• ই-পেপার

দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে ‘ওয়ার্কশপ উইথ হেড অব এইচআর ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

ইউআইইউতে ‘এক্সটেন্ডেড বিইএআর সামিট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
ইউআইইউতে ‘এক্সটেন্ডেড বিইএআর সামিট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত ছবি

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) আইইইই স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের সহযোগিতায় ‘এক্সটেন্ডেড বিইএআর সামিট ২০২৬’ গত ২৪ জুলাই ইউআইইউ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিইএআর সামিট ২০২৬-এর পূর্ব আয়োজন হিসেবে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মাধ্যমে ইউআইইউর শিক্ষার্থীরা বিশ্বের খ্যাতনামা গবেষক, শিক্ষাবিদ, শিল্পখাতের নেতৃবৃন্দ ও উদ্ভাবকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ লাভ করেন।

এতে বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিকস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (অও), রোবটিক্স এবং সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষা, গবেষণা সহযোগিতা এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এই সামিট বাংলাদেশের একাডেমিয়া ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রাখে।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে পারডু ইউনিভার্সিটির প্রফেসর এবং সিলিকন রিভার বিইএআর এর চীফ আর্কিটেক্ট প্রফেসর মুহাম্মদ মোস্তফা হোসেন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, গবেষণাভিত্তিক উদ্ভাবন, বিশ্ববিদ্যালয়-শিল্পখাতের অংশীদারিত্ব এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর খাতকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সামিটের প্লেনারি সেশনে টেক্সাস ইন্সট্রুমেন্টসের চিফ টেকনোলজি অফিসার ড. আহমেদ বাহাই এবং পারডু ইউনিভার্সিটি অনলাইনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রফেসর দিমিত্রি পেরৌলিস সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা উপস্থাপন করেন।

এছাড়া ভিয়েতনাম সেমিকন্ডাক্টর প্রফেশনাল অ্যাসোসিয়েশনের (ভিএসপিএ) চেয়ারম্যান বিচ-ইয়েন থি ট্রান এবং সানডিস্কের ডিস্টিংগুইশড ইঞ্জিনিয়ার জয়াভেল পাচামুথু সেমিকন্ডাক্টর উদ্ভাবন, প্রযুক্তিগত নেতৃত্ব এবং ভবিষ্যতের মেমোরি প্রযুক্তি নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে অ্যাপ্লাইড ম্যাটেরিয়ালস, সিআরইডিও, অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটি, এনএক্সপি সেমিকনডাক্টর এবং ওয়াইইএস’র আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশেষজ্ঞরা সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন, উন্নত ইলেকট্রনিকস, গবেষণার বাণিজ্যিকীকরণ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং উদীয়মান প্রযুক্তি বিষয়ে লাইটনিং টক উপস্থাপন করেন। এছাড়া প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারীরা একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতা, আন্তর্জাতিক গবেষণা অংশীদারিত্ব, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর ভ্যালু চেইনে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে ইউআইইউর উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া, ইউআইইউ আইএআর’র নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ইমেরিটাস ড. এম রিজওয়ান খানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, গবেষক এবং দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সামিট সমাপনী পূর্বে সেন্টার অব রিসার্চ এক্সিলেন্সি ইন সেমিকনডাক্টর টেকনোলজি (সিআরইএসটি) -এর ফেলোদের অংশগ্রহণে একটি গবেষণা পোস্টার প্রদর্শনী এবং নেটওয়ার্কিং সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস নেটওয়ার্কে যুক্ত হলো লিবিয়া

অনলাইন ডেস্ক
ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস নেটওয়ার্কে যুক্ত হলো লিবিয়া
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বের অন্যতম সেরা গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ডের তালিকায় স্থান করে নেয়ার লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশ্বজুড়ে একশটি দেশের বাজারে ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ওয়ালটনের গ্লোবাল ব্র্যান্ড বিজনেস নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়া।

