• ই-পেপার

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ

রুইজের জবাবে কেটেলারা, ১-১ সমতায় বিরতিতে স্পেন-বেলজিয়াম

এক জুলাই থেকে আরেক জুলাই, কোর্তোয়ার হাসি থেকে কোর্তোয়ার কান্না

সাহিদ রহমান অরিন
এক জুলাই থেকে আরেক জুলাই, কোর্তোয়ার হাসি থেকে কোর্তোয়ার কান্না
ঊরুর চোটে স্পেনের বিপক্ষে পুরো ম্যাচ খেলতে পারেননি থিবো কোর্তোয়া। ছবি: ফিফা

টাইম মেশিনে চেপে ৮ বছর আগের জুলাইয়ে ফেরা যাক। ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল। বেলজিয়ামের বিপক্ষে ২-১ গোলে পিছিয়ে ব্রাজিল। 

কাজানে ম্যাচের শেষ দিকে নেইমার জুনিয়র নিলেন বাঁকানো এক শট। বলটা ডান দিকের কোণ দিয়ে বেলজিয়ামের জালে প্রায় ঢুকেই যাচ্ছিল। কিন্তু অবিশ্বাস্য দক্ষতায় সুপারম্যানের মতো লাফিয়ে উঠে তা ঠেকিয়ে দিলেন থিবো কোর্তোয়া।

ব্যস, ব্রাজিলের সমতায় ফেরার সম্ভাবনা সেখানেই শেষ। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল বেলজিয়াম।

Save
২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে এভাবেই নেইমারকে গোলবঞ্চিত করেন কোর্তোয়া। ছবি: ফিফা

৮ বছর পর আরেক জুলাইয়ে হয়তো আবারো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠতে পারত বেলজিয়াম। লস অ্যাঞ্জেলেসে এবার হয়তো স্পেনের বিপক্ষে ‘সুপার হিরো’ বনে যেতে পারতেন কোর্তোয়া।

লামিনে ইয়ামালকে একাধিকবার হতাশ করার পর প্রায় ‘পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ’ থেকে নেওয়া মিকেল ওইয়ারজাবালের শট রুখে আরেকটি বীরত্বগাথা জন্ম দেওয়ার অপেক্ষাতেই ছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের তারকা গোলকিপার। 

কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকতে পারলে তো! আচমকা ঊরুর চোটে পড়ে মাঠে লুটিয়ে পড়লেন কোর্তোয়া। কিছুক্ষণ চিকিৎসা নেওয়ার পর উঠে দাঁড়ালে ধারণা করা হচ্ছিল, খেলা চালিয়ে যেতে পারবেন।

কিন্তু পারলেন না। ৭২ মিনিটে চোখের জলে মাঠ ছাড়লেন কোর্তোয়া। ৮ বছর আগে যার কারণে নেইমারের ব্রাজিলকে কাঁদতে হয়েছিল, আজ সেই মানুষটার দুচোখ বেয়ে জল পড়ল। জার্সি তুলে দুহাত দিয়ে মুখ ঢেকে রাখার চেষ্টা করেও কান্না আড়াল করতে পারলেন না!

কোর্তোয়া হয়তো তখনই বুঝে নিয়েছেন, ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের ১৮ মিনিট বাকি থাকতে তার মাঠ ছাড়ার পর দলকেও এই বিশ্বকাপের মোহ ছাড়তে হবে। 

হলোও তা-ই। যাকে থিবো কোর্তোয়ার যোগ্য উত্তরসূরি ভাবা হচ্ছে, সেই সেনে লামেন্স কোর্তোয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়ে বদলি নামলেও তার রেখে যাওয়া কাজটুকু করতে পারলেন না। বরং করলেন এক বড় ভুল।

পাউ কুবারসির নিচু শট ঝাঁপিয়ে আটকালেও বল হাতে রাখতে পারলেন না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের গোলকিপার লামেন্স। ছুটে এসে সেই বল জালে পাঠালেন স্পেনের ‘সুপার সাব’ মিকেল মেরিনো। লামেন্সের ভুলের চড়া মাশুল দিয়ে বিদায় নিতে হলো বেলজিয়ামকে। অথবা একটু ঘুরিয়ে বলতে পারেন, কোর্তোয়ার চোটে কপাল পুড়ল বেলজিয়ামের। 

