• ই-পেপার

রাজধানীতে ব্যবসায়ীকে গণপিটুনি, পিস্তল-চাকুসহ পুলিশে সোপর্দ

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদে যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে গণপূর্ত অধিদপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সময় উদ্যানের ভেতরে গড়ে ওঠা সব অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদ করে এলাকা পরিষ্কার করা হয়।

অভিযান চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা, গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা নগর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিএসসিসি জানিয়েছে, জনস্বার্থে এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ভবিষ্যতেও চলবে।

রাজধানীতে পৃথক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীতে পৃথক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২
প্রতীকী ছবি

রাজধানী ঢাকার শেওড়াপাড়া ও হাতিরঝিলে পৃথক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় একজন আহত হয়েছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেরেবাংলানগর থানার শেওড়াপাড়া সড়কে বাসের ধাক্কায় নিহত হন মোটরসাইকেল রাইডশেয়ার চালক সবুজ রহমান (৩০)। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেকে নিয়ে আসা পথচারী সজিব খান জানান, শেওড়াপাড়া সড়কে হিমালয় পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সবুজের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে বাসের একটি চাকা তার হাতের ওপর দিয়ে চলে যায় এবং মাথায় থাকা হেলমেট ভেঙে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তিনি আরো জানান, দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের আরোহী তেমন আহত হননি।

নিহত সবুজ নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নাটাবাড়ী গ্রামের মশিউর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি মোহাম্মদপুরে থাকতেন। দুর্ঘটনার পর বাসটি এবং এর চালক ও হেলপারকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে, রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে হাতিরঝিলের পুলিশ প্লাজার পেছনের সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী শেখ জায়েদ (২২) নিহত হন। আহত হন মোটরসাইকেলচালক আলআমিন ভূঁইয়া (২১)।

আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক দুপুর সোয়া ২টার দিকে জায়েদকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহত আলআমিন জানান, নিজের মোটরসাইকেলে জায়েদকে নিয়ে তেল নিতে যাওয়ার সময় পেছন থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ধাক্কা দেয়। এতে তারা সড়কে ছিটকে পড়েন।

নিহত জায়েদের ভাই সামির শেখ পরশ জানান, তাদের বাসা রামপুরার টিভি সেন্টার মুক্তি মসজিদ এলাকায়। তার বাবার নাম জামিল শেখ।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, দুই দুর্ঘটনায় নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

শেওড়াপাড়ায় বাসের ধাক্কায় রাইড শেয়ার চালকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
শেওড়াপাড়ায় বাসের ধাক্কায় রাইড শেয়ার চালকের মৃত্যু
ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীর শেরেবাংলানগর থানাধীন শেওড়াপাড়া এলাকায় বাসের ধাক্কায় সবুজ রহমান (৩০) নামের এক মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার চালক নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত সবুজ নীলফামারী জেলার ডিমলা থানার নাটাবাড়ী গ্রামের মশিউর রহমানের ছেলে। তিনি রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় বসবাস করতেন।

দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও সবুজকে হাসপাতালে নিয়ে আসা পথচারী সজিব খান জানান, রাতে তিনি অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে শেওড়াপাড়ায় নেমে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। সে সময় তিনি দেখতে পান স্থানীয় লোকজনের একটি জটলা। কাছে গিয়ে দেখেন রক্তাক্ত এক ব্যক্তিকে সিএনজিতে তুলে রাখা হয়েছে।

সজিব জানান, সবুজ মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ারিংয়ের কাজ করতেন। শেওড়াপাড়া রোড দিয়ে যাওয়ার সময় ‘হিমালয় পরিবহন’-এর একটি বাস তার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি রাস্তায় পড়ে গেলে বাসের চাকা তার হাতের ওপর দিয়ে চলে যায় এবং মাথায় থাকা হেলমেটটি ভেঙে যায়। তবে এ দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা যাত্রী তেমন কোনো আঘাত পাননি।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট শেরেবাংলানগর থানাকে জানানো হয়েছে।

ঘটনার পরপরই ঘাতক বাসটিকে আটক করা হয়েছে এবং এর চালক ও হেলপারকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ভাটারায় গ্যাস বিস্ফোরণ, নিভে গেল দগ্ধ ফাহিমারও জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক
ভাটারায় গ্যাস বিস্ফোরণ, নিভে গেল দগ্ধ ফাহিমারও জীবন
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর ভাটারায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ফাহিমা আক্তার (২১) নামের আরো একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনায় দগ্ধ একই পরিবারের তিনজনেরই মৃত্যু হলো।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, ফাহিমার শ্বাসনালিসহ শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অবস্থার অবনতি হলে মৃত্যু হয়।

এর আগে একই দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়ে মারা যান ফাহিমার স্বামী আনোয়ার হোসেন শাহীন (২৫) এবং তার আট বছর বয়সী ভাগনি হাফসা আক্তার।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে ভাটারা থানার নতুন বাজার ১০০ ফিট এলাকার একটি বাড়ির নিচতলায় গ্যাস লিকেজ থেকে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘরে থাকা একই পরিবারের তিনজনই মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। পরে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন।

নিহত আনোয়ারের বড় ভাই সোহেল জানান, তাদের বাড়ি কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলায়। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে আনোয়ার ছিলেন সবার ছোট। তিনি একটি কাপড়ের দোকানে কাজ করতেন। ছয় মাস আগে ফাহিমাকে বিয়ে করে ভাটারার ওই বাসায় ভাড়া থাকতে শুরু করেন। দুর্ঘটনার কিছুদিন আগেই তাদের ভাগনি হাফসা বেড়াতে এসেছিল।