• ই-পেপার

ধামরাইয়ে দুই অসহায় নারীকে খাদ্যসামগ্রী দিল বসুন্ধরা শুভসংঘ

বারহাট্টায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন

আজিজুল হক ফারুক, বারহাট্টা  (নেত্রকোনা)
বারহাট্টায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে সেলাই প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে ২০ জন বিধবা, অসচ্ছল, দরিদ্র নারী ও শিক্ষার্থী অংশ নেন। সেলাই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তিন মাসব্যাপী চলবে। দক্ষ প্রশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফাতেমা আক্তার।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে বারহাট্টা সদরের বারহাট্টা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়  প্রাঙ্গণে প্রশিক্ষণার্থী ও বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যদের অংশগ্রহণে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বসুন্ধরা শুভসংঘের সভাপতি আজিজুল হক ফারুকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান হীরার সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি শামসুদ্দিন আহমেদ বাবুল, বসুন্ধরা শুভসংঘের উপদেষ্টা ও বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ বাবুল, উপদেষ্টা ও বারহাট্টা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল খায়ের আকন্দ টিটু, উপজেলা শুভসংঘের সহ-সভাপতি সাংবাদিক লতিবুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ সাংবাদিক রিপন গুণসহ প্রমুখ।

প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া এক অসচ্ছল নারী জানান, পঙ্গু স্বামীসহ সন্তান নিয়ে খুব কষ্টে জীবনযাপন করতে করছি। বসুন্ধরা শুভসংঘের মাধ্যমে সেলাই প্রশিক্ষণ শেষে সেলাই মেশিন পেলে কাজ করে সংসারের খরচ চালাতে পারব।

তিনি বলেন, তার জীবন অনেক কষ্টে চলছে, তবে এই সুযোগ পেয়ে তিনি নিজেকে সচ্ছলতার পথে এগিয়ে নিতে পারবেন।

প্রেসক্লাব সভাপতি শামসুদ্দিন আহমেদ বাবুল প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করে বলেন, ‘বসুন্ধরা শুভসংঘের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে দরিদ্র নারী ও শিক্ষার্থীদের সচ্ছলতায় ফিরিয়ে আনতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

উপদেষ্টা ফেরদৌস আহমদ বাবুল বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ উদ্যোক্তা গড়ে তুলতে, অসচ্ছল নারীদের সচ্ছলতায় আনতে এবং দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ জোগাতে কাজ করে যাচ্ছে। সেলাই প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন প্রদান কার্যক্রম এ ক্ষেত্রে একটি বড় সহায়ক।

উপদেষ্টা আবুল খায়ের আকন্দ টিটু বলেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অসহায় ও অসচ্ছল নারীরা উদ্যোক্তা তৈরি হবে। বসুন্ধরা শুভসংঘ সব সময় মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে।

বসুন্ধরা শুভসংঘের সভাপতি আজিজুল হক ফারুক বলেন, ‘শুভ কাজে সবার পাশে' - বসুন্ধরা শুভসংঘের এই স্লোগানই বলে দেয় সমাজের মানুষের জন্য সংগঠন  কতটা গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ঢাবিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের মৌসুমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
ঢাবিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের মৌসুমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত
ছবি: কালের কণ্ঠ

দেশীয় মৌসুমী ফলের বৈচিত্র্য তুলে ধরা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং বাঙালির খাদ্য-সংস্কৃতির সঙ্গে তরুণদের পরিচয় আরো দৃঢ় করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মৌসুমী ফল উৎসবের আয়োজন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন করে বসুন্ধরা শুভসংঘ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

উৎসবে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, লটকন, আনারস, পেয়ারা, কলা, ড্রাগনসহ মৌসুমের বিভিন্ন দেশীয় ফল প্রদর্শন ও পরিবেশন করা হয়। শিক্ষার্থীরা ফলের স্বাদ গ্রহণের পাশাপাশি ছবি তোলা, আড্ডা এবং ফলের পুষ্টিগুণ নিয়ে আলোচনা করেন। এতে উৎসব প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, ব্যস্ত নগরজীবনে একসঙ্গে এত দেশীয় ফলের স্বাদ নেওয়ার সুযোগ খুব কমই মেলে। তাই এ আয়োজন তাদের কাছে আনন্দের পাশাপাশি শৈশবের স্মৃতিও ফিরিয়ে এনেছে।