2 GK
থিবো কোর্তোয়ার বদলি নেমেছিলেন সেনে লামেন্স। ছবি: ফিফা

দ্য অ্যাথলেটিকও বলছে সেই কথা। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, থিবো কোর্তোয়ার চোট স্পেনের বিপক্ষে বেলজিয়ামের হারে সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। রিয়াল মাদ্রিদের অভিজ্ঞ এই গোলকিপার একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে বেলজিয়ামকে ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিলেন। 

ঊরুর চোটে পড়ার পর কোর্তোয়া শুধু গোলকিক নিতে পারছিলেন না। বাকি কাজগুলো স্বাভাবিকভাবে করতে পারছিলেন। তাই খেলা চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। 

কিন্তু বেলজিয়াম কোচ রুডি গার্সিয়া কোর্তোয়াকে আর খেলাতে চাননি। ম্যাচ শেষে তিনি বললেন, ‘এটা শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবল। এমন ম্যাচে ভালো খেলতে হলে পুরোপুরি মনোযোগী থাকতে হয় এবং শতভাগ ফিট থাকতে হয়। বিশ্বকাপের শুরু থেকেই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, ১০০ শতাংশ ফিট নয়—এমন কোনো খেলোয়াড়কে মাঠে রাখব না। আজ কোর্তোয়ার ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছে।’

গার্সিয়া আরো বলেন, ‘বিশ্বকাপজুড়ে কোর্তোয়া দুর্দান্ত খেলেছে। কিন্তু আমরা চাইনি তার চোট আরো গুরুতর হয়ে উঠুক। তাই তাকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে।’

কোচের যুক্তি এক অর্থে হয়তো ঠিক, আবার আরেক অর্থে পুরোপুরি ঠিক নয়। দেশের প্রতি নিবেদন দেখিয়ে যে মানুষটা খেলা চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন, তাকে আর ১৮ মিনিট কিংবা পুরো ম্যাচ খেলতে দিলে কী এমন হতো!

cry
চোটে পড়ার পর কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়েন কোর্তোয়া। ছবি: ফিফা

এবারের আসরে বিশ্বস্ত হাত দুটি দিয়ে মোট ১০টি সেভ করেছেন কোর্তোয়া। বিশ্বকাপে এটি ছিল তার ২১তম ম্যাচ। গোলকিপারদের মধ্যে বিশ্বকাপে তার চেয়ে বেশি ম্যাচে খেলেছেন শুধু একজন—জার্মানির মানুয়েল নয়্যার; ২৩টি।

কোর্তোয়ার বয়স ৩৪ পেরিয়েছে। ২০৩০ বিশ্বকাপের সময় তার বয়স হবে ৩৮ বছর। ৪০ বছর বয়সেও কেপ ভার্দের ভোজিনিয়া যে ইতিহাস সৃষ্টি করে গেছেন, তা থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে কোর্তোয়া পরের বিশ্বকাপ খেলতেই পারেন। নয়্যারকে ছাড়িয়ে তিনিই হয়ে যেতে পারেন বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা গোলকিপার। 

তবে তার আগে ভেঙে পড়া কোর্তোয়ার মনটা যে আবারো জোড়া লাগাতে হবে!

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ

‘সুপার সাব’ মেরিনোর গোলে বেলজিয়ামের হৃদয় ভেঙে সেমিফাইনালে স্পেন

ক্রীড়া ডেস্ক
‘সুপার সাব’ মেরিনোর গোলে বেলজিয়ামের হৃদয় ভেঙে সেমিফাইনালে স্পেন
মিকেল মেরিনোর শেষ মুহূর্তের গোলে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে স্পেন। ছবি: ফিফা

স্পেন ২-১ বেলজিয়াম

শেষ মুহূর্তে প্রতিপক্ষের হৃদয় ভাঙার কাজটা তিনিই করবেন—এমন পণ করেই যেন বদলি নামেন মিকেল মেরিনো। 

২০২৪ ইউরোর কোয়ার্টার ফাইনালে ১১৯ মিনিটে গোল করে স্বাগতিক জার্মানির হৃদয় ভেঙেছেন মেরিনো। গত বছর নেশন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগের যোগ করা সময়ে তিনি জয় কেড়েছেন নেদারল্যান্ডসের। 

