• ই-পেপার

টম হলান্ডের প্রশংসায় অ্যান হ্যাথাওয়ে

‘পর্দার সন্তানের মতোই চমৎকার মানুষ হোক আমার সন্তানরা’

কিয়ারার সাহসী দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে কী বলেছিলেন অভিনেত্রীর স্বামী?

বিনোদন ডেস্ক
কিয়ারার সাহসী দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে কী বলেছিলেন অভিনেত্রীর স্বামী?
সংগৃহীত ছবি

বহুল প্রতীক্ষিত প্যান-ইন্ডিয়া সিনেমা ‘টক্সিক: আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’-এর প্রথম গান ‘তাবাহি’ প্রকাশের পর থেকেই শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। গত বৃহস্পতিবার গানটি মুক্তির পর একদিকে যেমন দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে, অন্যদিকে কিয়ারা আদভানির সাহসী উপস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উঠেছে নানা প্রশ্ন।

এর আগে ছবিটির টিজার প্রকাশের সময়ও কিছু দৃশ্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। অনেকেই অভিযোগ করেছিলেন, সিনেমাটির উপস্থাপনায় অতিরিক্ত যৌন আবেদনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই বিতর্কের মধ্যেই এবার যশের সঙ্গে কিয়ারার ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে নতুন করে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

বিয়ের পর এমন দৃশ্যে অভিনয় করায় কিয়ারাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষের মুখেও পড়তে হয়েছে। তবে এসব সমালোচনায় ভেঙে না পড়ে তিনি পেয়েছেন স্বামী ও অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার পূর্ণ সমর্থন।

When an INSANELY SELFISH guy MADLY FELL FOR SOMEONE…  ❤️‍?❤️‍?❤️‍?????❤️✨???? #Tabaahi #Yash #KiaraAdvani #Toxic

নিউজ এইটিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কিয়ারা জানান, কাজের ক্ষেত্রে সিদ্ধার্থ সবসময় তাঁর পাশে থাকেন এবং নেতিবাচক মন্তব্যকে গুরুত্ব না দেওয়ার পরামর্শ দেন।

সমালোচনার প্রসঙ্গে সিদ্ধার্থ তাঁকে বলেছিলেন, ‘দেখো, এ ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য সব সময়ই থাকবে। তুমি কেন ওদের এত গুরুত্ব দিয়ে ঘরে বসে কান্নাকাটি করছ? তোমার সমস্যাটা কী? তুমি তাদের কাউকেই চেনো না। আর তারাও তোমাকে চেনে না। এসব ব্যাপারে কান দিয়ো না।’

স্বামীর সেই পরামর্শের প্রসঙ্গ টেনে কিয়ারা আরো বলেন, ‘সিদ্ধার্থ বুঝিয়েছিল, এই ভাবনা আমাদেরই বদলাতে হবে। যারা আমাদের সম্পর্কে ভালো কথা বলছে, তাদের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। কিন্তু আমরা নেতিবাচক মন্তব্য নিয়ে বেশি ভাবনাচিন্তা করি।’

গীতু মোহনদাস পরিচালিত ও যশের সঙ্গে যৌথভাবে লেখা ‘টক্সিক: আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’-এ অভিনয় করেছেন যশ, কিয়ারা আদভানি, নয়নতারা, হুমা কুরেশি, রুক্মিণী বসন্ত এবং তারা সুতারিয়া।

আলোচনা ও বিতর্কের মধ্যেই আগামী ২৬ আগস্ট বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে সিনেমাটির।

চার বছর পর গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে মুখ খুললেন পরীমনি

বিনোদন প্রতিবেদক
চার বছর পর গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে মুখ খুললেন পরীমনি
সংগৃহীত ছবি

চার বছর আগে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনাকে জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক অধ্যায় উল্লেখ করে দীর্ঘ বক্তব্য দিয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত্র নায়িকা পরীমনি। 

তিনি দাবি করেছেন, ২০২১ সালের ৪ আগস্ট তাঁকে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে এবং বিশেষ একটি মহলের স্বার্থে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার প্রভাব আজও তাঁর ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পেশাগত জীবনে বহন করতে হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে এসব কথা লেখেন এই অভিনেত্রী।

স্ট্যাটাসে র‍্যাবের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল খাইরুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানিয়ে পরীমনি জানান, সম্প্রতি একটি অনলাইন টক শোতে তাঁর দেওয়া বক্তব্যের মাধ্যমে দেশের মানুষ জানতে পেরেছেন, বনানীর বাসায় দীর্ঘ অভিযানের পর তৎকালীন র‍্যাব মহাপরিচালক ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের নির্দেশে তাঁকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

