• ই-পেপার

আনোয়ারুল ইসলাম

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

‘দুবাইয়ে ভিসার মেয়াদ বাড়াতে কূটনৈতিক চ্যানেল কাজ করছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
‘দুবাইয়ে ভিসার মেয়াদ বাড়াতে কূটনৈতিক চ্যানেল কাজ করছে’
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বের সম্ভাব্য জায়গাতেই শ্রমবাজার উন্মুক্ত হবে বলেও জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘দুবাইয়ে ভিসার মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে কূটনৈতিক চ্যানেলে কাজ চলছে। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দুবাইয়ের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সিলেট নগরের ইসকন মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত রথযাত্রা মহোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেছেন।

প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘দুবাইয়ের শ্রমবাজার নিয়ে কোনো ভুল তথ্য বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে কি না, সেটিও সরকার গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করছে। পাশাপাশি বিশ্বের যেসব দেশে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব দেশের শ্রমবাজার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত করতে সরকার কাজ করছে।’ 

চা শ্রমিকদের মানসম্মত জীবনযাপন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে মন্ত্রী আরিফুর হক বলেন, ‘চা শ্রমিকদের জন্য মানসম্মত থাকার ব্যবস্থা, পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসাসেবা এবং সন্তানদের লেখাপড়ার সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’ শ্রম মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকার সুবাদে চা শ্রমিকদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে তিনি কাজ করে যাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘চা শ্রমিকের বিষয়টা আমরা মনে করি, তাদের মানসম্মত অবস্থান হওয়া উচিত। তাদের পরিবার-পরিজন যেন চিকিৎসা পায়, তাদের বাসস্থানের যেন সুন্দর ব্যবস্থা হয়, তাদের সন্তানদের লেখাপড়ার সুযোগ যেন থাকে।’

চা শ্রমিকদের মজুরি কাঠামো তুলে ধরে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘শ্রমিকরা দুই ধরনের সুবিধা পেয়ে থাকেন। একদিকে সাপ্তাহিক ভিত্তিতে নগদ মজুরি, অন্যদিকে বাগান থেকে বাসস্থান, রেশন ও চিকিৎসা সুবিধা।’

এ ছাড়া পরিবারের কোনো সদস্য কাজ ছেড়ে দিলে বা অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের অন্য কোনো সদস্যকে একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার রীতি চালু আছে বলেও জানান তিনি। এটি চা বাগানের দীর্ঘদিনের একটি প্রথা, যা অন্য কোনো খাতে দেখা যায় না বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

তিন বছর অন্তর মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

গত ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় প্রতিটি চা শ্রমিক তাদের প্রাপ্য উৎসব ভাতা পেয়েছেন দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই শ্রমিকবান্ধব মনোভাবের প্রমাণ দিয়েছে।’ 

তিনি বলেন, ‘শ্রমিকদের প্রতি দায়িত্বশীলতা প্রদর্শন করাই এই সরকারের অঙ্গীকার।’

‘জাতীয় যুব দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক যুব দিবস’ আলাদা পালনের সিদ্ধান্ত

অনলাইন ডেস্ক
‘জাতীয় যুব দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক যুব দিবস’ আলাদা পালনের সিদ্ধান্ত
ছবি : কালের কণ্ঠ

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস একই দিনে পালন না করে আলাদাভাবে উদযাপনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিবছরের ১২ আগস্ট ‘আন্তর্জাতিক যুব দিবস’ এবং ১ নভেম্বর ‘জাতীয় যুব দিবস’ আলাদা দিনে পালন করা হবে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মন্ত্রিসভার ১৩তম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পূর্বে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় প্রতি বছর ১ নভেম্বর ‘জাতীয় যুব দিবস’ এবং ১২ আগস্ট ‘আন্তর্জাতিক যুব দিবস’ পালন করত। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুটি দিবস একই দিনে (১২ আগস্ট) পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

এই সিদ্ধান্তের ফলে ২০২৫ সালে দুটি দিবসই একসঙ্গে ১২ আগস্ট বর্ষাকালে উদযাপিত হয়। বর্ষার কারণে যুবর‍্যালি, যুব সমাবেশ এবং যুবমেলা সফলভাবে করা সম্ভব হয়নি। এতে যুব উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করতে সমস্যার সম্মুখীন হন। জাতীয় যুব দিবস ছাড়া অন্য সময়ে যুবমেলার আয়োজন করা হলে কাঙ্ক্ষিত জনসম্পৃক্ততা ও বাণিজ্যিক সাফল্য অর্জিত হয় না বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এ ছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, জাতীয় যুব দিবস সরকারি অর্থায়নে উদযাপিত হলেও আন্তর্জাতিক যুব দিবস সাধারণত সরকারি-বেসরকারি সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তায় পালিত হয়ে থাকে। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে মন্ত্রিসভা দিবস দুটি আলাদা দিনে পালনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।

বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮

অনলাইন ডেস্ক
বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮
সংগৃহীত ছবি

অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশের সাত জেলায় অন্তত ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরো ৪০ জন। বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১২ লাখ ১৬ হাজার ৮০৫ জনে পৌঁছেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৫২ হাজার ৪৯৩টি পরিবার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলায়। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৩টা পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বন্যাকবলিত জেলাগুলো হলো খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। এসব জেলার ৫৭টি উপজেলা এবং ৮টি পৌরসভা বন্যা ও অতিবৃষ্টির প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিন জানান, মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে। জেলাটিতে ৩২ জন মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে ১৯ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। চট্টগ্রামে ১৫ জন, বান্দরবানে সাতজন, রাঙামাটিতে তিনজন এবং মৌলভীবাজারে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

আহত ৪০ জনের মধ্যে কক্সবাজারে ২৫ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, বান্দরবানে দুজন এবং খাগড়াছড়িতে একজন রয়েছেন। কক্সবাজারে এখনো একজন নিখোঁজ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য সাত জেলায় মোট ৮৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ৮৪৯ জন। চট্টগ্রামে ১১টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৯৫ জন, বান্দরবানে ৬৭টি কেন্দ্রে ১৫০ জন, মৌলভীবাজারে ছয়টি কেন্দ্রে ২৪৯ জন এবং রাঙামাটির একটি কেন্দ্রে ৫৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন। তবে খাগড়াছড়িতে কোনো আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষ অবস্থান করছেন না বলে সরকারি হিসাবে দেখানো হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে

কক্সবাজারের ১০টি উপজেলার ৭১টি ইউনিয়ন এবং চারটি পৌরসভা বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে। জেলাটিতে ৩২ জনের মৃত্যু ও ২৫ জন আহত হওয়ার পাশাপাশি একজন নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্গতদের জন্য ৪০ লাখ টাকা, ৪৫০ মেট্রিক টন চাল, ১ হাজার বান্ডিল টিন এবং গৃহ নির্মাণে ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৪৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা নগদ, ৪৪৫ মেট্রিক টন চাল ও ৪৫০ প্যাকেট শুকনা খাবার বিতরণের তথ্যও দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

চট্টগ্রামের মহানগরসহ ১৬টি উপজেলায় আংশিক জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। জেলার ১৭৬টি ইউনিয়ন বা এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে ১৫ জন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন। চট্টগ্রামের জন্য ৭৫ লাখ টাকা, ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল, ১ হাজার বান্ডিল টিন ও গৃহ নির্মাণে ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ১ হাজার ৪০ মেট্রিক টন চাল এবং ৪৬ হাজার ১০০ প্যাকেট শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

বান্দরবানের সাতটি উপজেলার ৩৪টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে সাত জন নিহত ও দুই জন আহত হয়েছেন। দুর্গতদের মধ্যে ১৩ হাজার ১৯৩ প্যাকেট শুকনা খাবার এবং ১ হাজার ১৭৫ প্যাকেট শিশুখাদ্য বিতরণের তথ্য রয়েছে।

রাঙামাটির ৯টি উপজেলার ৪৩টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা আক্রান্ত হয়েছে। সেখানে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। খাগড়াছড়ির ১০টি উপজেলার ৪১টি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সেখানে প্রাণহানির তথ্য নেই; একজন আহত হয়েছেন।

মৌলভীবাজারের সদর ও রাজনগর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন আক্রান্ত হয়েছে। সেখানে একজন মারা গেছেন। ছয়টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২৪৯ জন অবস্থান করছেন। হবিগঞ্জের সদর, বাহুবল ও বানিয়াচং উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নও বন্যাকবলিত হয়েছে।

৬৪ জেলায় মানবিক সহায়তা

মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলায় মানবিক সহায়তার জন্য মোট ৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং ৯ হাজার ৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৪ হাজার ২০০ বান্ডিল টিন এবং গৃহ নির্মাণে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ৫ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ৫ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত পাঁচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূত ও জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকরা।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় অংশীদারদের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অংশীদারি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে অংশ নেন ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ-মার্ক সেরে-চার্লে, স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিসটিয়াগা, যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক, ইউরোপীয় ইউনিয়নের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (সিডিএ) বাইবা জারিনা এবং জার্মানির চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (সিডিএ) আনজা কারস্টেন। এ সময় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, প্রতিরক্ষা, বেসামরিক বিমান চলাচল (এভিয়েশন) এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতে সহযোগিতা আরো গভীর ও বহুমাত্রিক করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা এবং অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরো জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ইউরোপীয় কূটনীতিকরা বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের নিজ নিজ দেশের বহুমাত্রিক অংশীদারি আরো সম্প্রসারণের আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেন।

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন | কালের কণ্ঠ