• ই-পেপার

আমার হাওর অঞ্চলের মানুষকে আপনারা বাঁচান : ফজলুর রহমান

গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকছে না : শিশির মনির

অনলাইন ডেস্ক
গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকছে না : শিশির মনির
সংগৃহীত ছবি

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এর পর থেকে আলোচনা শুরু হয়েছে—তার সংসদ সদস্য পদ থাকছে কি না। এ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির বলেছেন—তার (গাজী নজরুল) সংসদ সদস্য পদ থাকছে না।

বুধবার (২২ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এমন মন্তব্য করেছেন শিশির মনির।

পোস্টে তিনি লেখেন, “সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে আছে ‘পদত্যাগ'। তিনি হয়েছেন ‘বহিষ্কার’। জামায়াত আজকেই নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দিচ্ছে। কারণ ‘নৈতিকস্খলন’। প্রশ্ন হচ্ছে, সংসদ সদস্য থাকতে পারবেন কি না? আমার মতে না।”

9696

এর আগে বুধবার বিকেলে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিকস্খলন প্রমাণিত হওয়ায় তাকে গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জামায়াত এমপির ভিডিও ইস্যুতে যা বললেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামী

অনলাইন ডেস্ক
জামায়াত এমপির ভিডিও ইস্যুতে যা বললেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামী
সংগৃহীত ছবি

সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে দেশব্যাপী চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। এরই মধ্যে ব্যক্তিগত ভিডিও বিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামী)।

বুধবার (২২ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া পোস্টে হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।  

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘দুই দিন আগেই বলেছিলাম, দায়িত্বশীল হতে হবে। দুই দিন পর আজকে ফেসবুকে ঢুকে দেখি জামায়াত এমপি গাজী নজরুল ইসলাম..... Why!!! Simply why!!’

সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য বলে জানা গেছে।

সোমবার (২০ জুলাই) রাত থেকে ভিডিওটি ভাইরাল হলে তা রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তবে এ ঘটনায় ভিডিওতে থাকা নারীকে গাজী নজরুল ইসলামের ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ বলে দাবি করেছে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াত।

জামায়াত থেকে ‘ইসলামী’ শব্দ বাদ দেওয়ার দাবি শামীমের

অনলাইন ডেস্ক
জামায়াত থেকে ‘ইসলামী’ শব্দ বাদ দেওয়ার দাবি শামীমের

সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) আলোচিত স্বতন্ত্র ভিপিপ্রার্থী শামীম হোসেন।

দলটির নাম নিয়ে প্রশ্ন তুলে শামীম বলেছেন, “এখন আমাদের দাবি হতে পারে, জামায়াতে ইসলামী দলটার নামের সঙ্গে ‘ইসলামী’ শব্দটা তুলে দিতে হবে।”

বুধবার (২২ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জামায়াতের এমন সমালোচনা করেন।

8754

পোস্টে শামীম হোসেন লেখেন, “এখন আমাদের দাবি হতে পারে, জামায়াতে ইসলামী দলটার নামের সঙ্গে ‘ইসলামী’ শব্দটা তুলে দিতে হবে।” 

তিনি আরো লেখেন, ‘বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ধর্ম অবমাননা তারা এবং তাদের নেতাকর্মীরাই করে চলেছে। আমাদের বিশ্বাস, তারা ধারাবাহিকভাবে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে চলেছে।’

এর আগে সোমবার (২০ জুলাই) রাতে এক তরুণীর সঙ্গে জামায়াতের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের একটি ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে মুহূর্তেই দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ধরা পড়ার আগে রোমান্টিক, ধরা পড়লে কয় বউ : তাহেরী

অনলাইন ডেস্ক
ধরা পড়ার আগে রোমান্টিক, ধরা পড়লে কয় বউ : তাহেরী

সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এই নিয়ে সমালোচনা করেছেন আলোচিত বক্তা মো. গিয়াস উদ্দিন ওরফে মাওলানা তাহেরী। 

তিনি বলেন, এমপি গাজী নজরুল ইসলাম নিয়ে সাতক্ষীরায় কী চলতাছে। সাতক্ষীরা মেয়ের বয়স ১৪, মেয়ের বাপের বয়স ৩৬ আর ওনার বয়স হলো ৭৪, না কত? কী হিসাব-নিকাশ। ধরা পড়ার আগে রোমান্টিক, ধরা পড়লে কয় বউ। এগুলো বিকৃত মানসিকতা। গতকাল ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর একটি ওয়াজ মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা তাহেরী বলেন, এসব ঘটনা এআই বলে চালিয়ে দেওয়া বিকৃত যৌনাচার। আবার ধরা খাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে বলে চালিয়ে দেওয়া পাক্কা মিথ্যাচার। প্রশাসনকে বলব, সঠিক তদন্ত করেন। এই মিথ্যাবাদীদের মুখোশ উন্মোচনের সুযোগ এসেছে, এই মোনাফেকদের মুখোশ উন্মোচনের সুযোগ এসেছে। এদের মুখে ইসলাম আছে; কিন্তু অন্তরে ইসলাম নাই। এদের বট বহিনী আছে, হারামকে হালার বলতে তারা বট বাহিনী লাগিয়ে দেয়। 

তিনি বলেন, এই লোকটা দেখলাম নির্বাচনের সময় সাদা পর্দা লাগাইছে। একপাশে মেয়েরা আর একপাশে উনি, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পর্দার কাছে যায় আর বলে —আপনারা ভালো করে চলবেন, পর্দা করবেন।

আমার হাওর অঞ্চলের মানুষকে আপনারা বাঁচান : ফজলুর রহমান | কালের কণ্ঠ