• ই-পেপার

বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে কাজ করছে সরকার : ত্রাণমন্ত্রী

বাসস
বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে কাজ করছে সরকার : ত্রাণমন্ত্রী
চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সম্মেলনকক্ষে অতিবৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি অঞ্চলে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা মোকাবেলায় সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করেছে। উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি এখন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন, কৃষি পুনরুদ্ধার এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সম্মেলনকক্ষে চট্টগ্রামে অতিবৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনাসভায় বক্তব্যে এসব কথা বলেন ত্রাণমন্ত্রী।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে এক দিনে প্রায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হওয়াটা একটি অস্বাভাবিক ঘটনা। এ কারণে আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি হয়ে জনজীবন, কৃষি ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দুর্যোগকালীন সময়ে প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী, সেনাবাহিনী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং স্বেচ্ছাসেবকদের আন্তরিক ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী জানান, বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় কৃষি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন করে উঁচু স্থানে বীজতলা তৈরির ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যেন আসন্ন মৌসুমে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত না হয়।

মন্ত্রী আরো বলেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ, বিশুদ্ধ পানি, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, ডায়রিয়া ও অন্যান্য পানিবাহিত রোগ মোকাবেলার চিকিৎসাসামগ্রী প্রস্তুত রেখেছে। স্থানীয় প্রশাসনকে স্বাস্থ্যসেবার প্রস্তুতির বিষয়ে নিয়মিত তথ্য দেওয়ারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকার তিন ধাপে কাজ করে- দুর্যোগের আগে আগাম সতর্কতা, দুর্যোগ চলাকালে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম এবং দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

তিনি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করে প্রয়োজনীয় পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় জনগণকে সচেতন ও সহযোগিতাপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন–চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সভাপতি জাহিদুল করিম কচি।

জুলাইয়ের প্রত্যেকটি হত্যার বিচার করা হবে : চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক
জুলাইয়ের প্রত্যেকটি হত্যার বিচার করা হবে : চিফ প্রসিকিউটর
ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, জুলাইয়ের প্রত্যেকটি হত্যার বিচার করা হবে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাষ্ট্রযন্ত্রের যারাই জড়িত থাকুক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

বুধবার সকালে রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থান পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী জুলাই আন্দোলনে ১৪০০ জন শহীদ হয়েছেন। এর মধ্যে ৮৬৫ জনের ডিএন শনাক্ত করা হয়েছে। বাকিগুলোর কাজ চলমান রয়েছে বলেও জানান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে অনেক শহীদের লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করবে সরকার। গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত ও অপরাধীদের শনাক্তকরণে কাজ করছে সরকার।

প্রযুক্তির অপব্যবহার রুখতে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রযুক্তির অপব্যবহার রুখতে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও প্রযুক্তির অপব্যবহার রুখতে এবং মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে নতুন আইন (মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬) অত্যন্ত কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, অপরাধী চক্রের প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল কৌশলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকেও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হয়েছে।

বুধবার সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত ‘মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ বিষয়ক জাতীয় অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান মোকাবেলায় আধুনিক আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে বাংলাদেশের অঙ্গীকার আরো জোরদার করার লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন–পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন এবং বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ।

মন্ত্রী তার বক্তব্যে শক্তিশালী আইন, কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে বাংলাদেশ সরকারের দৃঢ় ও অবিচল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, সদ্য প্রণীত ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ এসব গুরুতর আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবেলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

তিনি আরো বলেন, নতুন আইনটির সফল বাস্তবায়নের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ, উন্নয়ন সহযোগী এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অপরিহার্য।

