• ই-পেপার

চার বছর পর গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে মুখ খুললেন পরীমনি

‘দ্য ওডিসি’র প্রচারণায় ভারতে ক্রিস্টোফার নোলান

বিনোদন ডেস্ক
‘দ্য ওডিসি’র প্রচারণায় ভারতে ক্রিস্টোফার নোলান
সংগৃহীত ছবি

বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘দ্য ওডিসি’-এর প্রচারণায় প্রথমবারের মতো ভারতে এলেন অস্কারজয়ী নির্মাতা ক্রিস্টোফার নোলান। শুক্রবার (১০ জুলাই) মুম্বাইয়ে আয়োজিত ছবিটির বিশেষ প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন হলিউড তারকা টম হল্যান্ড ও ম্যাট ডেমন।

ছবির প্রদর্শনী শেষে ভারতীয় দর্শকদের উচ্ছ্বসিত প্রতিক্রিয়ায় মুগ্ধ হন নোলান। মঞ্চে উঠে তিনি বলেন, ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রাণবন্ত এবং চলচ্চিত্র সম্পর্কে সবচেয়ে সচেতন দর্শকদের দেশ।

নোলানের ভাষায়, ভারতীয় দর্শকরা বিশ্বের সবচেয়ে জ্ঞানী সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে অন্যতম।

তিনি আরো বলেন, ভারতীয় দর্শকদের সামনে তাঁর নতুন সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনী করতে পেরে তিনি আনন্দিত। কারণ, ‘দ্য ওডিসি’ প্রথমবারের মতো মুম্বাইয়ের দর্শকদের সামনেই প্রদর্শিত হয়েছে এবং তাঁদের প্রতিক্রিয়া তাঁর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

First time launching a film here': Christopher Nolan on 'The ...

ভারতের সঙ্গে নিজের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথাও স্মরণ করেন তিনি। নোলান জানান, এর আগে দুইবার ভারতে শুটিং করেছেন—একবার রাজস্থানের জোধপুরে এবং আরেকবার মুম্বাইয়ে। 

সেই অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিবারই ভারতে এলে এক আলাদা অনুভূতি হয়।

প্রদর্শনী শেষে দর্শকদের উদ্দেশে ছবিটি কেমন লেগেছে জানতে চান নোলান। জবাবে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রেক্ষাগৃহ।

নোলানের পর অভিনেতা টম হল্যান্ডও ভারতীয় দর্শকদের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ভারতের মতো এত প্রাণবন্ত দর্শক আমি খুব কমই দেখেছি। আপনাদের মতো এনার্জি আর কোথাও পাইনি।

হলিউড অভিনেতা ম্যাট ডেমনও ভারতীয় দর্শকদের আন্তরিক অভ্যর্থনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁর ভাষায়, এই অভিজ্ঞতা তাঁদের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

গ্রিক কবি হোমারের কালজয়ী মহাকাব্য অবলম্বনে নির্মিত ‘দ্য ওডিসি’-তে ওডিসিউস চরিত্রে অভিনয় করেছেন ম্যাট ডেমন। ছবিতে আরও রয়েছেন টম হল্যান্ড, অ্যান হ্যাথাওয়ে, রবার্ট প্যাটিনসন, জেনডায়া, লুপিটা নিয়ঙ্গ'ও এবং শার্লিজ থেরনের মতো তারকারা।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আইম্যাক্স প্রযুক্তিতে নির্মিত এই সিনেমাটি মুক্তির আগেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। দর্শক ও সমালোচকদের প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ‘দ্য ওডিসি’-কে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যেই চলছে ব্যাপক আলোচনা।
 

জয়া-চূর্ণীর অভিনয়ে মুগ্ধ দর্শক, প্রথম দিনেই হাউজফুল ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’

বিনোদন প্রতিবেদক
জয়া-চূর্ণীর অভিনয়ে মুগ্ধ দর্শক, প্রথম দিনেই হাউজফুল ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’
সংগৃহীত ছবি

মুক্তির প্রথম দিনেই দর্শক-সমালোচক উভয় মহলের প্রশংসায় ভাসছে কৌশিক গাঙ্গুলী পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ছবিটি প্রথম দিনেই একাধিক প্রদর্শনীতে হাউজফুল হওয়ার খবর মিলেছে। একই সঙ্গে সিনেমাটি দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন অনেক দর্শক।

মুক্তির দিন কলকাতার ঐতিহ্যবাহী নন্দন প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনী ও দর্শক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা কৌশিক গাঙ্গুলী, অভিনেত্রী চূর্ণী গাঙ্গুলী, বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান এবং সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী। প্রদর্শনী শেষে দর্শকদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন তারা।