সোনালি জামদানিতে যেভাবে সাজলেন পরীমনি

সেই ঘটনার স্মৃতিচারণা করে পরীমনি লেখেন, ‘আমার জীবনের একটি অধ্যায় আমাকে একজন শিল্পী হিসেবে, একজন নারী হিসেবে এবং একজন মানুষ হিসেবে গভীরভাবে আঘাত করেছিল। সেই ঘটনার কারণে আমার ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং পেশাগত জীবন—সব কিছুই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

কারাবাসের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি আরো লেখেন, ‘পরবর্তী সময়ে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় আমাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে টানা ২৮ দিন কারাগারে রাখা হয়েছিল। সেই সময়ের অভিজ্ঞতা আমার জীবনকে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপর্যস্ত করেছে, তা আল্লাহ আর আমি ছাড়া পৃথিবীর আর কারো পক্ষে পুরোপুরি বোঝা সম্ভব নয়।’

পরীমনির কথায়, গ্রেপ্তারের দিন থেকে আজ পর্যন্ত তিনি ওই ঘটনার একজন ভুক্তভোগী হিসেবেই জীবন কাটিয়ে যাচ্ছেন। 

কার অপেক্ষায় পরীমনি, ইঙ্গিত দিলেন পোস্টে!

তিনি লেখেন, ‘যেভাবে আমাকে অপদস্থ করা হয়েছে, আমার সম্মান, নৈতিকতা এবং চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বেদনাদায়ক অধ্যায় হয়ে থাকবে।’

রাষ্ট্রের উদ্দেশে একাধিক প্রশ্নও ছুড়ে দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তাঁর ভাষায়, ‘আমার সেই দিনগুলো কি ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব? যে জীবন, যে সম্মান, যে মানসিক শান্তি আমি হারিয়েছি, তা কি আর কখনো ফিরে পাব? মানুষের মনে আমাকে নিয়ে যে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও বিতর্কিত ধারণা তৈরি করা হয়েছে, রাষ্ট্র কি তার দায় নেবে?’

তবে প্রতিশোধ নয়, সত্য ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশার কথাই জানিয়েছেন পরীমনি। তিনি লেখেন, ‘আমি কাউকে ছোট করতে চাই না, কাউকে অপমানও করতে চাই না। আমি শুধু চাই, ভবিষ্যতে আর কোনো নির্দোষ মানুষ যেন এ ধরনের অন্যায়ের শিকার না হন।’

নতুন সিনেমার শুটিংয়ে পরীমনি

স্ট্যাটাসের শেষাংশে কঠিন সময়ে পাশে থাকা পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী, সাংবাদিক এবং ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। 

পরীমনি লেখেন, ‘আমি অতীতের ক্ষত বয়ে বেড়াতে চাই না। আমি সামনে এগিয়ে যেতে চাই। আমি মুক্ত আকাশে পরীর মতো করেই উড়তে চাই। আমার কাজ, আমার সন্তান, আমার পরিবার এবং আমার দর্শকদের ভালোবাসা নিয়েই আমি বাকি জীবন বাঁচতে চাই।’

বলা দরকার, ২০২১ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর বনানীতে নিজ বাসায় অভিযান চালিয়ে পরীমনিকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে র‍্যাব-১-এর কর্মকর্তা মো. মজিবর রহমান বাদী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, অভিনেত্রীর বাসা থেকে বিদেশি মদ, চার গ্রাম আইস (ক্রিস্টাল মেথ) এবং একটি এলএসডি ব্লট উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এ সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

এর আগে, ২০২১ সালের ৮ জুন সাভারের ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন পরীমনি। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পুলিশ নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। 

পরীমনির আইনজীবীর তথ্য অনুযায়ী, মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

অন্যদিকে একই ঘটনার জেরে ২০২২ সালের ১৮ জুলাই পরীমনির বিরুদ্ধে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ঢাকার আদালতে নালিশি মামলা করেন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ। 

তাঁর অভিযোগ, বোট ক্লাবে অ্যালকোহল বিনা মূল্যে দিতে অস্বীকৃতি জানালে পরীমনি তাঁকে গালমন্দ করেন এবং গ্লাস ছুড়ে মারেন। মামলাটিও বর্তমানে বিচারাধীন।

বিয়ের আয়োজনে বড় অঙ্কের সরকারি ফি দিলেন টেইলর সুইফট

অনলাইন ডেস্ক
বিয়ের আয়োজনে বড় অঙ্কের সরকারি ফি দিলেন টেইলর সুইফট

বিশ্বখ্যাত পপ সুপারস্টার টেইলর সুইফট ও এনএফএল তারকা ট্র্যাভিস কেলসির বিয়ের আয়োজন সফল করতে বড় অংকের অর্থ গুনতে হয়েছে এই তারকা জুটিকে। গত সপ্তাহে ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত এই হাই-প্রোফাইল বিয়ের অনুষ্ঠান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য নিউইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষকে ১ লাখ ৬০ হাজার ডলারেরও (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা) বেশি ফি পরিশোধ করেছেন সুইফট।

