আর কয়েক মিনিট পরেই ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে।
তবে আর্লিং হালান্ডের জন্য এটি কোনো সাধারণ কোনো ম্যাচ হবে না। ম্যানচেস্টার সিটির তারকা এই স্ট্রাইকার যে প্রথমবারের মতো তার জন্মভূমির বিপক্ষে খেলবেন!
২০০০ সালে ২১ জুলাই ইংল্যান্ডের লিডস শহরে জন্ম আর্লিং হালান্ডের। সেই সময় তার বাবা আলফি হালান্ড খেলতেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লিডস ইউনাইটেডে। জন্মসূত্রে চাইলেই হালান্ড ইংল্যান্ডের হয়ে খেলতে পারতেন। কিন্তু পূর্বপুরুষদের শেকড়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে নরওয়ের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন।
হালান্ডকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কখনো কি ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার কথা ভেবেছিলেন? তার উত্তর, ‘সাড়ে তিন থেকে চার বছর আমি ইংল্যান্ডে ছিলাম। নরওয়েতে অনেক বেশি থেকেছি। তাই এই দেশকেই বেছে নেওয়া আমার জন্য স্বাভাবিক ব্যাপার ছিল। আমি কখনো জানতে পারব না আমার বাবা যদি সেখানে আরো বেশি সময় খেলতেন তাহলে কী হতো। হয়তো আমি ইংরেজ হতাম। তবে আমি এখন একজন নরওয়েজিয়ান এবং এটা নিয়ে গর্বিত।’
আর্লিং হালান্ডের বাবা আলফি হালান্ডের মতো তার মা গ্রাই মারিটা ব্রাউটও নরওয়েজিয়ান। ইংল্যান্ডে তার জন্মের একমাত্র কারণ ছিল বাবার পেশাদার ক্যারিয়ার।
১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে নরওয়ের হয়ে খেলেছেন আলফি হালান্ড। ৩২ বছর পর সেই একই দেশে প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে নেমে নরওয়ে পেয়েছে তার ছেলেকে, যিনি চার ম্যাচেই ৭ গোল করে এই আসরের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র। হালান্ডের জোড়া গোলেই ব্রাজিলকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে নরওয়ে।
ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলার সুবাদে আজ ক্লাবের তিন সতীর্থকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাচ্ছেন হালান্ড।




