• ই-পেপার

দেশের রপ্তানির ১৭.৫১ শতাংশ এসেছে বেপজা থেকে

বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠান

সহজ হলো বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের সুযোগ

অনলাইন ডেস্ক
সহজ হলো বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের সুযোগ

বাংলাদেশে পরিচালিত শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের বিধান আরও সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নীতিমালার আওতায় বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং এর বাইরে পরিচালিত যোগ্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশে থাকা তাদের মূল কোম্পানি, সহযোগী প্রতিষ্ঠান বা শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে নির্ধারিত শর্তে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ গ্রহণ করতে পারবে। এর মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অর্থায়নে নমনীয়তা বাড়বে এবং শিল্প খাতে মূলধন প্রবাহ সহজ হবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

গতকাল এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে ইপিজেড, পিইপিজেড, অর্থনৈতিক অঞ্চল, হাইটেক পার্ক এবং এসব অঞ্চলের বাইরে পরিচালিত শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

সার্কুলার অনুযায়ী, বিশেষায়িত অঞ্চলের বাইরে পরিচালিত উৎপাদন ও সেবা খাতের বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বিদেশি মূল কোম্পানি, সহযোগী প্রতিষ্ঠান অথবা শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে স্বল্পমেয়াদি ঋণ নিতে পারবে। কার্যকরী মূলধনের জন্য সুদবিহীন ঋণ গ্রহণে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের প্রয়োজন হবে না। একই সঙ্গে সুদযুক্ত ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বার্ষিক অল-ইন-কস্ট ৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ধরনের ঋণের মূল অর্থ ও সুদ এককালীন (বুলেট) পরিশোধ করতে হবে এবং সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত রোলওভার করা যাবে। তবে এ ঋণকে মধ্যমেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি ঋণে রূপান্তর করা যাবে না। বিদেশি নিয়ন্ত্রিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও একই সুবিধা প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে প্রতিটি লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। মধ্যমেয়াদি (এক থেকে পাঁচ বছর) ঋণের অর্থ মূলধনি যন্ত্রপাতি, শিল্প সরঞ্জাম, বৈধ সেবা এবং অবকাঠামো নির্মাণে ব্যবহার করা যাবে। সুদবিহীন ঋণের সীমা সর্বোচ্চ ৫ কোটি মার্কিন ডলার এবং সুদযুক্ত ঋণের সীমা ৫০ লাখ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। সুদযুক্ত ঋণের ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ ব্যয় ৩ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে মধ্যমেয়াদি ঋণ দীর্ঘমেয়াদি ঋণে রূপান্তরের সুযোগ রাখা হয়েছে। নতুন নীতিমালায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রক তদারকির বিষয়েও বেশ কয়েকটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। সুদযুক্ত বৈদেশিক ঋণের ক্ষেত্রে ঋণ-ইকুইটি অনুপাত সর্বোচ্চ ৮০:২০ হতে হবে এবং ঋণগ্রহীতার বৈদেশিক দায় পরিশোধে সন্তোষজনক রেকর্ড থাকতে হবে।

স্বল্প সুদে অর্থায়নসহ ১০ দফা দাবি

টেক্সটাইল শিল্প বাঁচাতে গভর্নরের হস্তক্ষেপ চাইল বিটিএমএ

নিজস্ব প্রতিবেদক
টেক্সটাইল শিল্প বাঁচাতে গভর্নরের হস্তক্ষেপ চাইল বিটিএমএ

উচ্চ সুদহার, জ্বালানি সংকট, ডলারের অস্থিরতা এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির চাপে দেশের টেক্সটাইল শিল্প বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে। এ অবস্থায় শিল্প খাতকে টিকিয়ে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের হস্তক্ষেপ কামনা করে ১০ দফা দাবি উত্থাপন করেছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)।

বুধবার (১৫ জুলাই) গভর্নরের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে সংগঠনটি টেক্সটাইল খাতের বিভিন্ন সংকট তুলে ধরে জরুরি নীতিগত ও আর্থিক সহায়তা চেয়েছে।

