• ই-পেপার

‘দ্য ওডিসি’র প্রচারণায় ভারতে ক্রিস্টোফার নোলান

গৌরীর সঙ্গে সংসার শুরু করা সেই বাড়িটি কিনে নিলেন শাহরুখ

বিনোদন ডেস্ক
গৌরীর সঙ্গে সংসার শুরু করা সেই বাড়িটি কিনে নিলেন শাহরুখ
সংগৃহীত ছবি

বিয়ের পর স্ত্রী গৌরী খানের সঙ্গে দক্ষিণ দিল্লির পঞ্চশীল পার্কের একটি ভাড়া বাড়িতেই নতুন জীবনের সূচনা করেছিলেন শাহরুখ খান। তখনো বলিউডে নিজের অবস্থান গড়ে ওঠেনি তাঁর। জীবনের সেই স্মৃতিবিজড়িত ঠিকানাটিই এবার পুরোপুরি নিজের করে নিলেন বলিউডের ‘কিং খান’।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও মানিকন্ট্রোলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর আগে ভবনটির বেজমেন্ট ও প্রথম তলার মালিক ছিলেন শাহরুখ। সম্প্রতি প্রায় ৩৭ কোটি রুপিতে তিনি দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলাও কিনে নিয়েছেন। এর মাধ্যমে পঞ্চশীল পার্কের পুরো ভবনের মালিকানা এখন তাঁর হাতে।

প্রায় ১ হাজার ২০০ বর্গমিটার জমির ওপর নির্মিত বাড়িটি দক্ষিণ দিল্লির অন্যতম অভিজাত আবাসিক এলাকায় অবস্থিত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই এলাকার জমির আনুমানিক মূল্য প্রতি বর্গফুটে প্রায় ৩৪ হাজার ২৬০ রুপি।

এই বাড়ির গুরুত্ব শুধু আর্থিক মূল্যেই সীমাবদ্ধ নয়, শাহরুখ ও গৌরীর ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গেও এটি গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। ১৯৯১ সালে বিয়ের পর এই বাড়িতেই তাঁদের দাম্পত্য জীবনের শুরু। সে সময় শাহরুখ মুম্বাইয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেননি, আর বলিউডেও প্রতিষ্ঠিত তারকা হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার সংগ্রাম চলছিল।

পরে অভিনয়ের স্বপ্ন নিয়ে মুম্বাইয়ে পাড়ি জমান তিনি। সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর সাফল্যের যাত্রা, যা তাঁকে ভারতীয় সিনেমার অন্যতম বড় সুপারস্টারে পরিণত করে। তবু দিল্লির এই বাড়ি আজও তাঁদের জীবনের শুরুর দিনগুলোর এক মূল্যবান স্মৃতিচিহ্ন হয়ে রয়েছে।

গৌরী খানও বিভিন্ন সময় এই বাড়ির প্রতি নিজের আবেগের কথা জানিয়েছেন। তাঁর ভাষ্যে, পরিবারের সদস্যদের কাছাকাছি থাকার পাশাপাশি অসংখ্য স্মৃতি ধরে রাখার কারণেই বাড়িটি তাঁর কাছে বিশেষ।

এক সাক্ষাৎকারে গৌরী জানিয়েছিলেন, বাড়ির একটি দেয়ালজুড়ে রয়েছে একটি ‘নস্টালজিয়া ওয়াল’। সেখানে সংরক্ষিত আছে ছেলে আরিয়ান খান, মেয়ে সুহানা খান ও ছোট ছেলে আব্রাম খানের শৈশবের নানা স্মারক, শাহরুখের আঁকা ছবি, পুরনো পোস্টকার্ড, সংগ্রহে থাকা বিশেষ স্মৃতিচিহ্ন এবং পরিবারের প্রিয় উপহার।

জয়া-চূর্ণীর অভিনয়ে মুগ্ধ দর্শক, প্রথম দিনেই হাউজফুল ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’

বিনোদন প্রতিবেদক
জয়া-চূর্ণীর অভিনয়ে মুগ্ধ দর্শক, প্রথম দিনেই হাউজফুল ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’
সংগৃহীত ছবি

