরে বাদ পড়তে হবে।

তবে এবার টুখেলের কোচিংয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়ে আরো বড় স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে ইংল্যান্ড। 

আটলান্টায় আগামী বুধবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা অথবা সুইজারল্যান্ড।

ইংল্যান্ডের ঘুরে দাঁড়ানোর রাতে দুটি গোলই করেছেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা বেলিংহাম। প্রথমটি প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সমতাসূচক, পরেরটি ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে জয়সূচক।

বিস্তারিত আসছে...

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ

শেলদেরুপের জবাবে বেলিংহাম, রোমাঞ্চে ঠাসা প্রথমার্ধ সমতায় শেষ

ক্রীড়া ডেস্ক
শেলদেরুপের জবাবে বেলিংহাম, রোমাঞ্চে ঠাসা প্রথমার্ধ সমতায় শেষ

ইংল্যান্ড ১-১ নরওয়ে (প্রথমার্ধ শেষে)

প্রথম হাইড্রেশন ব্রেকের পরই খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এল দুই দল। নয়নাভিরাম ফুটবলের প্রদর্শনীতে উপহার দিল রোমাঞ্চে ঠাসা প্রথমার্ধ।

৩৬ মিনিটে আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের বুলেট গতির শটে এগিয়ে গেল নরওয়ে। জবাব দিতে খুব বেশি সময় নিল না ইংল্যান্ড। জুড বেলিংহামের একক নৈপুণ্যে যোগ করা সময়ে সমতা আনল ইংল্যান্ড।

বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে এগিয়েও যেতে পারত ইংলিশরা। কিন্তু অধিনায়ক হ্যারি কেইন অফসাইডের ফাঁদে পড়ায় সেটি হয়নি। 

মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে তাই ১-১ সমতা নিয়েই বিরতিতে গেল দুই দল।

৩য় কোয়ার্টার ফাইনাল

ইংল্যান্ড ও নরওয়ের শুরুর একাদশে কারা আছেন

ক্রীড়া ডেস্ক
ইংল্যান্ড ও নরওয়ের শুরুর একাদশে কারা আছেন
ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন (বাঁয়ে) ও নরওয়ের আর্লিং হালান্ড। ছবি: এআই দিয়ে বানানো

মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে আর কিছুক্ষণের মধ্যে বিশ্বকাপের তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল শুরু হবে। মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে। 

দুই দল এরই মধ্যে শুরুর একাদশ ঘোষণা করেছে। এক নজরে তা দেখে নিন—

ইংল্যান্ডের একাদশ

জর্ডান পিকফোর্ড, এজরি কনসা, জন স্টোনস, মার্ক গেহি, নিকো ও’রাইলি, এলিয়ট অ্যান্ডারসন, ডেকলান রাইস, ননি মাদুয়েকে, অ্যান্থনি গর্ডন, জুড বেলিংহাম ও হ্যারি কেইন।

নরওয়ের একাদশ

ওরইয়ান নিলান্ড, ক্রিস্টোফার আয়ের, ডেভিড মোলার উলফ, জুলিয়ান রিয়ারসন, টোরবিয়র্ন হেগেম, মার্টিন ওডেগাড, সান্ডার বার্গ, প্যাট্রিক বার্গ, আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ, আলেক্সান্দার সরলথ ও আর্লিং হালান্ড।

জন্মভূমি ইংল্যান্ডকে বাদ দিয়ে কেন নরওয়ের হয়ে খেলেন হালান্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
জন্মভূমি ইংল্যান্ডকে বাদ দিয়ে কেন নরওয়ের হয়ে খেলেন হালান্ড
নরওয়ের ভাইকিংয়ের বেশে আর্লিং হালান্ড। ছবি: সংগৃহীত

আর কয়েক মিনিট পরেই ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে। 

তবে আর্লিং হালান্ডের জন্য এটি কোনো সাধারণ কোনো ম্যাচ হবে না। ম্যানচেস্টার সিটির তারকা এই স্ট্রাইকার যে প্রথমবারের মতো তার জন্মভূমির বিপক্ষে খেলবেন!

২০০০ সালে ২১ জুলাই ইংল্যান্ডের লিডস শহরে জন্ম আর্লিং হালান্ডের। সেই সময় তার বাবা আলফি হালান্ড খেলতেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লিডস ইউনাইটেডে। জন্মসূত্রে চাইলেই হালান্ড ইংল্যান্ডের হয়ে খেলতে পারতেন। কিন্তু পূর্বপুরুষদের শেকড়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে নরওয়ের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন। 

হালান্ডকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কখনো কি ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার কথা ভেবেছিলেন? তার উত্তর, ‘সাড়ে তিন থেকে চার বছর আমি ইংল্যান্ডে ছিলাম। নরওয়েতে অনেক বেশি থেকেছি। তাই এই দেশকেই বেছে নেওয়া আমার জন্য স্বাভাবিক ব্যাপার ছিল। আমি কখনো জানতে পারব না আমার বাবা যদি সেখানে আরো বেশি সময় খেলতেন তাহলে কী হতো। হয়তো আমি ইংরেজ হতাম। তবে আমি এখন একজন নরওয়েজিয়ান এবং এটা নিয়ে গর্বিত।’ 

আর্লিং হালান্ডের বাবা আলফি হালান্ডের মতো তার মা গ্রাই মারিটা ব্রাউটও নরওয়েজিয়ান। ইংল্যান্ডে তার জন্মের একমাত্র কারণ ছিল বাবার পেশাদার ক্যারিয়ার। 

১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে নরওয়ের হয়ে খেলেছেন আলফি হালান্ড। ৩২ বছর পর সেই একই দেশে প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে নেমে নরওয়ে পেয়েছে তার ছেলেকে, যিনি চার ম্যাচেই ৭ গোল করে এই আসরের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র। হালান্ডের জোড়া গোলেই ব্রাজিলকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে নরওয়ে।

ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলার সুবাদে আজ ক্লাবের তিন সতীর্থকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাচ্ছেন হালান্ড।