• ই-পেপার

মৌসুম শুরুর আগেই মহাবিপদে রোনালদোর ক্লাব, ঋণের বোঝায় বন্ধ দলবদল

‘আনফিট’ বুমরাহসহ চমক রেখে শ্রীলঙ্কা টেস্টের দল ঘোষণা ভারতের

ক্রীড়া ডেস্ক
‘আনফিট’ বুমরাহসহ চমক রেখে শ্রীলঙ্কা টেস্টের দল ঘোষণা ভারতের
সংগৃহীত ছবি

সাম্প্রতিক সময়ের চোট-আঘাতের মিছিলের মধ্যেই শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য দুই ম্যাচের টেস্ট দল ঘোষণা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (বিসিসিআই)। ঘোষিত এই স্কোয়াডে নাম রয়েছে তারকা পেসার জশপ্রীত বুমরাহের, তবে চূড়ান্ত লড়াইয়ে নামার আগে তাকে পার হতে হবে ফিটনেস পরীক্ষার কঠিন বাধা। অন্যদিকে দীর্ঘ চোট কাটিয়ে আবারও লাল বলের ক্রিকেটে ফিরেছেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজা। তবে ইনজুরির কারণে দলের বাইরেই থেকে যেতে হয়েছে নীতীশ রেড্ডি ও হর্ষিত রানার মতো তরুণদের।

আগামী ১৫ আগস্ট গল-এ শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। এরপর ২৩ আগস্ট কলম্বোয় দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে মাঠে নামবে দুই দল। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার দৌড়ে টিকে থাকতে হলে শ্রীলঙ্কার মাটিতে শুভমান গিলের দলের সামনে সিরিজ জয়ের বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার সকালে স্কোয়াড প্রকাশের আগে ক্রিকেটপাড়ায় সবচেয়ে বড় কৌতূহল ছিল জশপ্রীত বুমরাহকে নিয়ে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী শেষ ম্যাচে বাঁ হাঁটুতে চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছিলেন এই স্পিয়ারহেড। তবে সিরিজের আরও তিন সপ্তাহ বাকি থাকায় তাকে দলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই। মেডিকেল টিমের অধীনে তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছে এবং নির্ধারিত সময়ে ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সাপেক্ষেই ম্যাচ খেলার সবুজ সংকেত পাবেন তিনি।

শ্রীলঙ্কার স্পিন-সহায়ক কন্ডিশনের কথা মাথায় রেখে রবীন্দ্র জাদেজার প্রত্যাবর্তনকে ভারতের বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত জানুয়ারিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডের পর চোটের কারণে জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন এই অলরাউন্ডার। এছাড়া ঘরোয়া ক্রিকেটে মধ্যপ্রদেশের হয়ে ধারাবাহিকভাবে ১৩১টি উইকেট নেওয়া স্পিনার সারাংশ জৈনকে প্রথমবার টেস্ট স্কোয়াডে ডেকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। সাই সুদর্শনকেও দলে রাখা হলেও তাকে বুমরাহের মতো ফিটনেস টেস্ট উৎরাতে হবে।

সিরিজের আনুষ্ঠানিক লড়াই শুরু হওয়ার আগে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে একটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে ভারত।

শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতের টেস্ট স্কোয়াড:
শুভমান গিল (অধিনায়ক), কেএল রাহুল (সহ-অধিনায়ক), যশস্বী জয়সওয়াল, ঋষভ পন্থ (উইকেটরক্ষক), দেবদত্ত পাড়িক্কল, সাই সুদর্শন, ধ্রুব জুরেল (উইকেটরক্ষক), রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদব, মানব সুথার, সারাংশ জৈন, জশপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সিরাজ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ও গুর্নুর ব্রার।

‘স্পেনই পাওয়ার যোগ্য ছিল’: ষড়যন্ত্রতত্ত্ব নিয়ে আর্জেন্টিনা বিশ্লেষকের অকপট স্বীকারোক্তি

