বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে গাইবান্ধায় বসুন্ধরা শুভসংঘ জেলা শাখার উদ্যোগে প্লাস্টিকের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা পৌর পার্কের পশ্চিম পাশে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষকে বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পরিচালিত হয়। কর্মসূচির অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘প্লাস্টিকের বিনিময়ে একটি গাছ’ উদ্যোগ, যেখানে পরিবেশ দূষণকারী প্লাস্টিক সংগ্রহের বিনিময়ে অংশগ্রহণকারীদের গাছের চারা উপহার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুনবী টিটুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন এসকেএস ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম, বসুন্ধরা শুভসংঘ গাইবান্ধা জেলা শাখার উপদেষ্টা অমিতাভ দাশ হিমুন এবং হুমায়ুন আহমেদ বিপ্লব।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহামুদুনবী টিটুল বলেন, ‘গাছ আমাদের জীবনের অন্যতম অক্সিজেনের উৎস। গাছ আছে বলেই আমরা সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে পারি। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং একটি বাসযোগ্য দেশ গড়ে তুলতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই।’
তিনি আরো বলেন, ‘পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসতে হবে। গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।’
বসুন্ধরা শুভসংঘের বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘সংগঠনটির সদস্যরা অতীতে হতদরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণ এবং প্রশিক্ষণ শেষে তাদের হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেওয়ার মতো প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব কার্যক্রম সমাজ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।’
তিনি বসুন্ধরা শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
কর্মসূচিতে বসুন্ধরা শুভসংঘ গাইবান্ধা জেলা শাখার সম্পাদক আহসানিয়া তাসনিম স্নিগ্ধাসহ উপস্থিত ছিলেন লিজা সরকার, সুমাইয়া আক্তার, আশিদুল ইসলাম, ছামিউল বাসির, সোহানুর রহমান, তৌহিদুল রহমান, জুয়েল সরকারসহ আরো অনেকে।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয় এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতন ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।