চিঠিতে বিটিএমএ জানিয়েছে, দেশের সুতা, কাপড়, রং, প্রিন্টিং ও ফিনিশিং শিল্প ক্রমবর্ধমান আর্থিক চাপে পরিচালিত হচ্ছে। ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদ, কার্যকরী মূলধনের সংকট, গ্যাস ও বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য প্রতিযোগিতার কারণে অনেক কারখানা উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে। এতে নতুন বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হচ্ছে এবং শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে যাচ্ছে।

সংগঠনটি ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং বিশেষ পুনর্বাসন সুবিধা চালুর দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে শিল্পের আধুনিকায়ন, জ্বালানিসাশ্রয়ী প্রযুক্তি স্থাপন এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থার জন্য সহজ শর্তে অর্থায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে। সবুজ রূপান্তর তহবিলের আওতা বৃদ্ধি এবং শূন্য তরল বর্জ্য নিঃসরণ প্রযুক্তিতে বিনিয়োগে বিশেষ সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

বিটিএমএ ভারতের প্রযুক্তি উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আদলে বাংলাদেশেও একটি বিশেষ প্রযুক্তি উন্নয়ন তহবিল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। সংগঠনটির মতে, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে টেক্সটাইল শিল্পে দ্রুত প্রযুক্তি আধুনিকায়ন জরুরি।

চিঠিতে রপ্তানিকারকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল পুনর্বহাল এবং রপ্তানি আয় দেশে ফেরতের সময়সীমা আরো নমনীয় করার দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া ব্যাংকিং কার্যক্রমে বিদ্যমান বিভিন্ন জটিলতা, বিশেষ করে মেয়াদোত্তীর্ণ বিল ও বাণিজ্যিক নথিপত্র সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধান চাওয়া হয়েছে।

স্থানীয়ভাবে কাঁচামাল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য রপ্তানি-সমতুল্য সুবিধা আরো কার্যকর করার আহ্বান জানিয়ে বিটিএমএ বলেছে, শক্তিশালী পশ্চাৎমুখী শিল্পভিত্তি ছাড়া দেশের তৈরি পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা সম্ভব হবে না। সংগঠনটির মতে, টেক্সটাইল শিল্প দেশের রপ্তানি আয়, বিনিয়োগ এবং লাখো মানুষের কর্মসংস্থানের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। তাই শিল্পটির টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ সময়ের দাবি।

বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দামে বড় পতন

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দামে বড় পতন
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নতুন করে মূল্যস্ফীতির উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হারের ভবিষ্যৎ নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। এই দুইয়ের প্রভাবে বিশ্ববাজারে নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে পরিচিত সোনার বড় দরপতন হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেন শুরুর পর সোনার দাম কমেছে। অথচ এর আগের কার্যদিবসেই মূল্যবান এই ধাতুর দাম দুই শতাংশের বেশি বেড়েছিল। 

বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সুদের হার বেশি থাকলে সাধারণত বিনিয়োগকারীরা সোনার দিকে কম ঝুঁকেন। কারণ, সোনা বিনিয়োগ করলে সরাসরি কোনো লভ্যাংশ বা সুদ পাওয়া যায় না। ফলে সুদের হার বাড়ার আশঙ্কায় অবধারিতভাবেই সোনার দাম কমেছে।

বুধবার স্পট গোল্ডের দাম আউন্সপ্রতি শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে ৪ হাজার ২৫ দশমিক ১২ ডলারে নেমে আসে। পাশাপাশি আমেরিকার গোল্ড ফিউচার্সের (আগস্ট মাসে সরবরাহের চুক্তি) দাম ১ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৩০ দশমিক ৪০ ডলারে।

এর আগে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সোনার বাজারে বড় ধরনের সুসংবাদ এসেছিল। জুনে আমেরিকার ভোক্তা মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কমেছে—এমন তথ্য প্রকাশের পর মঙ্গলবার সোনার দাম আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ১০০ দশমিক ৪৯ ডলারে উঠেছিল। এটি ছিল গত দুই সপ্তাহের মধ্যে মূলবান ধাতুটির সর্বোচ্চ দাম।

