• ই-পেপার

ক্রীড়া খাত এমনভাবে গড়ে তোলা হবে যেন খেলাধুলা পেশা হয় : মাহ্দী আমিন

আগের দামেই বিদ্যুৎ বিল দিতে পারবেন প্রান্তিক ও স্বল্প ব্যবহারকারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আগের দামেই বিদ্যুৎ বিল দিতে পারবেন প্রান্তিক ও স্বল্প ব্যবহারকারীরা
সংগৃহীত ছবি

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণার এক দিনের মাথায় প্রান্তিক ও স্বল্প বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী আবাসিক গ্রাহকদের বাড়তি মূল্য থেকে অব্যাহতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের গ্রাহকেরা আগের দামেই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারবেন। এ বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবারের (৪ জুন) মধ্যেই সিদ্ধান্ত জানাতে পারে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, আবাসিক গ্রাহকদের নিম্নস্তরের দুই ধাপে বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, লাইফলাইন গ্রাহক (৫০ ইউনিট পর্যন্ত) এবং প্রথম ধাপের (৭৫ ইউনিট পর্যন্ত) গ্রাহকদের জন্য আগের মূল্যহার বহাল রাখা হবে।

আরো পড়ুন
দুই যুগ পর আবার ফিরছে ‘লগান’

দুই যুগ পর আবার ফিরছে ‘লগান’

 

এর আগে, গতকাল বুধবার ঘোষিত নতুন ট্যারিফ অনুযায়ী, লাইফলাইন গ্রাহকদের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। একইভাবে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের জন্য প্রতি ইউনিট মূল্য ৫ টাকা ২৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ১৮ পয়সা করা হয়েছিল।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রান্তিক গ্রাহকদের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুতের নতুন খুচরা ট্যারিফ পুনর্বিবেচনার জন্য বিইআরসিকে অনুরোধ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন বিতরণ সংস্থার প্রস্তাবের ভিত্তিতে বিইআরসি গত ২০ ও ২১ মে গণশুনানি গ্রহণের পর আইনগত ক্ষমতাবলে বিদ্যুতের পাইকারি, সঞ্চালন ও খুচরা মূল্যহার পুননির্ধারণ করে। তবে পুনর্নির্ধারিত ট্যারিফে বিদ্যুৎ বিভাগের অনুমোদনক্রমে বিপিডিবি কর্তৃক প্রস্তাবিত প্রান্তিক গ্রাহকদের মূল্যহারের প্রতিফলন ঘটেনি।

আরো পড়ুন
বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষার্থী নিহত

বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষার্থী নিহত

 

বিদ্যুৎ বিভাগের মতে, নতুন ট্যারিফ বহাল থাকলে লাইফলাইন গ্রাহকসহ নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের বিদ্যুৎ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে, যা তাদের জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিভাগটি মনে করে, প্রান্তিক গ্রাহকদের জন্য নির্ধারিত নতুন ট্যারিফ সরকারের নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এ প্রেক্ষাপটে বিপিডিবি ৩ মে এর পাঠানো প্রস্তাবের আলোকে লাইফলাইন গ্রাহকদের ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণের জন্য বিইআরসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ আশা প্রকাশ করেছে, কমিশন এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

এবার লক্ষ্য মাংস রপ্তানি করা : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
এবার লক্ষ্য মাংস রপ্তানি করা : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

কোরবানির পশু উৎপাদনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত পশু ও মাংস বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। বর্তমানে দেশের চাহিদা পূরণের জন্য পর্যাপ্ত পশু উৎপাদন হচ্ছে। ভবিষ্যতে উদ্বৃত্ত পশু ও মাংস রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত কোরবানির পশু সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে খামারির সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে, যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

তিনি বলেন, পশুপালনের সবচেয়ে বড় ব্যয় খাদ্য খাতে। খাদ্যের উচ্চমূল্যের কারণে পশুর দামও বৃদ্ধি পায়। তাই মাংসের দাম কমাতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতায় উন্নত জাতের ঘাস উৎপাদন প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এরই মধ্যে ৮৩৫ জন ক্ষুদ্র খামারিকে ঘাস উৎপাদনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, উন্নত ঘাস ব্যবহারের ফলে পশুর খাদ্য ব্যয় কমবে এবং দুধ উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে খামারিদের ফিডের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ঘাসভিত্তিক পশুপালনে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, পশু মোটাতাজাকরণে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষণ ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মাংসের দাম কমছে না কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাদ্য উৎপাদন ব্যয় কমানো গেলে ধীরে ধীরে গরুসহ অন্যান্য পশুর মাংসের দামও কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদী।

