• ই-পেপার

হাসপাতাল ডেঙ্গু রোগীতে ভরে গেছে, এক দিনে সর্বোচ্চ ভর্তি ৮২০

ঢামেকের বিভিন্ন স্থান থেকে ৩ মাসে ২৭ মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
ঢামেকের বিভিন্ন স্থান থেকে ৩ মাসে ২৭ মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বিভিন্ন স্থান থেকে তিন মাসে মোট ২৭টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মরদেহের সিংহভাগই ভাসমান ও ছিন্নমূল মানুষদের। তবে এর মধ্যে দুই-একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনাও রয়েছে। পুলিশ সে বিষয়ে তদন্ত করছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ইনডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সর্বশেষ সোমবার (২৭ জুলাই) ঢামেক হাসপাতাল এলাকা থেকে থেকে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার হয়। এমন ঘটনা কমাতে পুলিশ এবং হাসপাতালের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এসব ঘটনার নেপথ্যের কারণ খুঁজে বের করা জরুরি। এজন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সাথে রেখেই সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে পুলিশকে।

শুধু সোমবারের দুই নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাই নয়। গেল মে মাসে হাসপাতালটির বিভিন্ন জায়গায় ১১টি মরদেহ পাওয়া যায়। জুন মাসে উদ্ধার হয়েছিল ৯টি এবং জুলাইতে ৭টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তদন্ত ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালের যে সমস্ত জায়গা সাধারণত সাধারণ মানুষের নজরদারির বাইরে থাকে—যেমন নির্জন গলি, অন্ধকারাচ্ছন্ন কোণ, যেসব স্থানে মানুষের আনাগোনা কম, সেসব স্থান থেকেই এই মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

তিন মাসে ২৫টির বেশি অজ্ঞাত মরদেহ পাওয়ার কথা জানিয়ে হাসপাতালের একজন কর্মী বলেন, যেসব মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে সেসব মরদেহ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেসব স্থান থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে, সেসব স্থান মানুষের নজরের বাইরেই থাকে। সেজন্য কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা জানা সহজ নয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ কমিশনার নিয়াজ মেহেদি জানান, সব মৃত্যুরই কারণ উদঘাটন করে নিহতদের স্বজনদের খবর দেওয়ার দায়িত্ব পালন করে থাকে পুলিশ। অপমৃত্যু হলে পুলিশ তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম সোহাগ জানান, হাসপাতালের যে বাহিনী আছে তাদের বা একটি বাহিনীকে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। যেহেতু এটা একটি স্পর্শকাতর এলাকা, এখানে বিভিন্ন জায়গা থেকে মরদেগুলো আসে।

আইএমএফের সবুজ সংকেত পেলেই নবম পে স্কেল, সিদ্ধান্ত অক্টোবরে

অনলাইন ডেস্ক
আইএমএফের সবুজ সংকেত পেলেই নবম পে স্কেল, সিদ্ধান্ত অক্টোবরে

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে চলমান ঋণ কর্মসূচির আলোচনা শেষ হওয়ার পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে স্কেল ঘোষণার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে সরকার। আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি আইএমএফ-সরকার বৈঠকের ফলাফলের ওপরই অনেকটা নির্ভর করছে নতুন বেতন কাঠামোর ভবিষ্যৎ।

টিবিএস এক প্রতিবেদনে জানায়, রাজস্ব আহরণের দুর্বল অবস্থা এবং ব্যয় বৃদ্ধির ঝুঁকি বিবেচনায় আইএমএফ সরকারকে অন্তত দুই বছর নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন স্থগিত রাখার পরামর্শ দিয়েছে। এ কারণে সরকারও বিষয়টি নিয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।

গত ২৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে রাজস্ব আদায়, সরকারি ব্যয়, নতুন পে স্কেলের সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাব এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত অর্থের বিষয়টি তুলে ধরেন। পরে প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবটি আরও বিশদভাবে মূল্যায়নের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক জ্বালানির মূল্য, গ্যাস সরবরাহের সম্ভাব্য চাপ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে বলা হয়।

সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর ব্যাংককে অনুষ্ঠেয় বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বার্ষিক সভার ফাঁকে বাংলাদেশের সঙ্গে আইএমএফের চূড়ান্ত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকেই অনুন্নয়ন ব্যয়, বিশেষ করে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে সংস্থাটির অবস্থান স্পষ্ট হতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, চলতি মাসে বাংলাদেশ সফরকারী আইএমএফ প্রতিনিধিদল অর্থ বিভাগের সঙ্গে বেতন ও ভাতা বাজেট নিয়ে আলোচনা করেছে। তাদের পর্যবেক্ষণ, বর্তমান রাজস্ব সক্ষমতা বড় পরিসরে সরকারি বেতন বৃদ্ধি বহনের জন্য যথেষ্ট নয়।

