• ই-পেপার

ইউআইইউতে ‘এক্সটেন্ডেড বিইএআর সামিট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস নেটওয়ার্কে যুক্ত হলো লিবিয়া

অনলাইন ডেস্ক
ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস নেটওয়ার্কে যুক্ত হলো লিবিয়া
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বের অন্যতম সেরা গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ডের তালিকায় স্থান করে নেয়ার লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশ্বজুড়ে একশটি দেশের বাজারে ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ওয়ালটনের গ্লোবাল ব্র্যান্ড বিজনেস নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়া।

এ উপলক্ষ্যে সম্প্রতি রাজধানীতে ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসে লিবিয়ার ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ‘আসর আল টেকনিয়া’ এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্টিজ পিএলসি’র মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির আওতায় লিবিয়ায় ওয়ালটন ব্র্যান্ডের পরিবেশক হিসেবে কাজ করবে আসর আল টেকনিয়া। প্রতিষ্ঠানটি লিবিয়ার বাজারে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, টিভি, এয়ারকন্ডিশনার, ওয়াশিং মেশিন ইত্যাদি প্রযুক্তিপণ্য বিক্রয় ও বিপণন করবে।

ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মো. জিয়াউল আলম এফসিএ, এসিএ (আইসিএইডব্লিউ) এবং আসর আল টেকনিয়া’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর আল সাদিক আল তাহির আল সগীর কারাহ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশনের প্রধান আব্দুর রউফ বলেন, পণ্যের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, আধুনিক ডিজাইন, টেকসই ও উচ্চ গুণগতমান, বিদ্যুৎ সাশ্রয়, পরিবেশবান্ধব এবং মূল্য প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য ব্র্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ওয়ালটন। ফলে বৈশ্বিক বাজারে ওয়ালটন ব্র্যান্ড অতি অল্প সময়ের মধ্যে ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করে নিতে সক্ষম হচ্ছে। ফলে ওয়ালটনের গ্লোবাল বিজনেস নেটওয়ার্কে প্রতিনিয়ত যুক্ত নতুন নতুন দেশের বাজার। ইতোমধ্যে বিশ্বের ৫৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওয়ালটনের ব্র্যান্ড বিজনেস। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে উত্তর আফিকার দেশ লিবিয়া।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে চলতি বছরে লিবিয়ার বাজারে দুই শিপমেন্টে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, এসি, টিভি এবং ওয়াশিং মেশিন রপ্তানি করা হয়েছে। লিবিয়ায় গ্লোবাল বিজনেস সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে উত্তর আফ্রিকার অন্যান্য দেশগুলোর বাজারে প্রবেশ পথ আরো সুগম হবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যদের আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশনের ডেপুটি হেড সাইয়েদ আল ইমরান, লিবিয়ার কান্ট্রি ম্যানেজার আব্দুল লতিফ প্রামাণিক প্রমুখ।

দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে ‘ওয়ার্কশপ উইথ হেড অব এইচআর ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে ‘ওয়ার্কশপ উইথ হেড অব এইচআর ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত ছবি

তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য দক্ষ, কর্মসংস্থান-উপযোগী এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘ওয়ার্কশপ উইথ হেড অব এইচআর ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে এসআইসিআইপি–বিজিএমইএ এ কর্মশালার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজিএমইএর পরিচালক ও ম্যাগপাই কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন বিজিএমইএর পরিচালক ও রুমানা ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুমানা রশীদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন এসআইসিআইপি–বিজিএমইএ কর্মসূচির প্রধান সমন্বয়কারী মুনির চৌধুরী।

