• ই-পেপার

উচ্ছ্বাসের মাশুল! টাচলাইন নিষেধাজ্ঞা পেলেন চেলসি কোচ

বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ টেইটের পদত্যাগ, দায়িত্বে তালহা

ক্রীড়া ডেস্ক
বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ টেইটের পদত্যাগ, দায়িত্বে তালহা
কোচের পদ থেকে পদত্যাগ করায় এভাবে আর নাহিদদের ঘাড়ে হাত দেখা যাবে না শন টেইটের। ছবি : কালের কণ্ঠ

চলতি মাসেই ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ। কিন্তু ডাগআউটে পেস বোলিং কোচ শন টেইটকে পাচ্ছে না বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসারের অনুপস্থিতিতে তাই ঘরের ছেলে তালহা জুবায়েরকে অন্তবর্তীকালীন কোচ হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বর্তমানে এইচপির হয়ে কাজ করছেন জাতীয় দলের হয়ে সবমিলিয়ে ১৩ ম্যাচ খেলা এই পেসার।

তাতে টেইটের অনুপস্থিতি গুঞ্জনকেই সত্যি করল। কেননা কিছুদিন ধরেই বাতাসে গুঞ্জন বাংলাদেশ দলের কোচের পদ ছাড়ছেন তিনি। আজ ক্রিকবাজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি। টেইট বলেছেন, ‘হ্যা, আমি পদত্যাগ করেছি।’

বিসিবির সঙ্গে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত মেয়াদ ছিল টেইটের। বিসিবির সঙ্গে কাজ না করার বিষয়ে পারিবারিক কারণ দেখালেও শোনা যাচ্ছে ভারতে কাজ করতে আগ্রহী টেইট। ভারতের রাজ্য দল বেঙ্গলের কোচিংয়ে যুক্ত হতে নাকি ইতিমধ্যে সেখানে সাক্ষাৎকারও দিয়েছেন তিনি। তাতে ২০২৫ সালের মে মাসে বাংলাদেশের বোলিং কোচের দায়িত্ব নেওয়া টেইটের শেষ অ্যাসাইমেন্ট হয়ে থাকল পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা সর্বশেষ সিরিজ।

বিশ্বকাপ চলাকালীন সময় সীমিত সংস্করণ খেলতে বাংলাদেশে আসবে অস্ট্রেলিয়া। ৩টি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে দুই দল। আগামী ৯ জুন ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে সফর শুরু করবে অস্ট্রেলিয়া। বাকি দুই ম্যাচ ১১ ও ১৪ জুন। সব ম্যাচ মিরপুরে। বিপরীতে ১৭ জুন শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজ হবে চট্টগ্রামে। বাকি ম্যাচ ১৯ ও ২১ জুন।

বিশ্বকাপে পেনাল্টি শুটআউটের আদ্যোপান্ত

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে পেনাল্টি শুটআউটের আদ্যোপান্ত
১৯৯৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে রবার্তো ব্যাজিওর পেনাল্টি মিস কাঁদিয়েছিল ইতালিকে। ছবি : রয়টার্স

ক্রীড়াঙ্গনে পেনাল্টি শুটআউট মানেই চরম উত্তেজনা, বুক ধড়ফড়ানি আর শেষ মুহূর্তের স্নায়ুযুদ্ধ। ১৯৭৮ বিশ্বকাপে প্রথম টাইব্রেকার নিয়ম চালু হলেও মাঠের লড়াইয়ে এর দেখা মেলে ১৯৮২ সালে। এর পর থেকে বিশ্বমঞ্চে ফুটবলারদের ভাগ্য নির্ধারণে বড় এক নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে এই পেনাল্টি শুটআউট। 

আসন্ন মেগা আসরকে সামনে রেখে একনজরে দেখে নেওয়া যাক বিশ্বকাপের টাইব্রেকার ইতিহাসের কিছু অবিশ্বাস্য ও রোমাঞ্চকর পরিসংখ্যান—