শুক্রবার (১০ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মেয়র জানান, অনুষ্ঠানের ঠিক কয়েকদিন আগেই এই বিশেষ ইভেন্ট পারমিটটি চূড়ান্ত করা হয়েছিল। টেইলর সুইফট ইতোমধ্যে এই পুরো অর্থ পরিশোধ করে দিয়েছেন, যা মূলত অনুষ্ঠানের সময় শহর কর্তৃপক্ষের দেওয়া অতিরিক্ত পরিষেবা ও নিরাপত্তার খরচ হিসেবে ধরা হয়েছে।

সুপারস্টার জুটির এই বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয় গত ৩ জুলাই, যা পরিচালনা করেন বিখ্যাত অভিনেতা ও কৌতুকশিল্পী অ্যাডাম স্যান্ডলার। জমকালো এই আয়োজনে প্রায় এক হাজারেরও বেশি অতিথি উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিতদের মধ্যে অভিনেতা হিউ গ্র্যান্ট, ইথান হক, জেসন সুডেইকিস, গায়ক বেনসন বুন এবং এনএফএল তারকা ক্রিস জোনস ও কুপার কাপসহ অসংখ্য মার্কিন তারকাকে ব্ল্যাক-টাই পোশাকে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেখা যায়। 

এই বিয়ের নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ (এনওয়াইপিডি) কয়েকজন কর্মকর্তা মোতায়েন করেছিল। এনওয়াইপিডি কমিশনার জেসিকা টিশ জানান, অনুষ্ঠানটির জন্য একটি বিশেষ নিরাপত্তা দল প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। নিরাপত্তার স্বার্থে ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনের আশেপাশের রাস্তা কয়েক দিনের জন্য বন্ধ রাখা হয় এবং ময়নিহান ট্রেন হল ও পেন স্টেশনের মতো ব্যস্ততম পাবলিক ট্রানজিটের প্রবেশপথও সীমিত করা হয়েছিল।

বিয়ের এই মহা-আয়োজনের পাশাপাশি মানবিকতায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এই নবদম্পতি। বিয়ের আগে কেলসি ও সুইফট বিভিন্ন দাতব্য সংস্থাকে মোট ২৬ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩০০ কোটি টাকা) দান করেছেন, যা সুইফটের প্রতিনিধি নিশ্চিত করেছেন। এই অনুদানের একটি বড় অংশ পেয়েছে নিউ ইয়র্কের ‘অ্যানসার দ্য কল’ নামক একটি প্রতিষ্ঠান, যারা কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত পুলিশ ও দমকলকর্মীদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।

জন্মদিনে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ চমকের, রোপণ করলেন ৩০০ গাছ

বিনোদন প্রতিবেদক
জন্মদিনে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ চমকের, রোপণ করলেন ৩০০ গাছ
সংগৃহীত ছবি

জন্মদিন মানেই কেক কাটা, উৎসব কিংবা জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের প্রচলিত ধারণা থেকে বেরিয়ে এক ভিন্ন বার্তা দিলেন অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর রুকাইয়া জাহান চমক। ৩০তম জন্মদিন উপলক্ষে তিনি বিশ্বঐতিহ্য সুন্দরবনে ৩০০টি গাছ রোপণ করেছেন।

গত ৮ জুলাই প্রকৃতির সান্নিধ্যে জন্মদিন উদযাপন করেন এই অভিনেত্রী। পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়ে নেওয়া এই উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি ব্যক্তিগত আনন্দকে সামাজিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে যুক্ত করেছেন।

চমকের কথায়, ৩০ বছরে পা রাখার স্মারক হিসেবেই ৩০০টি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করেন তিনি। তবে এটি শুধু সংখ্যার মিল নয়, বরং প্রকৃতির প্রতি নিজের দায়বদ্ধতার প্রতীক।

তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই প্রকৃতির অংশ। পরিবেশের যত কাছাকাছি থাকা যায়, জীবন তত সুন্দর হয়। একটা সময় পর শহরের ইট-পাথর আর ভালো লাগবে না। মানুষ যত শহর ছেড়ে প্রকৃতির দিকে ফিরবে, জীবন তত অর্থবহ হবে।’

বিভিন্ন কারণে সুন্দরবনের আয়তন কমে আসছে, বন্যপ্রাণীরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানান চমক। এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার মাধ্যমে সবাইকে পরিবেশ ও সুন্দরবন রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।