কর্মশালায় দেশের শীর্ষস্থানীয় তৈরি পোশাক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ (এইচআর) প্রধানেরা অংশ নেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল ফুলি সান চায়না লিমিটেড (পিজিএস পেপকো গ্লোবাল সোর্সিং), ইউটাহ গ্রুপ, সেন্ট্রো টেক্স, স্নোটেক্স গ্রুপ, মন্ডল গ্রুপ, যমুনা ডেনিমস লিমিটেড, অ্যাপেক্স হোল্ডিংস লিমিটেড, নর্দার্ন তোসরিফা গ্রুপ, ওয়ালটন গ্রুপ, ডিজাইনটেক্স লিমিটেড, গুড আর্থ অ্যাপারেলস লিমিটেড, পাকিজা নিট গ্রুপ, প্রিটি গ্রুপ, আগামী অ্যাপারেলস লিমিটেড (ডেকো লেগেসি গ্রুপ), আকিজ রিসোর্সেস, সিমকো স্পিনিং অ্যান্ড টেক্সটাইলস লিমিটেড, মোহাম্মদী গ্রুপ, টেক্সটাইল হাবস, টেক্সটাউন গ্রুপ এবং এস.এফ. ডেনিম অ্যাপারেলস লিমিটেড।

কর্মশালায় শিল্পের বাস্তব দক্ষতা-চাহিদা, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার কার্যকারিতা, নিয়োগের বর্তমান প্রবণতা এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণদের দ্রুত কর্মসংস্থানে যুক্ত করার কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারী এইচআর প্রধানেরা তাঁদের প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ–অভিজ্ঞতা, প্রয়োজনীয় দক্ষতার পরিবর্তন, প্রযুক্তিনির্ভর কর্মপরিবেশে জনবল উন্নয়ন এবং শিল্পের প্রত্যাশা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।

বক্তারা বলেন, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জোরদার করা গেলে দক্ষ জনবল তৈরির প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে এবং প্রশিক্ষণার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। এ লক্ষ্যেই কর্মশালাটি অভিজ্ঞতা বিনিময়, অংশীদারত্ব বৃদ্ধি এবং বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ দেশের তৈরি পোশাক শিল্পে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদে শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এসআইসিআইপি–বিজিএমইএ কর্মসূচির কো-অর্ডিনেটর (জব প্লেসমেন্ট অ্যান্ড ডাটাবেস) মো. আশফাকুর রহমান ও সাইদা আফরিন। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন শেখ মোহাম্মদ নাজমুল আলম পলাশ এবং মো. সাইয়েদুল কবির।

ক্যাম্পেইনের মেয়াদ বাড়ল আগস্ট পর্যন্ত

‘স্কুটি নাকি গোল্ড’ বিজয়ীদের পুরস্কৃত করল এসিআই’র ফ্রিডম ব্র্যান্ড

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
‘স্কুটি নাকি গোল্ড’ বিজয়ীদের পুরস্কৃত করল এসিআই’র ফ্রিডম ব্র্যান্ড
সংগৃহীত ছবি

এসিআই হাইজিন প্রোডাক্টস বিজনেস এর ফিমেল হাইজিন ব্র্যান্ড ‘ফ্রিডম’ আয়োজিত “স্কুটি নাকি গোল্ড?” ক্যাম্পেইনে এখন পর্যন্ত বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে ‘ফ্রিডম ফিয়েস্তা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের স্কুটি ও গোল্ড কয়েন হস্তান্তর করা হয়। পাশাপাশি, ভোক্তাদের ব্যাপক সাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে ক্যাম্পেইনটির মেয়াদ চলতি বরছের আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। 

অনুষ্ঠানে ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ ক্যাম্পেইনের বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী, স্থপতি ও শিক্ষাবিদ অপি করিম। তিনি হাইজিন সেক্টরে ফ্রিডমের উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে এসিআই কনজ্যুমার বিজনেসের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম, বিজনেস ডিরেক্টর খন্দকার ইশতিয়াক আহমদ, মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন ডিরেক্টর মো. নাহিদ নেওয়াজ, জিএম সেলস মিজানুর রহমান, জিএম অপারেশনস দীপঙ্কর বিশ্বাস, ডিজিএম শেহরিন কামাল, পিজিএম আসির আওসাফসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিজনেস ডিরেক্টর খন্দকার ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা কেবল পুরস্কারই দিচ্ছি না, বরং ভোক্তাদের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের আস্থাকে উদযাপন করছি। বাংলাদেশের নারীদের নিরাপদ হাইজিন ও সুস্থতা নিশ্চিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আগামীতেও নারীদের দৈনন্দিন জীবনে সহায়ক এমন আরও উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে আসবে ফ্রিডম। অনুষ্ঠানের শেষাংশে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রীতমের লাইভ পরিবেশনা, ম্যাজিক শো এবং স্ট্যান্ড-আপ কমেডি উপভোগ করেন অতিথিরা।

