• ই-পেপার

৩য় কোয়ার্টার ফাইনাল

ইংল্যান্ড ও নরওয়ের শুরুর একাদশে কারা আছেন

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ

শেলদেরুপের জবাবে বেলিংহাম, রোমাঞ্চে ঠাসা প্রথমার্ধ সমতায় শেষ

ক্রীড়া ডেস্ক
শেলদেরুপের জবাবে বেলিংহাম, রোমাঞ্চে ঠাসা প্রথমার্ধ সমতায় শেষ

ইংল্যান্ড ১-১ নরওয়ে (প্রথমার্ধ শেষে)

প্রথম হাইড্রেশন ব্রেকের পরই খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এল দুই দল। নয়নাভিরাম ফুটবলের প্রদর্শনীতে উপহার দিল রোমাঞ্চে ঠাসা প্রথমার্ধ।

৩৬ মিনিটে আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের বুলেট গতির শটে এগিয়ে গেল নরওয়ে। জবাব দিতে খুব বেশি সময় নিল না ইংল্যান্ড। জুড বেলিংহামের একক নৈপুণ্যে যোগ করা সময়ে সমতা আনল ইংল্যান্ড।

বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে এগিয়েও যেতে পারত ইংলিশরা। কিন্তু অধিনায়ক হ্যারি কেইন অফসাইডের ফাঁদে পড়ায় সেটি হয়নি। 

মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে তাই ১-১ সমতা নিয়েই বিরতিতে গেল দুই দল।

জন্মভূমি ইংল্যান্ডকে বাদ দিয়ে কেন নরওয়ের হয়ে খেলেন হালান্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
জন্মভূমি ইংল্যান্ডকে বাদ দিয়ে কেন নরওয়ের হয়ে খেলেন হালান্ড
নরওয়ের ভাইকিংয়ের বেশে আর্লিং হালান্ড। ছবি: সংগৃহীত

আর কয়েক মিনিট পরেই ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে। 

তবে আর্লিং হালান্ডের জন্য এটি কোনো সাধারণ কোনো ম্যাচ হবে না। ম্যানচেস্টার সিটির তারকা এই স্ট্রাইকার যে প্রথমবারের মতো তার জন্মভূমির বিপক্ষে খেলবেন!

২০০০ সালে ২১ জুলাই ইংল্যান্ডের লিডস শহরে জন্ম আর্লিং হালান্ডের। সেই সময় তার বাবা আলফি হালান্ড খেলতেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লিডস ইউনাইটেডে। জন্মসূত্রে চাইলেই হালান্ড ইংল্যান্ডের হয়ে খেলতে পারতেন। কিন্তু পূর্বপুরুষদের শেকড়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে নরওয়ের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন। 

হালান্ডকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কখনো কি ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার কথা ভেবেছিলেন? তার উত্তর, ‘সাড়ে তিন থেকে চার বছর আমি ইংল্যান্ডে ছিলাম। নরওয়েতে অনেক বেশি থেকেছি। তাই এই দেশকেই বেছে নেওয়া আমার জন্য স্বাভাবিক ব্যাপার ছিল। আমি কখনো জানতে পারব না আমার বাবা যদি সেখানে আরো বেশি সময় খেলতেন তাহলে কী হতো। হয়তো আমি ইংরেজ হতাম। তবে আমি এখন একজন নরওয়েজিয়ান এবং এটা নিয়ে গর্বিত।’ 

আর্লিং হালান্ডের বাবা আলফি হালান্ডের মতো তার মা গ্রাই মারিটা ব্রাউটও নরওয়েজিয়ান। ইংল্যান্ডে তার জন্মের একমাত্র কারণ ছিল বাবার পেশাদার ক্যারিয়ার। 

১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে নরওয়ের হয়ে খেলেছেন আলফি হালান্ড। ৩২ বছর পর সেই একই দেশে প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে নেমে নরওয়ে পেয়েছে তার ছেলেকে, যিনি চার ম্যাচেই ৭ গোল করে এই আসরের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র। হালান্ডের জোড়া গোলেই ব্রাজিলকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে নরওয়ে।

ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলার সুবাদে আজ ক্লাবের তিন সতীর্থকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাচ্ছেন হালান্ড। 

ইংল্যান্ড ৪-০ ভারত

ক্রীড়া ডেস্ক
ইংল্যান্ড ৪-০ ভারত
টি-টোয়েন্টি সিরিজের ট্রফি হাতে ইংল্যান্ড দল। ছবি: ইসিবি

সংক্ষিপ্ত স্কোর
ইংল্যান্ড: ২৫৭/৩ (বাটলার ১৩১, ব্রুক ৯৫*; দুবে ২/২২)।
ভারত: ২০১/৮ (কিষান ৫৬, তিলক ৫৩; কারান ৩/৩৬)।
ফল: ইংল্যান্ড ৫৬ রানে জয়ী।