বিদেশ থেকে পশু বা মাংস আমদানির সম্ভাবনা সম্পর্কে তিনি বলেন, সরকারের এমন কোনো পরিকল্পনা নেই। বরং সীমান্তপথে অবৈধ পশু প্রবেশ ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। এর ফলে দেশের খামারিরা ন্যায্যমূল্য পেয়েছেন এবং কোরবানির পশুর বাজার দেশীয় উৎপাদনের ওপর নির্ভরশীল হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের চাহিদার তুলনায় পশু উৎপাদন বেশি হচ্ছে। এই উদ্বৃত্ত উৎপাদনকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে মাংস রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে। এরই মধ্যে দেশে ১৩টি মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি খাতের কিছু প্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরে মাংস রপ্তানি করছে। সরকার এ খাতে বড় খামারিদের উৎসাহ ও সহযোগিতা করছে।

ক্ষুদ্র খামারিদের উদ্বৃত্ত পশু বিক্রির সমস্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোথাও কোনো খামারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কি না, তা সরকার পর্যবেক্ষণ করছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর এক দিন পরই কমানোর আবেদন পিডিবির

অনলাইন ডেস্ক
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর এক দিন পরই কমানোর আবেদন পিডিবির
সংগৃহীত ছবি

প্রথম দুই ধাপে পূর্বের দাম বহাল রাখার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর চাপ কমাতে এ আবেদন করা হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে গত ৩ জুন বিইআরসি বিদ্যুতের নতুন দর ঘোষণা করে, যা গত ১ জুন থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। নতুন দরে লাইফলাইন (০-৫০ ইউনিট) গ্রাহকদের প্রতি ইউনিটের দাম ৪ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫ টাকা ৩২ পয়সা এবং প্রথম ধাপের (০-৭৫ ইউনিট) ব্যবহারকারীদের জন্য ৫ টাকা ২৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ১৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।

তবে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার একদিন পরই আজ সকালে পরিস্থিতি বদলে যায়। বিপিডিবি আনুষ্ঠানিকভাবে এই দাম পুনর্বিবেচনার আবেদন জমা দেয়।

এ বিষয়ে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানান, লাইফলাইন এবং প্রথম ধাপে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে আগের দাম বহাল রাখার আবেদন করা হয়েছে। অন্যান্য বিতরণ কম্পানির সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত বিষয়টি রিভিউ করা হবে। যেহেতু এতে সাধারণ গ্রাহকরা উপকৃত হবেন, তাই এজন্য কোনো গণশুনানির প্রয়োজন হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিদ্যুৎ বিভাগের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। সাধারণত একটি ছোট বাতি ও একটি ফ্যান সীমিত সময় ব্যবহারের ভিত্তিতে সমাজের হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ লাইফলাইন গ্রাহক হিসেবে গণ্য হন। তবে বাস্তবে পরিবারের সদস্য বেশি হলে কিংবা গরমের সময় দীর্ঘক্ষণ ফ্যান চালাতে হলে সহজেই এই সীমা অতিক্রম করে তারা অন্য স্তরে চলে যান এবং বাড়তি খরচের মুখে পড়েন।

২০২৫ সালের জুনের হিসাব অনুযায়ী, দেশে লাইফলাইন গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৮৬ লাখ, যার সিংহভাগই পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতাধীন গ্রামীণ অঞ্চলের দরিদ্র পরিবার। রাজধানী ঢাকায় এই ধরনের গ্রাহকের সংখ্যা তুলনামূলক খুবই কম।

বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি বারবার সামনে আসে। পুরোনো দাম বহাল রাখলে বিতরণ কম্পানিগুলোর বছরে প্রায় ৭৮১ কোটি টাকা আয় কমতে পারে। তবে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় ও সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করলে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তাপপ্রবাহ থাকবে আরো ২ থেকে ৩ দিন, কমবে না গরম

অনলাইন ডেস্ক
তাপপ্রবাহ থাকবে আরো ২ থেকে ৩ দিন, কমবে না গরম
সংগৃহীত ছবি

দেশে চলমান তাপপ্রবাহ এখনই কমছে না। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই তাপপ্রবাহ আরো দুই থেকে তিন দিন বজায় থাকতে পারে। এ সময়ে দেশের কিছু জায়গায় হালকা বৃষ্টি হলেও গরমের তীব্রতা কমার কোনো লক্ষণ নেই।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এই পূর্বাভাসের কথা জানান আবহাওয়াবিদ ড. মোহাম্মদ বজলুর রশিদ।

চলতি জুন মাসজুড়েই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরো দুই থেকে তিনটি তাপপ্রবাহ ধেয়ে আসতে পারে। পুরো মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে দেশজুড়ে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কিছুটা বাড়তে পারে। বৃষ্টির এই প্রবণতা কমলে আবারও নতুন করে তাপপ্রবাহ শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরো পড়ুন
রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

 

বর্তমানে ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বাতাসে জলীয় বাষ্প বা আর্দ্রতার পরিমাণ অনেক বেশি থাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে গরম অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে, যা জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। এদিকে বগুড়ায় চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। তবে দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনাই বেশি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ২৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা রেকর্ড করা হয়েছে ৮৬ শতাংশ।