• ই-পেপার

জামিন মিলল ব্যারিস্টার মইনুলের

২৬ কার্যদিবসের বাজেট অধিবেশন সমাপ্ত

বাসস
২৬ কার্যদিবসের বাজেট অধিবেশন সমাপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শেষ হয়েছে।

বুধবার ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশন সমাপনী সংক্রান্ত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ঘোষণা পাঠের মাধ্যমে দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

এই অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট পাস হয়। ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর গঠিত বর্তমান বিএনপি সরকারের এটি প্রথম বাজেট।

গত ৭ জুন বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১১ জুন জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন।

গত ৭ জুন থেকে ২৬ কার্যদিবস অধিবেশন চলার পর আজ ১৫ জুলাই জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শেষ হয়। বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা ১৪টি কার্যদিবসে মোট ৪৮ ঘণ্টা ৫১ মিনিট স্থায়ী হয় যেন ৩১৬ জন সংসদ-সদস্য অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া ১০টি সরকারি বিল পাস হয়েছে। 

কার্যপ্রণালী-বিধির ৭১ বিধি অনুযায়ী ৭১৫টি নোটিশ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ২৪টি গৃহীত হয় এবং ২২টি নোটিশের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ৭১ (ক) বিধি অনুযায়ী ১২৫ টি দুই মিনিটের নোটিশ আলোচিত হয়েছে। ১৩১ বিধি অনুযায়ী ৪টি সিদ্ধান্ত প্রস্তাব আলোচনা ও নিষ্পত্তি হয়েছে। 

এই অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উত্তরদানের জন্য ২৭৮টি প্রশ্ন জমা পড়ে যার মধ্যে ৩৫টি প্রশ্নের উত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের জন্য ৫ হাজার ৩১টি প্রশ্ন জমা পড়ে এবং ৩ হাজার ৪৭৪টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। এ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিসহ মোট ১১টি কমিটি গঠিত হয়েছে এবং কার্য উপদেষ্টা কমিটি পুনর্গঠিত হয়েছে।

সরকারি চাকরিজীবীদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় নিয়ে বৈঠক আজ

অনলাইন ডেস্ক
সরকারি চাকরিজীবীদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় নিয়ে বৈঠক আজ

সুদমুক্ত ঋণে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য কেনা ব্যক্তিগত গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় অর্ধেকে নামিয়ে আনার প্রস্তাব ঘিরে প্রশাসনে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অর্থ বিভাগের জারি করা একটি পত্রের এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বৈঠকে বসছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

জানা গেছে, গত ৯ জুলাই অর্থ বিভাগ থেকে জারি করা এক পত্রে সুদমুক্ত ঋণে কেনা গাড়ির মাসিক রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ৫০ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়িসংক্রান্ত নীতিমালা, আদেশ বা নির্দেশনা জারির দায়িত্ব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের। সে বিবেচনায় অর্থ বিভাগের এমন পত্র জারির বৈধতা ও প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অর্থ বিভাগের পত্রে একাধিক স্থানে ‘প্রধানমন্ত্রী’ পদবি ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিয়েও প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চলছে।

প্রাধিকারপ্রাপ্ত বিভিন্ন গ্রেডের কর্মকর্তাদের মতে, দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে তারা একই বেতন কাঠামোর আওতায় দায়িত্ব পালন করছেন। এ অবস্থায় বিদ্যমান সুবিধা কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের ভাষ্য, সরকারি কোনো আর্থিক সুবিধা একবার চালুর পর তা কমিয়ে আনার নজির অতীতে খুব একটা নেই।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়িসংক্রান্ত যাবতীয় আদেশ-নির্দেশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকেই জারি করা হয়ে থাকে। অর্থ বিভাগ তাদের মতামত দিয়ে একটি পত্র জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। এ ধরনের নির্দেশনা জারির এখতিয়ার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের।’

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আজ বৈঠক হবে। সেখানে অর্থ বিভাগের মতামতসহ সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরে সেই সিদ্ধান্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও সিনিয়র সচিবকে অবহিত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় মতামত অর্থ বিভাগে পাঠানো হবে।’

মব সহিংসতায় ছয় মাসে নিহত ১৩৩

অনলাইন ডেস্ক
মব সহিংসতায় ছয় মাসে নিহত ১৩৩

ছয় মাসে সারা দেশে মব সহিংসতায় ১৩৩ জন নিহত ও ২৫৬ জন আহত হয়েছেন। এ সময় এ ধরনের ২৬১টি ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৫ জুলাই) হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

দেশের মূলধারার ১৬টি জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ, এইচআরএসএসের সংগৃহীত তথ্য ও ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং রিপোর্টের ভিত্তিতে ছয় মাসের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এসব তথ্য সংকলন করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, বাগ্‌বিতণ্ডা, আধিপত্য বিস্তার, ধর্মীয় অবমাননাসহ বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে এসব গণপিটুনি ও মব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের একই সময়ে এ ধরনের ১৪১টি ঘটনায় অন্তত ৬৭ জন নিহত ও ১১৯ জন আহত হয়েছিলেন।

এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক ও নির্বাচনী সহিংসতা, মব সহিংসতা, কারাগার ও হেফাজতে মৃত্যু, নারী ও শিশু নির্যাতন, সাংবাদিক ও শ্রমিক নির্যাতন, রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ সমাধান করা না হলে মানবাধিকার পরিস্থিতি আরো অবনতির দিকে যেতে পারে।’