মুক্তির প্রথম দিনেই দর্শক-সমালোচক উভয় মহলের প্রশংসায় ভাসছে কৌশিক গাঙ্গুলী পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ছবিটি প্রথম দিনেই একাধিক প্রদর্শনীতে হাউজফুল হওয়ার খবর মিলেছে। একই সঙ্গে সিনেমাটি দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন অনেক দর্শক।

মুক্তির দিন কলকাতার ঐতিহ্যবাহী নন্দন প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনী ও দর্শক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা কৌশিক গাঙ্গুলী, অভিনেত্রী চূর্ণী গাঙ্গুলী, বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান এবং সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী। প্রদর্শনী শেষে দর্শকদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন তারা।

সিনেমা শেষ হওয়ার পর অনেক দর্শক আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। কেউ চোখের জল মুছেছেন, কেউ আবার প্রিয় অভিনয়শিল্পীদের জড়িয়ে ধরে ছবিটি তাদের কতটা স্পর্শ করেছে, সেই অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। দর্শকদের এই আবেগঘন প্রতিক্রিয়াকে ছবিটির সাফল্যের ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে চলচ্চিত্রটি দেখে প্রশংসা করেছেন নির্মাতা ইন্দ্রনীল রায়। নিজের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, গত দুই দশক ধরে কৌশিক গাঙ্গুলী বাংলা চলচ্চিত্রে ব্যতিক্রমী মানবিক সম্পর্কের গল্প তুলে ধরেছেন। তবে তাঁর মতে, ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সেই ধারাকেও নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

ইন্দ্রনীল রায়ের কথায়, ছবিটি যেমন বাণিজ্যিকভাবে সফল হওয়ার সব সম্ভাবনা রাখে, তেমনি সমালোচকদের কাছেও সমানভাবে প্রশংসিত হওয়ার যোগ্য। অম্বরীশ, কৌশিক সেন ও ইন্দ্রাশিসসহ প্রতিটি শিল্পীর অভিনয় ছিল সংযত, পরিণত এবং চরিত্রনির্ভর।

ওপারে জয়ার 'আজও অর্ধাঙ্গিনী', অবশেষে মুক্তির খবর

তিনি আরো বলেন, চিত্রগ্রাহক গোপী ভগত, সংগীত পরিচালক দেবজ্যোতি মিশ্র, সম্পাদক অমিত চট্টোপাধ্যায় এবং অনুপম রায়, ইমন চক্রবর্তী ও লগ্নজিতা চক্রবর্তীর সংগীত পুরো চলচ্চিত্রজুড়ে এমন এক আবহ তৈরি করেছে, যার প্রভাব শেষ দৃশ্যের পরও দর্শকের মনে রয়ে যায়।

তবে সবচেয়ে বেশি প্রশংসা কুড়িয়েছেন ছবির দুই প্রধান অভিনেত্রী জয়া আহসান ও চূর্ণী গাঙ্গুলী। 

ইন্দ্রনীল রায়ের মতে, এই দুই অভিনেত্রীর অভিনয়ই ছবিটির সবচেয়ে বড় শক্তি। বিশেষ করে চূর্ণী গাঙ্গুলীর অভিনয়কে তিনি ‘মাস্টারক্লাস’ বলে উল্লেখ করেছেন।

বর্তমান সময়ে অভিনয় নিয়ে সহজেই নানা বিশেষণ ব্যবহারের প্রবণতার সমালোচনা করে ইন্দ্রনীল রায় বলেন, ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ এবং এর দুই প্রধান অভিনেত্রীর অভিনয়ই দর্শকদের মনে করিয়ে দেবে, অসাধারণ অভিনয়ের প্রকৃত মানদণ্ড আসলে কী।

সম্পর্ক, বিচ্ছেদ, স্মৃতি ও মানুষের আবেগের সূক্ষ্ম টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে নির্মিত ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’-তে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান ও চূর্ণী গাঙ্গুলী।

কিয়ারার সাহসী দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে কী বলেছিলেন অভিনেত্রীর স্বামী?

