• ই-পেপার

সম্ভাবনাময় স্টার্টআপেরা পাবেন ৫০০ কোটি টাকা : প্রধানমন্ত্রী

দেশে বসেছে সাড়ে ৮৭ লাখ প্রিপেইড মিটার

বাসস
দেশে বসেছে সাড়ে ৮৭ লাখ প্রিপেইড মিটার

চলতি বছরের জুন পর্যন্ত দেশে ৮৭ লাখ ৫০ হাজার প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার স্থাপন করা হয়েছে। বা গ্রাহকদের জন্যও মিটার স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, ‘কারিগরি বহির্ভূত সিস্টেম লস কমানো এবং রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সব গ্রাহককে স্মার্ট প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।’

তিনি বলেন, ১০ থেকে ১৫ শতাংশ গ্রাহককে হয়ত স্মার্ট প্রিপেইড মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় আনা সম্ভব হবে না। তবে সর্বোচ্চ সংখ্যক গ্রাহককে এ ব্যবস্থার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। 

এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, দেশের ৫ কোটিরও বেশি বিদ্যুৎ গ্রাহককে ধাপে ধাপে স্মার্ট প্রিপেইড মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় আনতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় একটি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করছে।


তিনি বলেন, মিটারে কারসাজি, অবৈধ সংযোগ এবং অন্যান্য অনিয়মের কারণে গ্রাহক পর্যায়ে ৫ থেকে ৭ শতাংশ কারিগরি বহির্ভূত বিদ্যুৎ অপচয় হয়। প্রিপেইড মিটার বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বিউবোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা পর্যায়ক্রমে স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপন করছে। জুন পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৮৭ লাখ ৫০ হাজার ৮২৩টি প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে।

পাওয়ার সেলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রতি গ্রাহক গড়ে ৬৬১ কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন। এছাড়া ২০২৬ সালের ১৩ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩৩ হাজার ৯২ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। চলতি বছরের ২০ মে সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ২০১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়।

বিউবো পরিচালক মো. শামীম হাসান বলেন, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিপিডিবি ৩৫ লাখ ৩৭ হাজার ১২৬টি স্মার্ট ও প্রচলিত একক ও তিনফেজ প্রিপেইড মিটার স্থাপন করেছে। বাকি প্রিপেইড মিটার স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

বিউবোর তথ্য অনুযায়ী, জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) ১৮ লাখ, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) ১০ লাখ ৭৯ হাজার ১৮৪, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) ৯ লাখ ১৬ হাজার ৯১০, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) ৯ লাখ ১২ হাজার ২৩৩ এবং নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো) ৯ লাখ ৩৯ হাজার ৩০৩টি প্রিপেইড মিটার স্থাপন করেছে।

বিউবো চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও খুলনা অঞ্চলের প্রায় ৪৪ লাখ ৪৯ হাজার খুচরা গ্রাহককে সরাসরি বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

ডিপিডিসি ঢাকা সিটি করপোরেশন ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ১৯ দশমিক ৯ লাখ গ্রাহককে এবং বিআরইবি সারাদেশে প্রায় ৩ কোটি ৩ লাখ থেকে ৩ কোটি ৬২ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সেবা দিচ্ছে।

ডেসকো প্রায় ১২ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। এর বিতরণ নেটওয়ার্ক মূলত ঢাকা মহানগরের উত্তরাংশ, গাজীপুরের টঙ্গী এবং পূর্বাচল মডেল টাউন এলাকাজুড়ে বিস্তৃত।

রাষ্ট্রায়ত্ত নেসকো রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলায় আবাসিক, কৃষি ও বাণিজ্যিক খাতের প্রায় ২০ লাখ ১১ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

ওজোপাডিকো খুলনা ও বরিশাল বিভাগ এবং বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের প্রায় ১০ লাখ ৬৮ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

বিউবোর তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো ২০২২ সালে ৮ লাখ ৫০ হাজার স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপনের একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। এর আগে ২০১৮ সালে স্মার্ট মিটারিং ব্যবস্থা চালু এবং যন্ত্রের মাধ্যমে প্রিপেইড মিটার রিচার্জ (ভেন্ডিং) ব্যবস্থা শুরু করা হয়।

স্মার্ট প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থায় বিল পরিশোধ, সংযোগ বিচ্ছিন্ন বা পুনঃসংযোগের ঝামেলা থাকে না। এতে কোনো ন্যূনতম চার্জ বা জামানত দিতে হয় না এবং বিতর্কিত বিলেরও অবকাশ থাকে না।