সমন্বিত কৃষি প্রকল্পে মালিকানা পেলেন হাজার উদ্যোক্তা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সমন্বিত কৃষি প্রকল্পে মালিকানা পেলেন হাজার উদ্যোক্তা
সংগৃহীত ছবি

বগুড়ার কাহালু উপজেলায় ৩০ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিটি ভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রজেক্ট ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’- এর এক হাজার ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল বুঝিয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। 

শনিবার রাতে (২৫ জুলাই) রাজধানীর ধানমণ্ডিতে ম্যারিয়ট কনভেনশন হলে জমকালো আয়োজন ‘ফাউন্ডারস নাইট ২০২৬’-  অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম সংশ্লিষ্টদের হাতে এই দলিল তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এমপি। আরও উপস্থিত ছিলেন সুখের খামারের চারজন সম্মানিত উপদেষ্টা, ৪০ সদস্যের অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য এবং গণমাধ্যম কর্মীরা।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, সৃজনশীল কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে বর্তমান সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, শুধু চাকরি নয়, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। 

তিনি আরো বলেন, প্রতিটি খাতের অগ্রগতি সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সুখের খামারের মতো উদ্যোগের পাশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সব সময় থাকবে। দেশের প্রতিটি পরিবারের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।

প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব বলেন, ‘ফাউন্ডাররা আমাদের কাছে বিনিয়োগকারী নন- তাঁরা মালিক, প্রতিষ্ঠাতা ও দাতা। তাঁদের আস্থার মর্যাদা রক্ষাই আমাদের প্রথম অঙ্গীকার।’ 

সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম অনুষ্ঠানে বর্তমান সময়ে এগ্রো ভিলেজের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা শুধু একটি খামার বা রিসোর্ট গড়ছি না - আমরা এমন একটি মডেল গড়ছি যা ব্যবসার পাশাপাশি একটি গ্রামকে বদলে দেয়। আজকের এই আয়োজন প্রমাণ করল, হাজারো মানুষ সেই স্বপ্নে বিশ্বাস রাখেন।’

এদিকে প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি ও সম্পদমূল্য বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় সুখের খামার এগ্রো ভিলেজের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে জুলাই ২০২৬ থেকে ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা নির্ধারিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার মাত্র দেড় বছরের মধ্যে এই মূল্যবৃদ্ধি প্রাথমিক অংশীদারদের আস্থার প্রতিদান বলে উল্লেখ করেন আয়োজকরা।

অনুষ্ঠানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্বে প্রত্যেক ফাউন্ডিং শেয়ারহোল্ডারের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয় তাঁদের জমির দলিল, শেয়ার সনদ, চুক্তিপত্র এবং সুখের খামার ফাউন্ডেশনের লাইফটাইম মেম্বারশিপ সনদ। আয়োজকরা জানান, শরীয়াহভিত্তিক মুশারাকা পদ্ধতিতে পরিচালিত এই প্রকল্পে প্রতিটি অংশীদার সাফ কবলা দলিলে জমিসহ খামার ও রিসোর্টের আইনি মালিকানা পাচ্ছেন — যা বাংলাদেশে এ ধরনের উদ্যোগে নজিরবিহীন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত দেড় বছরে পূর্ণাঙ্গ রিসোর্ট চালুর আগেই প্রকল্পটি পরিদর্শন করেছেন দুই হাজারের বেশি অতিথি, রাত্রিযাপন করেছেন নয় শতাধিক, এসেছেন সাতজন বিদেশি ভ্রমণকারী। প্রকল্পের মাধ্যমে বাগইল গ্রামে যুক্ত হয়েছে এক কোটি টাকার নতুন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান হয়েছে ৪০ জনের, ‘সুখের হাসি’ প্রকল্পে স্বাবলম্বী হয়েছেন ১০ জন নারী। সামনে রয়েছে ১০০ রুমের আন্তর্জাতিক মানের এগ্রো রিসোর্ট, জামে মসজিদ ও হাফিজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসা নির্মাণের কর্মসূচিও।