ক্রীড়া ডেস্ক
‘স্পেনই পাওয়ার যোগ্য ছিল’: ষড়যন্ত্রতত্ত্ব নিয়ে আর্জেন্টিনা বিশ্লেষকের অকপট স্বীকারোক্তি
সংগৃহীত ছবি

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে ঘুরেফিরে নানা ধরনের ‘কনস্পিরেসি থিওরি’ বা ষড়যন্ত্রের জল্পনা-কল্পনা দেখা গেলেও তা এক তুড়িতে উড়িয়ে দিলেন আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের প্রধান ভিডিও বিশ্লেষক মাতিয়াস মান্না। কোনো অজুহাত বা গুঞ্জন না দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—ফাইনালে আর্জেন্টিনা নয়, বরং শিরোপা পাওয়ার যোগ্য দল হিসেবেই জিতেছিল স্পেন। তার এই মন্তব্য মূলত কোচ লিওনেল স্কালোনি এবং সহকারী কোচ রবের্তো আয়ালার আগের অবস্থানেরই প্রতিধ্বনি।

‘টাইসি স্পোর্টস’-এর বরাত দিয়ে ‘উইয়েল্তা ই মেদিয়া’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মান্না জানান, তিনি ফাইনাল ম্যাচটি বেশ কয়েকবার নতুন করে বিশ্লেষণ করেছেন। নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার পর তার মনে হয়েছে, স্প্যানিশ দলটি মাঠের পারফরম্যান্সে অনেক এগিয়ে ছিল।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মান্না বলেন, ‘আমি ফাইনাল খেলাটি আরো দুই-তিনবার দেখেছি। ২০২২ সালেও আমার এমন হয়েছিল। সেবারও অতিরিক্ত সময়ের খেলা পুনরায় দেখিনি, এবারও দেখিনি। কারণ অতিরিক্ত সময়ে ছক বা কৌশলের চেয়ে মানসিক আবেগটাই বেশি কাজ করে। আমি তো মূলত টেকনিক্যাল বিষয়গুলোই খোঁজার চেষ্টা করি। সবকিছু বিশ্লেষণ করে বলতে পারি, স্পেন সত্যিই আমাদের চেয়ে অনেক বেশি ভালো খেলেছে।’

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর সেই ফাইনালে নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় ম্যাচ। সেখানে ১০৬ মিনিটে বদলি নামা ফেরান তোরেসের দুর্দান্ত ভলিতে ১-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে দে লা ফুয়েন্তের স্পেন। এর ঠিক কিছুক্ষণ আগেই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে এনজো ফার্নান্দেজ মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয়েছিল আর্জেন্টিনা। এই ঐতিহাসিক জয়ের মাধ্যমে মাত্র চার বছরের ব্যবধানে নেশনস লিগ, ইউরো এবং বিশ্বকাপের মতো ফুটবলের তিন শ্রেষ্ঠ মুকুট জয়ের এক বিরল রেকর্ড গড়ে স্পেন।

স্পেনকে যোগ্য বিজয়ী মেনে নিলেও স্কালোনির অধীনে আর্জেন্টিনা যে নিজস্ব ফুটবল ঐতিহ্য ধরে রাখতে পেরেছে, তা নিয়েও গর্ববোধ করেন এই বিশ্লেষক। তিনি বলেন, ‘আর্জেন্টাইন ফুটবলের একটা আলাদা পরিচয় আর খেলার ধরন আছে—পাসের পর পাস সাজিয়ে আক্রমণে ওঠা। আমি আশা করি, আগামী ১৫ বছর পরও আমাদের দল এই স্টাইলেই খেলবে। এমনকি আমাদের বয়সভিত্তিক দলগুলোর তরুণরাও এখন এই একই ধারায় ফুটবল খেলছে।’

