বন্যার সময় ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট—সবই পানিতে ডুবে যায়। মানুষ সহায়-সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে। সরকার তাদের পুনর্বাসনের জন্য বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে তোলে এবং মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে চেষ্টা করে। কিন্তু এই দুর্যোগে কুকুর-বিড়ালের কষ্ট কম না। পথপ্রাণীরা ফুটপাতে শুয়ে থাকে, উচ্ছিষ্ট ও ময়লা আবর্জনার স্তূপ থেকে খাবার খেয়ে বাঁচে। কিন্তু বন্যায় যখন রাস্তাঘাট ডুবে যায়, তখন তারা অস্তিত্ব সংকটে পড়ে। বোবা প্রাণী বলে তারা তাদের দুঃখ, কষ্ট, ক্ষুধার ব্যাপারে কাউকে কিছু মুখ ফুটে বলতে পারে না। একটু খাবার আর আশ্রয়ের জন্য তারা ছুটে বেড়ায়। আমাদের মনে রাখা দরকার, যেকোনো প্রাণী আমাদের জীববৈচিত্র্যের অংশ। বন্যায় শুধু মানুষ নয়, গোটা জীববৈচিত্র্যই হুমকির মুখে পড়ে। তাই অসহায় মানুষকে পুনর্বাসনের পাশাপাশি প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের উচিত পথপ্রাণীদের দিকে দৃষ্টি দেওয়া। কারণ তারা দিনশেষে আমাদের নীরবে বিভিন্ন সাহায্য করে থাকে। তাই আমাদের সবার উচিত তাদের বিপদে খাবার, আশ্রয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সাহায্য করা। তবেই একটি মানবিক ও সুন্দর সমাজ গড়ে উঠবে।
শেখ সুলতানা মীম
শিক্ষার্থী, ইডেন মহিলা কলেজ