বিনোদন ডেস্ক
কিয়ারার সাহসী দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে কী বলেছিলেন অভিনেত্রীর স্বামী?
সংগৃহীত ছবি

বহুল প্রতীক্ষিত প্যান-ইন্ডিয়া সিনেমা ‘টক্সিক: আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’-এর প্রথম গান ‘তাবাহি’ প্রকাশের পর থেকেই শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। গত বৃহস্পতিবার গানটি মুক্তির পর একদিকে যেমন দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে, অন্যদিকে কিয়ারা আদভানির সাহসী উপস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উঠেছে নানা প্রশ্ন।

এর আগে ছবিটির টিজার প্রকাশের সময়ও কিছু দৃশ্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। অনেকেই অভিযোগ করেছিলেন, সিনেমাটির উপস্থাপনায় অতিরিক্ত যৌন আবেদনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই বিতর্কের মধ্যেই এবার যশের সঙ্গে কিয়ারার ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে নতুন করে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

বিয়ের পর এমন দৃশ্যে অভিনয় করায় কিয়ারাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষের মুখেও পড়তে হয়েছে। তবে এসব সমালোচনায় ভেঙে না পড়ে তিনি পেয়েছেন স্বামী ও অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার পূর্ণ সমর্থন।

When an INSANELY SELFISH guy MADLY FELL FOR SOMEONE…  ❤️‍?❤️‍?❤️‍?????❤️✨???? #Tabaahi #Yash #KiaraAdvani #Toxic

নিউজ এইটিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কিয়ারা জানান, কাজের ক্ষেত্রে সিদ্ধার্থ সবসময় তাঁর পাশে থাকেন এবং নেতিবাচক মন্তব্যকে গুরুত্ব না দেওয়ার পরামর্শ দেন।

সমালোচনার প্রসঙ্গে সিদ্ধার্থ তাঁকে বলেছিলেন, ‘দেখো, এ ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য সব সময়ই থাকবে। তুমি কেন ওদের এত গুরুত্ব দিয়ে ঘরে বসে কান্নাকাটি করছ? তোমার সমস্যাটা কী? তুমি তাদের কাউকেই চেনো না। আর তারাও তোমাকে চেনে না। এসব ব্যাপারে কান দিয়ো না।’

স্বামীর সেই পরামর্শের প্রসঙ্গ টেনে কিয়ারা আরো বলেন, ‘সিদ্ধার্থ বুঝিয়েছিল, এই ভাবনা আমাদেরই বদলাতে হবে। যারা আমাদের সম্পর্কে ভালো কথা বলছে, তাদের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। কিন্তু আমরা নেতিবাচক মন্তব্য নিয়ে বেশি ভাবনাচিন্তা করি।’

গীতু মোহনদাস পরিচালিত ও যশের সঙ্গে যৌথভাবে লেখা ‘টক্সিক: আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’-এ অভিনয় করেছেন যশ, কিয়ারা আদভানি, নয়নতারা, হুমা কুরেশি, রুক্মিণী বসন্ত এবং তারা সুতারিয়া।

আলোচনা ও বিতর্কের মধ্যেই আগামী ২৬ আগস্ট বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে সিনেমাটির।

চার বছর পর গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে মুখ খুললেন পরীমনি

বিনোদন প্রতিবেদক
চার বছর পর গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে মুখ খুললেন পরীমনি
সংগৃহীত ছবি

চার বছর আগে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনাকে জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক অধ্যায় উল্লেখ করে দীর্ঘ বক্তব্য দিয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত্র নায়িকা পরীমনি। 

তিনি দাবি করেছেন, ২০২১ সালের ৪ আগস্ট তাঁকে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে এবং বিশেষ একটি মহলের স্বার্থে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার প্রভাব আজও তাঁর ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পেশাগত জীবনে বহন করতে হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে এসব কথা লেখেন এই অভিনেত্রী।

স্ট্যাটাসে র‍্যাবের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল খাইরুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানিয়ে পরীমনি জানান, সম্প্রতি একটি অনলাইন টক শোতে তাঁর দেওয়া বক্তব্যের মাধ্যমে দেশের মানুষ জানতে পেরেছেন, বনানীর বাসায় দীর্ঘ অভিযানের পর তৎকালীন র‍্যাব মহাপরিচালক ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের নির্দেশে তাঁকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

