• ই-পেপার

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে সেভিয়াকে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা

ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি নিয়ে নেইমার-ভিনির নীরব লড়াই

ক্রীড়া ডেস্ক
ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি নিয়ে নেইমার-ভিনির নীরব লড়াই
সংগৃহীত ছবি

ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ১০ নম্বর জার্সি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। প্রশ্ন উঠেছে, এই জার্সি কি এখনো নেইমাররই থাকা উচিত, নাকি সময় এসেছে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রর হাতে তুলে দেওয়ার?

ব্রাজিলিয়ান গণমাধ্যমে খবর ছড়িয়েছিল, এবার ১০ নম্বর জার্সি পেতে পারেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, আর নেইমারকে দেওয়া হতে পারে ১৩ নম্বর জার্সি। যদিও পরে জানা যায়, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জার্সি নম্বর চূড়ান্ত হয়নি।

তবে বিতর্ক থামেনি। কারণ ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি শুধুই একটি সংখ্যা নয়, এটি দেশটির ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রতীকগুলোর একটি। পেলে, জিকো, রিভালদো, রোনালদিনহো ও কাকাদের মতো কিংবদন্তিরা এই জার্সি পরেছেন।

২০১৩ সাল থেকে নিয়মিতভাবে ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি পরে আসছেন নেইমার। দীর্ঘদিন ধরে তিনিই এই জার্সির উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন।

অন্যদিকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে দেখা হচ্ছে ব্রাজিলের ভবিষ্যৎ নেতা হিসেবে। নেইমার চোটে থাকাকালে ২০২৩ সালে প্রথমবার ১০ নম্বর জার্সি পরেছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এরপর থেকেই অনেক সমর্থক মনে করছেন, এখন সময় এসেছে নতুন প্রজন্মের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার।

তবে অভিজ্ঞতা ও দলের ভেতরে প্রভাবের দিক দিয়ে এখনো এগিয়ে নেইমার। ব্রাজিলের ড্রেসিংরুমে তার নেতৃত্ব ও গুরুত্ব নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন রাফিনিয়ার মতো সতীর্থরাও।

সবশেষ সিদ্ধান্ত অবশ্য নেবেন নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। যদি অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়, তাহলে নেইমারের কাছেই থাকতে পারে ১০ নম্বর জার্সি। সেক্ষেত্রে ভিনিসিয়ুস হয়তো আবার ৭ নম্বর জার্সিতেই ফিরবেন।

আর যদি নেইমার ১০ নম্বর জার্সি পরে এবারের বিশ্বকাপে খেলেন, তাহলে ইতিহাসও গড়বেন তিনি। কারণ তখন তিনিই হবেন একমাত্র ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার, যিনি চারটি ভিন্ন বিশ্বকাপে ১০ নম্বর জার্সি পরে খেলেছেন।

আর্জেন্টিনা দলে দুঃসংবাদ, এবার ‘চোটে’ অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার

ক্রীড়া ডেস্ক
আর্জেন্টিনা দলে দুঃসংবাদ, এবার ‘চোটে’ অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার
আর্জেন্টিনার অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার মার্কোস আকুনা। ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নতুন দুশ্চিন্তায় পড়েছে আর্জেন্টিনা। চোট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার মার্কোস আকুনাকে।

আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম মুন্দো আলবিসেলেস্তে জানিয়েছে, রিভার প্লেটের হয়ে বেলগ্রানোর বিপক্ষে ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন আকুনা। তবে ম্যাচ চলাকালে ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে সমস্যা অনুভব করলে তাকে বদলি করে মাঠের বাইরে নেওয়া হয়।

জানা গেছে, একই হ্যামস্ট্রিংয়ে আগেও ফিটনেস সমস্যায় ভুগেছিলেন ৩৪ বছর বয়সী এই ফুটবলার। ফলে বিশ্বকাপের আগে তার চোট নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আর্জেন্টিনা শিবিরে।

এরই মধ্যে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির স্কোয়াড ঘোষণার সময়ও ঘনিয়ে এসেছে। বৃহস্পতিবার কিংবা শুক্রবার বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করার কথা রয়েছে তার।

