• ই-পেপার

দাম কমেছে আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচের টিকিটের

সুইসদের বিপক্ষে দারুণ একটা ম্যাচ হতে যাচ্ছে—লিসান্দ্রো

ক্রীড়া ডেস্ক
সুইসদের বিপক্ষে দারুণ একটা ম্যাচ হতে যাচ্ছে—লিসান্দ্রো

কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিতব্য কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে সুইজারল্যান্ড।ইউরোপের এই দলটিকে নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ বলেন, ‘সুইজারল্যান্ড যদি এই পর্যায়ে (কোয়ার্টার ফাইনাল) এসে থাকে, তবে তা তাদের যোগ্যতার কারণেই।’ 

আমরা কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে সুইস ম্যাচটি দেখেছি এবং তারা সবসময় ভালো খেলার চেষ্টা করে। তারা শারীরিকভাবে বেশ শক্তিশালী এবং সেট-পিসেও দুর্দান্ত বলে যোগ করেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই তারকা ডিফেন্ডার। স্পোর্টসস্টার

মার্তিনেজ আরো বলেন, আমার মনে হয় এটি একটি দারুণ ম্যাচ হতে যাচ্ছে, কারণ দুটি দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার চেষ্টা করে। 

দুর্বল রক্ষণভাগ নিয়ে উদ্বিগ্ন আর্জেন্টিনা

ক্রীড়া ডেস্ক
দুর্বল রক্ষণভাগ নিয়ে উদ্বিগ্ন আর্জেন্টিনা
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রে অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। কোয়ার্টারে মাঠে নামার আগে রাউন্ড অব ৩২ এবং শেষ ষোলোতে ফুটে উঠেছে রক্ষণভাগের দুর্বলতা। শেষ দুই ম্যাচে ৪ গোল হজম করেছে আলবেসিলেস্তরা। তাই সুইসদের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে সোজাসাপ্টা জানালেন রক্ষণভাগ সামলানোর দায়িত্বে থাকা কুতি রোমেরো। তার মতে, দুর্বল রক্ষণভাগ নিয়ে উদ্বিগ্ন আর্জেন্টিনা।

অনুশীলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো জানালেন, ম্যাচে সফল হতে হলে দলকে চলমান রক্ষণভাগের সমস্যাগুলো সমাধান করতে হবে। খবর ইএসপিএন

বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা তাদের শেষ দুটি ম্যাচে চারটি গোল হজম করেছে। যা রোমেরোকে ভাবাচ্ছে। তা অকপটেও স্বীকার করলেন তিনি। সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে আমরা চারটি গোল হজম করেছি, গোল হজম করাটা আমাদের জন্য অস্বস্তিকর উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা ভালো করছি, তবে উন্নতির সুযোগ অবশ্যই আছে।

এর বাইরে, আমরা সব সময় দলের জন্য প্রস্তুত থাকি, দলের জন্য নিজেদের সেরাটা দিতে এবং কোচের সিদ্ধান্ত মেনে চলতে তৈরি বলে যোগ করেন তিনি।

আর্জেন্টিনা এর আগে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দুটি ক্লিন শিট রাখতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু জর্ডানের বিপক্ষে একটি গোল হজম করেছিল। কিন্তু টানা নকআউট দুটি ম্যাচে ৩-২ গোলের জয়ের পর তাদের রক্ষণভাগের দুর্বলতা আরো প্রকট হয়ে ওঠে। তাই সুইসদের বিপক্ষে রক্ষণেই লক্ষ্য থাকবে স্কালোনির।

এর আগে ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা গ্রুপ পর্ব এবং শেষ ষোলোর ম্যাচে মাত্র তিনটি গোল হজম করেছিল।

বিশ্বকাপ খেলে দেশে ফিরেই মারা গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড়

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ খেলে দেশে ফিরেই মারা গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড়
ছবি : ফিফা

বিশ্বকাপে শেষে দেশে ফিরে মারা গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার জেইডেন অ্যাডামস। চলতি জুলাইয়ে ২৫ বছর পা রাখা এই বাফনার খেলোয়াড়কে কেপ টাউনে নিজ বাড়িতে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। তার অকালপ্রয়াণে দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবল প্লেয়ার্স ইউনিয়নসহ ক্রীড়াঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।  

বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচে খেলা ২৫ বছর বয়সে মারা যাওয়া মামেলোদি সানডাউনসের এই মিডফিল্ডার।

এক বিবৃতিতে ক্রীড়ামন্ত্রী গেটন ম্যাকেনজি জানিয়েছেন, মামেলোডি সানডাউনস এবং বাফানার ২৫ বছর বয়সী মিডফিল্ডার জেইডেন অ্যাডামসের মৃত্যুর খবর পেয়ে আমি গভীরভাবে স্তব্ধ এবং মর্মাহত।

দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবল তার অন্যতম সেরা তরুণ প্রতিভাকে হারাল। এই প্রতিভাবান ফুটবলারকে একাডেমি থেকে উঠে এসে জাতীয় দল বাফানার তারকা হয়ে উঠতে দেখেছেন লাখো সমর্থক। তার এই অকাল বিদায়ে পরিবার, সতীর্থ এবং কোটি ভক্তের সাথে আজ পুরো জাতি গভীরভাবে শোকাহত বলে যোগ করেন বিবৃতিতে।

পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার সকালে সেন্ট্রাল কেপ টাউনের শহরতলি স্কটশে ক্লুফের একটি বাড়ি থেকে ২৫ বছর বয়সী এক যুবকের লাশ উদ্ধারের পর তারা তদন্ত শুরু করেছে।

অ্যাডামস স্টেলেনবোশের যুব ক্যাম্প থেকে উঠে আসেন। ক্লাবটির প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে পেশাদার লিগে চুক্তিবদ্ধ হন এই মিডফিল্ডার। তিনি ক্লাবটির হয়ে ১৩৯টি ম্যাচ খেলেন এবং ২০২৩ সালের কার্লিং নকআউট শিরোপা জিততে সাহায্য করেন। এরপর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিনি মামেলোডি সানডাউনসে যোগ দেন।

অ্যাডামস মূলত স্টেলেনবোশের যুব একাডেমি থেকে উঠে এসেছিলেন। এই একাডেমি থেকে প্রথম কোনো খেলোয়াড় হিসেবে তিনি পেশাদার চুক্তিতে সই করেন। ক্লাবটির হয়ে তিনি ১৩৯টি ম্যাচ খেলেন এবং ২০২৩ সালের ‘কার্লিং নকআউট’ ট্রফি জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিনি মামেলোডি সানডাউনস ক্লাবে যোগ দেন।

দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবল প্লেয়ার্স ইউনিয়ন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মামেলোদি সানডাউনস এবং বাফানা বাফানার মিডফিল্ডার জেডেন অ্যাডামসের অকালমৃত্যুতে এসএএফপিইউ গভীরভাবে শোকাহত।

জেডেন কিছুদিন আগেই ২০২৬ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। গর্ব, সাহস ও কৃতিত্বের সাথে জাতির আশা বহন করেছিলেন। তার মৃত্যুতে পরিবার, সতীর্থ, ক্লাব, ফুটবল অঙ্গন এবং সমগ্র দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

ওয়ানডে সিরিজ

বাংলাদেশের সান্ত্বনার জয়ে তানজিদের এক ছক্কার আক্ষেপ

ক্রীড়া ডেস্ক
বাংলাদেশের সান্ত্বনার জয়ে তানজিদের এক ছক্কার আক্ষেপ
৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি তানজিদ তামিমের। ছবি : ক্রিকইনফো

আক্ষেপটা রয়েই গেল তানজিদ হাসান তামিমের। অপেক্ষা করেও যে সেঞ্চুরিটা করতে পারলেন না বাঁহাতি ওপেনার। ওয়েলিংটন মাসাকাদজার করা ম্যাচের ৩৩তম ওভারের তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ৯৪ রানে পৌঁছান তিনি।

তখন বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ৩ রান। তবে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির আশায় বাকি ৩ বল ডট দিলেন তানজিদ। অপেক্ষায় ছিলেন ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করার।

পরের ওভার মেডেন দিয়ে সেই সুযোগও করে দিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে কাজে লাগাতে পারলেন না তানজিদ। আর্নেস্ট মাসুকুর প্রথম বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ক্রেইগ আরভিনের হাতে তালুবন্দি হলেন। তাতে ৮ চার ও ৩ ছক্কার ইনিংসটির ‘মৃত্যু’ ঘটে।

হতাশা নিয়েই তাই মাঠ ছাড়তে হলো তানজিদকে। বাঁহাতি ওপেনারের আক্ষেপের ম্যাচে অবশ্য সহজ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ৭ উইকেটের জয়টি বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমে এনে দিয়েছে স্বস্তি। কেননা আগের দুই ওয়ানডেতে হেরে সিরিজ খুইয়েছে তারা। আজকের জয়টি তাই সান্ত্বনার। ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে স্বাগতিকরা।

হারারেতে আজ ২০০ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু পায় বাংলাদেশ। তানজিদ-সৌম্য সরকারের দুর্দান্ত ব্যাটিং একটা সময় ১০ উইকেটের জয় দেখছিল বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ৬৯ রানে সৌম্য বিদায় নেওয়ায় তা আর হয়নি। বাঁহাতি ওপেনারের ৬ চার ও ২ ছক্কার ইনিংস শেষ হতেই ভেঙে যায় ১৫১ রানের জুটিটি।

পরে আরও দুই উইকেট হারিয়ে ৭ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ। ৮৪ বল হাতে রেখে পাওয়া জয়ে শান্ত অপরাজিত থাকেন ১৮ রানে। জিম্বাবুয়ের হয়ে ২টি উইকেট নেন মাসুকু।

এর আগে তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে জিম্বাবুয়েকে অল্প রানেই আটকানোর সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। সেটা হতে দেননি স্বাগতিকদের দুই হাফসেঞ্চুরিয়ান। ব্র্যাড ইভান্সের ৫০ রানের বিপরীতে ৭৫ রান করে দলকে দুই শ ছুঁই ছুঁই স্কোর এনে দেন ওয়েসলি মাধেভেরে। প্রতিপক্ষকে ১৯৯ রানে অলআউট করার পথে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন বাঁহাতি পেসার শরীফুল।