সিনেমা শেষ হওয়ার পর অনেক দর্শক আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। কেউ চোখের জল মুছেছেন, কেউ আবার প্রিয় অভিনয়শিল্পীদের জড়িয়ে ধরে ছবিটি তাদের কতটা স্পর্শ করেছে, সেই অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। দর্শকদের এই আবেগঘন প্রতিক্রিয়াকে ছবিটির সাফল্যের ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে চলচ্চিত্রটি দেখে প্রশংসা করেছেন নির্মাতা ইন্দ্রনীল রায়। নিজের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, গত দুই দশক ধরে কৌশিক গাঙ্গুলী বাংলা চলচ্চিত্রে ব্যতিক্রমী মানবিক সম্পর্কের গল্প তুলে ধরেছেন। তবে তাঁর মতে, ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সেই ধারাকেও নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

ইন্দ্রনীল রায়ের কথায়, ছবিটি যেমন বাণিজ্যিকভাবে সফল হওয়ার সব সম্ভাবনা রাখে, তেমনি সমালোচকদের কাছেও সমানভাবে প্রশংসিত হওয়ার যোগ্য। অম্বরীশ, কৌশিক সেন ও ইন্দ্রাশিসসহ প্রতিটি শিল্পীর অভিনয় ছিল সংযত, পরিণত এবং চরিত্রনির্ভর।

ওপারে জয়ার 'আজও অর্ধাঙ্গিনী', অবশেষে মুক্তির খবর

তিনি আরো বলেন, চিত্রগ্রাহক গোপী ভগত, সংগীত পরিচালক দেবজ্যোতি মিশ্র, সম্পাদক অমিত চট্টোপাধ্যায় এবং অনুপম রায়, ইমন চক্রবর্তী ও লগ্নজিতা চক্রবর্তীর সংগীত পুরো চলচ্চিত্রজুড়ে এমন এক আবহ তৈরি করেছে, যার প্রভাব শেষ দৃশ্যের পরও দর্শকের মনে রয়ে যায়।

তবে সবচেয়ে বেশি প্রশংসা কুড়িয়েছেন ছবির দুই প্রধান অভিনেত্রী জয়া আহসান ও চূর্ণী গাঙ্গুলী। 

ইন্দ্রনীল রায়ের মতে, এই দুই অভিনেত্রীর অভিনয়ই ছবিটির সবচেয়ে বড় শক্তি। বিশেষ করে চূর্ণী গাঙ্গুলীর অভিনয়কে তিনি ‘মাস্টারক্লাস’ বলে উল্লেখ করেছেন।

বর্তমান সময়ে অভিনয় নিয়ে সহজেই নানা বিশেষণ ব্যবহারের প্রবণতার সমালোচনা করে ইন্দ্রনীল রায় বলেন, ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ এবং এর দুই প্রধান অভিনেত্রীর অভিনয়ই দর্শকদের মনে করিয়ে দেবে, অসাধারণ অভিনয়ের প্রকৃত মানদণ্ড আসলে কী।

সম্পর্ক, বিচ্ছেদ, স্মৃতি ও মানুষের আবেগের সূক্ষ্ম টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে নির্মিত ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’-তে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান ও চূর্ণী গাঙ্গুলী।

কিয়ারার সাহসী দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে কী বলেছিলেন অভিনেত্রীর স্বামী?

বিনোদন ডেস্ক
কিয়ারার সাহসী দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে কী বলেছিলেন অভিনেত্রীর স্বামী?
সংগৃহীত ছবি

বহুল প্রতীক্ষিত প্যান-ইন্ডিয়া সিনেমা ‘টক্সিক: আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’-এর প্রথম গান ‘তাবাহি’ প্রকাশের পর থেকেই শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। গত বৃহস্পতিবার গানটি মুক্তির পর একদিকে যেমন দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে, অন্যদিকে কিয়ারা আদভানির সাহসী উপস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উঠেছে নানা প্রশ্ন।

এর আগে ছবিটির টিজার প্রকাশের সময়ও কিছু দৃশ্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। অনেকেই অভিযোগ করেছিলেন, সিনেমাটির উপস্থাপনায় অতিরিক্ত যৌন আবেদনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই বিতর্কের মধ্যেই এবার যশের সঙ্গে কিয়ারার ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে নতুন করে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

বিয়ের পর এমন দৃশ্যে অভিনয় করায় কিয়ারাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষের মুখেও পড়তে হয়েছে। তবে এসব সমালোচনায় ভেঙে না পড়ে তিনি পেয়েছেন স্বামী ও অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার পূর্ণ সমর্থন।

When an INSANELY SELFISH guy MADLY FELL FOR SOMEONE…  ❤️‍?❤️‍?❤️‍?????❤️✨???? #Tabaahi #Yash #KiaraAdvani #Toxic

নিউজ এইটিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কিয়ারা জানান, কাজের ক্ষেত্রে সিদ্ধার্থ সবসময় তাঁর পাশে থাকেন এবং নেতিবাচক মন্তব্যকে গুরুত্ব না দেওয়ার পরামর্শ দেন।

