• ই-পেপার

আজহারির জরুরি বার্তা

প্রতি বছরই বাজেটে ১০–২০% ঘাটতি থাকে : ড. হেলাল উদ্দিন

অনলাইন ডেস্ক
প্রতি বছরই বাজেটে ১০–২০% ঘাটতি থাকে : ড. হেলাল উদ্দিন
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) অ্যাক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, গত ২০ বছরে কোনো একটি বছর নেই যেখানে আমরা বলতে পারব, সরকারের বাজেটে যে প্রত্যাশা ছিল, যা ব্যয় করবে এবং যা সংগ্রহ করবে- সেটা পূরণ হয়েছে। একটি টার্গেট থাকে, তার থেকে ১০-২০% ঘাটতি থাকে, রেভিনিউ কালেকশন বা ব্যয় করার দিক থেকে। এটা বাস্তবতা। অন্যদিকে যেহেতু একটা নির্বাচনী ইশতেহারে কিছু কমিটমেন্ট ছিল, এর একটা রিফ্লেকশন এ বাজেটের পরিকল্পনায় থাকবে।

বুধবার (৩ জুন) দৈনিক কালের কণ্ঠের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ফারুক মেহেদীর সঞ্চালনায় নিয়মিত আয়োজন ‘দ্য বিজনেস রিভিউ’ নামের বিজনেস শো-তে অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।

ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, বাস্তবায়ন কতটা হবে এবং যেই প্রতিশ্রুতি ছিল ইশতেহারে, সেগুলো ডেফিনেটলি বাস্তবায়ন করতে পারলে ভালো। সেটা হয়ত ৫ বছরের স্প্যানে চিন্তা করতে হবে যে অল্প অল্প করে আস্তে আস্তে সেদিকে যাচ্ছে কি না। যেহেতু কোন একটা মোমেন্টাম থেকে সরকারের যে যে মানুষকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেখানে চেষ্টার দিক থেকে আমরা চেষ্টা করছি, এই প্রতিশ্রুতিগুলো ছিল, এগুলোকে কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায় এবং শেষ দিকে যখন এমন আসবে যে আমরা অর্থায়নের যে চাপ এবং এই প্রতিশ্রুতির বাহিরে যে বাস্তবতা, সবকিছু মিলে কতটুক করতে পারব। আমরা প্রত্যেকটা ইন্ডিভিজুয়াল বা একটা হাউসহোল্ডের যে বাজেট তার একটা বাস্তবতা, অর্থনীতির যে ডায়নামিক সেটার একটা বাস্তবতা আছে, আর সরকারের ব্যবস্থাপনা এই বাজেট হলো সরকারের ব্যবস্থাপনা। সরকার কতটুক স্প্যান্ড করবে, এই স্প্যান্ডিংটা কীভাবে ফাইন্যান্স করবে- তার একটা প্রজেকশন। এখন এর সঙ্গে আলটিমেটলি অর্থনীতির যে ব্যবস্থাপনা, তার সঙ্গে এটা চলে আসে। যেমন সরকার যদি অর্থায়নের জন্য ব্যাংক থেকে এগ্রেসিভলি টাকা ধার করে, তাহলে ডেফিনেটলি আমাদের প্রাইভেট সেক্টরে আমার যে টাকা দরকার, যে ফান্ড দরকার, সেখানে শর্ট হবে। তাই না?

অনুষ্ঠানের আরেক অতিথি বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, সরকারের প্রথম বাজেট এটা। আমার মনে হয় বাজেটের আকারটা, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, এটা অনেক বড়। এই অনেক বড় বাজেট যখন আমরা দেখি, আমরা একটু শঙ্কিত হই, আতঙ্কিত হই। কারণ বাজেটের আকার যখন বাড়ে, রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রাটা বেড়ে যায়। আর রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রা বেড়ে গেলে তখন আমরা চিন্তা করি যে ট্যাক্স নেটের আওতার মধ্যে আমরা যে কিছু লোকজন আছি, এদের উপরেই বোধহয় খড়্গটা, চাপটা বাড়বে আরো। রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা প্রতিবারই ফেল করে এবং অন্তত ২৫-৩০% কম রাজস্ব আহরণ হয়।

তিনি বলেন, গত বছর যেটা টার্গেট দেওয়া হয়েছিল ৫ লাখ কোটি টাকার উপরে, সেটা কিন্তু হয়নি। সেখানেও প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি রাজস্ব ঘাটতি ছিল। ধরে নিলাম, ওখানে ৪ লাখ পূরণ হয়েছে। তাহলে এমন কি ম্যাজিক হয়ে গেল, এমন কি ব্যবসা-বাণিজ্য বাম্পার হয়ে গেল যে এই বছর ৩ লাখ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব কালেক্ট হবে? প্রশ্নই আসে না।

শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের প্রতি নেতাকর্মীদের ভালোবাসা কমেনি, বরং বেড়েছে : গোলাম মাওলা রনি

অনলাইন ডেস্ক
শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের প্রতি নেতাকর্মীদের ভালোবাসা কমেনি, বরং বেড়েছে : গোলাম মাওলা রনি
গোলাম মাওলা রনি। ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

সাবেক সংসদ সদস্য ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, যারা সরাসরি আওয়ামী লীগ করে, এদের মধ্যে রাগ আছে, অভিমান আছে, ক্রোধ আছে, পরস্পরের প্রতি বিক্ষোভ আছে, অন্তর্দ্বন্দ্ব আছে, কলহ আছে, বিবাদ আছে, কিন্তু দলের প্রতি আর দলের নেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তাদের যে সমর্থন বা ভালোবাসা, সেটা একটুও কমেনি, বরং আরো বেড়ে গেছে।

সম্প্রতি ফেসবুক ভিত্তিক একটি প্ল্যাটফর্মে এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি বা জামায়াত এখন ক্ষমতায় আছে। এদের মধ্যে অনেকগুলো সমস্যা তৈরি হয়ে গেছে। যেগুলো তারা যখন বিরোধীদলে ছিল তখন ছিল না। আবার এখন আওয়ামী লীগের মধ্যে যে মমতাবোধ, প্রেম-ভালোবাসা তৈরি হয়েছে এবং এখন তারা যেভাবে দলের জন্য কাজ করতে এবং বাংলাদেশে ফিরে আসতে যেভাবে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যায় যায় অবস্থা থেকে যেভাবে পকেটের টাকা খরচ করছে, সেটি দল ক্ষমতায় থাকতে তারা কখনো পারেনি।

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য আওয়ামী লীগকে বলবো এটি মাইলস্টোন, এটি হিমালয়, এটি সমুদ্র, এটি বঙ্গোপসাগর, এটি পদ্মা-মেঘনা-যমুনা। আপনি যা-ই বলেন না কেনো, আপনি যদি বাংলাদেশ ধরেন, তাহলে এদেশের কেউক্রাডং বা আপনি যদি উত্তরবঙ্গে যান, সেখান থেকে যে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়, সে কাঞ্চনজঙ্ঘা রূপ, কিংবা আপনি যদি কক্সবাজার যান তাহলে বঙ্গোপসাগরের রূপ, পদ্মা-মেঘনা-যমুনার রূপ, এগুলো ছাড়া বাংলাদেশ কল্পনা করা যায় না। একই ভাবে রাজনীতির ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ এখন এরকম একটা অবস্থায় তৈরি করে ফেলেছে, প্রায় ৭০ বছরে তাদের যে সুদীর্ঘ রাজনীতির ইতিহাস, সে ইতিহাসে তারা যে লিগ্যাসি তৈরি করে ফেলেছে, এই কারণে বাংলাদেশে যদি মিলিটিরি শাসন আসে, ডিক্টেটরশিপ আসে, একজন মুসলেনি আসে, একজন হিটলার আসে, তখন হয়তো আওয়ামী লীগের নাম সেইভাবে উচ্চারিত হবে না। কিন্তু যখন আপনি রাজনীতির কথা বলবেন, দলের কথা বলবেন, বিএনপি-এনসিপির কথা বলবেন, আওয়ামী লীগের কথা বলবেন না, কিন্তু জামায়াত, এনসিপি ও বিএনপির কথা বলবেন, তা হবে না।  এখানে আওয়ামী লীগের নাম আসবেই।’

আ. লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ : রাশেদ

অনলাইন ডেস্ক
আ. লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ : রাশেদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।

তার অভিযোগ, আওয়ামী লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ। বুধবার (৩ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ। 

কালের কণ্ঠের পাঠকের জন্য রাশেদ খাঁনের ফেসবুক পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো : 

গণঅভ্যুত্থানের পরে সমন্নয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে হান্নান মাসউদ! গণঅভ্যুত্থানের পরে হান্নান মাসউদের মিটিং শুরু হয় আওয়ামী লীগের নেতাদের দিয়ে। আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে তার অসংখ্য মিটিং হয়েছে। পল্টনের হোটেল ফার্সের কয়েকটা টেবিল যেন একপ্রকার হান্নান মাসউদের জন্য বরাদ্দ থাকত। একবার আওয়ামী লীগের এক এমপিকে ৪ কোটিতে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার আলাপ ওঠে। আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে বৈঠক শেষ করে হান্নান মাসউদ জিসানকে বলে, ভাই, ওরা ১ কোটি দিতে চায়, আপনি ৩ কোটিতে ডিল করেন। ওদের সব কাঁচা টাকা, টাকা পয়সার দরকার আছে! এ কথা শুনে একপ্রকার স্তব্ধ হয়ে যায় জিসান! হান্নান মাসউদের অনেক ঘটনার রাজসাক্ষী হাতিয়ার এই সন্তান আবদুল গাফফার জিসান। 