এ উপলক্ষ্যে সম্প্রতি রাজধানীতে ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসে লিবিয়ার ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ‘আসর আল টেকনিয়া’ এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্টিজ পিএলসি’র মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির আওতায় লিবিয়ায় ওয়ালটন ব্র্যান্ডের পরিবেশক হিসেবে কাজ করবে আসর আল টেকনিয়া। প্রতিষ্ঠানটি লিবিয়ার বাজারে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, টিভি, এয়ারকন্ডিশনার, ওয়াশিং মেশিন ইত্যাদি প্রযুক্তিপণ্য বিক্রয় ও বিপণন করবে।

ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মো. জিয়াউল আলম এফসিএ, এসিএ (আইসিএইডব্লিউ) এবং আসর আল টেকনিয়া’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর আল সাদিক আল তাহির আল সগীর কারাহ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশনের প্রধান আব্দুর রউফ বলেন, পণ্যের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, আধুনিক ডিজাইন, টেকসই ও উচ্চ গুণগতমান, বিদ্যুৎ সাশ্রয়, পরিবেশবান্ধব এবং মূল্য প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য ব্র্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ওয়ালটন। ফলে বৈশ্বিক বাজারে ওয়ালটন ব্র্যান্ড অতি অল্প সময়ের মধ্যে ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করে নিতে সক্ষম হচ্ছে। ফলে ওয়ালটনের গ্লোবাল বিজনেস নেটওয়ার্কে প্রতিনিয়ত যুক্ত নতুন নতুন দেশের বাজার। ইতোমধ্যে বিশ্বের ৫৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওয়ালটনের ব্র্যান্ড বিজনেস। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে উত্তর আফিকার দেশ লিবিয়া।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে চলতি বছরে লিবিয়ার বাজারে দুই শিপমেন্টে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, এসি, টিভি এবং ওয়াশিং মেশিন রপ্তানি করা হয়েছে। লিবিয়ায় গ্লোবাল বিজনেস সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে উত্তর আফ্রিকার অন্যান্য দেশগুলোর বাজারে প্রবেশ পথ আরো সুগম হবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যদের আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশনের ডেপুটি হেড সাইয়েদ আল ইমরান, লিবিয়ার কান্ট্রি ম্যানেজার আব্দুল লতিফ প্রামাণিক প্রমুখ।

ক্যাম্পেইনের মেয়াদ বাড়ল আগস্ট পর্যন্ত

‘স্কুটি নাকি গোল্ড’ বিজয়ীদের পুরস্কৃত করল এসিআই’র ফ্রিডম ব্র্যান্ড

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
‘স্কুটি নাকি গোল্ড’ বিজয়ীদের পুরস্কৃত করল এসিআই’র ফ্রিডম ব্র্যান্ড
সংগৃহীত ছবি

এসিআই হাইজিন প্রোডাক্টস বিজনেস এর ফিমেল হাইজিন ব্র্যান্ড ‘ফ্রিডম’ আয়োজিত “স্কুটি নাকি গোল্ড?” ক্যাম্পেইনে এখন পর্যন্ত বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে ‘ফ্রিডম ফিয়েস্তা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের স্কুটি ও গোল্ড কয়েন হস্তান্তর করা হয়। পাশাপাশি, ভোক্তাদের ব্যাপক সাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে ক্যাম্পেইনটির মেয়াদ চলতি বরছের আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। 

অনুষ্ঠানে ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ ক্যাম্পেইনের বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী, স্থপতি ও শিক্ষাবিদ অপি করিম। তিনি হাইজিন সেক্টরে ফ্রিডমের উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে এসিআই কনজ্যুমার বিজনেসের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম, বিজনেস ডিরেক্টর খন্দকার ইশতিয়াক আহমদ, মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন ডিরেক্টর মো. নাহিদ নেওয়াজ, জিএম সেলস মিজানুর রহমান, জিএম অপারেশনস দীপঙ্কর বিশ্বাস, ডিজিএম শেহরিন কামাল, পিজিএম আসির আওসাফসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিজনেস ডিরেক্টর খন্দকার ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, ‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা কেবল পুরস্কারই দিচ্ছি না, বরং ভোক্তাদের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের আস্থাকে উদযাপন করছি। বাংলাদেশের নারীদের নিরাপদ হাইজিন ও সুস্থতা নিশ্চিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আগামীতেও নারীদের দৈনন্দিন জীবনে সহায়ক এমন আরও উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে আসবে ফ্রিডম। অনুষ্ঠানের শেষাংশে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রীতমের লাইভ পরিবেশনা, ম্যাজিক শো এবং স্ট্যান্ড-আপ কমেডি উপভোগ করেন অতিথিরা।