সোনালি জামদানিতে যেভাবে সাজলেন পরীমনি

সেই ঘটনার স্মৃতিচারণা করে পরীমনি লেখেন, ‘আমার জীবনের একটি অধ্যায় আমাকে একজন শিল্পী হিসেবে, একজন নারী হিসেবে এবং একজন মানুষ হিসেবে গভীরভাবে আঘাত করেছিল। সেই ঘটনার কারণে আমার ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং পেশাগত জীবন—সব কিছুই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

কারাবাসের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি আরো লেখেন, ‘পরবর্তী সময়ে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় আমাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে টানা ২৮ দিন কারাগারে রাখা হয়েছিল। সেই সময়ের অভিজ্ঞতা আমার জীবনকে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপর্যস্ত করেছে, তা আল্লাহ আর আমি ছাড়া পৃথিবীর আর কারো পক্ষে পুরোপুরি বোঝা সম্ভব নয়।’

পরীমনির কথায়, গ্রেপ্তারের দিন থেকে আজ পর্যন্ত তিনি ওই ঘটনার একজন ভুক্তভোগী হিসেবেই জীবন কাটিয়ে যাচ্ছেন। 

কার অপেক্ষায় পরীমনি, ইঙ্গিত দিলেন পোস্টে!

তিনি লেখেন, ‘যেভাবে আমাকে অপদস্থ করা হয়েছে, আমার সম্মান, নৈতিকতা এবং চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বেদনাদায়ক অধ্যায় হয়ে থাকবে।’

রাষ্ট্রের উদ্দেশে একাধিক প্রশ্নও ছুড়ে দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তাঁর ভাষায়, ‘আমার সেই দিনগুলো কি ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব? যে জীবন, যে সম্মান, যে মানসিক শান্তি আমি হারিয়েছি, তা কি আর কখনো ফিরে পাব? মানুষের মনে আমাকে নিয়ে যে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও বিতর্কিত ধারণা তৈরি করা হয়েছে, রাষ্ট্র কি তার দায় নেবে?’

তবে প্রতিশোধ নয়, সত্য ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশার কথাই জানিয়েছেন পরীমনি। তিনি লেখেন, ‘আমি কাউকে ছোট করতে চাই না, কাউকে অপমানও করতে চাই না। আমি শুধু চাই, ভবিষ্যতে আর কোনো নির্দোষ মানুষ যেন এ ধরনের অন্যায়ের শিকার না হন।’

নতুন সিনেমার শুটিংয়ে পরীমনি

স্ট্যাটাসের শেষাংশে কঠিন সময়ে পাশে থাকা পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী, সাংবাদিক এবং ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। 

পরীমনি লেখেন, ‘আমি অতীতের ক্ষত বয়ে বেড়াতে চাই না। আমি সামনে এগিয়ে যেতে চাই। আমি মুক্ত আকাশে পরীর মতো করেই উড়তে চাই। আমার কাজ, আমার সন্তান, আমার পরিবার এবং আমার দর্শকদের ভালোবাসা নিয়েই আমি বাকি জীবন বাঁচতে চাই।’

বলা দরকার, ২০২১ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর বনানীতে নিজ বাসায় অভিযান চালিয়ে পরীমনিকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে র‍্যাব-১-এর কর্মকর্তা মো. মজিবর রহমান বাদী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, অভিনেত্রীর বাসা থেকে বিদেশি মদ, চার গ্রাম আইস (ক্রিস্টাল মেথ) এবং একটি এলএসডি ব্লট উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এ সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

এর আগে, ২০২১ সালের ৮ জুন সাভারের ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন পরীমনি। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পুলিশ নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। 

পরীমনির আইনজীবীর তথ্য অনুযায়ী, মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

অন্যদিকে একই ঘটনার জেরে ২০২২ সালের ১৮ জুলাই পরীমনির বিরুদ্ধে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ঢাকার আদালতে নালিশি মামলা করেন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ। 

তাঁর অভিযোগ, বোট ক্লাবে অ্যালকোহল বিনা মূল্যে দিতে অস্বীকৃতি জানালে পরীমনি তাঁকে গালমন্দ করেন এবং গ্লাস ছুড়ে মারেন। মামলাটিও বর্তমানে বিচারাধীন।