• ই-পেপার

মহাকাশ স্টেশন থেকে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরলেন ৩ নভোচারী

ডাইনোসরের যুগের সাপের জীবাশ্মে মিলল বিবর্তনের নতুন তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
ডাইনোসরের যুগের সাপের জীবাশ্মে মিলল বিবর্তনের নতুন তথ্য
ছবি : রয়টার্স

ডাইনোসরের যুগে বসবাস করা একটি প্রাচীন সাপের প্রায় সম্পূর্ণ জীবাশ্ম খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, এই আবিষ্কার সাপের বিবর্তন ও কিভাবে তারা আজকের রূপে এসেছে, সে সম্পর্কে নতুন তথ্য দেবে।

বুধবার (২৩ জুলাই) প্রকাশিত এক গবেষণার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

ব্রাজিলের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পাওয়া জীবাশ্মটি টামেতারা মিরিম নামে একটি সাপের। প্রায় ৭ কোটি ৫০ লাখ থেকে ৮ কোটি ৫০ লাখ বছর আগে, অর্থাৎ ক্রিটেশিয়াস যুগে এটি বাস করত। সাপটির দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ৪২ সেন্টিমিটার।

গবেষকদের মতে, এটি প্রাচীন সাপের সবচেয়ে ভালোভাবে সংরক্ষিত জীবাশ্মগুলোর একটি। জীবাশ্মটির খুলির বড় একটি অংশ অক্ষত থাকায় বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো এর মস্তিষ্কের গঠন পুনর্নির্মাণ করতে পেরেছেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, টামেতারা মিরিম মাটির নিচে গর্ত করে বসবাস করত। বর্তমানে প্রবাল সাপসহ (কোরাল স্নেক) কিছু সাপও একই ধরনের জীবনযাপন করে।

বিজ্ঞানীরা জানান, সাপের পূর্বপুরুষ ছিল টিকটিকি-জাতীয় প্রাণী। ধারণা করা হয়, প্রায় ১৭ কোটি বছর আগে জুরাসিক যুগে সাপের আবির্ভাব হয়েছিল। তবে সেই সময়ের জীবাশ্ম খুব কম পাওয়া যাওয়ায় তাদের বিবর্তনের ইতিহাস এত দিন পুরোপুরি জানা যায়নি।

গবেষণার প্রধান লেখক ও প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবর্তন জীববিজ্ঞানের অধ্যাপক তিয়াগো সিমোয়েস বলেন, এই জীবাশ্ম থেকে বোঝা যায়, প্রাচীন সাপের বিবর্তন সরল ছিল না। তারা ধীরে ধীরে বিভিন্ন পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেয় এবং তাদের স্নায়ুতন্ত্রও সময়ের সঙ্গে নানা ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়।

গবেষকদের ধারণা, টামেতারা মিরিম মূলত পোকামাকড় খেয়ে বেঁচে থাকত। তবে জীবাশ্মে দাঁত না থাকায় এটি বিষধর ছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বিজ্ঞানীদের মতে, এই আবিষ্কার শুধু সাপের নয়, বরং মেরুদণ্ডী প্রাণীর বিবর্তন বোঝার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্যান্ড ব্যাটারি চালু করল ফিনল্যান্ড

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্যান্ড ব্যাটারি চালু করল ফিনল্যান্ড
সংগৃহীত ছবি

নবায়নযোগ্য জ্বালানির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—সব সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন না হওয়া। সূর্য না থাকলে সৌরবিদ্যুৎ এবং বাতাস না থাকলে বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এই সমস্যার সমাধানে অভিনব প্রযুক্তি নিয়ে এসেছে ফিনল্যান্ড। দেশটির একটি ছোট শহরে চালু হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক ‘স্যান্ড ব্যাটারি’, যা বালুর মাধ্যমে তাপশক্তি সংরক্ষণ করে প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করা যায়।

শনিবার (২৫ জুলাই) সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ফিনল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের পোরনাইনেন শহরে নির্মিত এই স্যান্ড ব্যাটারিটি ১৩ মিটার উঁচু ও ১৫ মিটার চওড়া। এতে প্রায় ২ হাজার টন চূর্ণ সাবানপাথর ব্যবহার করা হয়েছে। এটি প্রায় ১০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টা তাপশক্তি সংরক্ষণ করতে পারে।

এই ব্যাটারির মাধ্যমে প্রায় ৫ হাজার বাসিন্দার গ্রীষ্মকালে প্রায় এক মাস এবং শীতকালে প্রায় এক সপ্তাহের গরমের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

প্রকল্পটি পরিচালনা করেছে পোলার নাইট এনার্জি, আর এটি ব্যবহার করছে স্থানীয় জেলা তাপ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান লভিসান ল্যাম্পো। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, এই প্রযুক্তি চালুর ফলে স্থানীয় হিটিং নেটওয়ার্কের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন প্রায় ৭০ শতাংশ কমেছে এবং কাঠের চিপসের ব্যবহার প্রায় ৬০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। যদিও জরুরি প্রয়োজনে আগের কাঠভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু রাখা হয়েছে।

কিভাবে কাজ করে?

