• ই-পেপার

আগের দামেই বিদ্যুৎ বিল দিতে পারবেন প্রান্তিক ও স্বল্প ব্যবহারকারীরা

সাংবাদিকরা জনগণ ও সংসদের মধ্যে সেতুবন্ধের ভূমিকা পালন করেন : স্পিকার

অনলাইন ডেস্ক
সাংবাদিকরা জনগণ ও সংসদের মধ্যে সেতুবন্ধের ভূমিকা পালন করেন : স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, সাংবাদিকরা জনগণ ও সংসদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধের ভূমিকা পালন করেন। গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এবং দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে সাংবাদিক ও সংসদকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনের স্পিকারের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিজেএ) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিপিজেএ সভাপতি হারুন জামিল এবং সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী খান লিথোর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক নাজমুল ইসলাম (তানিম আহমেদ), নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান, মনিরুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান পঞ্চায়েতসহ অন্য নেতৃবৃন্দ। এ সময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

স্পিকার বলেন, বর্তমান সংসদকে ঘিরে জনগণের প্রত্যাশা অত্যন্ত ব্যাপক। দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অব্যবস্থাপনা ও মানের অবনতির কারণে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক ত্যাগ, সংগ্রাম ও রক্তের বিনিময়ে বর্তমান সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ফলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সংসদকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে সংসদের নিবিড় সম্পর্ক থাকতে হবে। গণবান্ধব রাজনীতির বিকাশ এবং জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।’

সাংবাদিকতার স্বাধীনতার প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, অতীতের কিছু রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে দেশের গণমাধ্যম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার প্রভাব দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার ওপর রয়ে গেছে।

বর্তমানে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যম এখন অনেক বেশি স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে।

স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের প্রত্যাশা ও বাস্তবতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্পিকার বলেন, ‘১৯৭১ সালে জনগণ যে স্বপ্ন নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিল, সেই স্বপ্নের অনেকাংশই সময়ের সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সময়ে দেশে গুম, নির্যাতন, দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে, যা জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

তিনি বলেন, দেশের জনগণ, বিশেষ করে ছাত্র-তরুণ ও সাধারণ মানুষের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের শক্তিই পরিবর্তনের পথ তৈরি করেছে। তবে বর্তমান সংসদ যদি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হবে।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সবার ওপরে দেশ। দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।’ 

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারি ও বিরোধী দল উভয়েই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে সংসদকে কার্যকর ও গতিশীল করে তুলবে। বিরোধী দলের দায়িত্ব সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা এবং সরকারি দলের দায়িত্ব সংসদের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়া।

গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, সাংবাদিকদের উচিত সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা হিসেবে তুলে ধরা। সংসদকে আরো কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে গণমাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মতবিনিময় সভায় বিপিজেএ নেতৃবৃন্দ সংসদ রিপোর্টিংয়ের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা ও সীমাবদ্ধতার বিষয় তুলে ধরেন। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন স্পিকার।

সভায় সংসদ ও গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, তথ্যপ্রবাহ সহজীকরণ এবং সংসদীয় কার্যক্রমের আরো কার্যকর প্রচার-প্রসারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

এবার লক্ষ্য মাংস রপ্তানি করা : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
এবার লক্ষ্য মাংস রপ্তানি করা : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

কোরবানির পশু উৎপাদনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত পশু ও মাংস বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। বর্তমানে দেশের চাহিদা পূরণের জন্য পর্যাপ্ত পশু উৎপাদন হচ্ছে। ভবিষ্যতে উদ্বৃত্ত পশু ও মাংস রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত কোরবানির পশু সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে খামারির সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে, যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

তিনি বলেন, পশুপালনের সবচেয়ে বড় ব্যয় খাদ্য খাতে। খাদ্যের উচ্চমূল্যের কারণে পশুর দামও বৃদ্ধি পায়। তাই মাংসের দাম কমাতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতায় উন্নত জাতের ঘাস উৎপাদন প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এরই মধ্যে ৮৩৫ জন ক্ষুদ্র খামারিকে ঘাস উৎপাদনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, উন্নত ঘাস ব্যবহারের ফলে পশুর খাদ্য ব্যয় কমবে এবং দুধ উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে খামারিদের ফিডের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ঘাসভিত্তিক পশুপালনে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, পশু মোটাতাজাকরণে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষণ ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মাংসের দাম কমছে না কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাদ্য উৎপাদন ব্যয় কমানো গেলে ধীরে ধীরে গরুসহ অন্যান্য পশুর মাংসের দামও কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদী।

বিদেশ থেকে পশু বা মাংস আমদানির সম্ভাবনা সম্পর্কে তিনি বলেন, সরকারের এমন কোনো পরিকল্পনা নেই। বরং সীমান্তপথে অবৈধ পশু প্রবেশ ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। এর ফলে দেশের খামারিরা ন্যায্যমূল্য পেয়েছেন এবং কোরবানির পশুর বাজার দেশীয় উৎপাদনের ওপর নির্ভরশীল হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের চাহিদার তুলনায় পশু উৎপাদন বেশি হচ্ছে। এই উদ্বৃত্ত উৎপাদনকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে মাংস রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে। এরই মধ্যে দেশে ১৩টি মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি খাতের কিছু প্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরে মাংস রপ্তানি করছে। সরকার এ খাতে বড় খামারিদের উৎসাহ ও সহযোগিতা করছে।

ক্ষুদ্র খামারিদের উদ্বৃত্ত পশু বিক্রির সমস্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোথাও কোনো খামারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কি না, তা সরকার পর্যবেক্ষণ করছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর এক দিন পরই কমানোর আবেদন পিডিবির

অনলাইন ডেস্ক
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর এক দিন পরই কমানোর আবেদন পিডিবির
সংগৃহীত ছবি

প্রথম দুই ধাপে পূর্বের দাম বহাল রাখার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর চাপ কমাতে এ আবেদন করা হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে গত ৩ জুন বিইআরসি বিদ্যুতের নতুন দর ঘোষণা করে, যা গত ১ জুন থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। নতুন দরে লাইফলাইন (০-৫০ ইউনিট) গ্রাহকদের প্রতি ইউনিটের দাম ৪ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫ টাকা ৩২ পয়সা এবং প্রথম ধাপের (০-৭৫ ইউনিট) ব্যবহারকারীদের জন্য ৫ টাকা ২৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ১৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।

তবে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার একদিন পরই আজ সকালে পরিস্থিতি বদলে যায়। বিপিডিবি আনুষ্ঠানিকভাবে এই দাম পুনর্বিবেচনার আবেদন জমা দেয়।

এ বিষয়ে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানান, লাইফলাইন এবং প্রথম ধাপে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে আগের দাম বহাল রাখার আবেদন করা হয়েছে। অন্যান্য বিতরণ কম্পানির সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত বিষয়টি রিভিউ করা হবে। যেহেতু এতে সাধারণ গ্রাহকরা উপকৃত হবেন, তাই এজন্য কোনো গণশুনানির প্রয়োজন হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিদ্যুৎ বিভাগের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। সাধারণত একটি ছোট বাতি ও একটি ফ্যান সীমিত সময় ব্যবহারের ভিত্তিতে সমাজের হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ লাইফলাইন গ্রাহক হিসেবে গণ্য হন। তবে বাস্তবে পরিবারের সদস্য বেশি হলে কিংবা গরমের সময় দীর্ঘক্ষণ ফ্যান চালাতে হলে সহজেই এই সীমা অতিক্রম করে তারা অন্য স্তরে চলে যান এবং বাড়তি খরচের মুখে পড়েন।

২০২৫ সালের জুনের হিসাব অনুযায়ী, দেশে লাইফলাইন গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৮৬ লাখ, যার সিংহভাগই পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতাধীন গ্রামীণ অঞ্চলের দরিদ্র পরিবার। রাজধানী ঢাকায় এই ধরনের গ্রাহকের সংখ্যা তুলনামূলক খুবই কম।

বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি বারবার সামনে আসে। পুরোনো দাম বহাল রাখলে বিতরণ কম্পানিগুলোর বছরে প্রায় ৭৮১ কোটি টাকা আয় কমতে পারে। তবে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় ও সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করলে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ক্রীড়া খাত এমনভাবে গড়ে তোলা হবে যেন খেলাধুলা পেশা হয় : মাহ্দী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
ক্রীড়া খাত এমনভাবে গড়ে তোলা হবে যেন খেলাধুলা পেশা হয় : মাহ্দী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন বলেন, শিশুরাই আগামী বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। আমরা ক্রীড়া খাত এমনভাবে গড়ে তুলব যেন খেলাধুলা শুধু বিনোদন নয়, পেশা হতে পারে। আমরা শিক্ষাব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তুলতে চাই যেন শিক্ষার্থীরা দক্ষ ও রাষ্ট্রের যোগ্য নাগরিক হয়ে গড়ে উঠতে পারে।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ মে) সকালে মিরপুরের ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’এর জাতীয় পর্যায়ের খেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহিনা ফেরদৌসী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তোমাদের প্রয়োজন, সম্ভাবনা ও বিকাশের বিষয়টি সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। তোমাদের জন্য একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

উল্লেখ্য, এ বছরের ৬ এপ্রিল ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ে এ টুর্নামেন্ট শুরু হয়। দেশের ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে। বালক বিভাগে ৬৫ হাজার ৩৪২টি দলের ১১ লাখ ১০ হাজার ৮১৪ জন খেলোয়াড় এবং বালিকা বিভাগে ৬৫ হাজার ৩২১টি দলের ১১ লাখ ৩ হাজার ২৯১ জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে। ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায় থেকে শুরু হয়ে পর্যায়ক্রমে উপজেলা/থানা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা গত ২৩ মে শেষ হয়। আজ থেকে জাতীয় পর্যায়ে খেলায় দেশের ৮টি বিভাগের বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন ৮টি বালক ও ৮টি বালিকা মোট ১৬টি দলের খেলা শুরু হবে। এ পর্যায়ের খেলার মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্ব শুরু হলো।