• ই-পেপার

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একজন মানবিক প্রধানমন্ত্রী : ডিএনসিসি প্রশাসক

কুর্মিটোলা হাসপাতাল চত্বরে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ১

নিজস্ব প্রতিবেদক
কুর্মিটোলা হাসপাতাল চত্বরে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত ১
ফাইল ছবি

রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল চত্বরে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো কয়েকজন। রবিবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, বাসটি মহাখালী থেকে এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কুর্মিটোলা হাসপাতাল গেটসংলগ্ন গ্যাসের কন্ট্রোল রুমের ওয়ালে ধাক্কা মারে। এতে একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত হন কয়েকজন। তাদের উদ্ধার করে কুর্মিটোলা হাসপাতালেই ভর্তি করা হয়। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি জব্দ করা হয়েছে। হাসপাতাল গেটসংলগ্ন গ্যাসের কন্ট্রোল রুমটি ভেঙে গেছে।

এ বিষয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি খালিদ মনসুরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ট্রাফিকের সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। 

এ ছাড়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ক্যান্টনমেন্ট থানার ডিউটি অফিসার এসআই মানিক। 

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায় ৪০ মিনিট আগে খবর পেয়েছি। একজন মারা গেছেন। মৃতদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। তবে আহতের সংখ্যা জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তারা কাজ করছে।’

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদে যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে গণপূর্ত অধিদপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সময় উদ্যানের ভেতরে গড়ে ওঠা সব অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদ করে এলাকা পরিষ্কার করা হয়।

অভিযান চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা, গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা নগর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিএসসিসি জানিয়েছে, জনস্বার্থে এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ভবিষ্যতেও চলবে।

রাজধানীতে ব্যবসায়ীকে গণপিটুনি, পিস্তল-চাকুসহ পুলিশে সোপর্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে ব্যবসায়ীকে গণপিটুনি, পিস্তল-চাকুসহ পুলিশে সোপর্দ
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের নন্দীপাড়ায় খোরশেদ আলম সোহেল (৪৫) নামের এক ঠিকাদার গণপিটুনির শিকার হয়েছেন। রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে পুলিশ রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তার কাছ থেকে গুলি ভর্তি একটি দেশীয় পিস্তল ও একটি চাকু উদ্ধার করে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানা গেছে, খিলগাঁও পশ্চিম নন্দীপাড়া এলাকার বাসিন্দা খোরশেদ আলম সোহেল পেশায় একজন ইট-বালু সরবরাহকারী ঠিকাদার। তার বাবার নাম আব্দুল আজিজ।

ঘটনাস্থল থেকে সোহেলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন খিলগাঁও থানার সহকারী উপপরিদর্শক মো. ইমরান শেখ।

তিনি বলেন, ‘নন্দীপাড়ায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক যুবককে স্থানীয় লোকজন আটকে রেখে গণধোলাই দিচ্ছেন—এমন খবর পেয়ে তারা সেখানে যান। গিয়ে দেখেন, ৪০ থেকে ৫০ জন মানুষ সোহেলকে ঘিরে রেখেছেন এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছেন।’

এএসআই ইমরান শেখ আরো বলেন, ‘স্থানীয় লোকজনের দাবি, সোহেলের কাছ থেকে গুলি ভর্তি একটি দেশীয় পিস্তল ও চাকু পাওয়া গেছে। সেগুলো আমাদের অপর এক কর্মকর্তা জব্দ করেছেন। আহত অবস্থায় সোহেলকে প্রথমে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দুপুরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’

তবে এই ঘটনাকে পরিকল্পিত হামলা ও হত্যার চেষ্টা বলে দাবি করেছেন খোরশেদ আলম সোহেলের স্ত্রী তারিন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় খোকন, কাওছার, মাসুম ও তাদের বাবার সঙ্গে সোহেলের দীর্ঘদিন ধরে ব্যাবসায়িক বিরোধ চলছিল। তারা আগেও হুমকি দিয়েছেন।

তারিন দাবি করেন, আজ খোকনদের পরিবার পরিকল্পিতভাবে সোহেলকে ডেকে নিয়ে মব সৃষ্টি করে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়। পরে তার কাছে অস্ত্র সাজিয়ে দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

খিলগাঁও থানা-পুলিশ জানিয়েছে, আহত খোরশেদ আলম সোহেল বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পূর্বেও তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে জানিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তদন্ত শেষে এই ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

রাজধানীতে পৃথক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীতে পৃথক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২
প্রতীকী ছবি

রাজধানী ঢাকার শেওড়াপাড়া ও হাতিরঝিলে পৃথক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় একজন আহত হয়েছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেরেবাংলানগর থানার শেওড়াপাড়া সড়কে বাসের ধাক্কায় নিহত হন মোটরসাইকেল রাইডশেয়ার চালক সবুজ রহমান (৩০)। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেকে নিয়ে আসা পথচারী সজিব খান জানান, শেওড়াপাড়া সড়কে হিমালয় পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সবুজের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে বাসের একটি চাকা তার হাতের ওপর দিয়ে চলে যায় এবং মাথায় থাকা হেলমেট ভেঙে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তিনি আরো জানান, দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের আরোহী তেমন আহত হননি।

নিহত সবুজ নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নাটাবাড়ী গ্রামের মশিউর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি মোহাম্মদপুরে থাকতেন। দুর্ঘটনার পর বাসটি এবং এর চালক ও হেলপারকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে, রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে হাতিরঝিলের পুলিশ প্লাজার পেছনের সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী শেখ জায়েদ (২২) নিহত হন। আহত হন মোটরসাইকেলচালক আলআমিন ভূঁইয়া (২১)।

আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক দুপুর সোয়া ২টার দিকে জায়েদকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহত আলআমিন জানান, নিজের মোটরসাইকেলে জায়েদকে নিয়ে তেল নিতে যাওয়ার সময় পেছন থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ধাক্কা দেয়। এতে তারা সড়কে ছিটকে পড়েন।

নিহত জায়েদের ভাই সামির শেখ পরশ জানান, তাদের বাসা রামপুরার টিভি সেন্টার মুক্তি মসজিদ এলাকায়। তার বাবার নাম জামিল শেখ।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, দুই দুর্ঘটনায় নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।