এবারের বিশ্বকাপ থেকে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পতুর্গালকেও ছিটকে দিয়েছে এই মেরিনোর গোল। এবার সেই অভিজ্ঞতা হলো বেলজিয়ামের।

‘সুপার সাব’ তকমা পাওয়া মেরিনোর গোলেই বেলজিয়ামকে বিদায় করে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পা রাখল স্পেন। 

লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফাই স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল ৮৭ মিনিট পর্যন্ত ১-১ সমতায় ছিল। ম্যাচটা অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে বলেই মনে হচ্ছিল। 

কিন্তু ৮৬ মিনিটে দানি ওলমোর বদলি নামার মিনিট দুয়েক পরেই বেলজিয়ামের জাল কাঁপিয়ে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিলেন আর্সেনাল ফরোয়ার্ড মেরিনো।

ডালাসে বাংলাদেশ সময় আগামী মঙ্গলবার রাতে প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে স্পেন। 

বেলজিয়ামের এই হারের দায় বর্তাতে পারে বদলি গোলকিপার সেনে লামেন্সের ওপর। নয়তো দুষতে পারেন ভাগ্যকে। তা না হলে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেই কেন চোটে পড়বেন প্রধান গোলকিপার থিবো কোর্তোয়া। 

কখনো লামিনে ইয়ামালের শট, কখনো ‘পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ’ থেকে নেওয়া মিকেল ওইয়ারজাবালের শট ঠেকিয়ে বীরত্ব দেখাচ্ছিলেন কোর্তোয়া। 

কিন্তু এই বীরত্বের মাঝেই কোর্তোয়া পড়লেন ঊরুর চোটে। মাঠেই কিছুক্ষণ চিকিৎসা নেওয়ার পর উঠে দাঁড়ালে ধারণা করা হচ্ছিল, খেলা চালিয়ে যাবেন রিয়াল মাদ্রিদের তারকা গোলকিপার। 

GK
চোটে পড়ার পর কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়েন বেলজিয়ামের গোলকিপার থিবো কোর্তোয়া। ছবি: ফিফা

কিন্তু পারলেন না। ৭২ মিনিটে চোখের জলে মাঠ ছাড়লেন। তার বদলি নামা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড গোলকিপার সেনে লামেন্সকে শুরুর দিকে বেশ আত্মবিশ্বাসী মনে হলেও শেষ দিকে করে ফেললেন বড় এক ভুল। 

পাউ কুবারসির নিচু শট ঝাঁপিয়ে আটকালেও বল হাতে রাখতে পারলেন না লামেন্স। ছুটে এসে সেই বল জালে পাঠালেন মেরিনো। লামেন্সের ভুলের চড়া মাশুল দিয়ে বিদায় নিতে হলো বেলজিয়ামকে।

এবারের বিশ্বকাপে স্পেনের মতো বদলিতে ভাগ্য বদলেছে বেলজিয়ামেরও। বিশেষ করে রোমেলু লুকাকু বেঞ্চ থেকে উঠে এসে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। কিন্তু আজ তাকে সেরা ছন্দে দেখা গেল না। 

এর আগে প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ সমতায়। প্রথম হাইড্রেশন ব্রেকের পরের অংশটা রোমাঞ্চকর ফুটবল উপহার দিয়েছে দুই দল। এর মূলে মিডফিল্ডার ফাবিয়ান রুইজ ও ফরোয়ার্ড চার্লস ডি কেটেলারা। 

৩০ মিনিটে রুইজের গোলে এগিয়ে যায় স্পেন। পেদ্রিকে বসিয়ে এই রুইজের ওপর আস্থা রেখেছিলেন স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। সেটির প্রতিদান দিয়েছেন গোল করে।

অবশ্য জবাব দিতে বেশি সময় নেয়নি বেলজিয়াম। ৪১ মিনিটে কেটেলারার দারুণ হেডে সমতা আনে তারা। 

এবারের বিশ্বকাপে এটিই ছিল স্পেনের বিপক্ষে কোনো দলের প্রথম গোল। প্রায় ৬৫০ মিনিট পর স্প্যানিশ গোলকিপার উনাই সিমনকে পরাস্ত করতে পেরেছেন কেউ।  

মেসিদের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে বড় ধাক্কা সুইজারল্যান্ডের