তবে এই সুসংবাদ বেশি সময় স্থায়ী হতে দেয়নি তেলের বাজার। ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। ট্রাম্প ইরানের সব বন্দরে নৌ-অবরোধ আরোপ করেছেন। একই সঙ্গে তেহরান যদি পুনরায় আলোচনায় না বসে, তবে আগামী সপ্তাহে তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুগুলোতে আঘাত হানার হুমকি দিয়েছেন। এর ফলে টানা তিন কার্যদিবস ধরে তেলের দাম বেড়েই চলেছে।

বিশ্ববাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ওআন্ডা’র জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক কেলভিন অং বলেন, ‘বাজার এখন মূল্যস্ফীতির (সিপিআই) ইতিবাচক তথ্যের প্রভাব পেরিয়ে সামনের দিকে তাকাচ্ছে। কারণ, ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর অবরোধ বজায় রেখেছেন। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে এবং এর প্রত্যক্ষ নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সোনার ওপর।’

সাধারণত মূল্যস্ফীতি থেকে আর্থিক সুরক্ষা পাওয়ার জন্য মানুষ সোনা কিনে রাখেন। তবে সুদের হার বেশি থাকলে এই ধাতুর আকর্ষণ কমে যায়।

আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) শীর্ষ কর্মকর্তারা জুনের কম মূল্যস্ফীতির তথ্যকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এখনই সুদের হার কমানোর কোনো সম্ভাবনা নেই। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে—এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে তাদের আরও কিছুদিনের তথ্য পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

বুধবার রাতের দিকে আমেরিকার প্রডিউসার প্রাইস ইনডেক্স (পিপিআই) বা উৎপাদনকারী মূল্যসূচক প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই সূচক থেকে দেশটির আগামী দিনের ঋণনীতি ও সুদের হারের বিষয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন আগামী সেপ্টেম্বর মাসের বৈঠকে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ৫৮ শতাংশ। তেলের দাম বাড়ার আগে এই সম্ভাবনা ছিল ৭৬ শতাংশ। তবে ডিসেম্বরের বৈঠকে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা এখনো প্রায় ৮০ শতাংশে রয়ে গেছে।

বিশ্ববাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে আজ রুপার (স্পট সিলভার) দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি ৫৮ দশমিক ১৮ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬২৮ দশমিক ০৬ ডলারে। তবে কিছুটা ব্যতিক্রম ছিল প্যালাডিয়াম, এই ধাতুর দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩১১ দশমিক ৮৪ ডলারে।

আজকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার

অনলাইন ডেস্ক
আজকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে ওঠানামা করছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার।

বাজারে চাহিদামতো বৈদেশিক মুদ্রার জোগান থাকার পরও সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত বাস্তবায়ন করতে পর্যায়ক্রমে ডলারের দাম বাড়ানো ও টাকার মান কমানো হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে গত রবিবার দেশের আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে ডলারের দাম গড় হিসেবে ১৩ পয়সা ও সর্বোচ্চ হিসেবে ১৫ পয়সা বেড়েছে। 

আন্তঃব্যাংকে দাম বাড়ার কারণে গ্রাহকদের কাছে বিক্রির ক্ষেত্রেও ব্যাংকগুলো এর দাম বাড়িয়েছে। ফলে ব্যাংকগুলোতে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৯০ পয়সা দরে আমদানি খাতে ডলার বিক্রি হয়েছে। আগে সর্বোচ্চ দাম ছিল ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সা।

কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, গত দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে আন্তঃব্যাংকে ডলারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল।

দেশীয় বাজারে মার্কিন ডলারসহ আন্তর্জাতিক প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ওঠানামা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (১৫ জুলাই ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২৩ টাকা ০০ পয়সা
ইউরো : ১৪০ টাকা ৪৫ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৪ টাকা ৬৮ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৭ টাকা ৪৬ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৫ টাকা ৭৮ পয়সা
চাইনিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ১৫ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৫ টাকা ২২ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৭ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ১৫ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৬৪ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৭২ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৬ টাকা ৬৬ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৪৪ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। তবে আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়ন করতে গিয়ে গত কয়েকদিনে ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব মতে, গত কয়েকদিন ডলারের সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা থাকলেও সেটি ১২৩ টাকায় পৌঁছেছে। এ ছাড়া সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮৫ পয়সায়ও বিনিময় হচ্ছে। আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা অস্বস্তিদায়ক।