মন্ত্রী আরো বলেন, নতুন আইনটি মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে পৃথক অপরাধ হিসেবে সুস্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে; অভিবাসী চোরাচালানকে অপরাধ হিসেবে দমন ও বিচারের জন্য একটি সমন্বিত আইনগত কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেছে; তদন্ত ও বিচার পরিচালনার ক্ষমতা জোরদার করেছে; ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা আরো শক্তিশালী করেছে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগ সম্প্রসারিত করেছে। একই সঙ্গে আইনটিতে ভুক্তভোগীদের শাস্তি না দেওয়ার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতি সমুন্নত রাখা হয়েছে, যেন ফৌজদারি বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে তাদের মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

জাতীয় পর্যায়ের এই অবহিতকরণ অনুষ্ঠানটি আইন বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নতুন আইন সম্পর্কে একটি অভিন্ন ও সুস্পষ্ট ধারণা তৈরির গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করে। এতে অংশগ্রহণকারীরা আইনটির মূল বিধান ও বাস্তবায়ন কাঠামো নিয়ে মতবিনিময় করেন। তদন্ত থেকে বিচার নিষ্পত্তি পর্যন্ত ফৌজদারি বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে সমন্বয় জোরদার করাসহ আইনটির কার্যকর প্রয়োগের অগ্রাধিকারগুলোও আলোচনায় উঠে আসে।

মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান আন্তঃদেশীয় সংঘবদ্ধ অপরাধের অন্যতম গুরুতর রূপ। এসব অপরাধ ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে শোষণ করে, আইনের শাসনকে দুর্বল করে এবং জাতীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করে। অংশগ্রহণকারীরা এসব অপরাধ প্রতিরোধ, ভুক্তভোগী ও বেঁচে ফেরা ব্যক্তিদের সুরক্ষা, সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র ভেঙে দেওয়া এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে ধারাবাহিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম নতুন আইন প্রণয়নের প্রেক্ষাপট, যৌক্তিকতা এবং প্রধান বিধানসমূহ উপস্থাপন করেন। এরপর আইন বাস্তবায়নের অগ্রাধিকার এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। 

এই আয়োজন মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে বাংলাদেশের চলমান প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দৃঢ় নেতৃত্ব ও সমন্বয়মূলক ভূমিকার প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), বিচার বিভাগ, প্রসিকিউশন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি দপ্তর, কূটনৈতিক মিশন, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা এবং নাগরিক সমাজের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

কার্যবণ্টন বিধিমালা সংশোধনে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নির্দেশ

বাসস
কার্যবণ্টন বিধিমালা সংশোধনে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নির্দেশ

সরকারি কাজের দায়িত্ব বণ্টন ও আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় আরো কার্যকর করতে কার্যবণ্টন বিধিমালা, ১৯৯৬-এর তৃতীয় তফসিল (কার্যবণ্টন) সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিধি অধিশাখার উপসচিব শারমিন ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, কার্যবণ্টন বিধিমালা, ১৯৯৬-এর ৩ নম্বর বিধি অনুযায়ী প্রতিটি মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর দায়িত্ব ও কার্যাবলি নির্ধারিত রয়েছে।

একই সঙ্গে বিধিমালার দ্বিতীয় তফসিলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সরকারি কার্যাবলির দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।

এতে আরো বলা হয়, কোনো বিষয়ে দায়িত্ব নির্ধারণ নিয়ে মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মধ্যে মতপার্থক্য বা সমন্বয়ের প্রয়োজন হলে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দপ্তরে পাঠাতে হবে।

পাশাপাশি, ১০ নম্বর বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ক্ষমতা অর্পণ এবং ১১ নম্বর বিধি অনুযায়ী বিধিমালা সংশোধনের প্রয়োজন হলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

পরিপত্রে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নিজ নিজ দায়িত্ব ও কার্যাবলি পর্যালোচনা করে তৃতীয় তফসিল (কার্যবণ্টন) হালনাগাদের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যমান ও প্রস্তাবিত কার্যবণ্টনের একটি তুলনামূলক বিবরণী প্রস্তুতেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর জারি করা এ-সংক্রান্ত পূর্ববর্তী পরিপত্রের আলোকে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

নির্দেশনাটি সকল সিনিয়র সচিব, সচিব ও ভারপ্রাপ্ত সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।