• ই-পেপার

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ওপেনএআই মডেল আনল চীনের মুনশট

ভুয়া ভিডিও বানিয়ে শাস্তি, চীনা ব্লগারের ২০ মাসের জেল

অনলাইন ডেস্ক
ভুয়া ভিডিও বানিয়ে শাস্তি, চীনা ব্লগারের ২০ মাসের জেল
ছবিঃ রয়টার্স

চীনে শাওমির বৈদ্যুতিক গাড়ি নিয়ে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে এক ব্লগারকে ২০ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।


শুক্রবার (১৭ জুলাই) চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ওই ব্লগারের নাম গাও। তিনি শাওমির জনপ্রিয় এসইউ৭ ইলেকট্রিক সেডান গাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে মিথ্যা দাবি করেছিলেন।

বেইজিংয়ের হাইদিয়ান জেলা আদালত তাকে পণ্যের সুনাম নষ্ট করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে।

এ ছাড়া তাকে ১ লাখ ইউয়ান জরিমানাও করা হয়েছে।

ঘটনাটি ২০২৪ সালের আগস্টের। গাও ও তার দল একটি দুর্ঘটনা পরীক্ষার ভিডিও প্রকাশ করেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, দুর্ঘটনার পর শাওমির এসইউ৭ গাড়ির দরজা খুলছে না।

গাড়িটির জরুরি কল সিস্টেমও কাজ করছে না বলে দেখানো হয়। এমনকি গাড়ির কেন্দ্রীয় স্ক্রিনও জ্বলছিল না।

ভিডিওটি গাওয়ের ভিডিও শেয়ারিং অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা হয়। ওই অ্যাকাউন্টের প্রায় ১০ লাখ অনুসারী ছিল।

ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। প্রায় ৩০ লাখ মানুষ এটি দেখেন।

তবে আদালত জানায়, ভিডিওটি সাজানো ছিল।

আদালতের মতে, ভিডিও ধারণের আগে গাও ও তার দল গাড়ির সহায়ক ব্যাটারিতে গোপনে কারসাজি করেন।

এ ছাড়া ফর্কলিফটে ক্ষতিগ্রস্ত একটি ব্যাটারির ভিডিও ব্যবহার করে দর্শকদের বিভ্রান্ত করা হয়।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বেইজিং ডেইলির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শাওমি জানিয়েছিল, প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা প্রচার চালানো এক ব্লগার ও তার সহযোগীদের আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য চীনে গাড়ি শিল্পে ভুয়া বিজ্ঞাপন ও অনলাইনে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে সম্প্রতি কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এআই কনটেন্টে কড়া নিয়মে ইন্দোনেশিয়া, বিপাকে গুগল?

অনলাইন ডেস্ক
এআই কনটেন্টে কড়া নিয়মে ইন্দোনেশিয়া, বিপাকে গুগল?
ছবিঃ রয়টার্স

এআই ব্যবহার করে তৈরি কনটেন্ট নিয়ে কড়া নিয়ম করতে যাচ্ছে ইন্দোনেশিয়া। নতুন কপিরাইট আইনে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও বাড়তি দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন খসড়া আইনে এআই ব্যবহার করে তৈরি কনটেন্ট নিয়ে স্পষ্ট নিয়ম রাখা হয়েছে। এআই দিয়ে কোনো কনটেন্ট তৈরি করলে তা জানানো বাধ্যতামূলক হতে পারে।

তবে শুধু এআই দিয়ে তৈরি কোনো কাজ কপিরাইট সুরক্ষা পাবে না।

কপিরাইট পেতে হলে মানুষের সৃজনশীল অবদান থাকতে হবে। অর্থাৎ, কনটেন্ট তৈরিতে মানুষের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকতে হবে।

এআই দিয়ে কোনো স্রষ্টার আলাদা বা বিশেষ সৃষ্টিশৈলী নকল করাও নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

নতুন নিয়মে গুগলের মতো বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানও চাপে পড়তে পারে।

খসড়া আইনে বলা হয়েছে, সংবাদ কনটেন্ট সংগ্রহ, আবার প্রকাশ বা লিংকের প্রিভিউ দেখালে প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মকে অর্থ দিতে হতে পারে।

এআই প্রশিক্ষণে সংবাদ কনটেন্ট ব্যবহার করলেও অর্থ দেওয়ার নিয়ম করা হচ্ছে।

এই অর্থ সংবাদ প্রকাশকদের দেওয়া হবে। তবে তা রাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে থাকা সংগঠনের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।

নিয়ম না মানলে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমনকি ইন্দোনেশিয়ায় তাদের ব্যবসার অনুমতিও বাতিল হতে পারে।

গুগল এরই মধ্যে প্রস্তাবিত নিয়ম নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, অতিরিক্ত কঠোর নিয়ম স্থানীয় কনটেন্ট নির্মাতাদের ক্ষতি করতে পারে।

এ ছাড়া নতুন প্রযুক্তির উন্নয়নও ধীর হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে গুগল।

ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এআইয়ের দ্রুত বিকাশ কপিরাইট ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এনেছে। মানুষের সৃষ্টিশীল কাজ রক্ষায় নতুন নিয়ম প্রয়োজন।

আইনটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। খসড়া নিয়ে আরো মতামত নেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য আইনটি পাস হলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এআইকে সরাসরি কপিরাইট আইনে অন্তর্ভুক্ত করা প্রথম দেশ হতে পারে ইন্দোনেশিয়া।