৩৫টি শুটআউটের রোমাঞ্চকর ইতিহাস

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত মোট ৩৫টি ম্যাচ গড়িয়েছে পেনাল্টি শুটআউটে। যার সূচনা হয়েছিল ১৯৮২ সালের ৮ জুন, জার্মানি ও ফ্রান্সের মধ্যকার সেই বিখ্যাত সেমিফাইনাল দিয়ে। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা ৩-৩ গোলে ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে ৫-৪ ব্যবধানে বিদায় করে ফাইনালে উঠেছিল তৎকালীন পশ্চিম জার্মানি।

ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি শুটআউট দেখার রেকর্ডটি একদম টাটকা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৫টি ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ায়, যার মধ্যে ছিল আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের মধ্যকার মহাকাব্যিক ফাইনালটিও। এর আগে ১৯৯০, ২০০৬, ২০১৪ এবং ২০১৮ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৪টি করে ম্যাচ শুটআউটে গড়িয়েছিল। মজার ব্যাপার হলো, ১৯৭৮ সালে নিয়ম চালুর পর কেবল ওই বিশ্বকাপেই কোনো ম্যাচ টাইব্রেকারে যায়নি!

সফলতার চূড়ায় জার্মানি-ক্রোয়েশিয়া, ট্র্যাজেডির নায়ক স্পেন

বিশ্বকাপের টাইব্রেকারে সবচেয়ে ‘ভীতিকর’ এবং অপরাজেয় দুটি দল হলো জার্মানি ও ক্রোয়েশিয়া। দুই দলই এখন পর্যন্ত ৪টি করে শুটআউটে অংশ নিয়ে প্রতিটিতেই জয়ের শতভাগ রেকর্ড ধরে রেখেছে। জার্মানি তাদের চার জয় পায় ১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৯০ এবং ২০০৬ সালে। অন্যদিকে, ক্রোয়েশিয়া ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে ব্যাক-টু-ব্যাক দুটি করে শুটআউট জিতে এই এলিট ক্লাবে জায়গা করে নেয়।

সবচেয়ে বেশি ৭ বার শুটআউটের মুখোমুখি হয়ে ৬ বারই জিতে রেকর্ড গড়েছে আলবিসেলেস্তেরা। ২০০৬ সালে জার্মানির কাছে হার ছাড়া প্রতিটি টাইব্রেকারেই শেষ হাসি হেসেছে আর্জেন্টিনা।

বিপরীতে, পেনাল্টি শুটআউট মানেই স্পেনের জন্য এক দুঃস্বপ্ন। ৫ বার টাইব্রেকারের মুখোমুখি হয়ে ৪ বারই হেরেছে তারা। ২০২২ বিশ্বকাপে মরক্কোর কাছে স্প্যানিশদের ৩-০ ব্যবধানের হারটি ছিল সবচেয়ে লজ্জাজনক, যেখানে একটি শটও জালে জড়াতে পারেনি তারা। এ ছাড়া ইংল্যান্ড, ইতালি, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডস—এই চার পরাশক্তিই সর্বোচ্চ ৩টি করে শুটআউট হেরে ট্র্যাজেডির শিকার হয়েছে।

দীর্ঘতম ও সংক্ষিপ্ততম শুটআউট

বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘতম শুটআউটে শট নেওয়া হয়েছে ১২টি করে। এমনটি ঘটেছে মাত্র দুইবার—১৯৮২ সালে জার্মানি বনাম ফ্রান্স এবং ১৯৯৪ সালে সুইডেন বনাম রোমানিয়া ম্যাচে। দুই ম্যাচেই টাইব্রেকারের ফল আসে ৫-৪ ব্যবধানে।

অন্যদিকে, সবচেয়ে কম ৭টি শটেই ফয়সালা হওয়া শুটআউট রয়েছে ৩টি। ১৯৮৬ সালে মেক্সিকোর বিপক্ষে জার্মানি, ২০০৬ সালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ইউক্রেন এবং ২০২২ সালে স্পেনের বিপক্ষে মরক্কো। শেষ দুটি ম্যাচে সুইজারল্যান্ড ও স্পেন তাদের নেওয়া ৩টি শটের একটিও গোল করতে পারেনি!