বিশ্বকাপ অভিযানের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে মান্না কোচিং স্টাফ ও খেলোয়াড়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি যোগ করেন, ‘কৃতজ্ঞতা জানানোর সেরা উপায় হলো নিজের সেরাটা দিয়ে কাজ করা। স্কালোনির নেতৃত্বে পুরো টিম তা-ই করেছে। আমাদের ফুটবলাররা সত্যিই এক দারুণ পরিবারে পরিণত হয়েছিল।’

অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাইনাল নিয়ে ছড়ানো নানা বিতর্ক নিয়ে মান্না সমর্থকদের বাস্তববাদী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘হারের পর সবসময়ই এমন কিছু সন্দেহ বা কানাঘুষা তৈরি হয়। বিশেষ করে আজকের সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে সবকিছু ক্যামেরাবন্দি থাকায় মানুষ কথা থেকে কথা বানায়। তবে সত্য এটাই—মাঠে যা ঘটেছে, তা বাস্তব। আমাদের উচিত যে দল ভালো খেলে জিতেছে, তাদের অভিনন্দন জানিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া।’ 
 

মাঠ থেকে পর্দায়

অভিনয়ে অভিষেক হচ্ছে রোনালদোর

ক্রীড়া ডেস্ক
অভিনয়ে অভিষেক হচ্ছে রোনালদোর
শুটিং সেটে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ছবি: এআই দিয়ে বানানো

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবার মাঠের বাইরে নতুন এক চ্যালেঞ্জ নিতে যাচ্ছেন। প্রথমবারের মতো একটি টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করবেন রোনালদো। শুধু তাই নয়, নাটকে তিনি নির্বাহী প্রযোজক হিসেবেও কাজ করবেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান জানিয়েছে, নতুন এই ধারাবাহিক নাটকের নাম Day 1s। এটি যুক্তরাজ্যের ফুটবল জগতকে ঘিরে নির্মিত একটি কল্পকাহিনি, যেখানে একজন প্রভাবশালী ফুটবল এজেন্টের জীবন ও পেশাগত নানা দিক তুলে ধরা হবে। 

ফুটবল এজেন্টের চরিত্রে অভিনয় করবেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ অভিনেতা ড্যামিয়ান লুইস, যিনি হোমল্যান্ড এবং বিলিয়নস নামের টেলিভিশন সিরিজে অভিনয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।

নাটকটির ধারণা দিয়েছেন ফুটবল এজেন্ট ড্যারেন ডেইন। এটি নির্মাণ করছেন বিখ্যাত পরিচালক ম্যাথু ভন, যিনি কিংসম্যান চলচ্চিত্রের জন্য পরিচিত। রোনালদো ও ম্যাথু ভনের যৌথ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইউআর-মার্ভ স্টুডিওসের এটি প্রথম টেলিভিশন সিরিজ।

এই সিরিজে রোনালদোর সঙ্গে আরো থাকছেন ফ্রান্সের কিংবদন্তি ফুটবলার থিয়েরি অঁরি। এ ছাড়া ব্রিটিশ র‌্যাপার ডেভ ও নবাগত অভিনেত্রী কার্লোটা বানাটও অভিনয় করবেন। এরই মধ্যে লন্ডনে নাটকটির শুটিং শুরু হয়েছে।

দ্য সানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখনো কোনো স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নাটকটির সম্প্রচার স্বত্ব কিনেনি। তবে বড় বড় স্ট্রিমিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এ নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, এর সঙ্গে ফুটবল ও বিনোদন জগতের একাধিক তারকা যুক্ত।

২০২৬ বিশ্বকাপ চলাকালীনই রোনালদো ঘোষণা দিয়েছিলেন, সেটিই তার শেষ বিশ্বকাপ। শোনা যাচ্ছে, পর্তুগালের জার্সিতে বিদায়ের দিনক্ষণও নাকি ঠিক করে ফেলেছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা। 

আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর লিসবনে ওয়েলসের বিপক্ষে উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচ শেষে জাতীয় দলের জার্সি চিরতরে তুলে রাখতে পারেন রোনালদো। তবে আল নাসরের হয়ে ক্লাব ফুটবল চালিয়ে যাবেন। ফুটবলীয় কর্মব্যস্ততা কমে গেলে বিনোদন অঙ্গনে নিজের উপস্থিতি আরো বাড়াতে পারেন রোনালদো।  

দলবদল নিয়ে খেপেছেন আর্জেন্টাইন তারকা, বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত

ক্রীড়া ডেস্ক
দলবদল নিয়ে খেপেছেন আর্জেন্টাইন তারকা, বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত

গ্রীষ্মকালীন দলবদলের আর মাত্র দিনচারেক বাকি। ঠিক এই মুহূর্তে স্প্যানিশ ফুটবলে চরম নাটকীয় রূপ নিয়েছে হুলিয়ান আলভারেজের ট্রান্সফার ইস্যু। শৈশবের স্বপ্নের ক্লাব বার্সেলোনায় পাড়ি জমাতে মুখিয়ে আছেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড, তবে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তার বর্তমান ক্লাব অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ। ১০০ মিলিয়ন ইউরোর বড় প্রস্তাব পাওয়ার পরও সাড়া না দিয়ে উল্টো বার্সার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন অ্যাতলেতিকো প্রেসিডেন্ট এনরিকে সেরেজো। ক্লাবের এমন আচরণে অসন্তুষ্ট আলভারেজ এবার নিজেই প্রকাশ্যে মুখ খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

স্প্যানিশ প্রভাবশালী ক্রীড়া মাধ্যম ‘স্পোর্ট’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্টের শুরুতেই নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করতে পারেন এই বিশ্বজয়ী তারকা। অ্যাতলেতিকোর সঙ্গে ২০৩১ সাল পর্যন্ত চুক্তি থাকলেও এবং বাই-আউট ক্লজ ৫০০ মিলিয়ন ইউরো হওয়া সত্ত্বেও আলভারেজকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বড় কোনো ক্লাব থেকে ভালো প্রস্তাব পেলে আলোচনার টেবিলে বসবে কর্তৃপক্ষ। তবে বার্সেলোনার মতো ক্লাব মোটা অঙ্কের অফার নিয়ে আসার পরও ক্লাবের টালবাহানায় ক্ষুব্ধ আলভারেজ। 

নিজের অবস্থান একেবারেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, দলবদল করলে সেটা শুধুই বার্সেলোনাতে। শৈশব থেকে বুকে লালন করা সেই স্বপ্নপূরণে প্রয়োজনে ক্লাবের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতেও পিছপা হবেন না তিনি। বিশ্বকাপ চলাকালীনও নিজের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন আলভারেজ, ‘ক্লাব কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। আমি মনে করি, এই মুহূর্তে দলবদল সবার জন্যই ভালো এবং আমি আমার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই।’

পিএসজি বা আর্সেনালের মতো ক্লাবগুলোর আগ্রহ থাকলেও আলভারেজের মন পচে আছে ন্যু ক্যাম্পেই। অন্যদিকে, আতলেতিকো তাদের এই ‘সোনার ডিম পাড়া হাঁসকে’ কিছুতেই ছাড়তে নারাজ। বিশেষ করে বার্সেলোনার কাছে বেচতে তাদের চরম আপত্তি।

বার্সেলোনা কোচিং স্টাফও আলভারেজকে আক্রমণভাগের আদর্শ সমাধান হিসেবেই দেখছেন। তবে ক্লাবের আর্থিক হিসাব-নিকাশ ও অ্যাতলেতিকোর কঠোর অবস্থানের কারণে বার্সা এখন ‘ধীরচলো’ নীতি গ্রহণ করেছে। তাদের সোজা কথা, বরফ গলাতে হলে উদ্যোগটা আলভারেজকেই নিতে হবে।