এছাড়া স্মার্ট প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীরা প্রচলিত বিদ্যুৎ বিলের হারের ওপর ২ শতাংশ মূল্যছাড় পান। অফ-পিক সময় ও সরকারি ছুটির দিনে ব্যালেন্স কমে গেলে বা ঋণাত্মক হলে আগাম সতর্কবার্তাও পাওয়া যায়।

এ ব্যবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে ঋণ সুবিধা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে এবং অস্বাভাবিক ভোল্টেজ ওঠানামা প্রতিরোধেও এটি সহায়ক। পাশাপাশি এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করে।

বিউবোর তথ্য অনুযায়ী, মিটারে কারসাজি, অবৈধ সংযোগ এবং অন্যান্য অনিয়মের কারণে গ্রাহক পর্যায়ে ৫ থেকে ৭ শতাংশ কারিগরি বহির্ভূত ক্ষতি হয়। প্রিপেইড মিটার বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে কার্যকর অবদান রাখতে পারে।

দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ৫ জেলায় ঝড়ের আভাস

অনলাইন ডেস্ক
দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ৫ জেলায় ঝড়ের আভাস

ঢাকাসহ দেশের পাঁচটি জেলায় দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

বুধবার (১৫ জুলাই) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। 

এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

থামছেই না হামে মৃত্যু

চার মাসে ঝরেছে ৭৬৬ শিশুর প্রাণ ভুল পরিকল্পনাকে দায়ী করছেন স্বাস্থ্যবিদরা

অনলাইন ডেস্ক
থামছেই না হামে মৃত্যু

চার মাস পার হলেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি হাম। এই চার মাসেই হাম ও এর উপসর্গ কেড়ে নিয়েছে ৭৬৬ শিশুর প্রাণ। সরকার দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে টিকা ক্যাম্পেইন চালালেও থামানো যাচ্ছে না সংক্রামক এই ব্যাধিকে। হাম প্রতিরোধে লক্ষ্যমাত্রার বেশি শিশুকে টিকা দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। কিন্তু টিকা ক্যাম্পেইনের হিসাবে অনেক শিশু বাদ পড়ায় হাম প্রতিরোধ হচ্ছে না বলে দায়ী করছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা। এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘হামে ৯৫ ভাগ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। প্রায় ৪০ লাখ শিশুকে টিকার হিসাবে ধরা হয়নি। তাহলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে কীভাবে? সাধারণত লক্ষ্যমাত্রা সঠিকভাবে নির্ধারণ করে টিকা দিলে ১৫-২০ দিনে সংক্রামক রোগ হাম নিয়ন্ত্রণে আসার কথা। কিন্তু এখনো হামে শিশুর মৃত্যু ঘটছে, আক্রান্ত হচ্ছে। এটা হতাশাজনক। জাতীয় কর্মসূচিতে ভুল লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করায় এত শিশুর মৃত্যু ঘটল।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় (গত সোমবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা) হামের উপসর্গে ছয় শিশু এবং হামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে শুরু হয়েছে হামের সংক্রমণ। এই চার মাসে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৭৯ শিশু, মারা গেছে ৭৬৬ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গত ১৩ জুলাই এর তথ্য অনুযায়ী, দেশব্যাপী চলমান হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে এ পর্যন্ত ১ কোটি ৮৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩৮৩ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ক্যাম্পেইনে মোট ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। সে হিসাবে জাতীয়ভাবে টিকাদানের কভারেজ দাঁড়িয়েছে ১০৩ শতাংশ।

প্রায় সব বিভাগেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ বা অতিক্রম করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি কভারেজ অর্জন করেছে চট্টগ্রাম বিভাগ। যেখানে ৪২ লাখ ৯৬ হাজার ২১৮ জনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে টিকা পেয়েছে ৪৪ লাখ ৫২ হাজার ৯৯২ জন, যা ১০৪ শতাংশ। ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে কভারেজ হয়েছে ১০৩ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ১০২ শতাংশ। বরিশাল ও খুলনা বিভাগে টিকাদান কভারেজ ১০১ শতাংশ হলেও সিলেট বিভাগে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কিছুটা কম অগ্রগতি হয়েছে। সেখানে ১৩ লাখ ২৩ হাজার ৯৬৬ জনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে টিকা পেয়েছে ১৩ লাখ ১৬ হাজার ৪৫৪ জন শিশু, যা ৯৯ শতাংশ কভারেজ।