==============

ফিফা বিশ্বকাপের এই সময়ে কেউ কেউ শিরোনাম দেখার পর এটিকে ভুলে ফুটবল ম্যাচের স্কোরলাইন ভাবতেই পারেন। তবে ছবিতে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের উদযাপন দেখার পর সহজেই ভুল ভাঙার কথা। 

মাত্র কদিন আগে আয়ারল্যান্ডের কাছে ২-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই হওয়ার পর এবার ইংল্যান্ডের কাছে ৪-০ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছে টি-টোয়েন্টির টানা দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত। 

ভাগ্যিস, বৃষ্টিতে প্রথম টি-টোয়েন্টি পরিত্যক্ত হয়েছিল। নয়তো ৫-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই হতে পারত ভারত। 

দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ টি-টোয়েন্টি জিতে আগেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছিল ইংল্যান্ড। সাউদাম্পটনে শনিবার শেষ ম্যাচটা ছিল নিছক আনুষ্ঠানিকতার। কিন্তু এই ম্যাচকে ইংল্যান্ড বোধ হয় বদলা হিসেবে নিয়েছিল। 

গত মার্চে মুম্বাইয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারতের দেওয়া ২৫৪ রানের লক্ষ্যে ২৪৬ রানে আটকে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। ৭ রানের হারে আসর থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল ইংলিশদের। 

সেই ইংল্যান্ড আজ আগে ব্যাট করে ৩ উইকেটে তোলে ২৫৭ রান! জস বাটলার করেন ১৩১, অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক অপরাজিত থাকেন ৯৫ রানে। দুজন মিলে গড়েন ২৩৩ রানের মহাকাব্যিক জুটি, যা আইসিসি পূর্ণ সদস্য দলগুলোর মধ্যে টি-টোয়েন্টিতে যেকোনো উইকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

এভারেস্টসম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এক মুহূর্তের জন্য জয়ের মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেনি ভারত। ঈশান কিষান ও তিলক ভার্মার ফিফটিতে ৮ উইকেটে তুলতে পেরেছে ২০১ রান। স্যাম কারান নিয়েছেন ৩ উইকেট।

আইসিসির হল অব ফেমে সৌরভ, পিটারসেন ও আনজুম

ক্রীড়া ডেস্ক
আইসিসির হল অব ফেমে সৌরভ, পিটারসেন ও আনজুম

আইসিসির হল অব ফেমে জায়গা পেয়েছেন ভারতের সাবেক দুই অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী ও আনজুম চোপড়া এবং ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক কেভিন পিটারসেন। 

স্কটল্যান্ডের এডিনবরায় বর্ণাঢ্য এক অনুষ্ঠানে তাদের সম্মানিত করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। এর আগে আইসিসির হল অব ফেমে জায়গা পেয়েছেন ক্রিকেটের অনেক রথী-মহারথী।

২০০৯ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয় আইসিসির হল অব ফেম, যে সম্মাননা দেওয়া হয় কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের। অবসরে যাওয়ার অন্তত পাঁচ বছর পর ক্রিকেটাররা হল অব ফেমের জন্য বিবেচিত হন।

আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ বলেছেন, ‘সৌরভ, আনজুম ও কেভিন প্রত্যেকেই গর্বের সঙ্গে নিজেদের জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আইসিসির পক্ষ থেকে তাদের এই প্রাপ্য সম্মানের জন্য অভিনন্দন জানাই। আইসিসি হল অব ফেমে তাদের স্থান নিশ্চিত করল যে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মও তাদের কীর্তিকে ক্রিকেটের সর্বকালের সেরাদের পাশে স্মরণ করবে।’

সৌরভ গাঙ্গুরী জয় শাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘ক্রিকেটের সর্বকালের সেরাদের সঙ্গে নিজের নাম যুক্ত হওয়া আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে। এই স্বীকৃতি পাওয়ার অনুভূতি সত্যিই বিশেষ।’

কেভিন পিটারসেন বলেন, ‘আইসিসি হল অব ফেমে অন্তর্ভুক্ত হওয়া আমার জন্য বিরাট সম্মানের বিষয়। ক্রিকেটের এত কিংবদন্তির পাশে নিজের নাম দেখতে পাওয়া সত্যিই বিনয়ী করে তোলে।’

আইসিসির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ভারত নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আনজুম চোপড়াও, ‘এই স্বীকৃতি আমার ক্যারিয়ার গড়ে তোলায় অবদান রাখা সবার প্রাপ্য।’