সমালোচনার প্রসঙ্গে সিদ্ধার্থ তাঁকে বলেছিলেন, ‘দেখো, এ ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য সব সময়ই থাকবে। তুমি কেন ওদের এত গুরুত্ব দিয়ে ঘরে বসে কান্নাকাটি করছ? তোমার সমস্যাটা কী? তুমি তাদের কাউকেই চেনো না। আর তারাও তোমাকে চেনে না। এসব ব্যাপারে কান দিয়ো না।’

স্বামীর সেই পরামর্শের প্রসঙ্গ টেনে কিয়ারা আরো বলেন, ‘সিদ্ধার্থ বুঝিয়েছিল, এই ভাবনা আমাদেরই বদলাতে হবে। যারা আমাদের সম্পর্কে ভালো কথা বলছে, তাদের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। কিন্তু আমরা নেতিবাচক মন্তব্য নিয়ে বেশি ভাবনাচিন্তা করি।’

গীতু মোহনদাস পরিচালিত ও যশের সঙ্গে যৌথভাবে লেখা ‘টক্সিক: আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’-এ অভিনয় করেছেন যশ, কিয়ারা আদভানি, নয়নতারা, হুমা কুরেশি, রুক্মিণী বসন্ত এবং তারা সুতারিয়া।

আলোচনা ও বিতর্কের মধ্যেই আগামী ২৬ আগস্ট বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে সিনেমাটির।

টম হলান্ডের প্রশংসায় অ্যান হ্যাথাওয়ে

‘পর্দার সন্তানের মতোই চমৎকার মানুষ হোক আমার সন্তানরা’

অনলাইন ডেস্ক
‘পর্দার সন্তানের মতোই চমৎকার মানুষ হোক আমার সন্তানরা’

পর্দায় যে তার ছেলে, বাস্তবজীবনেও নিজের সন্তানরা যেন তার মতোই গুণী আর দয়ালু হয়ে ওঠে—এমনটাই আশা করছেন হলিউড তারকা অ্যান হ্যাথাওয়ে। বিখ্যাত নির্মাতা ক্রিস্টোফার নোলানের আগামী মহাকাব্যিক চলচ্চিত্র ‘দ্য ওডিসি’-তে জনপ্রিয় অভিনেতা টম হলান্ডের মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করছেন হ্যাথাওয়ে। সম্প্রতি এক যৌথ সাক্ষাৎকারে ৩০ বছর বয়সী সহ-অভিনেতা হলান্ডের ভূয়সী প্রশংসা করে নিজের এই ইচ্ছার কথা জানান ৪৩ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী।

সিটিভি-এর ‘ই-টক’-কে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে হ্যাথাওয়ে বলেন, ‘বাস্তবজীবনের একজন মা হিসেবে আমি মনেপ্রাণে আশা করি, আমার সব সন্তান বড় হয়ে যেন আমার এই পর্দার সন্তানের মতোই চমৎকার মানুষ হয়। টম আসলে এক স্বপ্নের ছেলে।’ পাশে বসে পর্দার মায়ের মুখে এমন প্রশংসা শুনে হলান্ড হাসতে হাসতে নিজের হাতের পানীয়ই প্রায় ফেলে দিচ্ছিলেন।

হোমারের বিখ্যাত মহাকাব্যের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হচ্ছে নোলানের এই নতুন সিনেমা, যেখানে ট্রোজান যুদ্ধের পর রাজা ওডিসিউসের দশ বছরের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের গল্প তুলে ধরা হবে। সিনেমাটিতে ওডিসিউসের চরিত্রে অভিনয় করছেন ম্যাট ডেমন এবং তার ছেলে ‘টেলেমাকাস’ ও স্ত্রী ‘পেনেলোপি’র চরিত্রে যথাক্রমে দেখা যাবে টম হল্যান্ড ও অ্যান হ্যাথাওয়েকে। 

অ্যান হ্যাথাওয়ে সম্প্রতি এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টের মাধ্যমে ভক্তদের সুখবর দিয়েছেন যে, তিনি ও তার স্বামী অ্যাডাম শুলম্যান তাদের তৃতীয় সন্তানের বাবা-মা হতে চলেছেন। এই তারকা দম্পতির ঘরে ইতিমধ্যেই জোনাথন (১০) ও জ্যাক (৬) নামে দুটি ছেলে রয়েছে। সহ-অভিনেতা টম হল্যান্ডের প্রতি দারুণ অনুরাগ থাকলেও, নিজের সন্তানদের খুব অল্প বয়সে রুপালি পর্দায় নিয়ে আসার একেবারে পক্ষে নন হ্যাথাওয়ে। তিনি জানান, শৈশব জীবনে একবারই আসে। তাই তিনি চান তার সন্তানরা আগে পড়াশোনা করুক, ক্লাসে যাক এবং কলেজ শেষ করে নিজেদের পরিণত বয়সে গিয়ে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিক।