• ই-পেপার

কোরআনে যেভাবে ভ্রাতৃত্বের কথা বারবার বলা হয়েছে

বন্যা কবলিত এলাকায় করণীয় তিনটি আমল

ইসলামী জীবন ডেস্ক
বন্যা কবলিত এলাকায় করণীয় তিনটি আমল
সংগৃহীত ছবি

বন্যা বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা প্রতিবছর মানুষের জীবনযাত্রা, সম্পদ ও পরিবেশের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। বন্যার কারণে বিশুদ্ধ পানির সংকট, খাদ্যাভাব, রোগব্যাধির বিস্তার এবং পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি দেখা দেয়।

ইসলাম ইবাদত-বন্দেগির পাশাপাশি মানুষের কল্যাণ, দুর্যোগ মোকাবেলা এবং পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করে। মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ ও হাদিসে বিপদগ্রস্ত মানুষের সহযোগিতা, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং বৃক্ষরোপণের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এগুলো বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

১. বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা : বন্যার সময় পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায় এবং বিশুদ্ধ পানির অভাবে মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ে। তাই এ সময়ে বিশুদ্ধ পানি বিতরণ, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট সরবরাহ এবং নিরাপদ পানির উৎস নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব। মহানবী (সা.) মদিনায় এসে মানুষের সুপেয় পানির সংকট দেখে ‘রুমা’ কূপটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নেন। যেমনটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) হিজরত করে মদিনায় আগমন করার পর দেখলেন যে সেখানে সুপেয় পানি পান করার ব্যবস্থা নেই।

এক ইহুদির ‘রুমা’ নামক একটি কূপ থাকলেও যার পানি অনেক চড়া মূল্যে বিক্রি করা হয়। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) কূপটি ব্যক্তিমালিকানা থেকে সরিয়ে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার ব্যবস্থা করলেন। তিনি ঘোষণা দিলেন ‘কে রুমা নামক কূপটি কিনে সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেবে? এবং এর বিনিময়ে জান্নাতে আরো উত্তম পুরস্কার লাভ করবে?’ এ কথা শুনে উসমান (রা.) এই কূপ খরিদ করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করলেন। (তিরমিজি, হাদিস : ৩৭০৩; মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ৫১১ ও ৫৫৫)

২. বানভাসি মানুষের সহযোগিতা : বানভাসি মানুষের সাহায্য-সহযোগিতা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মহৎ কাজ। প্রাকৃতিক দুর্যোগে অসংখ্য মানুষ ঘরবাড়ি, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করে। এ অবস্থায় তাদের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব এবং একটি বড় ইবাদত। অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসা মানুষদের প্রতি মহান আল্লাহ বিশেষ অনুগ্রহ ও সাহায্য বর্ষণ করেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যতক্ষণ একজন মানুষ অন্য মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত থাকবে, আল্লাহ তাআলাও তার কল্যাণে রত থাকবেন।’ (মুসলিম, হাদিস : ৬৭৪৬)

অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে আদম সন্তান! তুমি ব্যয় করো, আমিও তোমার প্রতি ব্যয় করব।’ (বুখারি, হাদিস : ৫৩৫২)।

৩. বৃক্ষরোপণ ও বনায়ন : বর্ষায় বৃক্ষরোপণ ও বনায়ন পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মানবকল্যাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। বৃক্ষ ও তরুলতা প্রকৃতির প্রাণ হিসেবে কাজ করে; এগুলো পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বায়ু বিশুদ্ধকরণ, মাটিক্ষয় রোধ, বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্ষাকালে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় গাছের চারা সহজে বেড়ে ওঠে। তাই এ সময়কে বৃক্ষরোপণের সবচেয়ে উপযুক্ত মৌসুম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশগত কাজ নয়; বরং এটি একটি সওয়াবপূর্ণ ইবাদতও বটে। একটি গাছ বহু বছর ধরে মানুষকে ফল, ছায়া ও অক্সিজেন প্রদান করে এবং অসংখ্য প্রাণীর আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে; তত দিন গাছ রোপণকারীর সওয়াবও চলমান থাকে। জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে মুসলমান কোনো বৃক্ষ রোপণ করে, তারপর তা থেকে কোনো মানুষ, পশু বা পাখি ভক্ষণ করে, এর বিনিময়ে কিয়ামতে তার জন্য একটি সদকার সওয়াব রয়েছে।’ (মুসলিম, হাদিস : ৪০৫৩)

পরিশেষে বলা যায়, বন্যা মোকাবেলায় বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা, বানভাসি মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসা এবং বৃক্ষরোপণ ও বনায়নের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা করা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ও মানবকল্যাণমূলক কাজ। এসব কাজ একদিকে সামাজিক দায়িত্ব, অন্যদিকে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও পরকালের পুরস্কার লাভের অন্যতম মাধ্যম। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে যেমন দুর্যোগের ক্ষতি কমানো সম্ভব হবে, তেমনি একটি মানবিক, কল্যাণমুখী ও পরিবেশবান্ধব সমাজ গঠন করা সহজ হবে।

স্রষ্টার অন্যতম মহা নিদর্শন হলো মানবদেহের হাড়

ইসলামী জীবন ডেস্ক
স্রষ্টার অন্যতম মহা নিদর্শন হলো মানবদেহের হাড়
সংগৃহীত ছবি

মানবদেহের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গই মহান আল্লাহর অসীম কুদরতের অনন্য নিদর্শন। কিন্তু আমরা সচরাচর এমন এক অমূল্য নিয়ামতের কথা খুব কমই ভাবি, যার ওপর দাঁড়িয়ে আছে আমাদের পুরো শরীরের কাঠামো—তা হলো হার বা হাড্ডি।

এটি শুধু শরীরের একটি অংশ নয়; বরং মানবজীবনের চলাফেরা, ভারসাম্য, শক্তি, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সুরক্ষা এবং দৈহিক সৌন্দর্যের অন্যতম ভিত্তি। মানুষ যতই আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে উন্নতি করুক না কেন, একটি জীবন্ত হাড় সৃষ্টি করার ক্ষমতা তার নেই। এ কারণেই পবিত্র কোরআন মানুষকে বারবার নিজের সৃষ্টির দিকে তাকাতে, চিন্তা করতে এবং স্রষ্টার মহিমা উপলব্ধি করতে আহবান জানিয়েছে।
কোরআনের আলোচনায় মানুষের হাড় শুধু একটি শারীরিক অঙ্গ নয়; বরং তা সৃষ্টি, পুনরুত্থান এবং আল্লাহর সীমাহীন ক্ষমতার জ্বলন্ত প্রমাণ। যে ব্যক্তি নিজের হাড়ের দিকে গভীরভাবে তাকায়, সে সহজেই উপলব্ধি করতে পারে—এমন নিখুঁত পরিকল্পনা ও সুসমন্বিত কাঠামো কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়; বরং সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান আল্লাহর অনুপম সৃষ্টি। মহান আল্লাহ মানুষের সৃষ্টির বিভিন্ন ধাপ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ‘অতঃপর আমি শুক্রবিন্দুকে জমাট রক্তে পরিণত করলাম, তারপর সেই জমাট রক্তকে মাংসপিণ্ডে পরিণত করলাম, এরপর সেই মাংসপিণ্ড থেকে হাড় সৃষ্টি করলাম, অতঃপর সেই হাড়কে মাংস দ্বারা আবৃত করলাম। তারপর তাকে অন্য এক সৃষ্টিরূপে গড়ে তুললাম। অতএব কতই না বরকতময় আল্লাহ, সর্বোত্তম সৃষ্টিকর্তা।’ (সুরা : মুমিনুন, আয়াত : ১৪)

এই আয়াতে মানবভ্রূণের বিকাশের যে ধারাবাহিকতা তুলে ধরা হয়েছে, তা আল্লাহর সৃষ্টিকৌশলের বিস্ময়কর নিদর্শন। মানুষের শরীরে শত শত হাড় এমনভাবে বিন্যস্ত যে এগুলো ছাড়া দাঁড়ানো, হাঁটা, দৌড়ানো কিংবা সামান্য নড়াচড়াও সম্ভব হতো না। অবিশ্বাসীরা একসময় প্রশ্ন তুলেছিল—মৃত্যুর পর মানুষের পচে-গলে যাওয়া হাড় আবার কিভাবে জীবিত হবে? তাদের এই সংশয়ের জবাবে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘সে আমার সম্পর্কে উপমা বর্ণনা করে, অথচ সে নিজের সৃষ্টি ভুলে গেছে। সে বলে, কে জীবিত করবে এই হাড়গুলোকে, যখন তা পচে যাবে? বলুন, যিনি প্রথমবার এগুলো সৃষ্টি করেছেন, তিনিই এগুলোকে পুনরায় জীবিত করবেন। তিনি প্রত্যেক সৃষ্টি সম্পর্কে সর্বজ্ঞ।’ (সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৭৮-৭৯)