আইএমএফের মতে, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ভর্তুকি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে সরকারের ব্যয় দ্রুত বাড়ছে। কিন্তু সেই অনুপাতে রাজস্ব আয় বাড়ছে না। উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং সীমিত আর্থিক সক্ষমতার মধ্যে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

এদিকে মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বাধীন ১০ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন ২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনা করে সংশোধিত একটি কাঠামো প্রস্তুত করেছে। প্রস্তাবটি ইতিমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।

সরকারের একাধিক সূত্র জানায়, আর্থিক চাপ কমাতে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি অথবা বিকল্প বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়েও আলোচনা চলছে। অক্টোবরের আইএমএফ বৈঠকের আগেই এ বিষয়ে কৌশল চূড়ান্ত হতে পারে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি প্রতিবেদন জমা দেয়। কমিশন সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ও ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করে। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশে উন্নীত করা, যাতায়াত ভাতা সংশোধন এবং অন্যান্য ভাতা পুনর্বিন্যাসের সুপারিশও করা হয়। এসব সুপারিশ বাস্তবায়নে বছরে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথা জানান। এ লক্ষ্যে জনপ্রশাসন খাতে অতিরিক্ত ৫৪ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা সরকারি চাকরিজীবী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও পেনশনভোগীদের সম্ভাব্য নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, ২০১৫ সালের পর সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন পুনর্নির্ধারণ না হওয়ায় মূল্যস্ফীতির কারণে তাদের প্রকৃত আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে বলেছেন, রাজস্ব আহরণে উল্লেখযোগ্য উন্নতি ছাড়া নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করলে সরকারের ঋণনির্ভরতা বাড়তে পারে। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) মনে করে, এতে বাজেট ঘাটতি ও সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আমিরাতে প্রবাসীদের ভিসা বাতিল নিয়ে যা জানাল দূতাবাস

অনলাইন ডেস্ক
আমিরাতে প্রবাসীদের ভিসা বাতিল নিয়ে যা জানাল দূতাবাস

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভিসা বাতিলের কারণ খুঁজছে আবুধাবির বাংলাদেশ দূতাবাস। সোমবার (২৮ জুলাই) দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, অনেক বাংলাদেশি ভাই-বোন, যারা ছুটিতে বা অন্য কোনো কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাইরে আছেন, হঠাৎ করে কোনো কারণ উল্লেখ ছাড়াই তাদের ভিসা বাতিল হয়ে যাচ্ছে। এতে আমিরাতে রেসিডেন্সি আছে এমন প্রবাসীদের মাঝে অনেক উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।

প্রবাসীদের উদ্দেশে বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে বাংলাদেশ দূতাবাস এই বিষয়ে এরই মধ্যেই কাজ করছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কূটনৈতিক চ্যানেলে যোগাযোগের মাধ্যমে এ বিষয়ে সঠিক তথ্য ও দিকনির্দেশনা পাওয়ার চেষ্টা আমরা অব্যাহত রেখেছি।

এটি কি কোনো টেকনিক্যাল ত্রুটি অথবা বিশেষ কোনো কারণে ঘটছে কি না, সেটি জানার ও বোঝার জন্য আমরা প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।

আমরা আপনাদের আরো আশ্বস্ত করতে চাই যে বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন পর্যায়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সবাই এই বিষয়ে অবগত ও নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখছেন।

দূতাবাস সঠিক ও নির্ভুল তথ্য পাওয়া মাত্রই সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে আপনাদের জানাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, একটি বিষয়ে আপনাদের মনোযোগ আকর্ষণ করছি। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের লোগো, সরকারি প্রতীক ও বাংলাদেশের পতাকা, দূতাবাসের ইমেইল আইডি ব্যবহার করে বিভিন্নজন কিছু অসত্য, অসম্পূর্ণ তথ্য ও গুজব ছড়াচ্ছেন; অনেকেই আবার তা না বুঝে শেয়ার দিচ্ছেন। এসব বিষয় থেকে দূরে থাকুন। সচেতন ও দায়িত্বশীল প্রবাসী হিসেবে, বাংলাদেশ ও আমিরাতের সব ধরনের আইন-কানুন মেনে চলুন ও একমাত্র অফিশিয়াল সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ওপর আস্থা রাখুন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক আজ

অনলাইন ডেস্ক
ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক আজ

জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বৈঠক করবেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বেলায় ১১টায় এ বৈঠকের কথা রয়েছে।

এরআগে সোমবার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পরিচালক (গণসংযোগ-১) মো. মনির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দেশের ২৩-তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে কমিশনের এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে শুক্রবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। ওই দিন দুপুরে তিনি তার পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকার বরাবর জমা দেন। সংবিধান ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বরাবর আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র পাঠানো হয়।

হাসপাতাল ডেঙ্গু রোগীতে ভরে গেছে, এক দিনে সর্বোচ্চ ভর্তি ৮২০ | কালের কণ্ঠ