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসিদের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে বড় ধাক্কা সুইজারল্যান্ডের
ছবি : রয়টার্স

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এবারের ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনাল ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা খেল সুইজারল্যান্ড। চোটের কারণে দলের গুরুত্বপূর্ণ মিডফিল্ডার জোহান মানজাম্বি বহুল প্রতীক্ষিত এ ম্যাচে খেলতে পারবেন না।

কোয়ার্টার-ফাইনাল ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে সুইজারল্যান্ডের প্রধান কোচ মুরাত ইয়াকিন নিশ্চিত করেছেন, দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় মানজাম্বি শনিবারের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে পারবেন না।

ইয়াকিন বলেন, মানজাম্বির ব্যাপারে বলতে গেলে, সে আগামীকাল (শনিবার) খেলতে পারবে না। তাকে মাঠে ফেরানোর জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, কিন্তু সে প্রস্তুত হতে পারেনি। আমরা কীভাবে খেলব, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত খুব শিগগিরই নেব।

কোচ ইয়াকিন আরো বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানজাম্বি এখনও প্রচণ্ড ব্যথায় রয়েছে। এটা আমাদের জন্য বড় ধাক্কা। মাঠে তাকে সবসময় আনন্দ আর আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে দেখা যায়। কিন্তু আগামীকালের ম্যাচে সে থাকবে না। তারপরও আমরা দলগতভাবে সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করব।

চলতি বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের অন্যতম সেরা পারফর্মার ছিলেন এ তরুণ ফুটবলার। গোল-অ্যাসিস্ট উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। এখন পর্যন্ত ৫টি গোলে (৩ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট) সরাসরি অবদান রেখে দলের আক্রমণভাগে বড় ভরসা হয়ে উঠেছিলেন মানজাম্বি।

কলম্বিয়ার বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচের আগে মানজাম্বি বাঁ হাঁটুতে চোট পান। পরীক্ষায় তার লিগামেন্টে কোনো ক্ষতি ধরা পড়েনি। সুইজারল্যান্ড যদি আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠতে পারে, তবে সেই ম্যাচে তার ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে।

কোয়ার্টার-ফাইনালে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মানজাম্বিকে না পাওয়ায় সুইজারল্যান্ডের কৌশল ও আক্রমণভাগে বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সেমি-ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করার লড়াইয়ে দলটির জন্য তাই মানজাম্বির অনুপস্থিতি বড় এক ধাক্কা হয়ে এসেছে।

২য় কোয়ার্টার ফাইনাল

স্পেন ও বেলজিয়ামের শুরুর একাদশে কারা আছেন

ক্রীড়া ডেস্ক
স্পেন ও বেলজিয়ামের শুরুর একাদশে কারা আছেন
স্পেনের ও বেলজিয়ামের প্রাণভোমরা লামিনে ইয়ামাল ও কেভিন ডি ব্রুইনা। ছবি: সংগৃহীত

লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফাই স্টেডিয়ামে আর কিছুক্ষণের মধ্যে শুধু হচ্ছে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল। মুখোমুখি হতে চলেছে ইউরোপের দুই শক্তিশালী দল স্পেন ও বেলজিয়াম।

দুই দলই এরই মধ্যে শুরুর একাদশ ঘোষণা করেছে। শেষ মুহূর্তে চোটে পড়ায় ছিটকে গেছেন বেলজিয়ামের ইউরি টিলেমান্স। তার জায়গায় খেলছেন হান্স ফানাকেন। এক নজরে দুই দলের একাদশ দেখে নিন—

স্পেনের একাদশ

উনাই সিমন, পেদ্রো পোরো, পাউ কুবারসি, আইমেরিক লাপোর্ত, মার্ক কুকুরেয়া, রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ, দানি ওলমো, লামিনে ইয়ামাল, আলেক্স বায়েনা, মিকেল ওইয়ারজাবাল।

বেলজিয়ামের একাদশ

থিবো কোর্তোয়া, ম্যাক্সিম ডি ক্রুইপার, ব্রান্ডন মাশেল, নাথান এনগ, টিমোথি কাস্তানিয়ে, নিকোলাস রাসকিন, হান্স ফানাকেন, জেরেমি ডোকু, কেভিন ডি ব্রুইনা, চার্লস ডি কেটেলারা, লিয়ান্দ্রো ত্রোসার।