এ আয়াত আমাদের শিক্ষা দেয়, প্রথমবার যিনি মানুষকে অস্তিত্ব দান করেছেন, তাঁর জন্য পুনরায় সৃষ্টি করা কোনো কঠিন বিষয় নয়। তাই হাড়ের পুনরুত্থান অস্বীকার করা মূলত আল্লাহর অসীম ক্ষমতাকে অস্বীকার করার শামিল। আল্লাহ তাআলা আরো বলেন, ‘মানুষ কি মনে করে, আমি তার হাড়গুলো একত্র করব না? অবশ্যই করব। বরং আমি তার আঙুলের অগ্রভাগ পর্যন্ত যথাযথভাবে পুনর্গঠন করতে সক্ষম।’ (সুরা : কিয়ামাহ, আয়াত : ৩-৪)

এখানে আঙুলের অগ্রভাগের উল্লেখ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতিটি মানুষের আঙুলের ছাপ যেমন স্বতন্ত্র, তেমনি আল্লাহ মানুষের প্রতিটি অঙ্গের সূক্ষ্মতম বৈশিষ্ট্য সম্পর্কেও পূর্ণ জ্ঞান রাখেন। কিয়ামতের দিন তিনি মানুষকে সম্পূর্ণ অবিকল অবস্থায় পুনরুত্থিত করবেন।

কোরআনে আরেকটি হৃদয়স্পর্শী ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহর এক বান্দা দীর্ঘ সময় মৃত্যুর মতো অবস্থায় থাকার পর পুনর্জীবিত হলে তাঁকে একটি গাধার হাড় দেখিয়ে আল্লাহ বলেন, ‘তুমি হাড়গুলোর দিকে তাকাও—আমি কিভাবে সেগুলো জোড়া লাগাই, তারপর সেগুলোকে মাংস দ্বারা আবৃত করি।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৫৯)

এ দৃশ্যের মাধ্যমে আল্লাহ মানুষকে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে বিচ্ছিন্ন ও ক্ষয়প্রাপ্ত হাড়কে পুনরায় পূর্ণাঙ্গ দেহে পরিণত করা তাঁর জন্য অত্যন্ত সহজ।

মানবদেহের হাড়ের গঠন যতই গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়, ততই স্পষ্ট হয় সৃষ্টিকর্তার প্রজ্ঞা। কোথাও শক্ত কাঠামো, কোথাও নমনীয় সংযোগ, কোথাও মজ্জা উৎপাদনের ব্যবস্থা, আবার কোথাও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রক্ষার জন্য বিশেষ আকৃতির হাড়—সব কিছু এক অসাধারণ পরিকল্পনার পরিচয় বহন করে। মাথার খুলি মস্তিষ্ককে রক্ষা করে, পাঁজরের হাড় হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসকে নিরাপত্তা দেয়, মেরুদণ্ড পুরো শরীরের ভার বহন করে এবং হাত-পায়ের হাড় মানুষকে চলাফেরা ও কর্মক্ষমতা দান করে। এ সবই আল্লাহর অসীম হিকমত ও কুদরতের বহিঃপ্রকাশ।

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ ‍জুলাই, ২০২৬

ইসলামী জীবন ডেস্ক
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ ‍জুলাই, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

আজ বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ, ১৪৩৩, ১ সফর, ১৪৪৮।
ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—

জোহরের সময় শুরু ১২টা ৮ মিনিটে।
আসরের সময় শুরু ৪টা ৪৩ মিনিটে।
মাগরিব ৬টা ৫২ মিনিটে।
এশার সময় শুরু ৮টা ১৬ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৩টা ৫৮ মিনিটে 
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ৪৯ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৫টা ১৯ মিনিটে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।

সফর মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ১২ আগস্ট আখেরি চাহার শোম্বা

অনলাইন ডেস্ক
সফর মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ১২ আগস্ট আখেরি চাহার শোম্বা
সংগৃহীত ছবি

দেশের আকাশে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র সফর মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে পবিত্র সফর মাস গণনা শুরু হবে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ১২ আগস্ট (বুধবার) পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা পালিত হবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সি আলাউদ্দিন আল আজাদ।

সভায় ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র সফর মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সহ বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

এদিন সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী ছাড়াও প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ছাদেক আহমদ, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের (স্পারসো) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. সাহেদুল ইসলাম, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত প্রশাসক মো. মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও সভায় অন্যদের মধ্যে সরকারি মাদরাসা-ই-আলিয়া ঢাকার অধ্যক্ষ অধ্যাপক ওবায়দুল হক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ডক্টর গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, ঢাকা রেসিন্ডেন্সিয়াল মডেল কলেজ কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মো. মহিউদ্দিন, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি শেখ নাঈম রেজওয়ান, লালবাগ শাহী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ নিয়ামতুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।