• ই-পেপার

যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন চিফ হুইপ

পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩ মাসে গ্রেপ্তার ৩৯ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩ মাসে গ্রেপ্তার ৩৯ হাজার

চলমান বিশেষ অভিযানে গত ১ মে থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থান অভিযান চালিয়ে ৩৯ হাজার ২৬৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে করেছে পুলিশ। এছাড়া, অন্যান্য মামলা ও অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ৭২২ জন। বিশেষ অভিযান ও অন্যান্য মামলায় মোট গ্রেপ্তার হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৮৯ জন।

মঙ্গলবার পুলিশের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

এতে আরো জানানো হয়, পুলিশ এ সময়ে ৩২৫টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২ হাজার ৮০২ রাউন্ড গুলি ও কার্তুজ, ১০৩টি ম্যাগাজিন, ৪৬টি ককটেল, সোয়া দুই কেজি গান পাউডার, ৬৩৮টি দেশীয় অস্ত্র, ১৮টি অস্ত্রের যন্ত্রাংশ, ১৭টি অস্ত্র ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম এবং ১০ হাজার ৩০০টি চকলেট বাজি উদ্ধার করেছে।

উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে রয়েছে পিস্তল ১০১টি, শুটারগান ৩৫টি, এলজি ৩৮টি, রিভলবার ১৯টি, বন্দুক ৯২টি, পাইপগান ১৫টি, শটগান ৭টি, রাইফেল ৩টি, এসএমজি ২টি, এয়ারগান ১২টি ও পেনগান ১টি।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এছাড়া, পুলিশ ৯১ লাখ ২২ হাজার ৯৯৬ ইয়াবা, ৯ হাজার ৮০ পুরিয়া হেরোইন, ৪ হাজার ৯৫ বোতল ফেনসিডিল, ৮ হাজার ২১১ বোতল বিদেশি মদ, ৪২৩ বোতল দেশি মদ, ৮ হাজার ৫৫২ পুরিয়া গাঁজা এবং মাদক ও মাদক জাতীয় অন্যান্য দ্রব্য উদ্ধার করেছে। এসব মাদক দ্রব্য উদ্ধারের ঘটনায় ১৭ হাজার ৬৬টি মামলা দায়ের ও ২৪ হাজার ৮২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদন

সাত বছরে ৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছে সড়কে

অনলাইন ডেস্ক
সাত বছরে ৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছে সড়কে
সংগৃহীত ছবি

দেশে ২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে সাত বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৩৬৪ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মোট নিহত ৪৮ হাজার ৭১৩ জনের মধ্যে শিক্ষার্থীর হার ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুল ও মাদরাসার শিক্ষার্থী ৩ হাজার ৩২৮ জন এবং ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ৪ হাজার ৩৬ জন।

তথ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের চালক বা আরোহী হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৩ হাজার ৮৪১ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এছাড়া পথচারী হিসেবে ১ হাজার ৯২৩ জন, যানবাহনের যাত্রী হিসেবে ৯২৭ জন, বাইসাইকেল ও রিকশার আরোহী হিসেবে ৫১৯ জন এবং অটোরিকশার চাকায় ওড়না বা পোশাক পেঁচিয়ে ১৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সড়কভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, আঞ্চলিক সড়কে সবচেয়ে বেশি ২ হাজার ১৪৯ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এরপর গ্রামীণ সড়কে ১ হাজার ৯৪৭ জন, শহরের সড়কে ১ হাজার ৭৮৬ জন এবং মহাসড়কে ১ হাজার ৪৮২ জন নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, গত সাড়ে সাত বছরে অসাবধানতাবশত রেললাইন পারাপার কিংবা কানে হেডফোন ব্যবহার করে রেললাইন ধরে হাঁটার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে আরও ১ হাজার ২৩৭ জন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক ও অনিরাপদ যানবাহন, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতার অভাব, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের ঘাটতি, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, ট্রাফিক আইন না মানা এবং অসুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি শিক্ষার্থীদের প্রাণহানির অন্যতম কারণ।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে সিইসি

