• ই-পেপার

বিশাল লিডের পর বল হাতেও দুর্দান্ত টাইগাররা

সিরিজ জয়ের শেষটা রাঙানো হলো না বাংলাদেশের

ক্রীড়া ডেস্ক
সিরিজ জয়ের শেষটা রাঙানো হলো না বাংলাদেশের
সিরিজ জয়ের ট্রফি হাতে বাংলাদেশের মেয়েদের উচ্ছ্বাস। ছবি : মীর ফরিদ

চতুর্থ ম্যাচ জিতেই সিরিজ নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। ফলে রাজধানীর জাতীয় কাবাডি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও শেষ ম্যাচটি স্বাগতিকদের জন্য ছিল শুধুই আনুষ্ঠানিকতার। তবে এই ম্যাচ জিতে স্বান্ত্বনার জয় পেয়েছে নেপাল। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর বাংলাদেশকে ২৫-২১ পয়েন্টে হারিয়ে সিরিজের ব্যবধান কমায় তারা। তবে ৩-২ ব্যবধানে ঠিকই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে লাল-সবুজরা।  

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে সমানে সমান লড়াই হয়। প্রথমার্ধের খেলা শেষে ১২-১১ পয়েন্টে ব্যবধানে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধেও বজায় থাকে সেই উত্তাপ। এক পর্যায়ে ১৭-১৭ পয়েন্টে সমতা হয়। ম্যাচ যখন যেকোনো দিকে মোড় নিতে পারে, ঠিক তখনই দারুণ এক সুপার রেইড করে ৩ পয়েন্ট আদায় করে নেন বাংলাদেশের মেবি চাকমা। এরপর দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়ে বাংলাদেশকে অল-আউট করে ৫ পয়েন্টের ব্যবধানে চালকের আসনে বসে পড়ে নেপাল। নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশ আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি, ফলে ২৫-২১ পয়েন্টের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নেপালি মেয়েরা।  

ম্যাচ হারলেও দিনশেষে ট্রফি হাতে হাসিমুখেই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ দল। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন নেপাল দলের অধিনায়ক মেনুকা কুমারী রাজবংশী। আর পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে টুর্নামেন্টেরসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতেন বাংলাদেশের বৃষ্টি বিশ্বাস।

খেলা শেষে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাবাডি ফেডারেশনের সহসভাপতি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডিআইজি উসমান গনি, ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার, ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আনু এবং বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহাগ।

বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক তোরেসের গ্রাফিতি নষ্ট, উঠল নতুন জাতীয় দলের দাবি

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক তোরেসের গ্রাফিতি নষ্ট, উঠল নতুন জাতীয় দলের দাবি

২০২৬ ‍বিশ্বকাপে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলেই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন। দেশকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করে নায়ক বনে গেছেন তিনি। বার্সেলোনার রাস্তায় বিশাল এক গ্রাফিতি আঁকা হয়েছিল ২৬ বছর বয়সী এই তারকার। সেই গ্রাফিতি নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। স্পেনের সংবাদমাধ্যম ‘দাইরো এএস’ এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পেন বিশ্বকাপ জেতার পর বার্সেলোনার গ্রাসিয়া এলাকার রাস্তায় একটি দেওয়ালে আঁকা হয়েছিল ফেরান তোরেসের গ্রাফিতি। তোরেস ক্লাবের হয়ে খেলেন এই বার্সাতেই। আর সেখানেই নষ্ট করা হলো তাঁর আঁকা গ্রাফিতি।

এই গ্রাফিতিটি এঁকেছিলেন টিভিবয় নামের এক শিল্পী। সেখানে দেখা যাচ্ছিল, বিশ্বকাপে চুমু খাচ্ছেন তোরেস। তাঁর মাথায় একটি টুপি। তাতে লেখা, ‘স্পেনকে আবার সেরা করেছি।’

অথচ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সেই গ্রাফিতি নষ্ট করা হয়েছে। তার ওপর রং করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রং দিয়ে লেখা হয়েছে, ‘আমরা কাতালানের জাতীয় দল চাই।’

এই স্লোগান থেকে স্পষ্ট, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই কাজ করা হয়েছে। বার্সেলোনা কাতালান প্রদেশের শহর। স্পেনের অধীনে থাকলেও কাতালান প্রদেশের মানুষেরা নিজেদের স্পেনের নাগরিক মনে করেন না। বারবার তাঁরা স্লোগান তোলেন, ‘কাতালান স্পেনের অংশ নয়।’ 

এদিকে স্পেন বিশ্বকাপ জেতার পরেও সেই বিতর্ক কমল না। বরং তা আরো বেড়ে গেল।

বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্টিনাকে বাদ দিতে পিটিশন, অল্পের জন্য গিনেস বুকে জায়গা হলো না