স্যান্ড ব্যাটারি মূলত একটি বড় তাপ সংরক্ষণাগার। যখন সৌর বা বায়ুবিদ্যুৎ থেকে প্রচুর এবং তুলনামূলক সস্তা বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, তখন সেই বিদ্যুৎ দিয়ে বালুকে উচ্চ তাপমাত্রায় গরম করা হয়। বিশেষভাবে নিরোধকযুক্ত (ইনসুলেটেড) সাইলোতে সেই তাপ কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ ধরে সংরক্ষণ করা যায়। পরে প্রয়োজন অনুযায়ী সেই তাপ ব্যবহার করে পানি গরম করা হয় এবং শহরের জেলা হিটিং নেটওয়ার্কে সরবরাহ করা হয়।

পোলার নাইট এনার্জির প্রধান নির্বাহী টমি এরোনেন বলেন, ভবিষ্যতের নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবস্থায় বড় আকারের শক্তি সংরক্ষণ প্রযুক্তি প্রয়োজন হবে। তার মতে, স্যান্ড ব্যাটারির অন্যতম সুবিধা হলো এতে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির মতো বিরল খনিজ প্রয়োজন হয় না।

বিশ্বজুড়ে আগ্রহ

পোলার নাইট এনার্জির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিশ্বের প্রায় সব মহাদেশ থেকেই এই প্রযুক্তি নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে, বিশেষ করে যেসব অঞ্চল এখনো কয়লা ও তেলের ওপর নির্ভরশীল।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্বালানি ও জলবায়ু নীতির অধ্যাপক জ্যান রোজেনো বলেন, তাপ সংরক্ষণভিত্তিক এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে। কারণ এটি দীর্ঘ সময় শক্তি সংরক্ষণ করতে পারে এবং বিদ্যুৎ সস্তা থাকলে শক্তি জমিয়ে পরে প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করা যায়।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রযুক্তির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। যেমন, সংরক্ষিত তাপকে আবার বিদ্যুতে রূপান্তর করা তুলনামূলক কঠিন এবং এর শক্তি ঘনত্ব প্রচলিত রাসায়নিক ব্যাটারির তুলনায় কম।

তবুও নবায়নযোগ্য জ্বালানির অনিয়মিত উৎপাদনের সমস্যা কমাতে এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার হ্রাসে স্যান্ড ব্যাটারি ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন গবেষক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

নিজের এআই এজেন্টের হ্যাকিং টের পেতে ওপেনএআইয়ের এক সপ্তাহ

অনলাইন ডেস্ক
নিজের এআই এজেন্টের হ্যাকিং টের পেতে ওপেনএআইয়ের এক সপ্তাহ
ছবি : রয়টার্স

চ্যাটজিপিটির নির্মাতা ওপেনএআইয়ের একটি স্বয়ংক্রিয় এআই এজেন্ট নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হাগিং ফেসে কয়েক দিন ধরে হ্যাকিং চালিয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, ঘটনাটি ঘটার প্রায় এক সপ্তাহ পর ওপেনএআই বুঝতে পারে যে হ্যাকিংয়ের পেছনে তাদের নিজস্ব এআই এজেন্ট ছিল।
   
শনিবার (২৫ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

ওপেনএআইয়ের পরীক্ষামূলক পরিবেশ থেকে এআই এজেন্টটি ৯ জুলাইয়ের দিকে বের হওয়ার চেষ্টা করে। এরপর ১১ থেকে ১৩ জুলাইয়ের মধ্যে হাগিং ফেসের সিস্টেমে অনুপ্রবেশ চালায়।

হাগিং ফেসের সহপ্রতিষ্ঠাতা থমাস উলফ বলেন, হ্যাকিংয়ের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনার পর এফবিআইকে জানানো হয়। পরে ২০ জুলাইয়ের দিকে প্রথমবারের মতো ওপেনএআই ও হাগিং ফেস এ বিষয়ে যোগাযোগ করে। ২১ জুলাই ওপেনএআই প্রকাশ্যে স্বীকার করে যে তাদের একটি এআই এজেন্ট নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

ওপেনএআই এক বিবৃতিতে বলেছে, এটি এআই নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। প্রতিষ্ঠানটি বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং পরে বিস্তারিত প্রযুক্তিগত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। তবে রয়টার্সের প্রতিবেদনে কিছু তথ্য সঠিক নয় বলেও দাবি করেছে তারা, যদিও কোন তথ্য ভুল তা উল্লেখ করেনি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হ্যাকিংয়ের আগে থেকেই ওপেনএআইয়ের উন্নত এআই মডেলগুলোর কিছু অস্বাভাবিক আচরণ দেখা যাচ্ছিল। একটি এআই এজেন্ট ভবিষ্যতের এজেন্টগুলোর জন্য এমন কিছু নির্দেশনা রেখে যায়, যাতে ওপেনএআইয়ের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থেকে বের হওয়ার উপায় উল্লেখ ছিল। আগের কিছু পরীক্ষায় নজরদারি ব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনাও দেখা গেছে।

তবে এসব ঘটনার সঙ্গে হাগিং ফেসে হামলা চালানো এজেন্টটির সরাসরি সম্পর্ক ছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ঘটনা দেখিয়েছে যে স্বয়ংক্রিয় এআই এজেন্ট যত বেশি স্বাধীনভাবে কাজ করবে, ততই অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের ঝুঁকি বাড়বে। তাদের মতে, এমন প্রযুক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর নজরদারি ও সরকারি তদারকি প্রয়োজন।

এই ঘটনা ওপেনএআইয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে এমন সময়ে এটি ঘটল, যখন প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

চীনের এআই অগ্রগতিতে ‘ডিস্টিলেশন’ নিয়ে উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন ডেস্ক
চীনের এআই অগ্রগতিতে ‘ডিস্টিলেশন’ নিয়ে উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রের
ছবি : রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির জগতে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হলো ‘ডিস্টিলেশন’। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের মধ্যেও এটি নিয়ে তীব্র আলোচনা চলছে। বিশেষ করে চীনের স্টার্টআপ মুনশট এআই তাদের নতুন কিমি কে৩ (Kimi K3) মডেল উন্মুক্ত করার পর এই বিতর্ক আরও বেড়েছে।

শনিবার (২৫জুলাই) সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

ডিস্টিলেশন হলো এমন একটি পদ্ধতি, যেখানে একটি শক্তিশালী বা বড় এআই মডেলের দেওয়া উত্তর ও তথ্য ব্যবহার করে ছোট একটি মডেলকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এর ফলে কম খরচে এবং কম কম্পিউটিং শক্তি ব্যবহার করে ভালো মানের এআই তৈরি করা সম্ভব হয়। 

তবে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, চীনের কিছু প্রতিষ্ঠান এই পদ্ধতি ব্যবহার করে মার্কিন কোম্পানিগুলোর এআই প্রযুক্তির সুবিধা নিচ্ছে। হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা মাইকেল ক্রাটসিওস দাবি করেন, মুনশট এআই তাদের কিমি কে৩ মডেল তৈরিতে অ্যানথ্রপিকের ফেবল মডেলের তথ্য ব্যবহার করেছে। যদিও এ অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রকাশ্য প্রমাণ দেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে এনভিডিয়া, মাইক্রোসফট, মেটা, প্যালান্টিরসহ ২০টির বেশি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এক যৌথ চিঠিতে বলেছে, ডিস্টিলেশন এআই উন্নয়নের একটি স্বাভাবিক ও বহুল ব্যবহৃত প্রযুক্তি। তাদের মতে, এ ধরনের প্রযুক্তির ওপর আগেভাগে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করলে প্রতিযোগিতা কমবে এবং নতুন উদ্ভাবন অন্য দেশে চলে যেতে পারে। 

গুগলের এআই প্রধান জেফ ডিনও আগে বলেছিলেন, ডিস্টিলেশন ব্যবহার করে বড় মডেলের দক্ষতা ছোট মডেলে আনা সম্ভব হয়। এনভিডিয়াও তাদের কিছু এআই মডেল তৈরিতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে। 

তবে অ্যানথ্রপিকের অবস্থান ভিন্ন। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, চীনের কিছু কোম্পানি ভুয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে তাদের ক্লড মডেলের তথ্য বড় পরিসরে সংগ্রহ করেছে, যা মেধাস্বত্ব লঙ্ঘনের শামিল এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগের বিষয়। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিস্টিলেশন নিজে কোনো অবৈধ প্রযুক্তি নয়। তবে অনুমতি ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠানের উন্নত এআই মডেলের তথ্য ব্যবহার করা হলে তা মেধাস্বত্বের প্রশ্ন তুলতে পারে। ফলে এআই শিল্পে এই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিতর্ক আরো বাড়তে পারে।