সিটি করপোরেশন এলাকাগুলোতেও টিকা দেওয়া হয়েছে। মোট ১৯ লাখ ৫ হাজার ৯৫০ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ইতোমধ্যে টিকা পেয়েছে ২০ লাখ ৩১ হাজার ৬৬৪ জন।

ফলে সিটি করপোরেশন এলাকায় সামগ্রিক কভারেজ দাঁড়িয়েছে ১০৭ শতাংশ। বিশেষ করে গাজীপুর ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে টিকাদান কভারেজ যথাক্রমে ১১৪ ও ১১০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা জাতীয় গড়ের চেয়েও বেশি।

সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় দেশে নিয়মিত টিকা কার্যক্রমে শিশুর ৯ মাস বয়সে হামের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়। হামের টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয় শিশুর ১৫ মাস বয়সে। কিন্তু হাম-রুবেলার জাতীয় ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ার আগে সরকার সিদ্ধান্ত নেয় টিকা দেওয়া হবে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সি দেশের সব শিশুকে। ইপিআইয়ের হিসাবে দেশে এই বয়সি শিশু আছে ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জন।

তবে ২৮ জুন দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ার পর একই বয়সি শিশুদের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে ৬ মাস বয়স থেকে ৫ বছর বয়সি শিশুদের। এ ক্ষেত্রে ২ কোটি ২৬ লাখ শিশুকে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। ভিটামিন এ এবং হাম-রুবেলার ক্ষেত্রে একই বয়সি শিশুদের সংখ্যায় পার্থক্য ৪৬ লাখ। এ শিশুরা টিকা কর্মসূচির হিসাবেই নেই।

এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘যে পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে তাতে নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন। মহামারী যেভাবে মোকাবিলা করা হয় সেভাবে কাজ করতে হবে। প্রাইমারি কেয়ার, সেকেন্ডারি এবং আইসিইউ এভাবে স্তরবিন্যাস করে সেবা দিতে হবে।

কমিউনিটি পর্যায়ে অপুষ্টির শিকার শিশুদের শনাক্ত করে আইসোলেশন করতে হবে। নয়তো দেখা যাচ্ছে একদিকে টিকা দিচ্ছে আরেক দিকে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘টিকা দেওয়ার জন্য মাইক্রোপ্ল্যানের প্রয়োজন হয়। কিন্তু সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় এই টিকা ক্যাম্পেইনে সরকার পরিকল্পনা করার সময় পায়নি। তাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাজ না করলে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া হামের এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা মুশকিল।’

একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (১৫ জুলাই)

অনলাইন ডেস্ক
একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (১৫ জুলাই)
মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধে ঝুঁকিতে কোটি প্রাণ

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধে ঝুঁকিতে কোটি প্রাণ

দেশের বাজারে নীরবে বিস্তার ঘটছে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বাণিজ্য। রাজধানী ঢাকা থেকে প্রত্যন্ত গ্রামের ফার্মেসি,...

 

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ-সড়ক অবরোধ

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ-সড়ক অবরোধ

টানা বৃষ্টি, বন্যা ও জলাবদ্ধতার মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ এবং...

 

কোথাও উন্নতি, কোথাও অবনতি

কোথাও উন্নতি, কোথাও অবনতি

দেশের বন্যা পরিস্থিতির কোথাও উন্নতি, কোথাও অবনতি হয়েছে। সিলেট বিভাগের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।...

 

ইতিহাস, লড়াই সবই যেখানে

ইতিহাস, লড়াই সবই যেখানে

বিশ্বকাপে এর আগে পাঁচবার দেখা হয়েছে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনার। তবে শিরোপা মঞ্চের এত কাছাকাছি কখনোই নয়। ১৯৮৬ সালের...

 

দখলে সংকুচিত কান্দি খাল

দখলে সংকুচিত কান্দি খাল

কুমিল্লা নগরীতে জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি করপোরেশন (কুসিক) কর্তৃপক্ষ বড় ড্রেন ও খালে অপরিকল্পিতভাবে তৈরি বেশ কিছু...

 

নতুন প্রজন্মই বাংলাদেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে

নতুন প্রজন্মই বাংলাদেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নতুন প্রজন্মই আগামী দিনে বাংলাদেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাদের এখন কাজ করার...

