• ই-পেপার

সিটি করপোরেশনের তালিকায় যুক্ত হচ্ছে কক্সবাজার

পাঁচ দফা দাবিতে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুল্যান্স ধর্মঘটের ডাক

নিজস্ব প্রতিবেদক
পাঁচ দফা দাবিতে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুল্যান্স ধর্মঘটের ডাক
ছবি: কালের কণ্ঠ

পাঁচ দফা দাবিতে বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য বেসরকারি অ্যাম্বুল্যান্স চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ‘বাংলাদেশ অ্যাম্বুল্যান্স মালিক কল্যাণ সমিতি’। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ ‍জুলাই) সংগঠনটির সভাপতি ওমর ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক বাদল মাদবর এক যৌথ বিজ্ঞপ্তিতে এবং গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বাদল মাদবর (সরদার) বলেন, ‘বুধবার সকাল ৬টা থেকে দেশের কোথাও কোনো বেসরকারি অ্যাম্বুল্যান্স চলবে না। দীর্ঘদিন ধরে আমরা আমাদের ন্যায্য দাবিগুলো জানিয়ে আসছি, কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি। আমাদের পাঁচ দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই ধর্মঘট চলমান থাকবে।’

অ্যাম্বুল্যান্স মালিক কল্যাণ সমিতির ৫ দফা দাবিগুলো হলো—

১. অ্যাম্বুল্যান্স-সংক্রান্ত বাণিজ্যিক নীতিমালা দ্রুত বাস্তবায়ন করা।

২. দেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা।

৩. হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী অ্যাম্বুল্যান্সের কাছ থেকে টোল আদায় বন্ধ করা (টোল ফ্রি বাস্তবায়ন)।

৪. লাশবাহী ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বুল্যান্সের ওপর থেকে সব ধরনের টোল সম্পূর্ণ মওকুফ করা।

৫. রোগী বহনকারী অ্যাম্বুল্যান্সে ২৪ ঘণ্টা জ্বালানি সরবরাহের নিরবচ্ছিন্ন ব্যবস্থা করা।

তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনালাপ নিয়ে জানালেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনালাপ নিয়ে জানালেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার করার লক্ষ্যে জ্বালানি ও বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইবরাহিম।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুই নেতার মধ্যে অনুষ্ঠিত টেলিফোন আলাপে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পরে অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর অফিস এ তথ্য জানায়। আলাপে বাংলাদেশের চলমান গ্যাস সরবরাহ সংকটের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

এ সংকট মোকাবেলায় মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশেষ করে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান পেট্রোনাসের মাধ্যমে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে সহযোগিতার অনুরোধ জানান তিনি।

এ ছাড়া দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়। বৈঠকে মালয়েশিয়ার এক্সিটা গ্রুপ বারহাডের বিনিয়োগ কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং কৌশলগত অংশীদারির সম্ভাবনা নিয়ে কথা হয়। পাশাপাশি এমএমসি করপোরেশন বারহাডের সঙ্গে বন্দর ও অবকাঠামো খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা করেন দুই নেতা।

মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা আরো শক্তিশালী করতে দেশটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পারস্পরিক সম্মান, বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করার লক্ষ্যেই এ সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া হবে।

দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারি আগামী দিনে আরো সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশকে টনপ্রতি ১০ ডলার কমে ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশকে টনপ্রতি ১০ ডলার কমে ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া

বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যান্য বাজারের তুলনায় প্রতি মেট্রিক টনে ১০ মার্কিন ডলার কম দামে ইউরিয়া সার সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। সেইসঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে সহযোগিতা আরো বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটি।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ভিয়াচেস্লাভ সেন্টিউরিনের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অংশীদারি, খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি সহযোগিতা, সার সরবরাহ এবং সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত গম ও মিউরিয়েট অব পটাশ (এমওপি) সার সরবরাহে রাশিয়ার সহযোগিতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের একটি বিশ্বস্ত বন্ধু। আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রাশিয়ার প্রতিনিধিদল জানায়, জেএসসি এফইসি প্রোডিনটর্গের মাধ্যমে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) কাছে সরকার-টু-সরকার ভিত্তিতে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার সরবরাহে তারা আগ্রহী।

প্রতিনিধিদল আরো জানায়, বাংলাদেশ বর্তমানে যেসব দেশ থেকে ইউরিয়া সার আমদানি করে, তার তুলনায় প্রতি মেট্রিক টনে ১০ মার্কিন ডলার কম দামে সার সরবরাহের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে নির্ভরযোগ্য সার সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি আমদানি ব্যয়ও কমবে বলে তারা আশা প্রকাশ করে।

বৈঠকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এবং রাশিয়ার জেএসসি এফইসি প্রোডিনটর্গের মধ্যে বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বাংলাদেশে সূর্যমুখী তেল, হলুদ, মটরশুঁটি, ছোলা, লাল মসুর ডাল ও সবুজ মসুর ডালসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য সরবরাহে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও বাজার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেওয়া হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী রাশিয়ার বাণিজ্য সম্প্রসারণের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, পারস্পরিক স্বার্থ ও সুবিধার ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরো জোরদার করা হবে।

বৈঠকে উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরো শক্তিশালী করতে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হয়।

জিটুজির আওতায় নির্মিত হবে কুতুবজোম ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
জিটুজির আওতায় নির্মিত হবে কুতুবজোম ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল

সরকার-টু-সরকার (জিটুজি)-এর আওতায় কক্সবাজারের মহেশখালীতে কুতুবজোম ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ও রি-গ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) স্থাপন করবে সরকার।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ‘অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’র বৈঠকে এসংক্রান্ত একটি প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কক্সবাজারের মহেশখালীতে কুতুবজোম ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ও রি-গ্যাসিফিকেশন ইউনিট স্থাপনের লক্ষ্যে ‘চায়না ন্যাশনাল এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড’ (সিএনইই)-এর দাখিল করা প্রস্তাবটি জি-টু-জি পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াকরণ করা হবে।

এ ছাড়া বৈঠকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর সময়ের জন্য ‘বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন’ (বিপিসি) কর্তৃক আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে দরপত্র প্রস্তুত ও দাখিলের সময়সীমা ৪২ দিনের পরিবর্তে কমিয়ে ২১ দিন নির্ধারণের একটি প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।