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্টিনাকে বাদ দিতে পিটিশন, অল্পের জন্য গিনেস বুকে জায়গা হলো না
ফাইনাল হারার পর আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের কান্নার মুহূর্ত। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের ফাইনাল হারার শোক এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি আর্জেন্টিনা। তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সময়টা আরো কঠিন করে তুলেছে এক পিটিশন। বিশ্বকাপ থেকে আলবিসেলেস্তাদের বাদ দিতে অনলাইনে গণস্বাক্ষর শুরু হয়েছে।

সেই গণস্বাক্ষর রেকর্ড গড়ার পথে ছিল। কেননা এক সপ্তাহের পিটিশনে ২ কোটি ৩৩ লাখ ১৬ হাজার ১০৮ জন মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছে। অথচ, লক্ষ্য ছিল ৫০ লাখের। পিটিশনে অংশ নিয়েছে ১৭০টি দেশের মানুষ। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পিটিশনটি ‘জুবিলি ২০০০ আন্দোলনের’ দখলে। ২ কোটি ৪৩ লাখ ১৯ হাজার ১৮১ জনের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছিল।

 

পিটিশনের কারণ আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপে বেশি সুযোগ-সুবিধা দেয় ফিফা। ‘আর্জেন্টিনাকে বের করে দাও’ শিরোনামে পিটিশনে লেখা হয়, ‘বিজয়ীর নাম আগেই ঠিক করা থাকলে কেন বাকিরা প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্টিনাকে বাদ দিয়ে সবার জন্য ন্যায্যতা বজায় রাখুন।’

মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনা ১-০ ব্যবধানে হারায় দারুণ খুশি হয়েছেন পিটিশনের আয়োজকরা। তারা পিটিশন শেষ করে দিয়ে বার্তা দেয়, ‘ ফিফা আমাদের কথা কান না দিলেও স্পেন কথা রেখেছে.... ধন্যবাদ স্পেন।’

‘মেসির সাথে খেলতেই ইন্টার মিয়ামি এসেছি’

ক্রীড়া ডেস্ক
‘মেসির সাথে খেলতেই ইন্টার মিয়ামি এসেছি’
ছবি : গ্লোবাল ফুটবল

যুক্তরাষ্ট্রের মেজর সকার লিগের দল ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরো। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্লাবের সহ-মালিক সাবেক ইংলিশ ফুটবলার ডেভিড বেকহ্যাম। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর ফ্রি এজেন্ট হিসেবে এই মার্কিন ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন তিনি।

২০২৭ মেজর লিগ সকার (এমএলএস) মৌসুমের শেষ পর্যন্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক এই তারকা। তবে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত চুক্তিটি বাড়ানোর সুযোগ রাখা রয়েছে। খবর ইএসপিএন

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার হয়ে বহু বছর এল ক্লাসিকোতে মুখোমুখি লড়াইয়ের পর, অবশেষে তাকে লিওনেল মেসির সাথে একই দলে খেলতে দেখা যাবে। 

তিনি ইন্টার মায়ামির 'ডেজিগনেটেড প্লেয়ার' (ডিপি) স্লট দখল করবেন না। বর্তমানে ক্লাবের ডিপি স্লটে খেলোয়াড় হিসেবে রয়েছেন লিওনেল মেসি, রদ্রিগো দে পল এবং জার্মান বার্টারেমে।

চুক্তিটি অফিশিয়াল হলেও, এমএলএস কতৃপক্ষ বর্তমানে ইন্টার মায়ামির বিরুদ্ধে একটি ট্যাম্পারিং (নিয়মবহির্ভূত যোগাযোগ) অভিযোগের তদন্ত করছে। এলএ গ্যালাক্সি ক্লাবের কাছে ক্যাসেমিরোর ‘ডিসকভারি রাইটস’ থাকা সত্ত্বেও মায়ামি সরাসরি তার সাথে যোগাযোগ করেছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। অবশ্য দুই ক্লাব ইতিমধ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবু লিগ কর্তৃপক্ষ নিয়মভঙ্গের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। 

ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিয়ে ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা জানান, পরিবারসহ মায়ামি শহরের প্রতি ভালোবাসা এবং মূলত লিওনেল মেসির সাথে খেলার তীব্র ইচ্ছা থেকেই তিনি ইউরোপ ও সৌদি আরবের লোভনীয় প্রস্তাব ফিরিয়ে এখানে এসেছেন।

বিশাল লিডের পর বল হাতেও দুর্দান্ত টাইগাররা | কালের কণ্ঠ