গোলপোস্টের নিচে যারাই ত্রাতা

টাইব্রেকারে গোলরক্ষকদের বীরত্ব সবসময়ই আলাদা মাত্রা যোগ করে। বিশ্বকাপের এক শুটআউটে সর্বোচ্চ ৩টি পেনাল্টি সেভ করার কীর্তি আছে তিনজনের। ২০০৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পর্তুগালের রিকার্ডো প্রথম এই কীর্তি গড়েন। এরপর ২০১৮ সালে ডেনমার্কের বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়ার দানিয়েল সুবাসিচ এবং ২০২২ সালে জাপানের বিপক্ষে একই দেশের ডমিনিক লিভাকোভিচ ৩টি করে শট ঠেকিয়ে দেন।

আবার শুটআউটে একটি গোলও হজম না করার অনন্য রেকর্ড রয়েছে দুজনের। ২০০৬ সালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ইউক্রেনের ওলেক্সান্দর শভকোভস্কি এবং ২০২২ সালে স্পেনের বিপক্ষে মরক্কোর ইয়াসিন বুনু নিজেদের জাল অক্ষত রেখে দলকে জিতিয়েছিলেন।

খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত রেকর্ড

বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাত্র তিনজন ফুটবলার তিনটি ভিন্ন ভিন্ন পেনাল্টি শুটআউটে শট নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন—রবার্তো ব্যাজিও, লিওনেল মেসি এবং লুকা মদরিচ। এর মধ্যে মেসি ও মদরিচ তাদের নেওয়া ৩টি শটেই গোল করেছেন এবং দলও জিতেছে। অন্যদিকে, ১৯৯৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে ব্যাজিওর সেই বিখ্যাত পেনাল্টি মিস ইতালিকে কাঁদিয়েছিল।

এ ছাড়া ক্রোয়েশিয়ার ইভান রাকিতিচ একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি ২০১৮ বিশ্বকাপে ডেনমার্ক ও রাশিয়া—দুই ম্যাচেই দলের হয়ে জয়সূচক শেষ পেনাল্টিটি স্কোর করেছিলেন।

মনস্তাত্ত্বিক খেলা ও গোল করার কৌশল

পরিসংখ্যান বলছে, টাইব্রেকারে অষ্টম পেনাল্টি শটটি নেওয়া খেলোয়াড়দের ওপর সবচেয়ে বেশি চাপ থাকে। এই পজিশনে গোল করার হার মাত্র ৫৯.৪ শতাংশ। প্রথম তিনটি শটের ক্ষেত্রে সাফল্যের হার ৭১ শতাংশের ওপরে থাকলেও, চতুর্থ ও পঞ্চম শটে তা কমে দাঁড়ায় ৬৪ শতাংশে।

ঐতিহাসিক তথ্য বলছে, গোলপোস্টের ওপরের এক-তৃতীয়াংশ বা টপ কর্নার লক্ষ্য করে নেওয়া ৩৯টি শটের একটিও গোলরক্ষকরা ঠেকাতে পারেননি! অর্থাৎ, ওপরের দিকে নিখুঁত শট নিলে গোল হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। তবে এতে বল পোস্টের ওপর দিয়ে চলে যাওয়ার আকাশচুম্বী ঝুঁকিও থাকে, যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ ১৯৯৪ ফাইনালে ব্যাজিওর সেই হৃদয়ভঙ্গ করা শট।

কার্টুন দেখে আইপিএল মাতানো বৈভবকে নিয়ে মুগ্ধ কুক-ভন

ক্রীড়া ডেস্ক
কার্টুন দেখে আইপিএল মাতানো বৈভবকে নিয়ে মুগ্ধ কুক-ভন
বৈভব সূর্যবংশী

মাত্র ১৫ বছর বয়সেই আইপিএলে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন বৈভব সূর্যবংশী। রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে ২০২৬ মৌসুমে ৭৭৬ রান করে হয়েছেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। জিতেছেন মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার, এমার্জিং প্লেয়ার, সুপার স্ট্রাইকার এবং সুপার সিক্সেস পুরস্কারও।

তার এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর জাতীয় দলে ডাকের দাবি জোরালো হয়েছে। আর এবার বৈভবকে নিয়ে প্রশংসায় ভাসালেন ইংল্যান্ডের দুই সাবেক অধিনায়ক অ্যালিস্টার কুক ও মাইকেল ভন।

আরো পড়ুন
বিশ্বকাপের ১২ গ্রুপ নিয়ে অপ্টার ভবিষ্যদ্বাণী, কারা এগিয়ে?