আয়োজকদের ভাষ্য, বর্তমানে তরুণদের খাদ্যাভ্যাসে দেশীয় ফলের পরিবর্তে প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। অথচ দেশীয় মৌসুমী ফল পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতেই এ আয়োজন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আব্দুল মমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রতীক্ষা রানী, সিনিয়র সহসভাপতি উসয়াতুল হাসানা হাসি, সহসভাপতি প্রিয়া আক্তার, আজিজুর হাকিম ও শারমিন আক্তার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হানিফ আলী, শাকিল মিয়া, কেন্টন চাকমা ও সাইফুল ইসলাম, সহসম্পাদক সামিয়া তাসনিম ও রওশন ইসলাম, হল প্রতিনিধি ফরহাদ আহমেদ ও জুয়েল রানা এবং সংগঠনের সদস্যসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আব্দুল মমিন বলেন, দেশীয় ফল শুধু আমাদের খাদ্যের অংশ নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরও গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। তরুণদের মধ্যে দেশীয় ফলের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং বাঙালির সংস্কৃতিবোধকে আরও সমৃদ্ধ করাই আমাদের উদ্দেশ্য। আমরা প্রতি বছর এই আয়োজন করি। ভবিষ্যতে আরো বড় পরিসরে সবার জন্য উন্মুক্তভাবে এ উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

আয়োজকদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ দেশীয় ফলের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা এবং বাঙালির ঐতিহ্য সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

লালমনিরহাটে বসুন্ধরা শুভসঘের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন

মো. নাঈম রহমান, লালমনিরহাট
লালমনিরহাটে বসুন্ধরা শুভসঘের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন
সংগৃহীত ছবি

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মশাবাহিত রোগ সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট জেলা শাখার উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের মকড়া ঢটগাছ এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক লিফলেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবকেরা বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমতে না দেওয়া, ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা ও অন্যান্য পাত্রে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এ ছাড়া ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট জেলা শাখার উপদেষ্টা মো. এন্তাজুর রহমান, জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈম রহমান, প্রচার সম্পাদক মাহাবুব রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক চাঁন মিয়া, সদস্য আমির হামজা, মোঃ নাহিদ আলম রাব্বি, সুমাইয়া আক্তার, রাকিব হাসান, তাসিন শাহরিয়ার রিয়াদ, রেবেকা খাতুন, দীপা রানী এবং সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সজিবসহ জেলা ও উপজেলা শাখার অন্যান্য সদস্যরা।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। ব্যক্তিগত ও সামাজিকভাবে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। ভবিষ্যতেও বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট জেলা শাখা জনস্বার্থে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে তারা জানান।

সুনামগঞ্জে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ

বিশ্বম্ভরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ
ছবি : কালের কণ্ঠ

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের পক্ষ থেকে পরিবেশবান্ধব ফলদ, ঔষধিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের চিনাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় বসুন্ধরা শুভসংঘ বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা শাখার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, চিনাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ বি এম শহিদুল ইসলাম আকিক, চিনাকান্দি বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক বাচ্চু, বসুন্ধরা শুভসংঘ উপজেলা শাখার সহসভাপতি সুস্মিতা হাজং, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, রিজিলা হাজং, শাপলা হাজং, সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আহমেদ সাজু, দপ্তর সম্পাদক সুমন মিয়া, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মোবারক হোসেন,কর্ম ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক সংজ্ঞিতা দেবী, ইভেন্ট সম্পাদক সবিতা দেবী, সদস্য রস্মিতা হাজং ও অন্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পঞ্চম শ্রেণি শিক্ষার্থী সিদরাতুল মুনতাহা সৌমিন বলে, ‘গাছ আমাদের বন্ধু। বসুন্ধরা শুভসংঘ ও বসুন্ধরা টিস্যুর পক্ষ থেকে সেই বন্ধুকেই আমাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। গাছের চারা পেয়ে আমরা আনন্দিত। সব শিশুই অনেক খুশি হয়েছে। গাছগুলো আমাদের বাড়িতে লাগাব এবং যত্ন করে বড় করব। বসুন্ধরা শুভসংঘকে অনেক ধন্যবাদ জানাই।’

এ বিষয়ে চিনাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহীদুল ইসলাম আকিক বলেন, ‘আমার স্কুলের শিশু শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছ বিতরণ করায় বসুন্ধরা শুভসংঘকে ধন্যবাদ জানাই। আশা করছি, তারা এই ধারাবাহিক ধরে রাখবে এবং উপজেলার প্রতিটি স্কুলেই গাছ বিতরণ করবে।’

চিনাকান্দি বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক বাচ্চু জানান, প্রকৃতি পরিবেশ প্রতিবেশ জীববৈচিত্র্য রক্ষা গাছ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। যে হারে গাছ কাটা হচ্ছে সে তুলনায় গাছ লাগানো হচ্ছে না। গাছ লাগানোর জন্য নতুন প্রজন্মের শিশুরকে বেছে নিয়ে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য শুভসংঘকে ধন্যবাদ জানাই।

ধামরাইয়ে দুই অসহায় নারীকে খাদ্যসামগ্রী দিল বসুন্ধরা শুভসংঘ | কালের কণ্ঠ