আকুনার চোট কতটা গুরুতর, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার ডিফেন্সে চোটের তালিকা দীর্ঘ হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা বাড়ছেই।

এদিকে চোটে ভুগছেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, গঞ্জালো মন্তিয়েল ও লিওনেল মেসিও। যদিও এখন পর্যন্ত তাদের কেউই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়েননি।

যদিও জানা গেছে, ক্লান্তির কারণে বদলি হয়ে মাঠ ছাড়েন মেসি। পরে জানা যায়, সেটি ছিল সতর্কতামূলক সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে গোলরক্ষক মার্তিনেজ আঙুলের চোটে ভুগছেন। এ ছাড়া রোমেরো ও মন্তিয়েলের ফিটনেস নিয়েও নজর রাখছে আর্জেন্টিনা টিম ম্যানেজমেন্ট।

ম্যাচ চলাকালে হৃদরোগে প্রাণ গেল ক্রিকেটারের

ক্রীড়া ডেস্ক
ম্যাচ চলাকালে হৃদরোগে প্রাণ গেল ক্রিকেটারের
সংগৃহীত ছবি

ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ম্যাচ খেলতে গিয়েই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাবেক কর্ণাটক ক্রিকেটার এস এল অক্ষয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩৯ বছর।

গতকাল (রবিবার) বেঙ্গালুরুর কেআর পুরম এলাকায় একটি তৃতীয় বিভাগ ক্রিকেট ম্যাচ খেলছিলেন অক্ষয়। ফিল্ডিং করার সময় হঠাৎ বুকের ব্যথার অভিযোগ করেন তিনি। পরে দ্রুত তাকে কাছের হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।

শিবমোগার বাসিন্দা অক্ষয় একসময় কর্ণাটকের হয়ে রঞ্জি ট্রফি খেলেছিলেন। এছাড়া তিনি কর্ণাটক প্রিমিয়ার লিগেও অংশ নিয়েছিলেন।

এক বিবৃতিতে কর্ণাটক রাজ্য ক্রিকেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েমন জানিয়েছে, খেলোয়াড়ি জীবন শেষে কোচ হিসেবেও ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন অক্ষয়। তরুণ ক্রিকেটারদের গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি।

মেসির চোট নিয়ে যা বললেন মায়ামি কোচ

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসির চোট নিয়ে যা বললেন মায়ামি কোচ
লিওনেল মেসি। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের আগে লিওনেল মেসিকে ঘিরে তৈরি হওয়া দুশ্চিন্তা কিছুটা কমিয়েছে ইন্টার মায়ামি শিবির। ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে মাঠ ছাড়লেও গুরুতর কোনো চোট পাননি আর্জেন্টাইন মহাতারকা—এমনটাই জানিয়েছেন মায়ামির কোচ গিয়ের্মো হোয়োস।

মেজর লিগ সকারে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে ৬-৪ গোলের রোমাঞ্চকর জয়ে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হয়ে মাঠ ছাড়েন মেসি। তখন তাকে পায়ের পেছনের অংশে হাত দিতে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বকাপের আগে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে।

তবে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে হোয়োস জানান, বিষয়টি বড় কোনো ইনজুরি নয়।

তিনি বলেন, ‘এখনো চূড়ান্ত মেডিক্যাল রিপোর্ট হাতে পাইনি। তবে লিও (মেসি) ক্লান্ত ছিলেন এবং কিছুটা অবসন্ন অনুভব করছিলেন। সেই কারণেই আমরা কোনো ঝুঁকি নিতে চাইনি।’

আর্জেন্টাইন সাংবাদিক গাস্তন এদুলও জানিয়েছিলেন, মেসি মূলত সতর্কতার অংশ হিসেবেই বদলি হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তার পেশিতে ক্লান্তি ছিল, তবে বড় ধরনের কোনো চোট নয়।

ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে দুটি অ্যাসিস্ট করেন মেসি। আর তার দীর্ঘদিনের সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ করেন হ্যাটট্রিক।

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি সময় বাকি নেই। তাই মেসির ফিটনেস নিয়ে যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল, মায়ামি কোচের বক্তব্যে তা অনেকটাই কমেছে।

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে সেভিয়াকে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা | কালের কণ্ঠ