বিশ্বকাপের ১২ গ্রুপ নিয়ে অপ্টার ভবিষ্যদ্বাণী, কারা এগিয়ে?

 

এক পডকাস্টে কুক বলেন, ‘ওর (বৈভব সূর্যবংশী) ব্যাটিংয়ে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, আগে থেকে কিছু ঠিক করে রাখে না। বেশিরভাগ ব্যাটার নির্দিষ্ট জায়গায় বল পেলেই বড় শট খেলে। কিন্তু বৈভবের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ভিন্ন। ৯৯ মাইল গতির বলও শেষ মুহূর্তে দেখে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ছক্কা মারতে পারে। এটাই ওকে আলাদা করে।’

অন্যদিকে মাইকেল ভন শোনালেন বৈভবকে নিয়ে একটি মজার অভিজ্ঞতা।

মুম্বাইয়ে রাজস্থান রয়্যালস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের সময় বৈভবের সঙ্গে দেখা হয়েছিল তার। তখন তরুণ ব্যাটারের কাছে ম্যাচ প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন ভন।

ভনের ভাষ্য, “আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, ম্যাচের জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নাও? সে বলল, ‘কার্টুন দেখি।’ এরপর জিজ্ঞেস করলাম, অনুশীলন করো? সে বলল, ‘না।’ কী খাও? উত্তরে বলল, ‘সবকিছু।’ তখন আমি ভাবলাম, এটাই হয়তো আধুনিক ক্রিকেটার—কার্টুন দেখে, যা ইচ্ছা খায়, তারপর মাঠে নেমে বল গ্যালারিতে পাঠায়।”

আরো পড়ুন
রুটের অমরত্বের পথে যাত্রা, লর্ডসে ১৫০তম টেস্ট

রুটের অমরত্বের পথে যাত্রা, লর্ডসে ১৫০তম টেস্ট

 

আইপিএলের প্লে-অফে দুটি ৯০ রানের ইনিংস খেলে আরও আলোচনায় আসেন বৈভব। পুরো আসরে ২৩৭.৩১ স্ট্রাইক রেটে ৭২টি ছক্কা মেরে নতুন রেকর্ডও গড়েন তিনি।

আগামীতে ভারত ‘এ’ দলের হয়ে শ্রীলঙ্কায় ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবেন বৈভব। এছাড়া আয়ারল্যান্ড সফরের জন্য ভারতীয় জাতীয় দলেও তার সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় ইয়ামাল, হালান্ড-এমবাপ্পের কত

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় ইয়ামাল, হালান্ড-এমবাপ্পের কত

বিশ্বকাপের আগে বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া গবেষণা কেন্দ্রের (সিআইইএস) স্বীকৃতি পেলেন স্প্যানিশ তারকা লামিনে ইয়ামাল। 

সিআইইএস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, লামিনে ইয়ামালের বর্তমান বাজার মূল্য ৩৪৩ মিলিয়ন ইউরো। 

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আর্লিং হালান্ডের বর্তমান বাজার মূল্য ২৫৫ মিলিয়ন ইউরো। কিছুদিন আগেও বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় হিসেবে থাকা কিলিয়ান এমবাপ্পের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ২০১ মিলিয়ন ইউরো। 

এছাড়াও এবারের বিশ্বকাপে দামি খেলোয়াড় হিসেবে বিশেষ নজর থাকবে রিয়াল তারকা যুড বেলিংহাম, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং বায়ার্ন মিউনিখের ফরাসি উইঙ্গার মাইকেল ওলিসের দিকে।

মিডফিল্ডার হিসেবে বিশেষ নজর থাকবে পিএসজির পর্তুগিজ তারকা ভিতিনিয়া ও জোয়াও নেভেসের দিকে।

উচ্ছ্বাসের মাশুল! টাচলাইন নিষেধাজ্ঞা পেলেন চেলসি কোচ | কালের কণ্ঠ