২৭ জুলাই থেকে রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আবদুল গফফার জিসান আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তাদের সাথে এই ছেলেটি ছিল। তিনজন সমন্বয়কের ভিডিও বা ছবি তুলতে ক্যামেরার পিছনের মানুষটিই এই আবদুল গফফার জিসান। জিসান সম্পর্কে রিফাত রশিদ ও মাহিন সরকারকে জিগ্যেস করলেও উত্তর পাবেন। জিসানের ছোট ভাই হান্নান মাসুদের বন্ধু, সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এবং শিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। আর জিসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। হান্নান মাসুদের সাথে গণঅভ্যুত্থানের পরেও বেশকিছু দিন জিসান ছিল। মূলত গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান ‘হান্নান মাসউদকে নিরাপত্তা দেওয়ার কাজেই সাথে থাকত। কিন্তু হান্নান মাসউদের টাকার প্রতি মোহ ও আকস্মিক পরিবর্তন জিসান মেনে নিতে পারেনি। যে কারণে সে আর হান্নান মাসুদের সাথে থাকেনি।

রাশেদ খানের ফেসবুক পোস্ট

নোয়াখালীর হাতিয়ার আওয়ামী লীগের এমপি মোহাম্মদ আলী যেন ছিল হান্নান মাসুদের এমপি হওয়ার পথেরকাঁটা! হান্নান মাসউদ এটা বুঝতে পেরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রভাব খাটিয়ে শুরুতেই তাকে গ্রেপ্তার করাতে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন জায়গায় মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে বক্তব্যও দিয়েছে হান্নান মাসউদ। ঘরোয়া আলাপে সে বলেছে, নোয়াখালীর যত আওয়ামী লীগ আছে, কারো সাথে আমার কোনো দ্বন্দ্ব নাই। আমার একমাত্র দ্বন্দ্ব মোহাম্মদ আলীর সাথে। এমনকি বিভিন্ন আলাপে সে লোকজনকে বোঝাতে চেয়েছে, নোয়াখালীর এমপি হতে কোয়ালিটি ও কোয়ানটিটিতে তাকে মোহাম্মদ আলীর মতো অর্থবিত্তের মালিক হতে হবে।

রূপসায় পুলিশি পাহারায় জুয়ার আসর, ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে তোপের মুখে সাংবাদিক

অনলাইন ডেস্ক
রূপসায় পুলিশি পাহারায় জুয়ার আসর, ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে তোপের মুখে সাংবাদিক
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

খুলনার রূপসা উপজেলায় পুলিশি পাহারায় জুয়ার আসর বসানোর অভিযোগ উঠেছে। এ সময় জুয়ার আসরের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে স্থানীয় জনতা ও পুলিশের তোপের মুখে পড়েন এক সাংবাদিক। মঙ্গলবার (২ জুন) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। 

ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় কিছু যুবকের ছত্রচ্ছায়ায় শিশু-কিশোররা জুয়ার আসর বসিয়েছে। এ সময় ওই সাংবাদিক ভিডিও ধারণ করতে গেলে কিছু যুবক ওই সাংবাদিকের  দিকে তেড়ে আসেন। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে ওই সাংবাদিকের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়।

ভিডিওতে আরো দেখা য়ায়, ওই সাংবাদিক পুলিশের কাছে জানেত চান, তারা এ জুয়ার আসর বন্ধ করছেন না কেন? এ সময় পুলিম তাকে ক্যামেরা বন্ধ করতে বলেন। পুলিশকে বলতে শোনা য়ায়, তাদের পক্ষে থেকে বলে দেওয়া হয়েছে। এক পর্যায়ে পুলিশক ওই সাংবাদিকের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, ‘আপনি কে? আপনাকে নিষেধ করছি না এগুলো করতে।’ পরে পুলিশ ওই সাংবাদিককে বলেন, ‘আপনার এটুকুই তো ক্ষমতা। এ ছাড়া তো আর কোনো ক্ষমতা নেই।’

ভিডিওর শেষে দেখা যায়, স্থানীয়রা ওই সাংবাদিকরে ঘিরে ধরে তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডা করছে। পরে ওই সাংবাদিককে বলতে শোনা যায়, জুয়া খেলার ভিডিও করায় স্থানীয় জনতা ও পুলিশ সবাই তার ওপর ক্ষিপ্ত।

আজহারির জরুরি বার্তা | কালের কণ্ঠ