অনলাইন ডেস্ক
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে সিইসি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ একটি প্রতিনিধি দল।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের দপ্তরে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। সেই মোতাবেক ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে সিইসি ও অন্য কমিশনাররা সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন।


 
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে রোববার সিইসির কার্যালয়ে সব নির্বাচন কমিশনার ও জ্যেষ্ঠ সচিব বৈঠক করেন। সেখানে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আইন নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। এরপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তফসিল ঘোষণার পরবর্তী কার্যক্রম ঠিক করতে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করা হবে।

নিয়ম অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়। এ জন্য সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা তথা সংসদ সদস্যদের নাম ইসি সচিবালয়ে পাঠানো হবে। এর ভিত্তিতে ইসি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা করবে। এরপর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। 
 
এরআগে শুক্রবার বিকেলে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধানের ক্ষমতাবলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আর ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান আছে।

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করল চীনা দূতাবাস

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করল চীনা দূতাবাস

বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীদের জন্য চীনের ১৪০তম ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট ফেয়ারে (ক্যান্টন ফেয়ার) অংশগ্রহণের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকায় চীনা দূতাবাস।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ঢাকার চীনা দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত চীনের গুয়াংজুতে তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হবে ১৪০তম ক্যান্টন ফেয়ারের অনসাইট প্রদর্শনী। এতে অংশ নিতে আগ্রহী বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য বিশেষ ভিসা সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ক্যান্টন ফেয়ার ভিসার জন্য আবেদনকারীদের শুধু ১৪০তম ক্যান্টন ফেয়ারের অফিশিয়াল আমন্ত্রণপত্র জমা দিতে হবে।

এটিই হবে ভিসা আবেদনের একমাত্র বাধ্যতামূলক নথি। তবে ভিসা-প্রক্রিয়া সহজ করতে আবেদনকারীরা চাইলে অনলাইন আবেদনের সঙ্গে অতিরিক্ত সহায়ক নথি হিসেবে আগের ভিসা, ভ্রমণ রেকর্ড এবং কম্পানির গ্যারান্টি লেটার জমা দিতে পারবেন।

চীনা দূতাবাস জানিয়েছে, অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্যসংবলিত ভিসা আবেদন গ্রহণ করা হবে না এবং তা সংশোধনের জন্য ফেরত পাঠানো হতে পারে। ভ্রমণ পরিকল্পনায় জটিলতা এড়াতে আবেদনকারীদের অনলাইন ফর্ম যথাযথভাবে, সম্পূর্ণ ও নির্ভুল তথ্য দিয়ে পূরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো সতর্ক করে বলা হয়েছে, ভুয়া বা পরিবর্তিত আমন্ত্রণপত্র, মিথ্যা তথ্য কিংবা জাল নথি জমা দিলে ভিসা প্রত্যাখ্যান হতে পারে এবং ভবিষ্যতের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। আবেদনকারীদের নিজেদের ভিসা ফর্ম নিজেরাই পূরণ করার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।

দূতাবাস জানিয়েছে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ভিসা সেবা দেওয়ার জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়নি। ভিসার ধরন, মেয়াদ, অবস্থানের সময়সীমা ও প্রবেশের সংখ্যা সংশ্লিষ্ট নিয়ম এবং আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনা করে দূতাবাস নির্ধারণ করবে।

এ ছাড়া ‘নিশ্চিত ভিসা’, ‘ভিসা না হলে টাকা লাগবে না’, ‘ভেতরের যোগাযোগ’ বা ‘বিশেষ চ্যানেল’-এর মতো প্রতারণামূলক দাবির বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

অভিযোগ বা মতামত জানাতে আবেদনকারীরা যোগাযোগ করতে পারবেন-
ই-মেইল
[email protected]
[email protected]

এ ছাড়া ঢাকায় চীনা ভিসা আবেদন সেবা কেন্দ্রের হটলাইন :
(0088-02) 226603261
(কর্মদিবসে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত)