• ই-পেপার

টেস্ট ক্রিকেটের উত্তাপ ও ​​চাপে খেলোয়াড়রা কেমন, সেটাই জানছেন সিডন্স

সৌদি ডলার ফিরিয়ে তুর্কিতে ‘ইজিপশিয়ান কিং’ সালাহ

ক্রীড়া ডেস্ক
সৌদি ডলার ফিরিয়ে তুর্কিতে ‘ইজিপশিয়ান কিং’ সালাহ
ছবি : রয়টার্স

ইউরোপীয় ফুটবলে নিজের মহাকাব্যিক ক্যারিয়ারের নতুন এক অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন মোহাম্মদ সালাহ। তুর্কি পরাশক্তি বেসিকতাসের সঙ্গে ইজিপশিয়ান কিংয়ের আলোচনা এখন শেষ মুহূর্তে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী মৌসুমেই ক্লাবের ঐতিহ্যবাহী সাদা-কালো জার্সিতে মাঠ কাঁপাতে দেখা যাবে লিভারপুলের এই সাবেক ফরোয়ার্ডকে।

অ্যানফিল্ডের দুর্গ অলংকৃত করে দীর্ঘ ৯ মৌসুমের সোনালি যাত্রা শেষে সম্প্রতি লিভারপুলকে বিদায় জানিয়েছেন সালাহ। অল রেডসদের হয়ে ঘরোয়া ও মহাদেশীয় সব শিরোপা জেতার পাশাপাশি একের পর এক রেকর্ড ভেঙে অ্যানফিল্ডের সর্বকালের অন্যতম সেরা কিংবদন্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি। 

খ্যাতিমান ইতালিয়ান ট্রান্সফার সাংবাদিক নিকোলো স্কিরার বরাত দিয়ে জানা গেছে, সালাহ ও তার এজেন্টের সঙ্গে ব্যক্তিগত চুক্তির শর্তাবলীতে পুরোপুরি সম্মত হয়েছে বেসিকতাস। প্রাথমিক চুক্তির মেয়াদ হবে এক বছরের, যেখানে সালাহর পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ ইউরো। চুক্তিতে আরো এক বছর (২০২৮ সালের গ্রীষ্ম পর্যন্ত) মেয়াদ বাড়ানোর অপশন রাখা হচ্ছে। 

বেসিকতাসের ইতালিয়ান কোচ ভিনসেঞ্জো ইতালিয়ানো মূলত ক্লাবের ভবিষ্যৎ প্রজেক্ট সালাহর সামনে আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরে তাকে রাজি করাতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।

বর্তমানে ক্লাবের পরিচালনা পর্ষদ চুক্তির আনুষঙ্গিক নথিপত্র চূড়ান্ত করছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ক্লাব থেকে আসবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।

উল্লেখ্য, সালাহকে পেতে সৌদি লিগের একাধিক শীর্ষ ক্লাব পানির মতো অর্থ ঢালতে প্রস্তুত ছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যের অঢেল অর্থের মোহ ত্যাগ করে ইউরোপের শীর্ষ ফুটবলেই নিজের অবস্থান ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নেন সালাহ। আর তার সেই ইচ্ছাই শেষ পর্যন্ত তুর্কি জায়ান্ট বেসিকতাসের দিকেই পাল্লা ভারী করে দিল। 

অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে ছিটকেই গেলেন নাহিদ

ক্রীড়া ডেস্ক
অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে ছিটকেই গেলেন নাহিদ
চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন নাহিদ। ছবি : কালের কণ্ঠ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : সব জল্পনা কল্পনার পর অবশেষে অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে ছিটকে গেলেন নাহিদ রানা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মেডিকেল বিভাগ সূত্র কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছে, অন্তত ২ মাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে এই তরুণ ফাস্ট বোলারকে। সাইড স্ট্রেইনের গ্রেড টু চোট ধরা পড়েছে নাহিদের। যেখান থেকে সেরে উঠতে কমপক্ষে এক মাস সময় লাগতে পারে। এরপর পুর্নবাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে পুরোপুরি সুস্থ হতে আরও ১ মাসের বেশি সময় লাগবে ২৩ বছর বয়সী পেসারের।

নাহিদের বিস্তারিত রিপোর্ট এরমধ্যে মেডিকেল বিভাগ থেকে বিসিবির কাছে পাঠানো হয়েছে। শুধু নাহিদ নন, অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে দুশ্চিন্তা আছে আরো। চোটে পড়া অন্য দুই ক্রিকেটার লিটন দাস ও শরিফুল ইসলামও পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত নন। দুজনের ক্ষেত্রে শর্ত, পুর্নবাসন প্রক্রিয়া শেষে ফিটনেসে উতরে যাওয়া সাপেক্ষে দলে থাকতে পারেন।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে সাইড স্ট্রেইনের চোটে পড়ে বোলিং কোটা শেষ না করেই মাঠ ছেড়েছিলেন নাহিদ। এরপর খেলা হয়নি সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি। দেশে ফিরে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর তাঁর সাইড স্ট্রেইনের গ্রেড টু চোট ধরা পড়ে। আরেক পেসার শরিফুলও জিম্বাবুয়ে থেকে চোট নিয়ে দেশে ফেরেন। অন্যদিকে লিটন চোটে পড়েন ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে।

ভারতে আসতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও

ক্রীড়া ডেস্ক
ভারতে আসতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও
বিশ্বকাপে ম্যাচ জেতার পর ভিনিসিয়ুসদের উদযাপন। ছবি : রয়টার্স