সমন্বিত কৃষি প্রকল্পে মালিকানা পেলেন হাজার উদ্যোক্তা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সমন্বিত কৃষি প্রকল্পে মালিকানা পেলেন হাজার উদ্যোক্তা
সংগৃহীত ছবি

বগুড়ার কাহালু উপজেলায় ৩০ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিটি ভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রজেক্ট ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’- এর এক হাজার ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল বুঝিয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। 

শনিবার রাতে (২৫ জুলাই) রাজধানীর ধানমণ্ডিতে ম্যারিয়ট কনভেনশন হলে জমকালো আয়োজন ‘ফাউন্ডারস নাইট ২০২৬’-  অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম সংশ্লিষ্টদের হাতে এই দলিল তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এমপি। আরও উপস্থিত ছিলেন সুখের খামারের চারজন সম্মানিত উপদেষ্টা, ৪০ সদস্যের অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য এবং গণমাধ্যম কর্মীরা।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, সৃজনশীল কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে বর্তমান সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, শুধু চাকরি নয়, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। 

তিনি আরো বলেন, প্রতিটি খাতের অগ্রগতি সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সুখের খামারের মতো উদ্যোগের পাশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সব সময় থাকবে। দেশের প্রতিটি পরিবারের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।

প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব বলেন, ‘ফাউন্ডাররা আমাদের কাছে বিনিয়োগকারী নন- তাঁরা মালিক, প্রতিষ্ঠাতা ও দাতা। তাঁদের আস্থার মর্যাদা রক্ষাই আমাদের প্রথম অঙ্গীকার।’ 

সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম অনুষ্ঠানে বর্তমান সময়ে এগ্রো ভিলেজের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা শুধু একটি খামার বা রিসোর্ট গড়ছি না - আমরা এমন একটি মডেল গড়ছি যা ব্যবসার পাশাপাশি একটি গ্রামকে বদলে দেয়। আজকের এই আয়োজন প্রমাণ করল, হাজারো মানুষ সেই স্বপ্নে বিশ্বাস রাখেন।’

এদিকে প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি ও সম্পদমূল্য বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় সুখের খামার এগ্রো ভিলেজের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে জুলাই ২০২৬ থেকে ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা নির্ধারিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার মাত্র দেড় বছরের মধ্যে এই মূল্যবৃদ্ধি প্রাথমিক অংশীদারদের আস্থার প্রতিদান বলে উল্লেখ করেন আয়োজকরা।

অনুষ্ঠানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্বে প্রত্যেক ফাউন্ডিং শেয়ারহোল্ডারের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয় তাঁদের জমির দলিল, শেয়ার সনদ, চুক্তিপত্র এবং সুখের খামার ফাউন্ডেশনের লাইফটাইম মেম্বারশিপ সনদ। আয়োজকরা জানান, শরীয়াহভিত্তিক মুশারাকা পদ্ধতিতে পরিচালিত এই প্রকল্পে প্রতিটি অংশীদার সাফ কবলা দলিলে জমিসহ খামার ও রিসোর্টের আইনি মালিকানা পাচ্ছেন — যা বাংলাদেশে এ ধরনের উদ্যোগে নজিরবিহীন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত দেড় বছরে পূর্ণাঙ্গ রিসোর্ট চালুর আগেই প্রকল্পটি পরিদর্শন করেছেন দুই হাজারের বেশি অতিথি, রাত্রিযাপন করেছেন নয় শতাধিক, এসেছেন সাতজন বিদেশি ভ্রমণকারী। প্রকল্পের মাধ্যমে বাগইল গ্রামে যুক্ত হয়েছে এক কোটি টাকার নতুন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান হয়েছে ৪০ জনের, ‘সুখের হাসি’ প্রকল্পে স্বাবলম্বী হয়েছেন ১০ জন নারী। সামনে রয়েছে ১০০ রুমের আন্তর্জাতিক মানের এগ্রো রিসোর্ট, জামে মসজিদ ও হাফিজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসা নির্মাণের কর্মসূচিও।