 

ভেজাল ওষুধের শাস্তি কেন নামমাত্র জরিমানা?

ভেজাল ওষুধের শাস্তি কেন নামমাত্র জরিমানা?

মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের মধ্যে একটি বিরাট মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ ভেজাল ওষুধ...

 

বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আসার আহবান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আসার আহবান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করতে বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে যোগ...

 

তিন বিষয়ে আবার পরীক্ষা নেওয়া হবে

তিন বিষয়ে আবার পরীক্ষা নেওয়া হবে

টানা বৃষ্টি ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষা দিতে সমস্যায় পড়া শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে...

 

বিদেশে শ্রমবাজার চ্যালেঞ্জের মুখে

বিদেশে শ্রমবাজার চ্যালেঞ্জের মুখে

সৌদি আরবসহ হাতে গোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের জন্য শ্রমবাজার অনেকটা বন্ধ। সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার...

 

ইরান যুদ্ধ এখন হরমুজ নিয়ন্ত্রণের লড়াই

ইরান যুদ্ধ এখন হরমুজ নিয়ন্ত্রণের লড়াই

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত কোথায় গিয়ে থামবে, সেটা এখন সবার অজানা। তবে বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন,...

 

সীমান্তের ১৪ জেলা দিয়ে আসছে গাঁজা, প্রতিদিন জব্দ ৮ মণ

সীমান্তের ১৪ জেলা দিয়ে আসছে গাঁজা, প্রতিদিন জব্দ ৮ মণ

বাংলাদেশে মাদকদ্রব্যের তালিকায় সবচেয়ে সহজলভ্য গাঁজা। একসময় এটির ভোক্তা কিছু মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও...

 

প্রতি তিন যানবাহনের একটির ফিটনেস সনদ নেই

প্রতি তিন যানবাহনের একটির ফিটনেস সনদ নেই

দেশে বর্তমানে নিবন্ধন পাওয়া (চার চাকা বা তার বেশি) যানবাহন রয়েছে প্রায় ১৭ লাখ। এর মধ্যে প্রায় ছয় লাখের ফিটনেস সনদ...

 

মার্তিনেস-আলভারেসে আর্জেন্টিনার স্বস্তি

মার্তিনেস-আলভারেসে আর্জেন্টিনার স্বস্তি

পারফরম্যান্স নিয়ে লিওনেল মেসি দুশ্চিন্তার সুযোগ খুব কমই দিয়েছেন। তবু ক্যারিয়ারের এই গোধূলিলগ্নে এবারের...

 

দুজন-দুজনার শক্তিই বাজি ইংল্যান্ডের

দুজন-দুজনার শক্তিই বাজি ইংল্যান্ডের

চলতি বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষের জালে ইংল্যান্ড গোল দিয়েছে ১৩টি। এর ১২টিই এসেছে দুজনের কাছ থেকে। একজন তরুণ তারকা জুড...

 

শেখ হাসিনার দেশে ফেরা ইস্যুতে ভারতের অবস্থান অপরিবর্তিত

শেখ হাসিনার দেশে ফেরা ইস্যুতে ভারতের অবস্থান অপরিবর্তিত

সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর...

 

দুর্ভোগ লাঘবে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

দুর্ভোগ লাঘবে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাম্প্রতিক ভারি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা, জরুরি...

 

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে স্বাগত জানাই

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে স্বাগত জানাই

ভারতে আশ্রয় নেওয়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার...

 

সমঝোতা বাস্তবায়নে সব বন্ধু রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কাজ করবে সিপিসি

সমঝোতা বাস্তবায়নে সব বন্ধু রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কাজ করবে সিপিসি

চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গত সোমবার ঢাকায় এক সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করেছে...

 

উদ্যোক্তাদের আফ্রিকার বাজার ধরার আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

উদ্যোক্তাদের আফ্রিকার বাজার ধরার আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

আফ্রিকা অঞ্চলের দেশগুলোতে আমাদের উৎপাদিত পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, ফলমূল, সিরামিক প্রভৃতি...

 

বুয়েট অফিসার্স কোয়ার্টারের ভেতর এখনো জলাবদ্ধতা

বুয়েট অফিসার্স কোয়ার্টারের ভেতর এখনো জলাবদ্ধতা

  

 

যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটে মানুষের পাশে থাকে বিএনপি

যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটে মানুষের পাশে থাকে বিএনপি

রুহুল কবীর রিজভী ===যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটে মানুষের পাশে থাকে বিএনপি আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি বিএনপির...

 

গঙ্গাচড়ায় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

গঙ্গাচড়ায় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নে তিস্তাতীরবর্তী বুড়িডাঙ্গী এলাকায় বসুন্ধরা শুভসংঘ স্কুলে শিক্ষা...

 

গতির ঝড় থামিয়ে ফাইনালে স্পেন

গতির ঝড় থামিয়ে ফাইনালে স্পেন

তাদের আক্রমণভাগ নিয়ে চিন্তা করলেও কাঁপুনি উঠে যায় সব প্রতিপক্ষের। অথচ সেই দলটিকেই কি না অকার্যকর করে দিল...

 

মাতারবাড়ী ডকইয়ার্ডেই মেরামত হবে বড় আন্তর্জাতিক জাহাজ

মাতারবাড়ী ডকইয়ার্ডেই মেরামত হবে বড় আন্তর্জাতিক জাহাজ

কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে ঘিরে দেশের ব্লু ইকোনমি বা নীল অর্থনীতিতে এক ঐতিহাসিক...

 

বিশ্ববাজারে ৩% বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

বিশ্ববাজারে ৩% বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

হরমুজ প্রণালি অবরোধ ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলায় বিশ্ববাজারে আবার বাড়তে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের...

 

এনবিআরের রাজস্ব আদায় বাড়লেও বড় ঘাটতি

এনবিআরের রাজস্ব আদায় বাড়লেও বড় ঘাটতি

সদ্যঃসমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) রাজস্ব আদায়ে একদিকে যেমন রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি অর্জন...

 

ভোটের ইতিহাস সংরক্ষণের ধারাবাহিকতায় ফিরছে ইসি

ভোটের ইতিহাস সংরক্ষণের ধারাবাহিকতায় ফিরছে ইসি

নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিসংখ্যান প্রতিবেদন তৈরি করতে যাচ্ছে। কমিশনের ভাষায় এটি হবে...

 

গ্লোবাল সাউথের উত্থান ও বৈশ্বিক মেরুকরণের নতুন বাস্তবতা

গ্লোবাল সাউথের উত্থান ও বৈশ্বিক মেরুকরণের নতুন বাস্তবতা

বিশ্বরাজনীতি ও অর্থনীতি বর্তমানে এক গভীর রূপান্তরের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক...

 

বাঁশখালীর বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ান

বাঁশখালীর বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ান

চট্টগ্রামের বাঁশখালী আজ এক কঠিন মানবিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। টানা বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও জলোচ্ছ্বাসে উপজেলার...

 

ময়ূর নদ এখন নর্দমা

ময়ূর নদ এখন নর্দমা

একসময় খুলনা শহরের প্রাণ ছিল ময়ূর নদ। জোয়ার-ভাটার ছন্দে চলা এই নদে চলত ট্রলার ও বড় নৌকা। নদের পানি ব্যবহার হতো...

 

৪৮ কেজিতে মাছের মণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চাষিরা

৪৮ কেজিতে মাছের মণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চাষিরা

রাজশাহীর পাইকারি মাছের বাজারে এখনো মান্ধাতার আমলের হাতদাঁড়িতে চলছে মাছ কেনাবেচা। খুচরা বাজারে ডিজিটাল দাঁড়ি...

 

বিলুপ্তির পথে তালগাছের নৌকা

বিলুপ্তির পথে তালগাছের নৌকা

উপকূলীয় অঞ্চলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধ মাঠে চলত তালগাছের তৈরি নৌকা (ডোঙা)। তালগাছের এ নৌকা তৈরি হতো কোনো জোড়াতালি...

 

পাহাড়েও লটকনের ব্যাপক চাহিদা

পাহাড়েও লটকনের ব্যাপক চাহিদা

একসময় পাহাড়ের ঢালুতে আর খালের পারে বনজ ফল লটকন চোখে পড়লেও সময়ের ব্যবধানে পাহাড়ের বিভিন্ন জনপদে দিনের পর দিন...

 

গুজব ও আতঙ্ক ছড়ানো নিষেধ

গুজব ও আতঙ্ক ছড়ানো নিষেধ

বন্যা, ঘূর্ণিঝড় বা অন্য যেকোনো দুর্যোগের সময় ধৈর্য ধারণের পাশাপাশি মানুষের সবচেয়ে বড় করণীয় হলো সঠিক তথ্য...