• ই-পেপার

সাংবাদিকরা জনগণ ও সংসদের মধ্যে সেতুবন্ধের ভূমিকা পালন করেন : স্পিকার

রাসায়নিক নয়, জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর

বিশেষ প্রতিনিধি
রাসায়নিক নয়, জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর
ছবি: কালের কণ্ঠ

কৃষিজমিতে রাসায়নিক বালাইনাশক ব্যবহার না করে জৈব বালাইনাশকের ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেছেন, ‘যথেচ্ছভাবে রাসায়নিক বালাইনাশক ব্যবহারের ফলে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এ ক্ষতি কমাতে জৈব বালাইনাশক এবং প্রাকৃতিক কীট-পতঙ্গ দমন পদ্ধতির ব্যবহার সম্প্রসারণ জরুরি।’

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির ৯০তম (বিশেষ) সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আব্দুছ ছালাম। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনো বালাইনাশকের ব্যবহার শতভাগ বিজ্ঞানভিত্তিক হতে হবে। মাটি ও জলজ বাস্তুসংস্থানের ভারসাম্য বজায় রেখে বালাইনাশকের উৎপাদন, অনুমোদন, বিপণন ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।’ একই সঙ্গে জৈব বালাইনাশক উৎপাদন ও ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কৃষিকে রপ্তানিমুখী করার সরকারি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘কৃষি খাতকে শিল্পভিত্তিক ও রপ্তানিমুখী পর্যায়ে উন্নীত করা গেলে দেশের অর্থনীতি স্থায়ীভাবে শক্তিশালী হবে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে হলে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের নিরাপত্তা ও মান নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের আবহাওয়া, মাটি ও প্রাকৃতিক পরিবেশ বিশ্বের অন্যতম সুস্বাদু ও পুষ্টিকর কৃষিপণ্য উৎপাদনের জন্য উপযোগী। কিন্তু সেই সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগানো এখনো সম্ভব হয়নি।’

দেশে বালাইনাশকের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে পেস্টিসাইডের মান নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালিত হলেও তা আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা পুনর্মূল্যায়ন প্রয়োজন। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, মাটিকে ভারী ধাতুমুক্ত রাখা এবং আগামী প্রজন্মের স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে বালাইনাশকের মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে আরো কার্যকর ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য করতে হবে।’

সভায় কৃষি খাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

আমরা প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আমরা প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে স্বাধীনতাযুদ্ধের সূচনা করেছিলেন। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ।’ দেশের মানুষ আজ একটি আত্মমর্যাদাশীল ও স্বাবলম্বী বাংলাদেশ দেখতে চায় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) অডিটরিয়ামে আয়োজিত আলোচনাসভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা আধিপত্যবাদের বাইরে গিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াব, দেশের মানুষ এখন সেই বাংলাদেশ দেখতে চায়। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই। আশা করি, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপ্রধানের বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘রাষ্ট্র পরিচালনা ও নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সব পক্ষকে সমন্বয়ের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মিত্রদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। পাশাপাশি গার্মেন্টশিল্পের বিকাশ এবং জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছিলেন।’

এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও রাজনৈতিক অবদানভিত্তিক সংবাদপত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। প্রদর্শনীতে তাঁর রাজনৈতিক জীবন, রাষ্ট্র পরিচালনা এবং দেশের উন্নয়নে অবদানসংবলিত বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন, আলোকচিত্র ও দলিল উপস্থাপন করা হয়।

আগের দামেই বিদ্যুৎ বিল দিতে পারবেন প্রান্তিক ও স্বল্প ব্যবহারকারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আগের দামেই বিদ্যুৎ বিল দিতে পারবেন প্রান্তিক ও স্বল্প ব্যবহারকারীরা
সংগৃহীত ছবি

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণার এক দিনের মাথায় প্রান্তিক ও স্বল্প বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী আবাসিক গ্রাহকদের বাড়তি মূল্য থেকে অব্যাহতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের গ্রাহকরা আগের দামেই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারবেন। এ বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবারের (৪ জুন) মধ্যেই সিদ্ধান্ত জানাতে পারে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, আবাসিক গ্রাহকদের নিম্নস্তরের দুই ধাপে বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, লাইফলাইন গ্রাহক (৫০ ইউনিট পর্যন্ত) এবং প্রথম ধাপের (৭৫ ইউনিট পর্যন্ত) গ্রাহকদের জন্য আগের মূল্যহার বহাল রাখা হবে।

আরো পড়ুন
দুই যুগ পর আবার ফিরছে ‘লগান’

দুই যুগ পর আবার ফিরছে ‘লগান’

 

এর আগে গতকাল বুধবার ঘোষিত নতুন ট্যারিফ অনুযায়ী, লাইফলাইন গ্রাহকদের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। একইভাবে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের জন্য প্রতি ইউনিট মূল্য ৫ টাকা ২৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ১৮ পয়সা করা হয়েছিল।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রান্তিক গ্রাহকদের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুতের নতুন খুচরা ট্যারিফ পুনর্বিবেচনার জন্য বিইআরসিকে অনুরোধ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন বিতরণ সংস্থার প্রস্তাবের ভিত্তিতে বিইআরসি গত ২০ ও ২১ মে গণশুনানি গ্রহণের পর আইনগত ক্ষমতাবলে বিদ্যুতের পাইকারি, সঞ্চালন ও খুচরা মূল্যহার পুনর্নির্ধারণ করে। তবে পুনর্নির্ধারিত ট্যারিফে বিদ্যুৎ বিভাগের অনুমোদনক্রমে বিপিডিবি কর্তৃক প্রস্তাবিত প্রান্তিক গ্রাহকদের মূল্যহারের প্রতিফলন ঘটেনি।

আরো পড়ুন
বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষার্থী নিহত

বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষার্থী নিহত

 

বিদ্যুৎ বিভাগের মতে, নতুন ট্যারিফ বহাল থাকলে লাইফলাইন গ্রাহকসহ নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের বিদ্যুৎ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে, যা তাদের জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিভাগটি মনে করে, প্রান্তিক গ্রাহকদের জন্য নির্ধারিত নতুন ট্যারিফ সরকারের নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এ প্রেক্ষাপটে বিপিডিবি ৩ মে এর পাঠানো প্রস্তাবের আলোকে লাইফলাইন গ্রাহকদের ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণের জন্য বিইআরসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ আশা প্রকাশ করেছে, কমিশন এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

এবার লক্ষ্য মাংস রপ্তানি করা : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
এবার লক্ষ্য মাংস রপ্তানি করা : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

কোরবানির পশু উৎপাদনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত পশু ও মাংস বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। বর্তমানে দেশের চাহিদা পূরণের জন্য পর্যাপ্ত পশু উৎপাদন হচ্ছে। ভবিষ্যতে উদ্বৃত্ত পশু ও মাংস রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত কোরবানির পশু সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে খামারির সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে, যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

তিনি বলেন, পশুপালনের সবচেয়ে বড় ব্যয় খাদ্য খাতে। খাদ্যের উচ্চমূল্যের কারণে পশুর দামও বৃদ্ধি পায়। তাই মাংসের দাম কমাতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতায় উন্নত জাতের ঘাস উৎপাদন প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এরই মধ্যে ৮৩৫ জন ক্ষুদ্র খামারিকে ঘাস উৎপাদনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, উন্নত ঘাস ব্যবহারের ফলে পশুর খাদ্য ব্যয় কমবে এবং দুধ উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে খামারিদের ফিডের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ঘাসভিত্তিক পশুপালনে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, পশু মোটাতাজাকরণে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষণ ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মাংসের দাম কমছে না কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাদ্য উৎপাদন ব্যয় কমানো গেলে ধীরে ধীরে গরুসহ অন্যান্য পশুর মাংসের দামও কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদী।

বিদেশ থেকে পশু বা মাংস আমদানির সম্ভাবনা সম্পর্কে তিনি বলেন, সরকারের এমন কোনো পরিকল্পনা নেই। বরং সীমান্তপথে অবৈধ পশু প্রবেশ ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। এর ফলে দেশের খামারিরা ন্যায্যমূল্য পেয়েছেন এবং কোরবানির পশুর বাজার দেশীয় উৎপাদনের ওপর নির্ভরশীল হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের চাহিদার তুলনায় পশু উৎপাদন বেশি হচ্ছে। এই উদ্বৃত্ত উৎপাদনকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে মাংস রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে। এরই মধ্যে দেশে ১৩টি মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি খাতের কিছু প্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরে মাংস রপ্তানি করছে। সরকার এ খাতে বড় খামারিদের উৎসাহ ও সহযোগিতা করছে।

ক্ষুদ্র খামারিদের উদ্বৃত্ত পশু বিক্রির সমস্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোথাও কোনো খামারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কি না, তা সরকার পর্যবেক্ষণ করছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা কাজ করছেন।