বসুন্ধরা শুভসংঘ কেশবপুর উপজেলা শাখার আয়োজনে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত, সু-সাহিত্যিক মনোজ বসু, চলচ্চিত্র অভিনেতা ধীরাজ ভট্টাচার্য ও সাহিত্যিক মানকুমারী বসুর জীবন ও সৃষ্টির উপর সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে ৫টায় কেশবপুর প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এই আসর অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ কেশবপুর শাখার সহসভাপতি প্রবীর সরকার।
সাহিত্য আসরে চার কবি-সাহিত্যিকের জীবন ও কর্মের উপর আলাদাভাবে আলোচনা হয়। বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার প্রবর্তক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবন ও সাহিত্যের উপর আলোচনা করেন মধুসূদন গবেষক কবি খসরু পারভেজ।
কালজয়ী সাহিত্যিক মনোজ বসুর জীবন ও সৃষ্টির উপর আলোচনা করেন আবু শরাফ সাদেক কারিগরি কলেজের সহকারী অধ্যাপক কানাইলাল ভট্টাচার্য।
সাহিত্যিক মানকুমারী বসুর জীবন ও সাহিত্য নিয়ে আলোচনা করেন বাংলাদেশ সাহিত্য সেবা সংসদ-এর সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসাইন।
প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা ধীরাজ ভট্টাচার্যের জীবন ও কর্মের উপর আলোচনা করেন লেখক, প্রাবন্ধিক ও জামিরা কলেজের সহকারী অধ্যাপক তাপস মজুমদার।
পাঁজিয়া সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংসদের সহসম্পাদক মানব মণ্ডলের সঞ্চালনায় সাহিত্য আসরের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বসুন্ধরা শুভসংঘ কেশবপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ অসীম ঘোষ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেশবপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, কেশবপুরের চার প্রধান কবিকে নিয়ে শুভসংঘের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়।
সাহিত্য আসরে কেশবপুর নাগরিক সমাজের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল, প্রধান শিক্ষক নিখিল দাস, প্রভাষক রেজাউল ইসলাম, শিক্ষক আব্দুল খালেক, পাঁজিয়া সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংসদের সহসভাপতি সমীর দাস, সুব্রত বসু, শুভসংঘ কেশবপুর শাখার নারী বিষয়ক সম্পাদক হাসিনা খাতুন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহীদা সুলতানা, ক্রীড়া সম্পাদক শওকত আলী, সাংবাদিক শাহীনুর রহমান, মাসুম বিল্লাহ, কামরুজ্জামান রাজু, তাইফুর রহমানসহ স্থানীয় বহু কবি সাহিত্যিক এবং বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা আরো উপস্থিত ছিলেন।
আসরে উপস্থিত পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসমিয়া খাতুন বলে, জীবনে প্রথম কবি সাহিত্যিকদের আলোচনা শুনলাম। আমার খুব ভালো লেগেছে।