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিগত ছয় মাসে সারা দেশে রাজনৈতিক ও নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় দলীয় কোন্দল ও অন্তর্কোন্দলে ৫৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সহিংসতার ঘটনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৫ হাজার ২৪৬ জনের বেশি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ আহত এবং হামলার শিকার হয়েছেন।

রাজনৈতিক পরিচয় হিসাবে নিহত ৫৬ জনের মধ্যে বিএনপির ৩৭ জন, শতকরা হিসাবে যা প্রায় ৬৬ শতাংশ, জামায়াতে ইসলামীর ছয়জন, যা ১১ শতাংশ এবং আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) তিনজন।

এ ছাড়া ৮৩০টি সহিংসতার ঘটনার ৬৭৩টিই ঘটেছে বিএনপির অন্তর্কোন্দল ও বিএনপির সঙ্গে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে; যা শতকরা হিসাবে ৮১ শতাংশ। প্রতিবেদনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতার তথ্যে বলা হয়, গত ছয় মাসে নির্বাচনকেন্দ্রিক ৩৯৬টি সহিংসতার ঘটনায় ১৩ জন নিহত ও ২ হাজার ৫৭৮ জন আহত হয়েছেন।

এ ছাড়া নির্বাচনপূর্ব ও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে ৬০০টির বেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বাড়িঘর ও নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।

রাজনৈতিক মামলা ও আটকের বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ছয় মাসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) এবং বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যকার সহিংসতায় এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ধারায় কমপক্ষে ১৪৪টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ৩ হাজার ২৬৮ জনের নাম উল্লেখ করে ও ২৪ হাজার ৫১৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ছয় মাসে ১ হাজার ৬২১ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে, যা ২০২৫ সালের একই সময়ে ১ হাজার ৪২ জন ছিল। অর্থাৎ, নির্যাতনের ঘটনা প্রায় ৫৬ শতাংশ বেড়েছে। এ বছর নির্যাতনের শিকার ১ হাজার ৬২১ জন নারী ও কন্যাশিশুর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৪০৪ জন; যাদের মধ্যে ২৩৮ জন (৫৯ শতাংশ) ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু ও কিশোরী। ৮৮ জন (২৭ শতাংশ) নারী ও কন্যাশিশু দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে এবং ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ১৭ জনকে।

যৌতুকের জন্য নির্যাতনের ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৯ জন ও আহত আটজন এবং তিনজন নারী আত্মহত্যা করেছেন। পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন ৩২০ জন, আহত হয়েছেন ২১১ জন এবং আত্মহত্যা করেছেন ১৪৭ জন নারী।

মত প্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ছয় মাসে ৪০টি সভা ও সমাবেশ আয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সরাসরি বা পরোক্ষভাবে বাধা দেয়। এতে ৩১১ জন ব্যক্তি আহত ও ৩৮ জন আটক হন, যাদের মধ্যে রাজনৈতিক কর্মী, শিক্ষার্থী, শ্রমিক ও সাধারণ পথচারীও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এই সময়ে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর বিভিন্ন ধারার অধীনে পৃথক ৩০টি মামলায় ৮১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪৪ জনকে।

সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনার তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ছয় মাসে ২০০টি হামলার ঘটনায় ৩৮৩ জন সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন ২৩৪ জন, লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন ৬০ জন ও হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন ৪৯ জন সাংবাদিক এবং ১১ জন সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে।

সংখ্যালঘু নির্যাতন ও হামলার ঘটনার উদ্বেগ জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছয় মাসে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ৫০টি হামলার ঘটনায় ৫৬ জন আহত হয়েছেন এবং ১৯টি মন্দির, ১৫টি প্রতিমা ও ৪৩টি বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

সীমান্তে হতাহত ও আটকের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে এইচআরএসএসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ছয় মাসে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ৩২টি হামলার ঘটনায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হামলায় ৯ জন নিহত ও ৩৫ জন আহত হয়েছেন, এর মধ্যে গুলিবিদ্ধ ১৪ জন। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে ২০টি সহিংসতার ঘটনায় একজন নিহত, পাঁচজন আহত ও পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন।

এ বিষয়ে সংস্থাটির পক্ষ থেকে উদ্বেগ জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজত, নির্যাতন, গুলিবর্ষণ ও কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রথম ছয় মাসে সারা দেশে কারাগারে কমপক্ষে ৫৮ জন আসামি মারা গেছেন। এর মধ্যে ১৫ জন আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের এবং একজন বিএনপির ও ৪২ জন সাধারণ কয়েদি।

জুলাইয়ের প্রথম ১৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫৪ কোটি ২০ লাখ ডলার

অনলাইন ডেস্ক
জুলাইয়ের প্রথম ১৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫৪ কোটি ২০ লাখ ডলার

জুলাইয়ের প্রথম ১৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের একই সময় দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১২৬ কোটি ৬০ লাখ (১ দশমিক ২৬৬ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, শুধু ১৪ জুলাই একদিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১১ কোটি ৫০ লাখ (১১৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার।

জামিন মিলল ব্যারিস্টার মইনুলের | কালের কণ্ঠ