উড়ন্ত গাড়ির চার্জিং ব্যবস্থা বানাবে হিটাচি ও ইভ

অনলাইন ডেস্ক
উড়ন্ত গাড়ির চার্জিং ব্যবস্থা বানাবে হিটাচি ও ইভ
ছবিঃ রয়টার্স

উড়ন্ত গাড়ির জন্য চার্জিং ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো তৈরি করতে একসঙ্গে কাজ করবে হিটাচি এনার্জি ও ইভ এয়ার মোবিলিটি।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ইভ এয়ার মোবিলিটি বৈদ্যুতিক উড়ন্ত গাড়ি তৈরি করছে। এই গাড়ি সোজা ওপরের দিকে উঠতে পারে। আবার সোজা নিচেও নামতে পারে।

এই ধরনের যানকে বলা হয় ইভিটিওএল। সহজভাবে এটিকে উড়ন্ত গাড়ি বলা হচ্ছে।

চুক্তির আওতায় উড়ন্ত গাড়ির জন্য প্রয়োজনীয় চার্জিং ব্যবস্থা তৈরি করবে দুই প্রতিষ্ঠান। হিটাচি এনার্জি তাদের বৈদ্যুতিক গাড়ির চার্জিং প্রযুক্তি এই উড়ন্ত গাড়ির উপযোগী করে তৈরি করবে।

ইভের ভাইস প্রেসিডেন্ট লুইজ মাওয়াদ বলেন, উড়ন্ত গাড়ি চালুর প্রথম দিন থেকেই পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। কারণ বিদ্যুৎ না থাকলে গাড়িটি আকাশে উঠতে পারবে না।

ব্রাজিলের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এমব্রেয়ারের নিয়ন্ত্রণাধীন ইভের জন্য এটি চার্জিং অবকাঠামো তৈরির প্রথম অংশীদারত্ব।

বর্তমানে ইভের উড়ন্ত গাড়িটির পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন চলছে। ২০২৮ সালে যানটির অনুমোদন পাওয়ার আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

ইভ জানিয়েছে, এরই মধ্যে বিশ্বজুড়ে তাদের উড়ন্ত গাড়ির প্রায় ২ হাজার ৭০০টি আগাম অর্ডার পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, ভবিষ্যতে শহরের ভেতরে দ্রুত যাতায়াতের নতুন পথ তৈরি করতে পারে এই ধরনের উড়ন্ত গাড়ি। তবে এর জন্য শক্তিশালী চার্জিং অবকাঠামো তৈরি করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

আয় কমার শঙ্কায় নেটফ্লিক্সের শেয়ারে ধস

অনলাইন ডেস্ক
আয় কমার শঙ্কায় নেটফ্লিক্সের শেয়ারে ধস
ছবিঃ রয়টার্স

প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল আয় ও রাজস্বের পূর্বাভাস দেওয়ায় নেটফ্লিক্সের শেয়ারে বড় পতন হয়েছে। শুক্রবার বাজার খোলার আগে কম্পানিটির শেয়ারের দাম ৯ দশমিক ২ শতাংশ কমে যায়।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।

টানা দ্বিতীয় প্রান্তিকেও বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার চেয়ে কম আয় ও রাজস্বের পূর্বাভাস দিয়েছে স্ট্রিমিং জায়ান্টটি। এতে নেটফ্লিক্সের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার সক্ষমতা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নেটফ্লিক্স এখন শুধু সাবস্ক্রিপশনের ওপর নির্ভর করছে না। বিজ্ঞাপন, লাইভ কনটেন্ট এবং সাবস্ক্রিপশনের দাম বাড়িয়ে ব্যবহারকারীপ্রতি আয় বাড়ানোর চেষ্টা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে ব্যবহারকারীদের মনোযোগ ধরে রাখতে নেটফ্লিক্সকে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী মিডিয়া প্রতিষ্ঠান ডিজনির পাশাপাশি ইউটিউবের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হচ্ছে তাদের।

বিশ্লেষক জেফরি ওলডারজ্যাক বলেন, নেটফ্লিক্সের বর্তমান ব্যাবসায়িক গল্পে আগের মতো উত্তেজনা নেই। তরুণদের একটি বড় অংশ দীর্ঘ সময়ের ভিডিওর বদলে বিনা মূল্যের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে।

তার মতে, এর ফলে নেটফ্লিক্সে নতুন গ্রাহক বাড়ার গতি কমে যেতে পারে। পরিস্থিতি সামলাতে প্রতিষ্ঠানটি সাবস্ক্রিপশনের দাম আরো বাড়াতে পারে এবং কনটেন্টে বিনিয়োগ বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারে।

এদিকে ২০২৫ সালের জুনে সর্বোচ্চ দামে ওঠার পর নেটফ্লিক্সের শেয়ারের দাম এখন পর্যন্ত ৪৪ শতাংশের বেশি কমেছে।

নেটফ্লিক্স জানিয়েছে, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে দর্শকের দেখার সময়সংক্রান্ত প্রতিবেদন বছরে একবার প্রকাশ করা হবে। আগে এই প্রতিবেদন বছরে দুইবার প্রকাশ করা হতো।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধেও নেটফ্লিক্স নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ কমেনি। বছরের দ্বিতীয়ার্ধে নেটফ্লিক্সের কনটেন্ট তালিকাও গত বছরের তুলনায় দুর্বল হতে পারে। এতে কম্পানিটির প্রবৃদ্ধি নিয়ে শঙ্কা আরো বাড়ছে।