ব্রাজিলের বেশ কজন কিংবদন্তিই ভারতে পা রেখেছেন। তবে কোনোবারই দল হিসেবে ভারতে আসেনি সেলেসাওরা। এবার সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। চলতি বছরের অক্টোবরে ভারতে আসতে পারে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

সেলেসাওদের আসার বিষয়টি জানিয়েছে ইএসপিএন ব্রাজিল। ‘সুপার ফিফা উইন্ডোর’ অংশ হিসেবে ভারতে আসতে পারেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র-রাফিনিয়ারা। সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় দুটি ম্যাচ খেলতে যাবে ব্রাজিল। ম্যাচটি দুটি হবে টাউনভিলে ও ব্রিসবেনে। ২৫ সেপ্টেম্বরের বিপরীতে ২৯ সেপ্টেম্বর। 

অস্ট্রেলিয়া সফর শেষেই অক্টোবরের শুরুতে ভারতে আরেকটি ম্যাচ খেলতে চায় ব্রাজিল। সেটা নিয়ে আলোচনাও নাকি চলছে। ভারতে আসলে প্রতিপক্ষ কারা হবে সেটিও এখন জানা যায়নি। আসলে ভেন্যু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা। এ ছাড়ার বাংলাদেশ, সিঙ্গাপুর ও কাতারে ম্যাচটি আয়োজনের আলোচনা থাকলেও শুধু ভারতের সঙ্গেই আলোচনা এগোচ্ছে।

 

ব্রাজিলের ভারতে আসার পেছনে পেছনে উৎসাহ জুগিয়েছে এবারের বিশ্বকাপ। সদ্য শেষ হওয়া ২০২৬ বিশ্বকাপ ঘিরে কলকাতায় দারুণ উন্মাদনা তৈরি হয়। পশ্চিমবঙ্গের বহু গলি সেজেছিল নেইমার-ভিনিসিয়ুস জুনিয়রদের গ্রাফাতি দিয়ে। এর প্রতিদানই যেন পাওয়ার অপেক্ষায় কলকাতা।

এর আগে ১৯৭৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব নিউইয়র্ক কসমসের হয়ে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে মোহনবাগানের বিপক্ষে খেলেন কিংবদন্তি পেলে। সেবার তার সঙ্গী ছিলেন কার্লোস আলবার্তোও। ৩৮ বছর পর আরেকবার ভারত সফরে এসেছিলেন পেলে। অন্যদিকে ২০২৩ সালে কলকাতা সফরে এসেছিলেন জাদুকর রোনালদিনহো।

আজ মাঠে নামছেন নেইমার, কখন কোথায় কিভাবে দেখবেন

ক্রীড়া ডেস্ক
আজ মাঠে নামছেন নেইমার, কখন কোথায় কিভাবে দেখবেন
ছবি : রয়টার্স

ব্রাসিলেইরাও সেরি এ-তে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে নেমেছে ব্রাজিলিয়ান ঐতিহ্যবাহী ক্লাব সান্তোস। অবনমনের বিভীষিকা থেকে বাঁচতে ঘরের মাঠ ভিলা বেলমিরোতে চ্যাপেকোয়েন্সের মুখোমুখি হচ্ছে দলটি। আর এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ দিয়েই বিশ্বকাপের বিরতি শেষে আবার মাঠের লড়াইয়ে ফিরছেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল পোস্টার বয় নেইমার জুনিয়র।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (২৬ জুলাই) ভোর সাড়ে ৩টায় হাইভোল্টেজ ম্যাচটিতে মাঠে নামবে দুই দল।

বিশ্বকাপের হতাশা পেছনে ফেলে আবারো পেশাদার ক্লাব ফুটবলে পুরো মনোযোগ দিয়েছেন নেইমার। দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে সম্প্রতি সান্তোসের অনুশীলনে ঘাম ঝরাতে দেখা গেছে এই ফরোয়ার্ডকে।

গত ১৮ জুলাই সিটি রেই পেলে ট্রেনিং সেন্টারে ফিরলেও প্রথম দিন কেবল জিম ও শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়েই সময় কাটে তার। তবে শুক্রবার (২৪ ২৪ জুলাই) মাঠের পুরোদমে অনুশীলনে স্বাগতিক সমর্থকদের আশ্বস্ত করেছেন তিনি। ক্লাবের বাঁচা-মরার লড়াইয়ে শুরু থেকেই তার মাঠে নামা প্রায় নিশ্চিত।

নেইমারকে ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে সান্তোসের পারফরম্যান্স ছিল একেবারেই হতাশাজনক। ১৭ মে করিন্থিয়ান্সের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পাশাপাশি বোটাফোগোর কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে চরম বিপদে পড়ে ক্লাবটি। বর্তমানে পয়েন্ট তালিকার একদম নিচের দিকে থাকায় অবনমনের শঙ্কায় ভুগছে তারা। এমন পরিস্থিতিতে দলের সেরা তারকার প্রত্যাবর্তন ডাগআউটে বড় স্বস্তি ফেরাল।

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা নেইমারের অগুনতি ভক্ত, বিশেষ করে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের নজর থাকবে এই ম্যাচের দিকে। দেশে কোনো টিভি চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার না থাকায় বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও থার্ড পার্টি স্ট্রিমিং সার্ভিসের মাধ্যমে ম্যাচটি সরাসরি দেখার সুযোগ পাবেন বাংলাদেশি দর্শকরা। 

টেস্ট ক্রিকেটের উত্তাপ ও ​​চাপে খেলোয়াড়রা কেমন, সেটাই জানছেন সিডন্স | কালের কণ্ঠ